ভরাট গলায় ভাব নিয়ে ফোন, অবশেষে ধরা ভুয়া এমপি

অনলাইন ডেস্ক

ভরাট গলায় ভাব নিয়ে ফোন, অবশেষে ধরা ভুয়া এমপি

‘আমি এলাকার এমপি বলছি। একটা কাজে ফোন করেছি। কাজটি করে দেবেন।' আদৌ তিনি এমপি নন। কিন্তু ভরাট গলায় ভাবটা ভালোই নিতেন। 

শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা খেলেন ভুয়া এমপি। তার সাথে ছিল আরেক নারী সহযোগীও। ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন তারা।

প্রতারক এমপির নাম জহির উদ্দিন বাবুল (৫৫)। ডিবি পুলিশ তাকে ঢাকার ফকিরাপুল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে। আটক নারীর নাম গুলশান আরা বেগম। তার বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার সাহুদকোনা গ্রামে।

ডিবির ওসি শাহ কামাল জানান, চাকরির কথা বলে আটককৃত নারী গুলশান আরা বেগম চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে ব্যাংকের চেক নিতেন। আর জহির উদ্দিন বাবুল এমপি পরিচয়ে বিভিন্ন জায়গায় তদবির করতেন। সম্প্রতি ময়মনসিংহে একাধিক ব্যক্তি এদের হাতে প্রতারিত হওয়ার পর পুলিশের কাছে অভিযোগ করে। পরে ডিবি পুলিশ চক্রটিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে।

কোতোয়ালি থানায় এ বিষয়ে গতকাল বুধবার একটি মামলা দায়ের হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। প্রতারণার শিকার একজন চাকরিপ্রার্থী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

আরও পড়ুন:


রমনার বটমূলে বোমা হামলা: ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি ২৪ অক্টোবর

নুসরাতের ‘প্রাক্তন স্বামী’ নিখিলের সঙ্গে দুই নায়িকার প্রেমের গুঞ্জন

রহস্যের জট খুলছে, একাই বাবা-মা-বোনকে হত্যা করে মেহজাবিন‍!

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট বেনিগনো অ্যাকুইনো মারা গেছেন


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ইমাম সঙ্গে গৃহবধূর অবৈধ সম্পর্ক, রাতভর বেঁধে রাখল গ্রামবাসী

অনলাইন ডেস্ক

ইমাম সঙ্গে গৃহবধূর অবৈধ সম্পর্ক, রাতভর বেঁধে রাখল গ্রামবাসী

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভবানীপুর (ভাটোপাড়া) গ্রামে এলাকাবাসী এক ইমাম (২৮) ও গৃহবধূকে আটক করেছে। তাদের দাবি, ইমামকে ওই গৃহবধূর সঙ্গে গভীর রাতে পাওয়া যায়। গত রোববার দিবাগত রাত একটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আটক যুবক ওই গ্রামের মসজিদের ইমাম ও নারী মসজিদের পাশের এক আনসার সদস্যের স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননী।

গ্রামবাসীর দুজনকে সারা রাত সড়কের পাশে বিদ্যুতের খুঁটিতে দড়ি দিয়ে একসঙ্গে বেঁধে রাখে। এ নিয়ে গ্রামের কিছু সচেতন মানুষ প্রতিবাদ করলে সকালে তাদের বাঁধন খুলে দেওয়া হয়। তবে দুজনকেই এলাকাবাসী তাদের হেফাজতে আটক রাখে। পরে পুলিশ এসে থানায় নিয়ে যায়। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অবিবাহিত ইমামের বাড়ি পার্শ্ববর্তী চাটমোহর উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা গ্রামে। সে ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর উপজেলার একাধিক মসজিদে ইমামতি করেছে। 

এর আগে সে ফরিদপুর উপজেলার বিএলবাড়ি গ্রামের একটি মসজিদে থাকার সময় একই অভিযোগে চাকরি হারায়। পরে ভাঙ্গুড়া উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে এসে যোগদান করে। এরপর সে মসজিদের পাশের এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলে। ওই গৃহবধূর স্বামী একজন আনসার সদস্য ও ঢাকায় চাকরি করে।

এমতাবস্থায় ওই ইমাম রোববার রাতে ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করলে একজন প্রতিবেশী টের পায়। তখন ওই ব্যক্তি পাড়ার অন্য মানুষকে ডেকে গৃহবধূর বাড়িতে প্রবেশ করে তাদের দুজনকে আটক করে সড়কের পাশের একটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে। 

সকালে সেখানে গ্রামবাসী জড়ো হলে অনেকেই ওই গৃহবধূকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখার প্রতিবাদ করে। এতে তাদের দড়ির বাঁধন খুলে দিয়ে গৃহবধূকে এক বাড়িতে এবং ইমামকে মসজিদের ওজুখানায় আটকে রাখা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভবানীপুর গ্রামের ইউপি সদস্য আবদুল মাজেদ বলেন, এলাকার মানুষ অবৈধ মেলামেশার সময় মসজিদের ইমাম ও এক গৃহবধূকে আটক করে বেঁধে রেখেছিল। পরে আমিসহ গ্রামপ্রধানরা ঘটনাস্থলে এসে তাদের বাঁধন ছেড়ে দিয়ে একটি বাড়িতে আটকে রাখি। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। এখন চেয়ারম্যান ও পুলিশ এসে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়সাল বিন আহসান বলেন, ঘটনাটি শুনে একজন অফিসার পাঠানো হয়েছে। অফিসার ফিরলে এর বিস্তারিত জানা যাবে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।

আরও পড়ুন:


বাড়ানো হয়েছে লঞ্চ চলাচলের সময়

এবার পর্নোগ্রাফি শুটিংয়ের অভিযোগে অভিনেত্রী গ্রেপ্তার

সাকিবের সামনে রেকর্ড গড়ার হাতছানি, যেখানে তিনিই হবেন প্রথম

চিত্রনায়িকা একার বিরুদ্ধে হাতিরঝিল থানায় দুই মামলা


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

বড়াইগ্রামে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত আটক

নাটোর প্রতিনিধি

বড়াইগ্রামে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত আটক

নাটোরের বড়াইগ্রামে পাঁচ বছর বয়সের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার সকালে উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার গুণাইহাটি মধ্যপাড়া মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। 

এ ঘটনায় অভিযুক্ত আরিফুর রহমান জয় (১৯) কে আটক করেছে পুলিশ। আটক আরিফুর রহমান গুণাইহাটি মহল্লার আসলাম হোসেনের ছেলে। বনপাড়া পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর জিয়াউরর রহমান জানান, শনিবার সকালে শিশুটি বাড়ির বাইরে খেলা করছিল। 

এ সময় প্রতিবেশী যুবক আরিফুর রহমান জয় তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। পরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় মেয়েটির কান্না শুনে তার মা এগিয়ে এলে লম্পট জয় দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  

এ ব্যাপারে বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর রাশিদুল ইসলাম বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে জানান, এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ দুপুরে তাকে আটক করেছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:


দেশে একদিনে করোনায় মৃত্যু বাড়ল

দক্ষিণের পথে পথে ঢাকামুখি মানুষের স্রোত

বগুড়ায় করোনা ও উপসর্গে ৯ জনের মৃত্যু

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ১২ দিন পর চালু


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

এক গার্মেন্টস কর্মীর ইজ্জতের মূল্য ৮৫ হাজার টাকা!

আব্দুর রশিদ শাহ্, নীলফামারী :

এক গার্মেন্টস কর্মীর ইজ্জতের মূল্য ৮৫ হাজার টাকা!

নীলফামারী সদর উপজেলায় এক নারী গার্মেন্টস কর্মীর ইজ্জতের মূল্য মাত্র ৮৫ হাজার টাকায় ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে গোপনে মীমাংসা করেছে স্থানীয় মাতব্বররা। এই ঘটনাটি উপজেলার কুন্দুপুকুর ইউনিয়ন সরকার পাড়া ও পৌরসভার দক্ষিণ হাড়োয়া ফকিরগঞ্জ এলাকায়। 

প্রেমের ফাঁদে পড়ে প্রেমিকের মিথ্যে বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক মেলামেশা করায় অন্তঃসত্বা হয়। এই অবৈধ সন্তানকে নষ্ট করে বিয়ে করবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয় প্রেমিক। তার কথার ভিত্তিতে টেবলেট খাওয়ানো হয় প্রেমিকাকে। খাওয়ার পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে ১৬ বছরের ওই গার্মেন্টস কর্মী। 

ওই তরুণী দীর্ঘদিন যাবত নীলফামারী পৌর শহরে এভারগ্রীন নামে এক কোম্পানীতে ওয়ার্কার হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।

একই কোম্পানীতে কাজ করতেন পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড দক্ষিণ হাড়োয়া ফকিরগঞ্জ এলাকার মৃত. তফিল উদ্দিনের ছেলে আবুল কালাম আজাদ (২৩)। সেখানেই তাদের পরিচয়, অল্পদিনের মধ্যে গড়ে উঠে দুজনের প্রেমের সম্পর্ক। মন দেয়া নেয়ার একপর্যায়ে তারা শারীরিক মেলামেশা হয়। 

যার ফলে গর্ভে সন্তান আসে। সেটা নষ্ট করলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন ওই তরুণী। প্রতিবেশীদের সহযোগীতায় গত ২২ জুলাই নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং দুইদিন চিকিৎসা নেয়ার পর বাড়িতে চলে যায়। 

গোঁপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২৮ জুলাই) সরেজমিনে গেলে কথা হয় ধর্ষিতা ও তার পরিবারের লোকজনের সাথে। ধর্ষিতা ওই তরুণী জানান, আবুল কালামসহ এক কারখানায় কাজ করতাম। অল্প কয়েকদিনের ব্যবধানে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। 

ধর্ষিতা তরুণী আরও জানান, ঈদের দুদিন আগে (অর্থাৎ ১৯ জুলাই) রাতে আমার বাড়ির পাশে বাঁশঝাড়ে ডেকে নেয় সে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমার সাথে শারীরিক মেলামেশা করে। পরে রাতে আমাকে টেবলেট খাওয়ানো হয়। এতে আমার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে আমি অসুস্থ্য হই, এরপর আর কিছুই বলতে পারি না। এ ঘটনায় ন্যায় বিচারের দাবি জানিয়েছে ধর্ষিতার পরিবার। 

ধর্ষকের সাথে বিয়ে হওয়ার কথা থাকলেও রাতে-আধারে মাত্র ৮৫ হাজার টাকায় একজন অবিবাহিত মেয়ে জীবন নষ্ট করেছে স্থানীয় মাতব্বররা বলে অভিযোগ উঠেছে।
 
ধর্ষিতার চাচা রাশেদুল ইসলাম রাশেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুঠোফোনে বলেন, আমার বড় ভাইয়ের মেয়ে, বড় ভাই দীর্ঘদিন যাবত রাজমিস্ত্রির কাজে ঢাকায় থাকেন। তাছাড়া আমরা গরীব মানুষ, টাকা-পয়সা নেই ঝামেলায় যেতে চাই না। এলাকার মাতব্বরদের পরামর্শে ৮৫ হাজার টাকায় আমরা মীমাংসা করেছি, আমাদের কোন দাবি-দাবা নেই।

কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সহির উদ্দিন জানান, শুনেছি মেয়েটা অসুস্থ্য হয়েছে, কিন্তু পরে কি হয়েছে তা আমি জানি না।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোটের আইনজীবি সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ মুঠোফোনে বলেন, ধর্ষণের মতো জঘন্যতম ঘটনা স্থানীয়ভাবে মীমাংসা যোগ্য নয়।

আরও পড়ুন:


দেশে একদিনে করোনায় মৃত্যু বাড়ল

দক্ষিণের পথে পথে ঢাকামুখি মানুষের স্রোত

বগুড়ায় করোনা ও উপসর্গে ৯ জনের মৃত্যু

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ১২ দিন পর চালু


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

কোটি টাকা মূল্যের বন্ডের চোরাই কাপড়সহ গ্রেপ্তার ১১

নিজস্ব প্রতিবেদক

কোটি টাকা মূল্যের বন্ডের চোরাই কাপড়সহ গ্রেপ্তার ১১

বন্ডের অপব্যবহার করে শুল্কমুক্ত পণ্য  খোলাবাজারে বিক্রির অভিযোগে ১ কোটি ২৭ লাখ টাকা মূল্যের বন্ডের চোরাই কাপড়সহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ।

আজ ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো. শাহাদাত হোসেন, সাইফুল ইসলাম জীবন, রুবেল আকন, মাসুম, মনির হোসেন, রবিন, শাহিন হাওলাদার, আরিফ হোসেন, সোহাগ ফরাজি, নাজিম, কামাল হোসেন। তাদের কাছ থেকে ৫০৮ রোল চোরাই কাপড় জব্দ করা হয় যার মুল্য ১ কোটি ২৭ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন:


বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত করোনার মতো বারবার রূপ পরিবর্তন করছে: বাহাউদ্দিন নাছিম

টিকা নেয়ার পরেও করোনা পজিটিভ ফারুকী

স্বামীর পর্নকাণ্ড: মানহানির মামলা নিয়ে শিল্পাকে আদালতের ভর্ৎসনা


সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, তারা  বন্ড সুবিধায় বিদেশ থেকে শুল্কমুক্ত কাপড় আমদানি করে এসব কাপড় অতিরিক্ত লাভের উদ্দেশ্যে সুবিধামতে সময়ে চেরাই পথে খোলা বাজারে বিক্রি করতো। যার ফলে দেশের প্রকৃত ব্যাবসায়ী ও শিল্প প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

‌‘প্রতিশোধ নিতে’ কিশোরী শ্যালিকাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, ভিডিও ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক

‌‘প্রতিশোধ নিতে’ কিশোরী শ্যালিকাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, ভিডিও ভাইরাল

স্ত্রী তালাক দেওয়ায় কুষ্টিয়ায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী শ্যালিকাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

পরে ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়েও দিয়েছে অভিযুক্ত। এ ঘটনায় আব্দুর রাজ্জাক (৩৮) নামে দুলাভাইকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার একটি বাড়ি থেকে পুলিশ তাকে আটক করে। তিনি উপজেলার পান্টি ইউনিয়নের বাগবাড়িয়া গ্রামের আব্দুর সাত্তারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র, পুলিশ ও নির্যাতিতার পরিবার জানায়, আট বছর আগে ওই কিশোরীর বড় বোনের সঙ্গে আব্দুর রাজ্জাকের বিয়ে হয়। সংসার জীবনে তাদের চার বছরের একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় গত ২৩ জুন রাজ্জাককে তালাক দেন তার স্ত্রী। স্ত্রীর তালাকে ক্ষুব্ধ হয়ে গত ৮ জুলাই সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া শ্যালিকাকে তুলে নিয়ে গিয়ে আত্মগোপন চলে যান রাজ্জাক। মেয়েকে অনেক খোঁজাখুজি করেও কোথায় না পেয়ে কুমারখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন ওই ছাত্রীর মা।

জিডির সূত্র ধরে স্কলছাত্রীকে উদ্ধার অভিযান চালাতে থাকে পুলিশ। বুধবার (২৮ জুলাই) আব্দুর রাজ্জাক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে শ্যালিকার তিন মিনিটের এক নগ্ন ভিডিও প্রচার করেন। এরপর শুক্রবার দুপুরে উপজেলার একটি ভাড়া বাসা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার ও রাজ্জাককে আটক করে পুলিশ।

ধর্ষণের শিকার কিশোরীর মা বলেন, রাজ্জাক খারাপ প্রকৃতির ছেলে। মাদকসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ায় গত ২৩ জুন তার বড় মেয়ে তাকে তালাক দেন। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে গত ৮ জুলাই ছোট মেয়েকে তুলে নিয়ে আত্মগোপন করেন। এ সময় জোরপূর্বক তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন এবং ভিডিও ধারণ করে রাখেন। এরপর সেই নগ্ন ভিডিও ফেসবুকে প্রচার করের। তিনি আব্দুর রাজ্জাকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণ ও ফেসবুকে নগ্ন ভিডিও প্রচার করার অভিযোগে আব্দুর রাজ্জাক নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।

পরবর্তী খবর