বর্ষায় ভেজা কাপড়ের দুর্গন্ধ দূর করতে

অনলাইন ডেস্ক

বর্ষায় ভেজা কাপড়ের দুর্গন্ধ দূর করতে

বর্ষাকালে ভেজা কাপড় নিয়ে বেশ বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কাপড় না শুকালে অনেক সময় কাপড় থেকে দুর্গন্ধ ছড়ায়। যা পরিধান করার অযোগ্য হয়ে যায়। তবে কিছু বিষয় খেয়াল করলে সহজেই কাপড়কে দুর্গন্ধমুক্ত করা যায়। চলুন জেনে নেই নিয়মগুলো--

১. বর্ষাকালে কাপড় ধুয়ে দিলে তা শুকাতে বেশ সময় লাগে। এর অন্যতম কারণ কাপড় শুকানোর জন্য যে পরিমাণ বাতাস প্রয়োজন সে পরিমাণ বাতাস না পেলে কাপড় দিয়ে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। তাই ফ্যান ছেড়ে কাপড় শুকাতে পারেন।

২. এক সঙ্গে অনেকগুলো ময়লা কাপড় বেশ কিছুদিন ফেলে রাখলে তা থেকে বেশি দুর্গন্ধ ছড়ায়। এজন্য অনেকগুলো কাপড় একসঙ্গে না কেঁচে অল্প অল্প করে কাপড় ধুয়ে ফেলুন। তাহলে আর কাপড় থেকে গন্ধ ছড়াবে না।

৩. বর্ষাকালে ঘামে ভেজা কাপড় কাচার আগে কিছু সময় জলে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ডিটারজেন্ট দিয়ে কাপড় ধুয়ে ফেলে শুকাতে দিন।

৪. জামা-কাপড়ের ফাঙ্গাস দূর করতে ভিনিগার ও বেইকিং সোডা বেশ কার্যকর। এছাড়াও দুর্গন্ধ দূর করতে এই উপাদানগুলো ভালো কাজ করে।

৫. কাপড় শুকনোর জন্য কখন রোদ উঠবে তার জন্য অপেক্ষা না ফ্যানের বাতাসের নিচে কাপড় ছড়িয়ে দিন বা জানালার কাছাকাছি স্থানে কাপড় শুকাতে দিন।

৬. কাপড়ে সজীব ঘ্রাণ আনতে লেবু বা গোলাপের সুগন্ধযুক্ত ডিটারজেন্ট ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

৭. এছাড়া ওয়ারড্রবে চক বা সিলিকনের পাউচ রাখলে তা কাপড়ের গন্ধ দূর করতে সাহায্য করবে। তাই ওয়ারড্রবে শুকনো কাপড় ভাঁজ করে রাখার সময় চক বা সিলিকনের পাউচ রেখে দিতে পারেন।

news24bd.tv/এমিজান্নাত 

পরবর্তী খবর

দেশে করোনায় আক্রান্ত ৯৮ শতাংশের শরীরেই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট

অনলাইন ডেস্ক

দেশে করোনায় আক্রান্ত ৯৮ শতাংশের শরীরেই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট

দেশে করোনায় আক্রান্ত ৯৮ শতাংশ রোগীর শরীরেই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে করোনার জিনোম সিকোয়েন্সিং গবেষণার ফলাফল প্রকাশের সময় এই তথ্য জানান তিনি।

করোনা আক্রান্ত সারাদেশব্যাপী রোগীদের ওপর গত ২৯ জুন থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত এই গবেষণা পরিচালিত হয়। জিনোম সিকোয়েন্সিং রিসার্চ প্রজেক্টের সুপারভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন উপাচার্য নিজেই।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, গবেষণায় দেশের সব বিভাগের রিপ্রেজেন্টেটিভ স্যাম্পলিং করা হয়। গবেষণায় মোট ৩০০ কোভিড-১৯ পজিটিভ রোগীর ন্যাযোফ্যারিনজিয়াল সোয়াব স্যাম্পল থেকে নেক্সট জেনারেশন সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে করোনাভাইরাসের জেনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়।

গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত কোভিড-১৯ আক্রান্তদের মধ্যে ৫৩ শতাংশ পুরুষ। তবে বিএসএমএমইউ-এর গবেষণায় ৯ মাস থেকে শুরু করে ৯০ বছরের বয়স পর্যন্ত রোগী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এরমধ্যে ৩০-৩৯ বছর বয়সের রোগীদের সংখ্যা বেশি। যেহেতু কোনো বয়স সীমাকেই কোভিড-১৯ এর জন্য ইমিউন করছে না, সে হিসেবে শিশুদের মধ্যেও যে কোভিড সংক্রমণ ঝুঁকি নেই, তা বলা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন


সারারাত র‍্যাব সদরদপ্তরেই ছিলেন পরীমণি, আজ পুলিশের কাছে হস্তান্তর

শেখ কামালের কবরে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা

৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সিলেট-৩ আসনের ভোট সম্পন্ন করতে হাইকোর্টের নির্দেশ

আবারও লকডাউন বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন


শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, করোনা অনেক ক্ষেত্রে বহমান জীবন-যাপনের বাধা তৈরি করলেও জীবন থেমে নেই। অন্যান্য জেনেটিক্স রোগগুলোর ওপর গবেষণা কার্যক্রম অবিলম্বে শুরু করা হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের নিজস্ব ডাটা তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

গবেষণার উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, করোনার জেনোম সিকোয়েন্সিং গবেষণার উদ্দেশ্য ভাইরাসটির জিনোমের চরিত্র উন্মোচন, মিউটেশনের ধরণ এবং বৈশ্বিক ভাইরাসের জিনোমের সঙ্গে এর সম্পর্ক বের করা এবং বাংলাদেশি কোভিড-১৯ জেনোম ডাটাবেস তৈরি করা।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ফ্লোরিডায় অদ্ভুতদর্শন ‘সেসিলিয়ান’-এর খোঁজ

অনলাইন ডেস্ক

ফ্লোরিডায় অদ্ভুতদর্শন ‘সেসিলিয়ান’-এর খোঁজ

প্রথম দর্শনে এটাকে প্রানী বলেই মনে হবে না। তবে ধূসর রঙের ভাঁজ পড়া চামড়ার অদ্ভুতদর্শন এই ‘বস্তু’টি আসলে একটি প্রাণী। নাম সেসিলিয়ান। স্পর্শ করলেই সে নড়েচড়ে উঠবে।

সম্প্রতি ফ্লোরিডায় এমনই এক প্রাণীর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। দক্ষিণ ফ্লোরিডার তামিয়ামি খালে এর খোঁজ মিলেছে। তাকে ঘিরে হুলস্থূল পড়ে গিয়েছিল ফ্লোরিডার বিজ্ঞানীমহলে।

বিশ্বে এই প্রাণীর খোঁজ প্রথম মিলল তা নয়, ফ্লোরিডায় প্রথম এই প্রাণীর দেখা মিলেছে। এই প্রাণীটি মূলত নিরক্ষীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়। দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকার কিছু অংশ এদের বাসস্থান। ফ্লোরিডায় আগে কখনও সেসিলিয়ান দেখা যায়নি।

দেখতে সাপের মতো হলেও এরা আসলে উভচর শ্রেণিভুক্ত প্রাণী। পা-হীন উভচর। তাই জীবদ্দশায় উভচর শ্রেণির বৈশিষ্ট্য মেনে জল-স্থল সব জায়গাতেই জীবনের বিভিন্ন পর্ব কাটিয়ে থাকে।

এদের মুখ এবং লেজ আলাদা করা কঠিন। মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে ফ্লোরিডা ফিস অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন কমিশন প্রাণীটিকে উদ্ধার করেছে।

প্রথমে কিছুতেই প্রাণীটিকে চিনে উঠতে পারছিল না কমিশন। ডিএনএ-র নমুনা পরীক্ষা করে তবেই প্রাণীটিকে শনাক্ত করেছে ওই কনজারভেশন কমিশন।

এই প্রাণীগুলি একেবারেই বিপজ্জনক নয়। মুখে কয়েক সারি দাঁত রয়েছে বটে তবে সেগুলি শুধুমাত্র শিকার ধরার কাজে ব্যবহৃত হয়।

আরও পড়ুন

ইরানের নাগরিকদের আফগানিস্তান ত্যাগের নির্দেশ

টোকিও অলিম্পিকে দ্রুততম মানব মার্সেল জ্যাকবস

ঢাকামুখি যাত্রীদের চাপ নেই, অলস সময় কাটাচ্ছে ফেরি

আবারও হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়াহ


কেঁচো, কীট-পতঙ্গ এদের শিকার। দাঁত দিয়ে শিকার ধরে গিলে খেয়ে ফেলে সেগুলিকে। আর সেসিলিয়ানদের প্রধান শত্রু হল সাপ।

মাটির গভীরে থাকে প্রাণীগুলি। চার থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত আয়ু হয়ে থাকে এদের। কখনও কখনও তারও বেশি দিন বেঁচে থাকতে পারে।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

বাগদাদ মধ্যযুগীয় বিশ্বের বৃহত্তম নগরকেন্দ্র!

শান্তা আনোয়ার

বাগদাদ মধ্যযুগীয় বিশ্বের বৃহত্তম নগরকেন্দ্র!

৭৬২ খিস্টাব্দের ৩০ জুলাই আব্বাসিয় খলিফা আল মনসুর টাইগ্রিস নদির পশ্চিম পারে বাগদাদ নগরী প্রতিষ্ঠা করেন। বাগদাদ  দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে মধ্যযুগীয় বিশ্বের বৃহত্তম নগরকেন্দ্র হয়ে ওঠে এবং একটি অর্থনৈতিক ও বৌদ্ধিক কেন্দ্রে পরিণত হয়।

এই শহরটিতে ছিল অসংখ্য বইয়ের দোকান এবং পাবলিক লাইব্রেরি যেখান থেকে তৈরি হয়েছিল এক বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ ফলে বাগদাদ জ্ঞানের সন্ধানকারী সকল শিক্ষার্থীদের একটি গন্তব্য হয়ে উঠেছিল।

নতুন আব্বাসীয় শহরটির আনুষ্ঠানিক নামকরণ করা হয়েছিল মদিনাত আল-সালাম। এই নামটিই পরবর্তীকালে শহরের সমস্ত সরকারী রেফারেন্সে প্রকাশিত হয়েছিল, মুদ্রার শিলালিপি থেকে শুরু করে রাজকীয় কারখানায় বোনা কাপড়ের লেখাগুলিতে  পর্যন্ত এই নাম ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে কোন এক অজানা কারণে বাগদাদ নামটি জনপ্রিয় হয়ে যায়।

একাদশ শতাব্দীর খতিব আল-বাগদাদী বাগদাদকে ঘিরেই তাঁর বিস্ময়ের অনুভূতিটিকে দারুণভাবে বর্ণনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন: “সমগ্র বিশ্বে এমন কোন শহর নেই যার সাথে বাগদাদের আকার ও জাঁকজমকের তুলনা করা যেতে পারে। শুধু তাই নয়, আপনি এই শহরে বিদ্বানদের সংখ্যা বা মহান ব্যক্তিত্ব, নগরের অসংখ্য রাস্তা, বাজার, লেন, মসজিদ, স্নানাগার এবং দোকানগুলি বিবেচনা করুন - এসবই অন্য শহর থেকে বাগদাদ শহরকে আলাদা করে দেয়  ""

সেই সময়, বাগদাদ হাউজ অফ উইজডম সহ বিশ্বের বৃহত্তম একাডেমিক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছিল এবং 'সেন্টার অফ লার্নিং' হিসাবে বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছিল। 

হিউ কেনেডির মতে, বাগদাদে নতুন রাজধানী স্থাপনের জন্য বেশ কয়েকটি কারণ ছিল। এগুলির মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল সুরক্ষা। সুরক্ষাকে কেবল দুর্গ-প্রাসাদ নির্মাণের মাধ্যমে নিশ্চিত করা যায়। 

দ্বিতীয়ত, এই অঞ্চলটিতে ইসলামিক ও প্রাক-ইসলামী বহু রাজবংশের পরিচয় ও প্রতিপত্তি প্রদর্শনের জন্য নতুন রাজধানী নির্মানের খায়েশ ছিল। আব্বাসীয়দেরও এমন একটি জায়গার দরকার ছিল যেখানে তারা তাদের সরকার এবং আমলাতন্ত্রের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করতে পারে।

নতুন রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রটি ছিল রাউন্ড সিটি যেখানে প্রাসাদ, প্রধান মসজিদ এবং কিছু প্রশাসনিক ভবন এবং সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার ছিল। রাজ প্রাসাদ এবং মসজিদটি একসাথে কেন্দ্রীয় উদ্যানের মাঝখানে ছিল এবং প্রাসাদটিতে ছিল একটি সবুজ গম্বুজ যা এই ছবির শেষ প্রান্তে দেখা যাচ্ছে।

বাইতুল হিকমাহ ছিল আব্বাসীয় আমলে ইরাকের বাগদাদে প্রতিষ্ঠিত একটি গ্রন্থাগার, অনুবাদকেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটিকে ইসলামি স্বর্ণযুগের একটি প্রধান বুদ্ধিবৃত্তিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মোঙ্গলদের বাগদাদ অবরোধের সময় শহরের পতন হলে এই গ্রন্থাগারটিও ধ্বংস হয়ে যায়।

আরও পড়ুন:


জলাবদ্ধতার সাথে মশা, ব্যাঙ বিষাক্ত প্রাণীর সাথে বসবাস

দক্ষিণের পথে পথে ঢাকামুখি মানুষের স্রোত

বগুড়ায় করোনা ও উপসর্গে ৯ জনের মৃত্যু

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ১২ দিন পর চালু


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনে বাড়ছে বাঘের সংখ্যা

অনলাইন ডেস্ক

সুন্দরবনে বাড়ছে বাঘের সংখ্যা

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশকে আলাদাভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়ার একটি প্রতীক বাঘ। বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ধীরে ধীরে কমে আসছিলো বাঘের সংখ্যা। তবে অবশেষে পাওয়া গেলো সুখবর। সুন্দরবনের বাংলাদেশে যে অংশ রয়েছে তাতে গত ৪ বছরে বাঘের সংখ্যা ১০৬ থেকে বেড়ে হয়েছে ১১৪টি। সুন্দরবনের সর্বশেষ ক্যামেরা ট্র্যাকিং বাঘ জরিপে এই তথ্য মিলেছে।

সুন্দরবনে বাঘ বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সুন্দরবনের চোরাশিকারিদের দৌরাত্ম্য কমে যাওয়া ও বনদস্যুদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরত আসা সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

এছাড়া সম্প্রতি সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত বাঘশাবকের দেখা পাওয়া ও বাঘের অবাধ বিচরণ দেখার কথা জানিয়েছেন সুন্দরবনের স্থানীয়রা।

 

সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) ড. আবু নাসের মোহসীন হোসেন বলেন, সুন্দরবনে বনদস্যুদের আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা ও চোরাশিকারিদের দৌরাত্ম্য কম হওয়ায় রয়েল বেঙ্গল টাইগার বা বাঘের সংখ্যা সর্বশেষ জরিপে বেড়েছে। ইতিমধ্যেই বাঘের প্রজনন, বংশ বৃদ্ধিসহ অবাধ চলাচলের জন্য গোটা সুন্দরবনের অর্ধেকেরও বেশি এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে টহল ফাঁড়ি। পাশাপাশি চোরাশিকারীদের তত্পরতা বন্ধে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট পেট্রোলিং চালু করা হয়েছে। বাঘের প্রজনন মৌসুম জুন থেকে আগস্ট সুন্দরবনের সব পাস পারমিট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে করে প্রজনন, বংশ বৃদ্ধিসহ বাঘ অবাধ চলাচল করতে পারবে।

বন বিভাগের দেওয়া তথ্য থেকে জানা যায়, স্বাধীনতার পর প্রথম বাঘ জরিপ করা হয় ১৯৭৫ সালে, সেসময়ে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ছিলো ৩৫০টি। এরপর ১৯৮২ সালের জরিপে ৪২৫টি বাঘের দেখা মেলে। এমনকি ২০০৪ সালের জরিপেও সুন্দরবনে ৪৪০টি বাঘ খুঁজে পাওয়া যায়।

তবে ২০১৫ সালের জরিপে আশঙ্কাজনকভাবে বাঘের সংখ্যা কমে মাত্র ১০৬টিতে গিয়ে দাঁড়ায়। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০০১ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৫০টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১০টি বাঘ স্বাভাবিকভাবে মারা গেছে, ১৪টি বাঘ পিটিয়ে মেরেছে স্থানীয় জনতা, একটি ২০০৭ সালের সুপার সাইক্লোন সিডরে নিহত হয়েছে ও বাকি ২৫টি বাঘ হত্যা করেছে চোরাশিকারিরা।


আরও পড়ুন:

ওমরাহ্‌ পালনে করতে মানতে হবে যেসব শর্ত

গুলি করে ফিলিস্তিনি শিশুর বুক ঝাঁজরা করে দিল ইসরাইলি বাহিনী

কুমিল্লায় বালু বোঝাই ট্রাক্টরে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কা, নিহত ৩

কলাপাড়ায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছাত্রলীগ নেতার কবজি কেটে নিল প্রতিপক্ষ


সর্বশেষ জরিপে তাই বাঘের সংখ্যা বাড়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। সুন্দরবন খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. আবু সালেহ বলেন, বর্তমান সরকার বাঘের সংখ্যা বাড়াতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সুন্দরবন দস্যুমুক্ত করা হয়েছে। যার সুফল কিন্তু দেখা যাচ্ছে। বিগত তিন বছরে অনেক বাঘের সংখ্যা বেড়েছে। বন বিভাগ বাঘ সুরক্ষায় যেভাবে কাজ করছে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা দিন দিন আরো বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি মনে করেন।

উল্লেখ্য, সুন্দরবনই দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সবচেয়ে বড় আবাসভূমি। চোরাশিকারিদের অবাধ বিচরণ রোধ ও বাঘের আবাসস্থল নিরাপদ রাখার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সারাবিশ্বের অতিপরিচিত এই প্রাণীটির জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

আড়াই শত বছরের পুরনো বাড়িটি প্রত্নতত্ত্ব সম্পদ হিসেবে সংরক্ষাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রত্নতত্ত্ব সম্পদ হিসেবে সংরক্ষাণ করা হবে চট্টগ্রামের আড়াই শত বছরের পুরনো একটি বাড়ি। যা মোঘল ও ব্রিটিশ শাসন আমলের মাঝামাঝি মাটির কলসি বা মটকার উপর নিমার্ণ করা হয়েছিল। 

জেলা প্রশাসন বলছেন, ঐতিহাস-ঐতিহ্য  ও স্থাপত্য শিল্পের চর্চা ও গবেষণা করার জন্য বাড়িটি সংরক্ষণের নিদের্শ দিয়েছে সরকার। ফাতেমা জান্নাত মুমুর তথ্য  ও চিত্রে ডেস্ক রিপোর্ট।

এটি চট্টগ্রামের আলোচিত প্রায় আড়াই শত বছরের পুরনো বাড়ি। যার লিখিত কোন দলিল না থাকলেও ধারণ করা হচ্ছে মুঘল ও ব্রিটিশ শাসন আমলের মাঝা মাঝি  তৈরি। নগরির পাথর ঘাটা এলাকায় মাত্র ২৫হাজার টাকা ব্যয় করে মাটির কলসি বা মটকার উপর প্রয়াত ব্যবসায়ী হাজী শরীয়ত উল্লাহ সওদাগর এ বাড়িটি নির্মাণ করেন।

বাড়ির চারপাশে এখনও আছে ৩টি জলকূপ। যার পানি এখনো স্বচ্ছ্ব। এছাড়া পুরো বাড়ি জুড়ে আছে শত বছরের পুরনো আসবাবপত্র।

সম্প্রতি বাড়িটি পুনো নির্মাণের ঘটনা চক্রে রূপ কথার গল্পের মত বেড়িয়ে আসে হাজারো ইতিহাস। নতুন প্রজন্মের ইতিহাস চর্চায় এ বাড়িটি সংরক্ষাণ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন চট্টগ্রাম ইতিহাস সংষ্কৃতি গবেষকরা। তবে এরই মধ্যে স্থাপনাটি সংরক্ষাণের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক।

জলোচ্ছ্বাস ও ভূমিকম্প থেকে রক্ষা পেতে ইটপাথরের জায়গায় এ মাটির কলসিগুলো ব্যবহার করে এ বাড়ি তৈরি করা হয়েছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন:


করোনায় ঝালকাঠির আদালতের বিচারকের মৃত্যু!

আগস্ট মাসের দুই দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক

বিভিন্ন জেলায় করোনায় প্রায় দেড় শতাধিক মৃত্যুর

সিলেট বিভাগে করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু নতুন রেকর্ড


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর