যেসব কারণে গণপরিবহন বন্ধের কথা বলছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা
যেসব কারণে গণপরিবহন বন্ধের কথা বলছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা

যেসব কারণে গণপরিবহন বন্ধের কথা বলছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা

অনলাইন ডেস্ক

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৩ হাজার ৮৬৮ জনের। এমন অবস্থায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সারাদেশে ১৪ দিনের ‘শাটডাউন’ দেওয়ার সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। করোনার সংক্রমণ রোধে ঢাকাকে  বিচ্ছিন্ন করার কৌশল নিয়েছে সরকার।

এরই অংশ হিসেবে ঢাকা থেকে বন্ধ রয়েছে সারাদেশের বাস, ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল। এ অবস্থায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র গণপরিবহন চলাচল বন্ধের সুপারিশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

পরিবহন খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গণপরিবহন হিসেবে শুধু বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু যাত্রী পরিবহনের অন্যান্য বাহন চলছে। বন্ধ রাখলে সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন বন্ধ রাখতে হবে। ভেঙে ভেঙে যাত্রীদের চলাচলও বন্ধ করে দিতে হবে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ খোকন বলেন, ঢাকায় করোনার সংক্রমণ বেড়েছে। ফলে নগরীতে গণপরিবহনের চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য ও কোভিড–১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) গণমাধ্যমকে বলেন, বিকল্প উপায় না থাকায় ঢাকার আশপাশের জেলাসহ সাত জেলায় লকডাউন দেওয়া হয়েছে। সারাদেশের সঙ্গে ঢাকার বাস, ট্রেন, লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু অন্য জেলা থেকে ঢাকায় বা ঢাকা থেকে অন্য জেলায় মানুষের চলাচল বন্ধ হয়নি। এতে মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হচ্ছে না। তবে খানিকটা ফল পাওয়া যাবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আবু জামিল ফয়সাল বলেন, এখন আমাদের খুব কঠিন অবস্থানে যেতে হবে। আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। কিন্তু যাত্রীদের চলাচল থেমে নেই। বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষজন ঢাকায় আসছে। বিকল্প যানে এ চলাচল বন্ধ করতে হবে।


শাটডাউন আসলে কি?

‘যেকোনো সময় শাট ডাউনের ঘোষণা’

স্কুলকেই শারীরিক সম্পর্কের নিরাপদ জায়গা বানালেন তারা!


এদিকে, সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন বন্ধের পক্ষে মত দিয়েছেন পরিবহন নেতারাও। তারা বলছেন, দেশের সব জায়গায় যাত্রীবাহী পরিবহন বন্ধ করে দেওয়ার সময় এসেছে।   পণ্যবাহী পরিবহন ছাড়া সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন বন্ধ করতে হবে। গণপরিবহনের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না এমন যানবাহনেও যাত্রী চলাচল বন্ধ করতে হবে।  

প্রসঙ্গত, দেশে এ পর্যন্ত করোনায় দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৩ হাজার ৮৬৮ জনের।   মোট শনাক্তের সংখ্যা  ৮ লাখ ৭২ হাজার ৯৩৫ জনে। এদিকে  বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২১ শে জুন প্রকাশিত সর্বশেষ সপ্তাহের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ৪০ জেলা বর্তমানে করোনা সংক্রমণের অত্যান্ত উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

news24bd.tv/আলী