আমার পোস্টে যারা হাহা ইমো দেয়, তারা আহমাদুল্লাহ'র ফতোয়া ভিডিও দেখুন

তসলিমা নাসরিন

আমার পোস্টে যারা হাহা ইমো দেয়, তারা আহমাদুল্লাহ'র ফতোয়া ভিডিও দেখুন

বাংলাদেশে আহমাদুল্লাহ নামের এক বিখ্যাত মৌলানা ফেসবুকের হাহা ইমোজি'র বিরুদ্ধে ফতোয়া দিয়েছেন, বলেছেন হাহা ইমোজি দিয়ে মানুষকে অপমান করা, অপদস্থ করা ইসলামে হারাম। সুতরাং হারাম কাজ যে মুসলমানেরা করবে, তারা দোযখের আগুনে পুড়বে।

আমার পোস্টে আমাকে অপমান করার উদ্দেশ্যে হাহা ইমো যারা দেয়, তারা অনুগ্রহ করে আহমাদুল্লাহ'র ফতোয়া ভিডিও দেখুন, এবং মানুষকে অপমান করা থেকে বিরত থাকুন। দোযখের আগুনে পুড়তে না চাইলে এই কাজটি তো করতেই হবে বন্ধুগণ।


আরও পড়ুনঃ


মিয়ানমারে সামরিক ক্যু’র পর সহিংসতায় ২ লাখ ৩০ হাজার উদ্বাস্তু

বৃটেনের বেথনাল গ্রিন ও বো লেবার পার্টি বিএএমই শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা

চীনের মার্শাল আর্ট ট্রেনিং সেন্টারে ভয়াবহ আগুন, নিহত ১৮

যানবাহন, অফিস-আদালতসহ সবকিছু বন্ধের প্রস্তুতি, চালু থাকবে জরুরি সেবা


news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ঈদের পরে লকডাউন এই স্যাডিস্ট প্ল্যানটা আসলে কোন হতচ্ছাড়ার?

গুলজার হোসেন উজ্জল

ঈদের পরে লকডাউন এই স্যাডিস্ট প্ল্যানটা আসলে কোন হতচ্ছাড়ার?

ঈদের সাতদিন আগে লকডাউন শিথিল করে ঈদের একদিন পরই কঠোর লক ডাউন। 

এই স্যাডিস্ট প্ল্যানটা আসলে কোন হতচ্ছাড়ার?

রাস্তায়, ফেরিঘাটে এত মানুষ অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। 


নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

বউ যেন এদিক-ওদিক ভাইগা না যায় : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা (ভিডিও)


 

করোনা ঠেকানোর নাম করে এরা করছে করোনা ছড়ানোর ব্যবস্থা।

লেখাটি  গুলজার হোসেন উজ্জলের ফেসবুক থেকে নেয়া হয়েছে। (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সেপ্টেম্বরে স্কুল- কলেজ খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

সেপ্টেম্বরে স্কুল- কলেজ খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে

চারদিকে ভ্যাকসিনের ছড়াছড়ি, সেই অনুপাতে মানুষ নেই। অথচ ভ্যাকসিনের উপর নির্ভর করেই অর্থনীতির চাকা ঘুরতে শুরু করেছে, সেপ্টেম্বরে স্কুল- কলেজ খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন যারা করোনায় সংক্রমিত হচ্ছেন- তারা ভ্যাকসিন না নেয়া লোক। ভবিষ্যতে যারা সংক্রমিত হবেন- তারা আসলে ভ্যাকসিন না নেয়া লোক। 

‘প্যানডেমিক অব আনভ্যাকসিনেটেডস’ কথাটা খুবই উচ্চারিত হচ্ছে। কানাডা এবং আমেরিকা- দুদেশেই। 

কানাডায় বাংলাদেশিদের সবাই কী ভ্যাকসিন নিয়েছেন! আলাদাভাবে তার কোনো তথ্য নাই।তবু আমাদের দায়িত্ব থাকে খোঁজ করার, কেউ ভ্যাকসিন না নিয়ে থাকলে, ভাকসিন নিতে না পারলে তাদের সহায়তা করার, উদ্বুদ্ধ করার।কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের সবাই ভ্যাকসিনের আওতায় আসুক- সেটা নিশ্চিত করতে আমরা প্রত্যেকেই কিছুটা হলেও ভূমিকা রাখতে পারি।

কানাডায় নানা রকম সংগঠন আছে, জেলা সংগঠনগুলোর সদস্য সংখ্যা অনেক। তারা উদ্যোগ নিয়ে খোঁজ করতে পারেন- তাদের সদস্যদের সবাই ভ্যাকসিন নিয়েছেন কী না। অন্যান্য সংগঠনগুলোও এই কাজ করতে পারে। কয়েকটি অনলাইন ফোরামের সদস্য সংখ্যা অনেক। তারা এই ক্সেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রত্যেকেই তৎপর হলে কানাডায় বাংলাদেশিদের কেউ ভ্যাকসিনের বাইরে থাকবেন না। 


নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

বউ যেন এদিক-ওদিক ভাইগা না যায় : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা (ভিডিও)


 

কেউ ভ্যাকসিন না নিলে সমস্যা কী হয় জানেন?  আপনি ভ্যাকসিন না নিলে - ‘প্যানডেমিক অব আনভ্যাকসিনেটেডে’ এর দায় আপনার উপরও  বর্তায়। আরেকটা কথা। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশ করোনার ভ্যাকসিনের জন্য হাহাকার করছে। তারা ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে হিমসিম খাচ্ছে। কানাডায়, টরন্টোয়- প্রচুর পরিমান ভ্যাকসিন, আপনি ভ্যাকসিন না নিলে সেগুলো নষ্ট হবে। মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেলে কানাডা সেগুলো ফেলে দেবে। ভ্যাকসিনের এই অপচয়ের দায়ও আপনার উপর বর্তাবে।

কানাডায় বাংলাদেশিদের সবাই যাতে ভ্যাকসিন নেয়- তার জন্য আসুন আমরা প্রত্যেকেই সচেষ্ট হই।

লেখাটি নতুন দেশের প্রধান সম্পাদক শওগাত আলী সাগর-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া।(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

প্রবীণ সাংবাদিক রুহুল কুদ্দুস মনি আর নেই

কাদের গণি চৌধুরী

প্রবীণ সাংবাদিক রুহুল কুদ্দুস মনি আর নেই

প্রবীণ সাংবাদিক রুহুল কুদ্দুস মনি মারা গেছেন।। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। গতকাল সন্ধ্যায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি স্ত্রী,দুই সন্তান ও অসংখ্য আত্নীয়-স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

মনি ভাই অত্যন্ত প্রতিবান একজন সাংবাদিক। তিনি সর্বশেষ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রীধারী মনি ভাই ১৯৮০ সালে সাপ্তাহিক পাবনা বার্তায় সাংবাদিক হিসেবে যোগদান করেন। ঢাকায় এসে দৈনিক দিনকাল, বিএসএসসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে কাজ করেন। 

এক সময় বাংলাদেশ টেলিভিশনে নদী ও পানি বিষয়ক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান "সুখ দুঃখের নদী" এবং "দৈনন্দিন খাবার ও পুষ্টি " অনুষ্ঠান পরিকল্পনা, উপস্থাপনা ও পরিচালনা করতেন তিনি। বাংলাদেশ -দক্ষিণ আফ্রিকা  মৈত্রী সমিতির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ছিলেন তিনি।

রুহুল কুদ্দুস মনি ভাইয়ের সাথে দৈনিক দিনকালে চাকরি করার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। আমি ছিলাম রিপোর্টার আর উনি ছিলেন সাবএডিটর (শিফট ইনচার্জ)। তাঁর এডিটিং ছিল নিখুঁত। জানতেনও প্রচুর। আমার রিপোর্ট তাঁর হাতে গেলেই কখনো উনার ডেস্কে ডাকতেন। আবার অনেক সময় আমার টেবিলেই চলে আসতেন। রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা করতেন। অপ্রয়োজনীয় শব্দ এড়িয়ে চলার কথা বলতেন। আরো কত কি! 

মনি ভাইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোকাহত। আল্লাহ উনাকে জান্নাতবাসী করুন। আমিন।

আরও পড়ুন:


পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে ঢাকায় আসছে অস্ট্রেলিয়া

আগের চেয়েও কঠোর হবে কাল থেকে শুরু হওয়া লকডাউন!

দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে কর্মমুখি-ঘরমুখি উভয় দিকে যাত্রীদের চাপ

কুষ্টিয়ায় করোনা ও উপসর্গে ১৬ জনের মৃত্য


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ব্রিটিশরা যে জন্য রেইনট্রি গাছ লাগত!

অনলাইন ডেস্ক

ব্রিটিশরা যে জন্য রেইনট্রি গাছ লাগত!

আমার শৈশব কেটেছে রেল এলাকায়। তাই বিস্তীর্ণ প্রান্তর, বিরাট বিরাট রেইনট্রি গাছ- এসব দেখে দেখে বড়ো হয়েছি। তাই রেইনট্রি গাছের প্রতি অন্যরকম টান অনুভব করি। কিন্তু এখন এসে মনে হয় এসব রেইনট্রি গাছ নিয়ে নতুন করে ভাবা দরকার। এর আগে বলে নেই ব্রিটিশরা কিসের জন্য এই গাছটি লাগত।

প্রথম তো রেইনট্রি গাছ ছায়াবৃক্ষ হিসেবে অসাধারণ। একটি গাছ অনেকটা জায়গা ঢেকে রাখে। তাই অল্প বৃক্ষ রোপণ করে অনেকটা জায়গা ছায়াচ্ছন্ন করা যায়। রাস্তার পাশের ছায়াতরু হিসেবে এর বিশেষ খ্যাতি আছে।

ব্রিটিশরা ভারতে যখন ছোট ছোট নগর পত্তন করা শুরু করে, ম্যালেরিয়া তথা মশা একটা বড়ো সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। বড়ো বড়ো গাছ কেটে হয়ত নগরের পত্তন হলো। কিন্তু অল্প কিছুদিনের মধ্যে শূন্য স্থান দখল করে নেয় গুল্মের ঝোপ। এই ঝোপ-ঝাড়ই মশার বড়ো আশ্রয়স্থল। আবার প্রখর রোদের হাত থেকে বাঁচতে গাছেরও দরকার। 

তাই বৃটিশরা কিছু দূর পরপর রেইনট্রি গাছ লাগায়। রেইনট্রি গাছের নিচে ঝোপঝাড় তো দূর, ঘাসই হয় না। একটা রেইনট্রি গাছ বিশাল জায়গা জুড়ে থাকে। সেখানে আর কোন গাছ হয় না। রেইনট্রি পশু পাখির জন্য মোটেও সুখপ্রদ বৃক্ষ নয়। এর কাঠও অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক নয়।

তাই জনবহুল এই দেশে রেইনট্রি না লাগানোই যুক্তিযুক্ত। বৃটিশরা যে বাস্তবতায় এই গাছ লাগিয়েছিল, এখন সেই বাস্তবতা নেই। শতবর্ষের দোহাই দিয়ে এসব গাছ নিয়ে বিশেষ সহানুভূতি দেখানোর মানে হয় না। এর স্থলে দেশী ফলদ বনজ বৃক্ষ লাগানো উচিত।

আরও পড়ুন:


পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে ঢাকায় আসছে অস্ট্রেলিয়া

আগের চেয়েও কঠোর হবে কাল থেকে শুরু হওয়া লকডাউন!

দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে কর্মমুখি-ঘরমুখি উভয় দিকে যাত্রীদের চাপ

কুষ্টিয়ায় করোনা ও উপসর্গে ১৬ জনের মৃত্য


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

মানুষ জন্ম দিয়ে ভিড় বাড়াবার দরকার কী!

তসলিমা নাসরিন

মানুষ জন্ম দিয়ে ভিড় বাড়াবার দরকার কী!

আমার বাচ্চা কাচ্চা নেই। যৌবনে দুর্ভাগ্যবশত এমন কোনও পুরুষের সঙ্গে আমার সম্পর্ক হয়নি, যার স্পার্ম আমার আদৌ মনে হতে পারে ভালো কোনও চরিত্র বহন করে। ওসব দুষ্ট স্পার্মকে আমার ডিম্বাশয় থেকে যতটা পেরেছি দূরে রেখেছি। তারপরও ভুল তো হয়ে যায়। দু'বার অ্যাবরশান করতে বাধ্য হয়েছি।

পৃথিবী উপচে পড়ছে মানুষে, আরও মানুষ জন্ম দিয়ে ভিড় বাড়াবার দরকার কী! তাছাড়া জীবন আমার প্রচণ্ড ব্যস্ততায় কেটেছে। অন্যের জন্য ভাবতে হয়েছে। নিজের বাঁচার জন্যও যুদ্ধ করতে হয়েছে জীবনভর। 

কখনও মনে হয়নি নিজের কোনও সন্তান থাকলে বেশ হতো। ভাই বোনের ছেলেমেয়েদের ভালোবেসেছি, নিজের কোনও সন্তান থাকলে ভালোবাসা তার জন্য এর চেয়ে কিছু বেশি হতো বলে মনে হয় না।

সেলফিস জিনের অভাব আমার চিরকালের। ভাই বোনদের বাচ্চার বাইরেও অন্য বাচ্চাদের প্রতি আমার ভালোবাসা নিতান্তই কম নয়। সব বাচ্চাই ভালো শিক্ষা, ভালো স্বাস্থ্য, ভালো পরিবেশ পেয়ে বড় হোক, এটাই চাই। কিছু ছবি পেলাম বিভিন্ন বাচ্চাদের সঙ্গে। দিয়ে দিচ্ছি, পরে এদের নিয়ে গল্প করা যাবে।

আরও পড়ুন:


পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে ঢাকায় আসছে অস্ট্রেলিয়া

আগের চেয়েও কঠোর হবে কাল থেকে শুরু হওয়া লকডাউন!

দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে কর্মমুখি-ঘরমুখি উভয় দিকে যাত্রীদের চাপ

কুষ্টিয়ায় করোনা ও উপসর্গে ১৬ জনের মৃত্য


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর