ভারত নিজেই বানাচ্ছে বিমানবাহী রণতরি

অনলাইন ডেস্ক

ভারত নিজেই বানাচ্ছে বিমানবাহী রণতরি

সামরিক সক্ষমতায় আরো একধাপ এগিয়ে গেল ভারত। আগামী বছর স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারত নিজেদের তৈরি প্রথম বিমানবাহী রণতরি ‘আইএনএস বিক্রান্ত’ জলে ভাসানোর ঘোষণা দিয়েছে। 

শুক্রবার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালার কোচিতে রণতরিটির নির্মাণকাজ পরিদর্শন করে এই তথ্য জানান ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং আরও বলেন, ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তিতে আইএনএস বিক্রান্তের কার্যক্রম শুরু করা হবে। এটা ভারতীয়দের জন্য ভীষণ গর্বের একটি বিষয়। একই সঙ্গে এটি আত্মনির্ভর ভারত গড়ার অনন্য একটি উদাহরণ।

আগামী বছরের মাঝামাঝি ভারতীয় নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হবে আইএনএস বিক্রান্ত। এতদিন ভারতের ​একমাত্র বিমানবাহী রণতরী ছিল আইএনএস বিক্রমাদিত্য। সেটি রাশিয়ার তৈরি। এবারই প্রথম দেশে তৈরি বিমানবাহী রণতরী পাচ্ছে ভারত।

কোচির শিপইয়ার্ডে তৈরি হচ্ছে আইএনএস বিক্রান্ত। ওজন প্রায় ৪০ হাজার টন। ১৯৯৯ সালে রণতরিটির নকশা তৈরি হয়। ২৬২ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৬০ মিটার প্রস্থের এই বিমানবাহী রণতরীর ডেকে মিগ-২৯ এর মতো যুদ্ধবিমান ওঠানামা করতে পারবে।

২০১৩ সালে শুরু হয়েছিল ট্রায়াল। আশা করা হয়েছিল যে, ২০১৮ সালের মধ্যে ভারতীয় নৌবাহিনীতে আইএনএস বিক্রান্ত যুক্ত হবে। গত বছর পরীক্ষামূলকভাবে বেসিন ট্রায়ালও সফল হলেও করোনার কারণে নৌবহরে যুক্ত হওয়া পিছিয়ে যায়।

২০১৪ সালে প্রথম বিমানবাহী রণতরিটি রাশিয়ার কাছ থেকে কেনে ভারত। ২৮৪ মিটার লম্বা ও ৬০ মিটার উচ্চতার আইএনএস বিক্রমাদিত্যের ওজন প্রায় চার হাজার টন। রণতরীতে একসঙ্গে ৩০টি মিগ যুদ্ধবিমান ও ৬টি হেলিকপ্টার রাখা যায়।

আইএনএস বিক্রান্ত ইন্ডিজেনাস এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার ১ বা আইএসি-১ নামেও পরিচিত। কেরালার কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড ভারতের প্রথম বিমানবাহী এই রণতরি নির্মাণ করছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

স্টাইলিং সৃষ্টি করায় জীবন্ত মিথ বিশ্বখ্যাত ফ্রেঞ্চ হাউজ শ্যানেল

সাজিয়া ইসলাম

ফ্যাশান দুনিয়ায় জীবন্ত মিথ হয়ে আজও প্রথম সারিতে অবস্থান করছে বিশ্বখ্যাত ফ্রেঞ্চ হাউজ শ্যানেল। নারী পোশাকে খুব সাধারণ কিছু ডিজাইনের সম্বনয়ে, অসাধারণ সব স্টাইলিং সৃষ্টি করায় ব্রান্ডটির জুড়ি মেলা ভার। সম্প্রতি বিলাসবহুল এই ব্রান্ডটি প্যারিসে জমকালো এক র‌্যাম্প শো আয়োজন করে। আসছে শীতে পোশাকের ধরণ কেমন হবে, তাই তুলে ধরা হয় রানওয়েতে। 

কালজয়ী ডিজাইনার কার্ল লেগারফিল্ডের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মধ্যদিয়ে শুরু হয় শ্যানেলের ব্রান্ড নিউ ফল উইন্টার কালেকশন ২০২১ এর র‌্যাম্প শো। ফ্রান্সের গ্রান্ড প্যালেসে আয়োজিত সুবিশাল রানওয়েতে প্রথমে আভিজাত্যময় পোশাকের সমাহার দেখা যায়

নিউ স্প্রিং কালেকশনে হোয়াইট, ব্ল্যাক, গ্রিণ, চকলেট, রেড সহ প্রায় সব ভাইব্রেন্ট কালারের আউটফিট দেখা যায়। এসব পোশাকের মধ্যে ছিল গাউন, জাম্প স্যুট, লং জ্যাকেট, স্কার্ট, লেডিস ব্লেজার, টপস-টিউনিকের কালেকশন।

আরও পড়ুন:

আনন্দ ভ্রমণে গিয়ে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু

রাস্তায় ফেলে চলে যাওয়া চামড়াগুলোতে পচন ধরে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে

মুনিয়ার মৃত্যুর সঙ্গে সায়েম সোবহান আনভীরের জড়িত থাকার প্রমাণ পায়নি পুলিশ


 

এছাড়া শ্যানেলের ব্রান্ড নিউ কালেকশনের মানান সই জুয়েলারি, হ্যান্ড ব্যাগস এবং বুটগুলোও নজর কাড়ে উপস্থিত দর্শকদের। বর্ণিল এই র‌্যাম্পের সমাপ্তি টানেন শ্যানেলের নতুন আর্টেস্টিক ডিরেকটার ভার্জেনি ভিয়ার্ড।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

চলে গেল সেই যুব্ক, স্ত্রীর ইচ্ছেয় রইল শুক্রাণু

অনলাইন ডেস্ক

চলে গেল সেই যুব্ক, স্ত্রীর ইচ্ছেয় রইল শুক্রাণু

করোনা আক্রান্ত মরণাপন্ন  ৩২ বছরের স্বামীর শুক্রাণু কৃত্রিম উপায়ে সংগ্রহ করতে চেয়েছিলেন স্ত্রী।যাতে করে স্বামী মারা গেলেও তার ঔরসে কৃত্রিম উপায়ে সন্তানধারণ করতে পারেন। কিন্তু এই প্রস্তাবে রাজী হচ্ছিলেন না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাই উপায় না দেখে সেই স্ত্রী আদালতের দ্বারস্থ হন। মঙ্গলবারই আদালত নারীর আবেদনে অনুমোদন দেয়। সেই অনুমতি পেয়ে নারীর স্বামীর শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়। 

ভারতের গুজরাটের বডোদরার এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার মৃত্যু হল সেই ব্যক্তির। 

করোনায় আক্রান্ত হলে যুবকের শারীরিক অবস্থার ক্রমে অবনতি হওয়ায় লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। স্বামীর মুমূর্ষু অবস্থা দেখে তার শুক্রাণু সংগ্রহ করে রাখার পরিকল্পনা করেন নারী। স্বামীর মৃত্যুর পর তার ঔরসে কৃত্রিম উপায়ে সন্তানধারণ করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নারীর স্বামী এই প্রক্রিয়ায় সম্মতি দেওয়ার মতো অবস্থায় ছিলেন না। ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শুক্রাণু সংগ্রহে রাজি হননি।

এর পরই নারী মঙ্গলবার গুজরাত হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। বিষয়টি জানিয়ে একটি হলফনামা দাখিল করেন। বিচারপতি আশুতোষ জে শাস্ত্রী জরুরি ভিত্তিতে সেই মামলার শুনানি করেন। আদালত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দ্রুত শুক্রাণু সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

আদালতের নির্দেশ পেয়েই মঙ্গলবারই শুক্রাণু সংগ্রহ করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসকরা মঙ্গলবার রাতেই ওই ব্যক্তির শুক্রাণু সংগ্রহ করেন। বৃহস্পতিবারই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

৩১টি মাইন প্রতিরোধী গাড়ির প্রথম চালান ঢাকায়

অনলাইন ডেস্ক

৩১টি মাইন প্রতিরোধী গাড়ির প্রথম চালান ঢাকায়

মাইন প্রতিরোধী ও চোরাগোপ্তা হামলা সুরক্ষিত ৩১টি ম্যাক্সপ্রো এমআরএপি গাড়ি এবং তিনটি ধাতুনির্মিত শার্ক বোট বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২৩ জুলাই) ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী সরবরাহে বৃহত্তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য তাদের বাহিনীর সুরক্ষায় অত্যাধুনিক সরঞ্জাম থাকা জরুরি এবং এ সামরিক প্রস্তুতির লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এরই অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র মাইন প্রতিরোধী ও চোরাগোপ্তা হামলা সুরক্ষিত ৩১টি ম্যাক্সপ্রো এনআরএপি গাড়ি এবং তিনটি ধাতুনির্মিত শার্ক বোট বাংলাদেশকে হস্তান্তর করেছে।

দূতাবা‌সের বার্তায় উল্লেখ করা হয়, এ এমআরএপি গাড়িগুলো জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের বিস্ফোরক যন্ত্র থেকে সুরক্ষা দিতে ব্যবহার করা হবে। আর বোটগুলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নদী তীরে অবস্থিত ব্যাটালিয়নের জন্য ব্যবহৃত হবে।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কেনা মোট ৫০টি এমআরএপি গাড়ি ও ৭টি মেটাল শার্ক বোটের প্রথম চালান। পুরো এ চালানের মূল্য ২৯ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এর মধ্যে ১৩ মিলিয়ন ডলার যুক্তরাষ্ট্র অনুদান হিসেবে দিয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

রাস্তায় চা-সিঙারা বিক্রি করে কোটিপতি ২৫০ জন!

অনলাইন ডেস্ক

রাস্তায় চা-সিঙারা বিক্রি করে কোটিপতি ২৫০ জন!

চা-সিঙাড়া বিক্রি করে বড় জোর কত টাকায় আয় করেন একজন বিক্রেতা।হয়তো সারা মাসে চা-সিঙাড়া বিক্রি করে অল্প কিছু টাকা জমে। কিন্তু কোটি টাকা? সেটা সম্ভব চা-সিঙাড়া-কচুরি বিক্রি করে? সেটাই হয়েছে এবার। খুচরা পেশার সঙ্গে যুক্ত ২৫০ জনের ব্যাংক ব্যালেন্স নাকি কোটি কোটি টাকার সন্ধান মিলেছে।

ভারতের উত্তরপ্রদেশের কানপুরে সম্প্রতি আয়কর দপ্তরের একটি তদন্তে উঠে এসেছে এমন চমকপ্রদ তথ্য।

তদন্তকারীরা বলছেন, বছরের পর বছর ধরে খুচরা বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ওই কোটিপতিরা। কোনও রেজিস্ট্রেশন নেই। দিতে হয় না আয়কর। এমনকি ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার কোনও সার্টিফিকেট ছাড়াই দিনের পর দিন খাবার বিক্রি করেন তারা।

আয়কর দপ্তরের তদন্তে জানা গেছে, কানপুরে সামান্য ছাঁট মালের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তির কাছে তিনটা দামি গাড়ি রয়েছে। যা কিনতে হয় ঘাম ছুটে যাবে কোনও সাধারণ মানুষের। 

তদন্তে দেখা গেছে, বছরে এক টাকাও কর বা জিএসটি দেন না ওই সব খুচরা ব্যবসায়ীরা। অথচ কেউ কেউ চার বছরে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি কিনেছেন।

কানপুরের আর্যনগর ও স্বরূপনগরের একজন পান বিক্রেতা নাকি মহামারির সময়ে প্রায় ৫ কোটি রুপির সম্পত্তি কিনেছেন।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

জানা গেছে, সরকারের কর ফাঁকি দিকে কেউ কো-অপারেটিভ ব্যাংকে টাকা জমিয়েছে। কেউবা পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল সম্পত্তি কিনে রেখেছে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

জিন্স পরায় কিশোরীকে পিটিয়ে মারলো দাদা ও কাকা!

অনলাইন ডেস্ক

জিন্স পরায় কিশোরীকে পিটিয়ে মারলো দাদা ও কাকা!

ফাইল ছবি

'ছেঁড়া জিন্সের' পোশাক ভারতে একই সঙ্গে নৈতিক স্খলনের কারণ এবং লক্ষণ। ছেলে-মেয়েদের, বিশেষ করে মেয়েদের এরকম পোশাক পরতে দেয়ার জন্য তিনি বাবা-মা‌'দের সমালোচনা  করেন ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী  তীরাথ সিং রাওয়াত। এদিকে জিন্স ভারতে বরাবরই পুরুষতন্ত্রের ঝাল ঝাড়ার লক্ষ্যবস্তু। এটিকে ভারতের পিতৃতান্ত্রিক সমাজের অধিপতিরা প্রায় নিয়মিতই তরুণদের নৈতিক অবক্ষয়ের কারণ হিসেবে দায়ী করেন। আর তাইতো এবার জিন্স পরার অপরাধে নিজেরই নাতনিকে পিটিয়ে মেরেছেন এক দাদা। আর অপরাধ ঢাকতে মরদেহ ফেলা দেয়া হয় পানিতে। কিন্তুএত কিছু করেও  শেষরক্ষা হয়নি। শেষ পর্যন্ত জেলে যেতেই হলো।

এমনই অমানবিক ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশে। 

১৭ বছরের ওই কিশোরী তার বাবার সঙ্গে লুধিয়ানায় থাকতো। কিন্তু সম্প্রতি সে গ্রামের বাড়িতে থাকতে এসেছিল। তার শহুরে পোশাক পছন্দ ছিল না বাড়ির লোকজনের। জিন্স, টপ, ট্রাউজারেই অভ্যস্ত কিশোরীকে তার কাকা ও দাদা কথায় কথায় পোশাক নিয়ে ধমকাতো।এই ধরনের পোশাক সে যেন আর না পরে, এমনই হুমকি দেয়া হচ্ছিল। 

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কোনও হুমকিকেই পাত্তা দিতো না ওই কিশোরী। সে নিজের মতোই থাকতো। এই সপ্তাহের শুরুতেও তীব্র কথা কাটাকাটি হয়। তারপরও জিন্সেই পরছিল ওই কিশোরী। বৃহস্পতিবারও তাই করে। আর তাতেই যেন আগুনে ঘি পড়ে।

এরপর তাদের কথা অমান্য করে জিন্স পরায় মেয়েটিকে বেধড়ক মারতে থাকে তার দাদা ও কাকা। কিছুক্ষণের মধ্যেই অচেতন হয়ে লুটিয়ে পড়ে মেয়েটি। অবস্থা বেগতিক দেখে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে আত্মীয়রা। কিন্তু পথেই মারা যায় ওই কিশোরী।

কিশোরীর মৃত্যুতে এরপর ভয় পেয়ে যায় অভিযুক্তরা। নিজেদের অপরাধ ঢাকতে কাছের এক সেতু থেকে ছুড়ে ফেলে দেয়া হয় মৃতদেহটি। কিন্তু দেহটি নিচে না পড়ে মাঝপথে ঝুলতে থাকে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে হাজির হয় পুলিশ। এরপর কিশোরীর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

খবর পেতেই কিশোরীর মামা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ইতোমধ্যেই পুলিশ কিশোরীর দাদা এবং এক অটো চালককে গ্রেপ্তার করেছে। 

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

প্রঙ্গগত, ভারতের গ্রামে-গঞ্জে পোশাক পরা নিয়ে, বিশেষ করে মেয়েদের বেলায় নানা বিধিনিষেধের কথা প্রায়শই শোনা যায়। ভারতীয় সমাজে এখনো পুরুষশাসিত। কিছুদিন আগে  উত্তর প্রদেশ রাজ্যের একটি গ্রামের পরিষদ বলেছে, মেয়েরা জিন্স বা স্কার্ট এবং ছেলেরা শর্টস পরলে তাদের সামাজিকভাবে বয়কট করা হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর