দক্ষ প্রোগ্রামার তৈরি করতে পারলে কর্মসংস্থানের অভাব হবে না

অনলাইন ডেস্ক

দক্ষ প্রোগ্রামার তৈরি করতে পারলে কর্মসংস্থানের অভাব হবে না

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, দক্ষ প্রোগ্রামার তৈরি করতে পারলে দেশে ও দেশের বাইরে কর্মসংস্থানের অভাব হবে না। করোনা মহামারিতে বিশ্বব্যাপি সাধারণ চাকুরির সুযোগ সংকোচিত হলেও দক্ষ আইটি প্রফেশনালদের চাকুরির চাহিদা দেশে ও বাইরে বাড়ছে।

বাংলাদেশ ডিজিটাল অবকাঠামোসহ ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণে অভাবনীয় সফলতা অর্জন করলেও শিক্ষায় ডিজিটাল রূপান্তরে অগ্রগতি আশানুরূপ নয়। এই লক্ষ্যে শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকে ডিজিটাল শিক্ষা প্রদানের বিকল্প নেই। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে কম্পিউটার বিজ্ঞান শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রী গত রাতে ঢাকায় অতীশ দীপংকর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘কোভিডকালে চাকুরির সুযোগ এবং আইটি খাতের চ্যালেঞ্জ’  বিষয়ক ওয়েবিনারে প্রদান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

অতীশ দীপংকর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান মো: লিয়াকত আলী সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নাসিম আক্তার.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হাফিজ মো: হাসান বাবু, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো: নাসির উদ্দিন এবং স্যামসন আরএন্ডডি এর নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল আসাদ বক্তৃতা করেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লব বা ডিজিটাল এজ হিসেবে পরিণত হওয়ার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার সাথে ছাত্র-ছাত্রীদের সম্পৃক্ত করতে হবে।
নতুন প্রজন্মকে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে না পারলে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা সম্ভব হবে না উল্লেখ করে কম্পিউটার বিপ্লবের অগ্রদূত জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেন কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা,রোবটিক্স, আইওটি, ব্লকচেইনসহ আগামী দিনের প্রযুক্তির সাথে খাপ খাইয়ে চলার জন্য ডিজিটাল দক্ষতা তৈরি করা অপরিহার্য। এই ক্ষেত্রে জনগোষ্ঠীর সবাইকে বিশেষজ্ঞ হতে হবে না ন্যুনতম ডিজিটাল দক্ষতা না থাকলে টিকে থাকতে পারবো না।

ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনের প্রচেষ্টা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করতে হবে উল্লেখ করে কম্পিউটারে বাংলা ভাষার উদ্ভাবক জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আমরা ৬শত ৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রোগ্রামিংসহ ডিজিটাল পদ্ধতিতে শিক্ষা প্রদানের একটি উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছি। গত ১২ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বে বাংলাদেশে ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে উঠেছে।অতীতের  তিনটি শিল্প বিপ্লব মিস করেও আজকের বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অংশ গ্রহণের জন্য সম্পুর্ণভাবে তৈরি। ২০২১ সালের মধ্যে ফাইভ-জি প্রযুক্তি দৃশ্যমান হবে যা অনেক দেশ চিন্তাও করতে পারেনি। করোনাকালে আমরা শতকরা ৯০ভাগ মোবাইল টাওয়ার ৪জি নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছি। বছরে দেশের শতকরা ৯৮ ভাগ এলাকা মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছি।দেশীয় মোবাইল কারখানা থেকে ৫জি মোবাইল উৎপাদন হচ্ছে এবং বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। দেশের শতকরা সত্তর ভাগ মোবাইলের চাহিদা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মোবাইল থেকে মেটানো সম্ভব হচ্ছে। দেশে ৬শত ডিজিটাল সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় কোভিডকালে ঘরে বসে অফিস আদালত পরিচালনা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামের শিশুটিও অন লাইনে পড়া লেখা করতে পারছে।হাওর, দ্বীপ ও প্রত্যন্তচরসহ দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইভারের মাধ্যমে উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়ার কাজ সমাপ্ত প্রায়। মন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ মানে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু বেতবুনিয়ায় উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র স্থাপন, টিন্ডটি বোর্ড প্রতিষ্ঠা এবং আইটিইউ ও ইউপিইউ এর সদস্য পদ গ্রহণ এবং প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয় করণের মধ্য দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের বীজ বপন করেছিলেন। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোবাইল ফোনের মনোপলি ব্যবসা বন্ধ এবং কম্পিউটারে উপর থেকে ভ্যাট ট্যাক্স প্রত্যাহার করে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করেন বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

সভাপতির বক্তৃতায় লিয়াকত আলী সিকদার বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি করতে হবে। শিশু শ্রেণি থেকে কম্পিউটার শিক্ষা প্রচলনে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার এর বক্তব্যকে ঐতিহাসিক দিকনির্দেশনা উল্লেখ করে বলেন, ছোট বেলায় আমরা শুনে ছিলাম বাংলা ভাষা কম্পিউটারের ভাষা হতে পারে না এবং কম্পিউটারে বাংলা ভাষা ব্যবহার সম্ভব হবে না । কিন্তু জনাব মোস্তাফা জব্বার সেই মাতৃভাষাকে কম্পিউটারের উপযোগী করতে তিনি তার ব্যক্তিগত জীবন, কর্ম জীবন, আর্থিক জীবন জলাঞ্জলি দিয়ে দিনের পর দিন গবেষণা করেছেন এবং তার অবদান স্বরূপ মাতৃভাষাকে কম্পিউটারের উপযোগী করেছেন। তিনি গত ১২ বছরে ডিজিটাল কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের অগ্রগতিকে বিস্ময়কর উল্লেখ করে বলেন, শেখ হাসিনা নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বিরোধীদলে থেকেও তথ্যযোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশে কাজ করেছেন। তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে টুঙ্গিপাড়ায় সে সময় একটি সেমিনারে জননেত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত থেকেছেন এবং সেমিনারে শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে জনাব মোস্তাফা জব্বার মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উল্লেখ করে লিয়াকত সিকদার বলেন,ডিজিটাল বিপ্লবে জননেত্রী শেখ হাসিনার পেছনে থেকে জনাব মোস্তাফা জব্বার কয়েক দশক ছায়ার মতো কাজ করেছেন।

বক্তারা ডিজিটাল প্রযুক্তি শিক্ষা সম্প্রসারণে সরকারের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা মনে করেন বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম অত্যন্ত মেধাবি। তারা উপযুক্ত পরিবেশ পেলে দক্ষ মানব সম্পদে সম্পদে পরিণত হবে। তারা আলোচকদের আলোচনাকে এ বিষয়ে দিক নির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে বলে।

আরও পড়ুন:

পাত্র চেয়ে আজব বিজ্ঞাপন তরুণীর, অতঃপর যা ঘটল...

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন সেনাপ্রধানের শ্রদ্ধা

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ঘাটে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

ওবায়দুল কাদেরকে এক নম্বর আসামি করে মামলা করবেন কাদের মির্জা

news24bd.tv/এমিজান্নাত 

পরবর্তী খবর

অভিনয় ছেড়ে ইসলামের নিয়ম পালন করতে চাই : সানাই

অনলাইন ডেস্ক

অভিনয় ছেড়ে ইসলামের নিয়ম পালন করতে চাই : সানাই

সামাজিক মাধ্যমে আপত্তিকরভাবে নিজেকে উপস্থাপন করে বার বার মুখোমুখি হয়েছেন সমালোচনার।বেশ কয়েক বছর নাটক ও সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। তবে ক্যারিয়ারে সুবিধাজনক অবস্থানে যেতে পারেননি তিনি। তাইতো আলেচিত সমালোচিত মডেল ও অভিনেত্রী সানাই মাহবুব সুপ্রভা এবার ঘোষনা দিলেন অভিনয় ছাড়ার।

একই সঙ্গে ইসলামের পথে নিজের বাকি জীবন অতিবাহিত করারও কথা এক ভিডিওবার্তায় জানিয়েছেন তিনি। যেখানে তাকে হিজাব পরে উপস্থিত হতে দেখা গেছে।

সানাই বলেন, ‘ইসলামের ছায়া তলে থেকে শান্তি খুঁজে পেতে চাই। নিজের ভুল বুঝতে পেয়েছি এবং অভিনয় জগত থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি। এ জগতে আর ফিরছি না। পুরোপুরি ইসলামের নিয়ম পালন করতে চাই। ইচ্ছে আছে খুব শিগগিরই হজে যাওয়ার, বাকিটা মহান আল্লাহর ইচ্ছে। ’

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


একই সঙ্গে ইসলামের পথে যাতে তিনি চলতে পারেন, সেজন্য সবার কাছে দোয়াও চেয়েছেন। কারো কাছে তার ছবি থাকলে সেগুলো সরিয়ে ফেলারও অনুরোধ এই অভিনেত্রীর।

সিনেমার নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ঢালিউডে পা রেখেছিলেন সানাই। কিন্তু সেই পথচলা ছন্দ মিলিয়ে ধারাবাহিক করতে পারেননি। অল্প সময়ের ফাঁকে কিছু সিনেমায় তিনি শুটিং করেছিলেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মাছের ড্রামে ১০জন মানুষ!

অনলাইন ডেস্ক

মাছের ড্রামে ১০জন মানুষ!

করোনা সংক্রমণ রোধে আজ থেকে ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন চলছে সারাদেশে। এই লকডাউনে বন্ধ আছে সব ধরণের যাবনবাহন। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দেখা গেছে চেকপোস্ট। কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে গাজীপুরে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশের টহল ছিল চোখে পড়ার মতো। এছাড়াও রয়েছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

কিন্তু এর মধ্যে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে ট্রাকে মাছের ড্রামের ভেতরে বসে বাড়ি যাচ্ছিলেন কয়েকজন যাত্রী। ট্রাকটি ঢাকা থেকে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ সেটি তল্লাশি করে। এসময় ১০ জনকে মাছের ড্রামের ভেতরে দেখতে পায় পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

শুক্রবার দুপুরে রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তায় গাজীপুর মহানগর পুলিশের চেকপোস্টে ওই ট্রাকে তল্লাশি চালানো হয়।

গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের সদর জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) বেলাল হোসেন জানান, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তায় পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন গাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছিল। এসময় ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী একটি মাছবাহী ট্রাক দেখে সন্দেহ হলে চেকপোস্টে থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। এ সময় মাছের ড্রামের ভেতর থেকে ১০ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ট্রাকচালকের বিরুদ্ধে ট্রাফিক আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

নামাজরত অবস্থায় বিনাবেতনে খেদমত করা ইমামের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

নামাজরত অবস্থায় বিনাবেতনে খেদমত করা ইমামের মৃত্যু

নামাজরত অবস্থায় মিরাশ উদ্দিন (৭০) নামের এক ইমামের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের কাইচাপুর গ্রামে শাহ সাব্দী দরগাবাড়ি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

মিরাশ উদ্দিন  কাইচাপুর সিনিয়র আলিম মাদরাসার সাবেক নৈশপ্রহরী ও মাদরাসার মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন। ১০ বছর আগে অবসরে যাওয়ার পর কিছুদিন ঢাকায় ইমামতি ও শিক্ষকতা করেন। এরপর গত ৭ বছর ধরে দরগাবাড়ি মসজিদে বিনাবেতনে খেদমত আঞ্জাম দিয়ে আসছিলেন।

তার কলেজ পড়ুয়া ছেলে সালাহ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।

ইমামের শ্যালক কাইচাপুর মাদরাসার হিসাব রক্ষক এরশাদ খান বলেন, ‘তিনি (ইমাম) সুস্থ ছিলেন। আমার পাশেই এসে দাঁড়িয়ে ক্বাবলাল জুমা শুরু করেন। নামাজের দ্বিতীয় রাকাতেই হঠাৎ তিনি ঢলে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।’ 

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

মসজিদের সভাপতি দুলাল হোসেন খান বলেন, ‘হুজুর অত্যন্ত সৎ ও আদর্শ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি নিঃস্বার্থভাবে আমাদের মসজিদে ইমামতি করতেন। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

‘স্ত্রীর মর্যাদা না পেলে এখান থেকে আমার লাশ যাবে’

অনলাইন ডেস্ক

‘স্ত্রীর মর্যাদা না পেলে এখান থেকে আমার লাশ যাবে’

২৫ বছর বয়সী এক তরুণী ১৩ দিন যাবত স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে  মাসুদ রানা নামের এক যুবকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন। তরুণীর সাথে যুবকের তিন মাসের সংসার ছিলো জানিয়ে তরুণী বলেন, আমাদের দেড় বছর প্রেম ও বিয়ের পর তিন মাস সংসার ভালোই চলছিল ঢাকায়। হঠাৎ কয়েকদিন আগে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আমাকে মারধর করে, বাসা ছেড়ে চলে যায় মাসুদ। সব রকমের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় আমার সঙ্গে। ভাড়া বাসার মালিক মারধরের ঘটনায় ভয় পেয়ে আমাকে বাসা ছেড়ে দিতে বলেন। বাসা ছেড়ে দেওয়ার পর উপায় না পেয়ে স্বামীর বাড়িতে এসে অবস্থান নিয়েছি। আমি স্ত্রীর মর্যাদা না পেলে এখান থেকে আমার লাশ যাবে।

১৩ দিন ধরে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের চড়ুইগদি গ্রামের মাসুদ রানার বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে তরুণী। তবে ১৩ দিন পেরিয়ে গেলেও ওই যুবকের দেখা পাননি তিনি। 

শুক্রবার ওই তরুণী সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, তার আসার খবরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মাসুদকে লুকিয়ে রেখেছেন। যদিও মাসুদের পরিবারের লোকজন বলছেন, ঢাকায় ছেলে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত। সেখান থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার কথা থাকলেও আজ শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ফেরেনি। 

তরুণী সাংবাদিকদের আরও বলেন, ‘আমার পরিবারকে ভুল বুঝিয়ে রাজশাহীর এক প্রতারক আমাকে বিয়ে করলে, পরে জানতে পারি যে বাড়িতে আরেকটা স্ত্রী রয়েছে তার। এরপরে তার সংসারে যাইনি। ঢাকায় বোনের বাসায় থেকে একটি বিউট পার্লারে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে মাসুদের সঙ্গে পরিচয় হয় আমার। পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে, রাজশাহীর প্রতাকরকে তালাক দিয়ে ১৬ এপ্রিল আমরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই।’
তরুণী বলেন, দেড় বছর প্রেম ও বিয়ের পর তিন মাস সংসার ভালোই চলছিল ঢাকায়। হঠাৎ কয়েকদিন আগে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আমাকে মারধর করে, বাসা ছেড়ে চলে যায় মাসুদ। সব রকমের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় আমার সঙ্গে। ভাড়া বাসার মালিক মারধরের ঘটনায় ভয় পেয়ে আমাকে বাসা ছেড়ে দিতে বলেন। বাসা ছেড়ে দেওয়ার পর উপায় না পেয়ে স্বামীর বাড়িতে এসে অবস্থান নিয়েছি। আমি স্ত্রীর মর্যাদা না পেলে এখান থেকে আমার লাশ যাবে।

এই বাড়িতে কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্থানীয় কয়েকজনকে দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অসংখ্যাবার চেষ্টা করেছে। আমি বের হইনি। চর থাপ্পড়ও মেরেছে। আমার স্বামী না আসা পর্যন্ত এখানে যদি মরতে হয়, মরব। ফিরে গেলে আমার মরদেহ যাবে। আমি যাব না।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

মাসুদের বাবা মোহাম্মদ আলী জানান, মেয়েটি এসে আমার ছেলের বউ হিসেবে নিজেকে দাবি করছে। বিবাহের কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে এসেছে।কাগজপত্র দেখে মনে হচ্ছে, বিয়ে করেছে আমার ছেলে। তবে ঢাকা থেকে মাসুদ না ফেরা পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আকালু (ডংগা) জানান, মাসুদের বাবাকে বলা হয়েছে দ্রুত সময়ে মাসুদকে বাসায় নিয়ে আসতে। ছেলে ফিরে এলে আগামী ২৫ জুলাই দুই পরিবারকে নিয়ে বসা হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

রূপগঞ্জে ঈদ সামগ্রী ও কোরবানীর গরুর গোস্ত বিতরণ বসুন্ধরা ও রংধনু গ্রুপের

অনলাইন ডেস্ক

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নসহ উপজেলার ১০ হাজার হত-দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ খাদ্য সামগ্রী ও কোরবানীর গরুর গোস্ত বিতরণ করেছে বসুন্ধরা ও রংধনু গ্রুপ।

বৃহস্পতিবার দিন ব্যাপি উপজেলার নাওড়া এলাকায় কোরবানির মাংস বিতরণ করা হয়। এর আগে ১০ হাজার পরিবারের মাঝে চাল, পোলাউয়ের  চাল, ডাল, তেল, সিমাই, চিনিসহ ঈদ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রংধনু গ্রুপ ও কায়েতপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম রফিক। 

আরও পড়ুন:

আনন্দ ভ্রমণে গিয়ে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু

রাস্তায় ফেলে চলে যাওয়া চামড়াগুলোতে পচন ধরে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে

মুনিয়ার মৃত্যুর সঙ্গে সায়েম সোবহান আনভীরের জড়িত থাকার প্রমাণ পায়নি পুলিশ


 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংধনু গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাউসার আহাম্মেদ অপু, ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান দিপসহ  এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর