এই গ্যাসটা বহুদূর চলে যায়, যা পায় সব গুঁড়ো করে যায়: পুলিশ
এই গ্যাসটা বহুদূর চলে যায়, যা পায় সব গুঁড়ো করে যায়: পুলিশ

এই গ্যাসটা বহুদূর চলে যায়, যা পায় সব গুঁড়ো করে যায়: পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক

মগবাজারের ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা এখনো রহস্যজনক। ঠিক কী কারণে এত বড় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল তা নিয়ে দিশেহারা অবস্থায় আছে স্বয়ং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি এই মুহূর্তে ঘটনাস্থলে আছে ঢাকা মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা। পৌঁছে গেছে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটও।

ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশের রমনা বিভাগের ডিসি সাজ্জাদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, এখানে কোনো আশঙ্কাই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কী কারণে বিস্ফোরণ হয়েছে তা আমরা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছি। আমাদের অনেকগুলো টিম কাজ করছে। নাশকতার আশঙ্কা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটও এখানে এসেছে। তারা তাদের এঙ্গেল থেকে কাজ করছে।

বিস্ফোরণের ভয়াবহতা বর্ণনায় তিনি জানান, ‘এই বিল্ডিংটা ভেঙে বহুদূরে চলে গেছে। দরজা-জানালা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে বহু দূরে চলে যায়। আমার ধারণা যে এই বিল্ডিংয়ের ভেতরে কোনো একটা রুম গ্যাস চেম্বার হয়ে গিয়েছিল। সেখানে ফায়ার ওপেন করেছে এবং সাথে সাথেই এই বিস্ফোরণটা হয়েছে। এই গ্যাসটা বহুদূর চলে যায় এবং একটা লাইনে যা পায় সব গুঁড়ো করে দিয়ে যায়। অতীতেও আমি এমন দুই-তিনটা ঘটনা দেখেছি। ’

তিনি বলেন, ‘এখানে ব্যাপকতাটা অনেক বেশি। আমার অভিজ্ঞতা আরও যে কয়েকটা দেখেছি, এখানে ব্যাপকতাটা অনেক বেশি। সেক্ষেত্রে সুর্নিদিষ্ট করে কিন্তু কোনোভাবেই বলা যাবে না এটা গ্যাস চেম্বার থেকে হয়েছে বা রুম গ্যাস চেম্বার হয়ে গিয়েছিল। এমনও হতে পারে যে এখানে বিরাট ... সেটা গ্যাস চেম্বার হয়ে গেছে। এক্সপ্লোসিভও হতে পারে। একটু সময় দিতে হবে। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আছে, কোথাও কোনো আলামত বা বিস্ফোরণের গন্ধ পাওয়া যায় নাকি। কিছু সময় পরে এটা উদঘাটিত হয়ে যাবে। ’ 

নাশকতার কোনো আশঙ্কা দেখছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ‘আমরা কোনো কিছুই ফেলে দিচ্ছি না, আমাদের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট চলে এসেছে এবং তারা কাজ করছে। একই সঙ্গে ফায়ার সার্ভিস, তাদের বিরাট অভিজ্ঞতা আছে, তারাও কাজ করছে। এটা ফাইন্ড আউট হয়ে যাবে। ’

আরও পড়ুন: 


মগবাজারে বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ৬

মগবাজারে বিস্ফোরণস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ১৩ ইউনিট, ২৭ জন হাসপাতালে


news24bd.tv / তৌহিদ

সম্পর্কিত খবর