লকডাউনে রিকশা চলাচল নিয়ে যা জানা গেল
লকডাউনে রিকশা চলাচল নিয়ে যা জানা গেল

লকডাউনে রিকশা চলাচল নিয়ে যা জানা গেল

অনলাইন ডেস্ক

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া সর্বাত্মক লকডাউনে কোনোভাবেই ঘরের বাইরে বের হওয়া যাবে না। জনসাধারণকে ঘরে রাখতে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। এ সময় বিজিবি ও পুলিশের পাশাপাশি চলাচল নিয়ন্ত্রণে টহলে থাকবে সেনাবাহিনীও।  
  
সোমবার (২৮ জুন) দুপুরে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

এদিকে সর্বাত্মক লকডাউনে সড়কে রিকশা চলবে কি চলবে না, সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি পরে জানিয়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।  

করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সীমিত পরিসরে তিন দিনের লকডাউনের প্রথম দিন আজ। চলবে আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত। এই তিনদিন গণপরিবহণ বন্ধ থাকলেও রিকশা চলাচলে কোনো বাধা নেই।  

তবে আগামী ১ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে যে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে, সেই সময় রিকশা চলাচল করবে কিনা তা নিয়ে নতুন করে চলছে আলোচনা।

কারণ এই সাতদিন ঘর থেকে কেউ বের হতে পারবে না। দোকানপাট ও শপিংমলও বন্ধ থাকবে। সব ধরনের গণপরিবহণ বন্ধ থাকবে। তবে সড়কে রিকশা চলবে কি চলবে না- এ বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।  

গত কয়েক দফার লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও রিকশা চলাচলে কোনো বাধা ছিল না। তবে এবারের লকডাউন বাস্তবায়নে সরকার কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে।  

তিনি বলেন, ‘লকডাউন, শাটডাউন এসব কিছু না, কড়া বিধিনিষেধ পালন করা হবে। ’ এবার পুলিশের কোনো মুভমেন্ট পাস থাকবে না। কেউ ঘর হতে বেরও পারবেন না। জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া অফিস-আদালত সব বন্ধ থাকবে। প্রমাণ সাপেক্ষে রোগী ও জরুরি সেবায় নিয়জিতরা ঘরের বাইরে বের হওয়ার সুযোগ পাবে।

মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, লকডাউন আর রেস্ট্রিকশনের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে। লকডাউন মানে টোটাল ক্লোজ করতে হয়, কিন্তু টোটাল ক্লোজ করে দিলে তো পারবেন না। অনেক কিছুই খোলা রাখতে হয়।

তাহলে লকডাউন বা শাটডাউন কিছুই নয়, নিষেধাজ্ঞা কী না জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেখা যাক, আমরা এটিকে কী শব্দ বলি। তবে মিনিমাম নিষেধাজ্ঞা আরকি। ১ তারিখ ভোর ৬টা থেকে ৭ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত স্ট্রিক্ট ভিউতে যাচ্ছি আমরা। খুবই স্ট্রিক্ট ভিউতে, কারণ চারটি জেলার সঙ্গে আমরা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত পর্যালোচনা করে দেখেছি। সেখানে বিভাগীয় কমিশনার, ডিসি, ডিআইজি, এসপি, সিভিল সার্জন, পরিচালক, জনপ্রতিনিধি, মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান সবাই ছিলেন। সবারই বক্তব্য এবং সেখানে গ্রাফিক প্রেজেন্টেশন তাতে দেখা যাচ্ছে যে, দেশের একটা বড় অংশ অরেঞ্জ, রেড বা ব্রাউন হয়ে যাচ্ছে। সুতরাং এখন আমাদের বিধি-নিষেধ আরোপ করা ছাড়া উপায় নেই।

তিনি আরও বলেন, করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আগামী ১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হবে। আসন্ন বিধি-নিষেধ বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবি মাঠে থাকবে।

এছাড়া আগামীকাল মঙ্গলবার (২৯ জুন) কঠোর লকডাউনের বিধি-নিষেধের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানা গেছে।

news24bd.tv/আলী

;