স্প্রাইটের নতুন ক্যাম্পেইন ‘তৃষ্ণা মিটলে সব ক্লিয়ার’

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

স্প্রাইটের নতুন ক্যাম্পেইন ‘তৃষ্ণা মিটলে সব ক্লিয়ার’

তীব্র এই গরমে বাংলাদেশের ভোক্তাদেরকে উজ্জীবিত করতে “তৃষ্ণা মিটলে সব ক্লিয়ার” শীর্ষক থিমভিত্তিক নতুন ক্যাম্পেইন নিয়ে এলো কোকা-কোলার লেমন-লাইম স্বাদের জনপ্রিয় কোমলপানীয়- স্প্রাইট।

ভোক্তা-কেন্দ্রীক নতুন এই যোগাযোগে স্প্রাইটের সঙ্গে সতেজতার সম্পর্ক তুলে ধরার পাশাপাশি এসময়ের সেই সব তরুণদের জীবনের প্রতি আলোকপাত করা হয়েছে, যারা নিজেদের ক্লান্তি দূর করার জন্য স্প্রাইটের প্রতি ভরসা রাখে। বাংলাদেশের দর্শকদের কথা মাথায় রেখে বাংলা ভাষায় নির্মিত নতুন এই থিমভিত্তিক যোগাযোগটিতে রয়েছে দেশিয় ছন্দময় সুর ও আকর্ষণীয় লিরিক।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিপুল সাড়া জাগিয়ে শেষ হলো স্প্রাইটের ব্যতিক্রমধর্মী স্টোরিটেলিং ক্যাম্পেইন- “তোমার চয়েসে হোক স্প্রাইট এর গল্প”। দারুণ প্রশংসা কুড়ানো এই ক্যাম্পেইনটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও বাংলাদেশে স্প্রাইটের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর সিয়াম আহমেদ। জীবনের নানান বাস্তবতায় সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে স্প্রাইট সবসময় বাড়তি মাত্রা যোগ করে থাকে।

স্প্রাইট মূলত: বুদ্ধিদীপ্ত ও মজার যোগাযোগ কৌশলের কারণে ভোক্তাদের কাছে ভালোবাসার ব্র্যান্ড হয়ে উঠেছে। বিপদে মাথা ঠান্ডা রেখে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তৃষ্ণা নিবারণের গুরুত্বটি স্প্রাইট মজার ছলে তুলে ধরে থাকে। সত্যি বলতে- আজকের পৃথিবীটা তরুণদের জন্য খুব মোটেও সহজ জায়গা নয়। অতিরিক্ত দায়িত্ব, কাজের চাপ ও তীব্র প্রতিযোগিতার যাঁতাকলে পড়ে তরুণরা প্রায়ই বুঝে উঠতে পারে না যে, এখন আসলে তাদের কি করা উচিৎ। এমন পরিস্থিতিতে স্প্রাইটের অকৃত্রিম সজীবতার চুমুক সেসব তরুণদের চাঙ্গা করে তোলে। জীবনের যাবতীয় ক্লান্তি দূরে ঠেলে মুহূর্তেই তাদের সময়গুলোকে আরো উপভোগ্য করে তোলে স্প্রাইট। সারা বিশ্বেই মানুষ এখন অতিরিক্তি নানান চাপ এবং দায়িত্বভারে জর্জরিত, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরো কঠিন করে তুলছে। এ অবস্থায় এক চুমুক ঠান্ডা স্প্রাইটই পারে তরুণদের সতেজ করে তুলতে। আর এভাবেই তারা আত্মবিশ্বাস খুঁজে পেয়ে নিজেদের মতো করেই এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ পায়।

স্প্রাইটের নতুন থিমভিত্তিক ক্যাম্পেইনটি প্রসঙ্গে কোকা-কোলা বাংলাদেশ এক বিবৃতিতে জানায়, “আমরা এমন একটি পৃথিবীতে বাস করছি, যেটি ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে। এ অবস্থায় ছোট্ট-সাধারণ ভালো লাগার মূহূর্তগুলোই আমাদের জীবনকে অন্যরকম করে তুলতে পারে।

অনন্য অসাধারণ লেমন-লাইম স্বাদে ভরপুর স্প্রাইটের নতুন এই থিমভিত্তিক যোগাযোগটি আমাদেরকে চমৎকারভাবে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, জীবন তোমার উপর যতই কঠিন হোক না কেন, তোমার নিজের কাছে যেটি গুরুত্বপূর্ণ, সেটাতেই মনোযোগ দেয়া জরুরী। স্প্রাইট কেবল তৃষ্ণামেটাতেই সাহায্য করে না, ঠান্ডা মাথায় সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে মনকেও চাঙ্গা রাখে।”

কোকা-কোলার লেমন-লাইম স্বাদের জনপ্রিয় কোমলপানীয়- স্প্রাইট, সেই ১৯৬১ সাল থেকেই অবিরামভাবে সারা বিশ্বে মানুষের তৃষ্ণা নিবারণ করে আসছে। গুণ-মানের প্রশ্নে ব্র্যান্ডটির আপোষহীন মনোভাব বিশ্বজুড়েই সুবিদিত। ব্র্যান্ডটি- অপ্রয়োজনীয় সব ঝুট-ঝামেলা ছুড়ে ফেলে জীবনকে প্রকৃতপক্ষেই উপভোগ্য করে তোলায় বিশ্বাসী।

কোকা-কোলা বাংলাদেশ সম্পর্কে:
কোকা-কোলা সমগ্র বাংলাদেশ জুড়ে হাজার হাজার ভোক্তার কোমল পানীয়ের চাহিদা পূরণ করছে, যা তাঁদের সতেজ ও চনমনে থাকতে বেশ সহায়ক। কোকা-কোলার পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে- কোকা-কোলা, ডায়েট কোক, স্প্রাইট, ফান্টা, কিনলে পানি, কিনলে সোডা, কোকা-কোলা জিরো, স্প্রাইট জিরো, থামস আপ কারেন্ট ইত্যাদি। কোকা-কোলা এদেশে ৮ শতাধিক লোকের সরাসরি এবং পরোক্ষভাবে ২২ হাজারেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। কোকা-কোলা নানা ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে কমিউনিটি বা সমাজকে শক্তিশালী করে তোলার ব্যাপারে প্রতিশ্ধসঢ়;রুতিবদ্ধ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দু’টি কর্মসূচি হলো: ‘এভরি ড্রপ ম্যাটারস’ ও ‘ওয়াশ’। এই দু’টি কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন বা পয়ঃনিষ্কাশন, হাইজিন বা স্বাস্থ্যবিধি বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং স্কুলে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের কার্যক্রম চলছে। এছাড়া নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশে কোকা-কোলা ‘উইমেন বিজনেস সেন্টার’ নামে তার ব্যতিক্রমধর্মী ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে, যা ২০২০ সালের মধ্যে দেশটির ১,০০,০০০ নারীকে সাবলম্বী হয়ে উঠতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

আরও পড়ুন:


শিক্ষক নিবন্ধনের ফল ‘বৃহস্পতিবার’!

ঈদের আগে লকডাউন শিথিলের ব্যাপারে যা জানালেন ওবায়দুল কাদের

স্প্রাইটের নতুন ক্যাম্পেইন ‘তৃষ্ণা মিটলে সব ক্লিয়ার’

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

প্রবৃদ্ধিতে ফিরেছে রপ্তানি আয়

সুলতান আহমেদ

স্বাভাবিক হয়ে উঠছে দেশের অর্থনীতি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জমে উঠেছে বেচাকেনা, প্রবৃদ্ধিতে ফিরেছে রপ্তানি আয়। দিনরাত খেটেও মুখে হাসি ফিরেছে শ্রমজীবী মানুষের। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহামারীতে যারা চাকরি হারিয়েছে তাদের কাজে ফেরানো আর নতুনদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তবে ব্যবসায়ীরা এজন্য তাকিয়ে আছেন বাড়তি ব্যাংক ঋনের দিকে। পুরান ঢাকার নবাবপুর রোড… দীর্ঘ যানজট লেগেই রয়েছে। তবে এত যানজটের পরও জনমনে অস্বত্বি নেই। 

মহামারী করোনা আর টানা লকডাউন থেকে ফিরে যানজট দেখেও যেন ভালো লাগে খেটে খাওয়া মানুষের। লকডাউনে কাজ বন্ধ থাকায় প্রায় সব শ্রমিককেই চলতে হয়েছে ধারদেনা করে। সেই ঋণ শোধ করতে সকাল থেকে রাত অবধি পরিশ্রমের কমতি নেই শ্রমিকদের। বলছেন, লকডাউনের দিনে আর ফিরতে চায় না তারা। 

ব্যস্ততার কমতি নেই ব্যবসায়ীদেরও। পুরো দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ায় নতুন নতুন অর্ডার আসছে। তবে এই সময়ে প্রধান বাধার নাম, পুঁজির অভাব। 

এদিকে লকডাউনের প্রভাব থেকে আগেই মুক্ত হয়েছে দেশের রপ্তানি খাত। আগস্ট শেষে মোট রপ্তানি হয়েছে ৩৩৮ কোটি ডলার। যা তার আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি। 

আরও পড়ুন:


বাংলাদেশ-ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে দেওয়ায় ৭ বছরের 

নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মারপিট (ভিডিও)

স্বাস্থ্যের সেই গাড়িচালক মালেকের ৩০ বছরের কারাদণ্ড

যে ২৬টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গোয়েন্দা নজরদারিতে


অর্থনীতির এই স্বাভাবিক যাত্রায় বড় চ্যালেঞ্জ কর্মসংস্থান তৈরি করা। এজন্য ব্যবসায়ীদের চাওয়া বাড়তি ব্যাংক লোন। তবে সেই ঋণ যাচাই বাছাই করে সঠিক জায়গায় দেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। 

এছাড়া বাড়তি চাহিদা তৈরি হওয়ায় যাতে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় সেই দিকে নজর দেয়ার পরামর্শও বিশেষজ্ঞদের। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রাজস্ব আয়ে ডাক বিভাগে সবচেয়ে সফল ‘নগদ’

‘নগদ’থেকে তিন গুণ আয় পেল ডাক বিভাগ

অনলাইন ডেস্ক

‘নগদ’থেকে তিন গুণ আয় পেল ডাক বিভাগ

ডাক বিভাগের সেবাগুলোর মধ্যে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-ই সবচেয়ে সফল। সাধারণ মানুষের জীবন যাপনের অংশ হয়ে ওঠা ‘নগদ’ ২০২০-২১ অর্থ বছরে তাদের আয় থেকে ডাক বিভাগের অংশ হিসেবে ৩ কোটি ৩১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৭৭ টাকার রাজস্ব বুঝিয়ে দিয়েছে।

চুক্তি অনুসারে, ‘নগদ’-এর সেবা থেকে মোট আয়ের ৫১ শতাংশ ডাক বিভাগের প্রাপ্য। বাকি ৪৯ শতাংশ পায় ‘নগদ’ লিমিটেড। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থ বছর ‘নগদ’ থেকে ডাক বিভাগ ১ কোটি ১২ লাখ টাকা আয় পেয়েছিল। শেষ হওয়া অর্থ বছরে যা বৃদ্ধি পেয়ে তিন গুণ হয়।

সম্প্রতি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে ‘নগদ’ কর্তৃপক্ষ ডাক বিভাগের প্রাপ্য অংশের চেক হস্তান্তর করে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মো. আফজাল হোসেন ‘নগদ’-এর নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলমের হাত থেকে চেকটি গ্রহণ করেন। এ সময় ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিনসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চেক গ্রহণের পর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আফজাল হোসেন বলেন, ডাক বিভাগ ও থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেড ২০১৭ সালে চুক্তির মাধ্যমে ‘নগদ’ সেবা চালু করে। সময়ের পরিক্রমায় নানা চড়াই-উৎড়াই পেরিয়ে ‘নগদ’ এখন ভালো একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে।

সচিব মো. আফজাল হোসেন বলেন, দেশে যতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবা রয়েছে, তার মধ্যে ‘নগদ’ একটি শক্ত জায়গা করে নিয়েছে। ‘নগদ’-এর গ্রাহক ও আয় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে ১০ হাজার টাকা দিয়ে ‘নগদ’-এর লেনদেন শুরু করেন। ‘নগদ’-এ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মালিকানা রয়েছে, এটা সর্বজন স্বীকৃত। 

আরও পড়ুন


আশ্রয়ণ প্রকল্প: এটা তো দুর্নীতির জন্য হয়নি, এটা কারা করলো?

আগের স্ত্রীকে তালাক না দিয়েই মাহিকে বিয়ে করেছে রাকিব

আমরা কখনো জানতামও না যে এই সম্পদ আমাদেরই ছিলো

নাশকতার মামলায় নওগাঁর পৌর মেয়র সনিসহ বিএনপির ৩ নেতা কারাগারে


 

এ সময় ‘নগদ’-এর নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলম বলেন, শুরু থেকে ‘নগদ’ ডাক বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। শেষ হওয়া বছরে ডাক বিভাগ যে আয় পেয়েছে তা আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি। আগামী দিনে দেশের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা নিয়ে ‘নগদ’ ডাক বিভাগকে আরো বেশি রাজস্ব দিতে পারবে বলে আশা করেন তিনি।

ডাক বিভাগের সেবা হিসেবে বাজারে আসার মাত্র আড়াই বছরে দেশের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবার বাজারে বড় রকমের পরিবর্তন ঘটিয়েছে ‘নগদ’। ফলে সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট চার্জসহ অত্যাধুনিক সব সেবা উপভোগ করতে পারছে দেশের সাধারণ মানুষ। যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো সময় যেকোনো মোবাইলে *১৬৭# ডায়াল করে কয়েক সেকেন্ডে খুলতে পারছে ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সারাদেশের কুরিয়ার `সদাগর এক্সপ্রেস`

অনলাইন ডেস্ক

সারাদেশের কুরিয়ার `সদাগর এক্সপ্রেস`

দেশের অন্যতম ই-কমার্স জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান সদাগর ডটকমের কনসার্ন হিসেবে সম্প্রতি দেশজুড়ে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ডেলিভারিতে যুক্ত হলো টেক বেজড লজিস্টিক কোম্পানি "সদাগর এক্সপ্রেস"।  

প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা বলেন,  বাংলাদেশ ই-কমার্স ডেলিভারিতে উন্নতি করছে, সদাগর এক্সপ্রেস ও তার একটি অংশ হবে আশা রাখছি। সদাগর এক্সপ্রেস এর  কার্যক্রম যে শুধুমাত্র বাংলাদেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে তা নয়। ইন্টারন্যাশনাল ভাবে সদাগর এক্সপ্রেস পার্সেল ও কুরিয়ার করে থাকবে।

এছাড়া  আমরা খুব তাডাতাড়ি সদাগর এক্সপ্রেস এর  ড্রোন সার্ভিস চালু করার আশা প্রকাশ করছি, যার মাধ্যমে আমরা ৩০ মিনিটের মধ্যেই ডেলিভারি করার ব্যবস্থা করতে পারব। তাছাড়া কাস্টমাররা এ্যাপ থেকে বুকিং করে ব্রাঞ্চে এসে পন্য ড্রপ করে যেতে পারবে, বুকিং পয়েন্টে এসে লাইনে দাড়ানোন হ্যাসেল নিতে হবে না। বুকিং এজেন্টরা ও ওয়েবপোর্টালের মাধ্যমে তাদের কাস্টমারের পন্য ট্র‍্যাক করতে পারবে। এতে করে পন্য হারিয়ে যাবার সম্ভাবনা একেবারেই থাকবেনা এবং কাস্টমাররা সহজেই বুজতে পারবেন তার পন্য কোথায় আছে। এছাড়াও থাকছে দেশজুড়ে টাকা পাঠানোর সহজ ব্যবস্থা এবং নিরাপদ ক্যাশ অন ডেলিভারি ব্যবস্থা।

দেশে কুরিয়ার ইন্ডাস্ট্রিতে বি২বি প্রতিষ্ঠানের যাত্রার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা আরিফ চৌধুরী ও জাহিদ শাহ বলেন,  দেশের কুরিয়ার ইন্ডাস্ট্রিতে বি২বি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সদাগর. কম এর যাত্রায় অনেকটা চ্যালেঞ্জ এর মুখোমুখি হতে হয়েছে আমাদের।   যেখানে আমাদের দেশের অধিকাংশ উৎপাদনকারী ব্যাবসায়ী এখনো  প্রযুক্তির সাথে পুরোপুরি ভাবে পরিচিত নয়। উৎপাদন কারী হতে পন্য রিটেইলার পর্যন্ত পৌছানো পর্যন্ত শুরুর দিকে আমাদের অনেকটা চ্যালেঞ্জ পার করতে হবে সদাগর এক্সপ্রেসেও, তবে সময়ের সাথে সাথে আমরা এই চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে পারবো এবং দেশের প্রতিটি খাতকে ডিজিটালাইজেশন এর আওতায় নিয়ে আসতে পারবো আশা করি।

মার্চেন্টদের জন্য কি সুবিধা থাকবে? এমন প্রশ্নে তারা বলেন, "মার্চেন্টরা  বাল্কে পন্য এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌছাতে পারবে বি২বি কুরিয়ার সদাগর এক্সপ্রেস এর মাধ্যমে। এক্ষেত্রে সদাগর পন্যের কোন প্রকার ক্ষয় ক্ষতি না করে পন্যের গুনগত মান ঠিক রেখে খুব অল্প সময়ের মধ্যে পন্যের ডেলিভারি করার ব্যবস্থা করবে কম মূল্য এ এছাড়া মার্চেন্টদের জন্য পন্যের ট্রেকিং সুবিধাও থাকবে।


আরও পড়ুন

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজির বিরুদ্ধে চার্জশিট


বর্তমানে দেশের ৬৪ টি জেলাতেই চলছে সদাগর এক্সপ্রেসের কার্যক্রম ,  ছোট যে কুরিয়ারগুলো ঢাকার বাইরে ডেলিভারিতে দীর্ঘ সময় নেয় তারা সদাগর এক্সপ্রেসের মিড মাইল সার্ভিস গ্রহনের মাধ্যমে এখন তাদের মার্চেন্টদের ২৪ ঘন্টায় ডেলিভারি দিতে পারবে।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

স্বাভাবিক হয়ে উঠছে দেশের অর্থনীতি

সুলতান আহমেদ

স্বাভাবিক হয়ে উঠছে দেশের অর্থনীতি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জমে উঠেছে বেচাকেনা, প্রবৃদ্ধিতে ফিরেছে রপ্তানি আয়। দিনরাত খেটেও মুখে হাসি ফিরেছে শ্রমজীবী মানুষের। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহামারীতে যারা চাকরি হারিয়েছে তাদের কাজে ফেরানো আর নতুনদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তবে ব্যবসায়ীরা এজন্য তাকিয়ে আছেন বাড়তি ব্যাংক ঋনের দিকে। পুরান ঢাকার নবাবপুর রোড… দীর্ঘ যানজট লেগেই রয়েছে। তবে এত যানজটের পরও জনমনে অস্বত্বি নেই। 

মহামারী করোনা আর টানা লকডাউন থেকে ফিরে যানজট দেখেও যেন ভালো লাগে খেটে খাওয়া মানুষের। লকডাউনে কাজ বন্ধ থাকায় প্রায় সব শ্রমিককেই চলতে হয়েছে ধারদেনা করে। সেই ঋণ শোধ করতে সকাল থেকে রাত অবধি পরিশ্রমের কমতি নেই শ্রমিকদের। বলছেন, লকডাউনের দিনে আর ফিরতে চায় না তারা। 

ব্যস্ততার কমতি নেই ব্যবসায়ীদেরও। পুরো দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ায় নতুন নতুন অর্ডার আসছে। তবে এই সময়ে প্রধান বাধার নাম, পুঁজির অভাব। 

আরও পড়ুন:


বাংলাদেশ-ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে দেওয়ায় ৭ বছরের 

নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মারপিট (ভিডিও)

স্বাস্থ্যের সেই গাড়িচালক মালেকের ৩০ বছরের কারাদণ্ড

যে ২৬টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গোয়েন্দা নজরদারিতে


এদিকে লকডাউনের প্রভাব থেকে আগেই মুক্ত হয়েছে দেশের রপ্তানি খাত। আগস্ট শেষে মোট রপ্তানি হয়েছে ৩৩৮ কোটি ডলার। যা তার আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি। 

অর্থনীতির এই স্বাভাবিক যাত্রায় বড় চ্যালেঞ্জ কর্মসংস্থান তৈরি করা। এজন্য ব্যবসায়ীদের চাওয়া বাড়তি ব্যাংক লোন। তবে সেই ঋণ যাচাই বাছাই করে সঠিক জায়গায় দেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। 

এছাড়া বাড়তি চাহিদা তৈরি হওয়ায় যাতে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় সেই দিকে নজর দেয়ার পরামর্শও বিশেষজ্ঞদের। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ই-কমার্সের ফাঁদ থেকে বাঁচতে প্রচারণা চালানোর পরামর্শ হাইকোর্টের

হাবিবুল ইসলাম হাবিব

ই-কমার্সের ফাঁদ থেকে বাঁচতে গ্রাহকদের লোভ কমানোর এবং এবিষয়ে জনস্বার্থে প্রচারণা চালানোর পরামর্শ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলছেন, ই-কমার্সের মাধ্যমে প্রতারিতদের আইনী পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ রয়েছে। এ নিয়ে শিগগিরই একটি আইন প্রণয়নের পরামর্শ দেন তিনি। 

ই কমার্স বা অনলাইনে কেনাকাটা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রীয়। তারই ধারাবাহিকতায়  বাংলাদেশেও মানুষ অভ্যস্ত হয়ে উঠছে অনলাইন কেনাকাটায়। সাম্প্রতিক তথ্য বলেছে, 'বর্তমানে বাংলাদেশে ই-কমার্স খাতের আকার প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার এবং তা বার্ষিক ৫০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আরও পড়ুন:


কনক সারোয়ারের সাথে বিএনপি নেতার কথোপকথন (অডিও) ফাঁস!

বিয়ের দিন সকালেই ধর্ষণের শিকার তরুণী, রাতে ভেঙে গেল বিয়ে!

সোমবার যে আমলটি করলে মনের আশা পূরণ হবে!

ট্রফি জয়ের ঘোষণা দিয়ে বিশ্বকাপে যাব: তামিম


এই যখন অবস্থা তখন অল্প সময়ে জনপ্রীয় হয়ে ওঠা দেশের বৃহৎ অনলাইন মার্কেট ইভ্যালি ইঅরেঞ্জসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পণ্য কেনাকাটার নামে প্রতারনার অভিযোগ উঠেছে। রোববার এক মামলার শুনানীকালে হাইকোর্টও জানাতে চান ইকমার্সের প্রতারনার বিষয়টি। জানার পর এবিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে আইনজীবীদের প্রতি আহ্বান জানান আদালত।

বিষয়টি নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল আমিন উদ্দীন বলেন, অনলাইনে কেনাকাটা বর্তমান সময়ে খুবই জনপ্রীয় তাই এবিষয়ে নীতিমালা থাকা প্রয়োজন। শিগগিরিই আইন প্রনয়ন করে প্রতারনা বন্ধ করার উপর জোর দেন তিনি।

আদালতের শুনানীতে উঠে আসে দেশে ই-কমার্স ব্যবসার নামে লাগামহীন অফার থাকে। যা বিদেশি প্রতিষ্ঠান আলিবাবা বা অ্যামাজনে থাকে না। এতে দেশের গ্রাহকেরা অতি লোভে পড়ে প্রতারণার শিকার হন।

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর