ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল, ফাঁস দিয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা!
ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল, ফাঁস দিয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা!

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল, ফাঁস দিয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা!

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীর সবুজবাগের বাসাবো এলাকায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। গতকাল রোববার রাতে ওই ছাত্রীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে নয়টার দিকে তাকে মৃত বলে জানান।

নিহত স্কুলছাত্রীর নাম উর্মি আক্তার (১৪)। সবুজ বাগের বাসাবোতে নানার বাড়ি থেকে স্থানীয় একটি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত সে।

তার বাবা আবুল ও মা ঝর্ণা আকতার ধলপুর এলাকায় একটি বস্তিতে থাকেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবহিত করা হয়েছে। ’

উর্মির ফুফা জনি শেখ জানান, প্রেমের ফাঁদে ফেলে ওই  স্কুলছাত্রীর অশ্লীল ছবি ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখি ব্ল্যাকমেইল করত কথিত প্রেমিক। ওই ঘটনা ভুক্তভোগী তার পরিবারকে জানালে পরিবারের লোকজন শাসন করেন। পরে অভিমানে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে সে।

জনি শেখ বলেন, ‘ছেলেটার নাম জানতে পারিনি, তবে একই এলাকায় থাকে। ’ জানা গেছে, নিহত স্কুলছাত্রীর বাবার রিকশার গ্যারেজ আছে। মা সিটি করপোরেশনের ক্লিনার পদে চাকরি করেন। দুই বোনের মধ্যে উর্মি ছিল বড়।

রাজধানীর সবুজবাগের বাসাবো এলাকায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। গতকাল রোববার রাতে ওই ছাত্রীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে নয়টার দিকে তাকে মৃত বলে জানান।

নিহত স্কুলছাত্রীর নাম উর্মি আক্তার (১৪)। সবুজ বাগের বাসাবোতে নানার বাড়ি থেকে স্থানীয় একটি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত সে। তার বাবা আবুল ও মা ঝর্ণা আকতার ধলপুর এলাকায় একটি বস্তিতে থাকেন।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবহিত করা হয়েছে। ’

উর্মির ফুফা জনি শেখ জানান, প্রেমের ফাঁদে ফেলে ওই  স্কুলছাত্রীর অশ্লীল ছবি ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখি ব্ল্যাকমেইল করত কথিত প্রেমিক। ওই ঘটনা ভুক্তভোগী তার পরিবারকে জানালে পরিবারের লোকজন শাসন করেন। পরে অভিমানে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে সে।

জনি শেখ বলেন, ‘ছেলেটার নাম জানতে পারিনি, তবে একই এলাকায় থাকে। ’ জানা গেছে, নিহত স্কুলছাত্রীর বাবার রিকশার গ্যারেজ আছে। মা সিটি করপোরেশনের ক্লিনার পদে চাকরি করেন। দুই বোনের মধ্যে উর্মি ছিল বড়।

আরও পড়ুন:


তার শরীরী আবেদনে কুপোকাত ভক্তরা

ভারতের সঙ্গে গোপন যোগাযোগ নেই: পাকিস্তান

রাস্তায় বের হওয়ার রাজধানীতে গ্রেপ্তার ৬১৮


news24bd.tv / তৌহিদ