খাতুনগঞ্জে ক্রেতা না থাকায় পঁচে যাচ্ছে পেঁয়াজসহ বিভিন্ন কাঁচামাল (ভিডিও)

চট্টগ্রাম থেকে নয়ন বড়ুয়া জয়

দেশের সবচেয়ে বড় ভোগ্য পণ্যের বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ। ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে প্রচুর পণ্য আমদানি করেছেন ব্যবসায়ীরা। তবে লকডাউনের কারণে ক্রেতা শূণ্য থাকায় পন্য বিক্রি  হচ্ছে না। এ অবস্থায় পঁচে যাচ্ছে পেঁয়াজসহ অনান্য পণ্য।  আর্থিক লোকসানের আশঙ্কায়  দিশেহারা আমদানিকারক ও পাইকাররা। 

পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে অতিরিক্ত পণ্য আমদানি করেছেন চাক্তাই খাতুনগঞ্জের পাইকারি ব্যবসায়ীরা। কিন্তু লকডাউনের কারণে খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজার এখন ‘ক্রেতাশূন্য’।নেই শ্রমিকদের চিরচেনা হাঁকডাক। ক্রেতা না থাকায় পঁচে যাচ্ছে পেঁয়াজসহ বিভিন্ন কাঁচামাল।

আমদানিকারকরা বলছেন, আগের এলসি করা পণ্য এখনও আমদানি অব্যাহত থাকলেও বিক্রি না থাকায় হতাশ তারা। মসলা জাতীয় পণ্যের আমদানি ও মজুদ আছে পর্যাপ্ত তাই ঈদে দাম বাড়ার তেমন কোন সুযোগ নেই বলছেন আমদানিকারকরা। তবে ক্রেতা শূণ্য হওয়ায় সব ধরণের পণ্যের পাইকারি দাম কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ১২ টাকা পর্যন্ত।

আরও পড়ুন

পরবর্তী খবর

ভারত থেকে কেজি দরে কেনা চুল আসছে দেশে

অনলাইন ডেস্ক

ভারত থেকে কেজি দরে কেনা চুল আসছে দেশে

ভারতের নারীদের ফেলে দেওয়া চুলের বাংলাদেশের বাজারে চাহিদা থাকায় দেশটি থেকে চুল আমদানি করা হচ্ছে। ভারত থেকে আমদানি করা এসব চুল রাজধানীসহ স্থানীয় হেয়ার ক্যাপের কারখানাগুলোতে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আর কে এক্সপোর্টার্স ও হিউম্যান হেয়ার নামের দুটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এ চুল বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে। আর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের নাশাত ট্রেডার্স ও ঢাকার আশিক এন্টারপ্রাইজ নামের দুই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সেই চুল আমদানি করছে।

মেসার্স নাশাত ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী নুর ইসলাম বলেন, সম্প্রতি বেশ কিছু হেয়ার ক্যাপের কারখানা গড়ে উঠেছে এই অঞ্চলে। কারখানাগুলোতে চুল দিয়ে বিভিন্ন ধরণের ক্যাপ তৈরি করা হচ্ছে। আর এসব ক্যাপ দেশের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বাইরেও রপ্তানি হচ্ছে। যার ফলে ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে নারীদের চুলের।

তিনি আরও জানান, সাধারণত নারীরা চিরুনি দিয়ে মাথা আঁচড়ানোর সময় চিরুনির সঙ্গে যে চুল বেঁধে যায়, সেসব জমানো চুলই আমরা আমদানি করছি। দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত চুলের কারখানাগুলোতে তা সরবরাহ করা হচ্ছে।

ভারত থেকে আমদানি করা চুলের বর্তমান বাজার মূল্য প্রতি কেজি ৬৩ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ হাজার ৩০০ টাকার সমান। ১৫ শতাংশ হারে কেজি প্রতি ভ্যাট পরিশোধ করতে হচ্ছে ৮৫০ টাকা করে।

আরও পড়ুন


৫ ঘণ্টা পর মিলল ড্রেনে পড়ে নিখোঁজ সেই তরুণীর মরদেহ

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ইনজামাম

আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন

ইউটিউবারদের আয়ের উপর কর, মিশরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া


হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম নুরুল আলম খান গণমাধ্যমকে বলেন, চলতি বছরের জুলাই থেকে শুরু করে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্দর দিয়ে ভারত থেকে চার হাজার ৭৮০ কেজি চুল আমদানি হয়েছে। এসব চুল থেকে সরকারি রাজস্ব বাবদ আয় হয়েছে ২০ লাখ ২৭ হাজার টাকা।

বন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, বন্দর দিয়ে নিয়মিত পণ্যের পাশাপাশি নারীদের মাথার ফেলে দেওয়া চুল আমদানি শুরু হয়েছে। নতুন এই পণ্য বন্দর দিয়ে আমদানির ফলে সরকারের রাজস্ব আয় যেমন বেড়েছে, তেমনি বন্দরের দৈনন্দিন আয় ও শ্রমিকদের আয় আগের তুলনায় বেড়েছে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

পাঁচ দশকেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দেশের পর্যটন খাত

আরেফিন শাকিল

নানা সংকটে পাঁচ দশকেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দেশের পর্যটন খাত। বেহাল যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তাহীনতা, আধুনিক সুযোগ-সুবিধার দুষ্প্রাপ্যতা ও ব্যয়বহুল যাত্রায় মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা। অথচ করোনার প্রাদুর্ভাবের পরও বিভিন্ন দেশের আয়ের বড় খাত এখনো পর্যটন শিল্প। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সান্ধ্যকালীন বিনোদন আর অবকাঠোমোগত সংকটে পিছিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এখাত এগিয়ে নিতে মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে জানালেন বেসরকারি বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী।

সাগর-পাহাড় আর সবুজের মিতালীর নৈস্বর্গের বাংলাদেশ। কিন্তু অপার সম্ভবনার এমন পর্যটন খাত বাস্তবতায় হাটছে খুড়িয়ে খুড়িয়ে।

চায়ের শহর মৌলভীবাজারের কথা ধরা যাক। বিস্তৃর্ণ চা বাগান, লাউয়াছড়া পার্ক, মাধবপুর লেক এযেন এক বিস্ময়। অথচ অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় বাড়ছে না সেখানে পর্যটকের সংখ্যা।

পর্যটকদের কাছে আকর্ষনীয় কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, পাবত্য অঞ্চল, সিলেট, সুন্দরবনের মতো নৈসর্গিক স্থান। কিন্তু সেখানেও নানা সীমাবদ্ধতায় খুব বেশি দেখা নেই বিদেশি পর্যটকের বরং দিন দিন কমছে।

আরও পড়ুন:


ছেলের জন্মদিনে শাকিব খানের আবেগঘন স্ট্যাটাস

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দুঃসময় যাচ্ছে: ফখরুল

অনিবন্ধিত সুদের ব্যবসা বন্ধের নির্দেশ

জার্মানিতে মেরকেলের দলকে হারিয়ে মধ্য বামপন্থী দলের বিজয়


অথচ মহামারি করোনার মতো প্রতিকূলতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারত-নেপাল-ভুটানের পর্যটন। এমন বাস্তবতায় আবারো এলো বিশ্ব পর্যটন দিবস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ খাতকে আকর্ষণীয় করতে নিতে হবে দ্রুত সময়ে বাস্তবায়ন যোগ্য পদক্ষেপ।

বিদেশি পর্যটকদের টানতে কক্সবাজারে ফরেন জোনের কাজ চলছে জানিয়ে বেসরকারী বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বলছেন, দ্রুতই সংকট কেটে যাবে এখাতের। 

দ্য ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল বলেছে, বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে গেলো দুই বছরে পর্যটন খাতের অন্তত পাঁচ কোটি কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। বাংলাদেশেও সে সংখ্যা কয়েক হাজার।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ই-কমার্সের লাগাম টানতে এবার কারিগরি কমিটি

অনলাইন ডেস্ক

ই-কমার্সের লাগাম টানতে এবার কারিগরি কমিটি

বেশ কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকদের শ শ কোটি টাকা লোপাট ও আত্মসাতের অভিযোগ উঠার পর খাতটি পরিচালনায় দিক-নির্দেশনামূলক পরামর্শ পেতে ১৬ সদস্যের কারিগরি কমিটি গঠন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ কমিটিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাশাপশি সরকারের আইন শৃংখলা বাহিনী, বিভিন্ন বিভাগও সংস্থার প্রতিনিধি রাখা হয়েছে। 

সোমবার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (কেন্দ্রীয় ডিজিটাল কমার্স সেল) মুহাম্মদ সাঈদ আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ও কেন্দ্রীয় ডিজিটাল কমার্স সেল প্রধান মো. হাফিজুর রহমানকে।

সদস্য সচিব হিসাবে রয়েছেন মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় ডিজিটাল কমার্স সেলের উপসচিব মুহাম্মদ সাঈদ আলী। বাকি ১৪ জনকে কারিগরি কমিটির সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে।

কমিটি দেশে ডিজিটাল কমার্স সংক্রান্ত যাবতীয় কর্মকাণ্ড তথা ডিজিটাল কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য সংঘটন, লেনদেন সৃষ্ট ভোক্তা বা বিক্রেতা অসন্তোষ এবং প্রযুক্তিগত সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে সমন্বিতভাবে এই কারিগরি কমিটি কাজ করবে।

আদেশে জানানো হয়, গঠিত কমিটি সময়ে সময়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে কারিগরি বিষয়ে পরামর্শ দেবে। প্রতিমাসে একবার অথবা যখন প্রয়োজন মনে করবে তখনই কমিটির সভা আহ্বান করা যাবে।

কমিটি প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থার প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তাকে সদস্য হিসেবে কো-অপ্ট করতে পারবে।

সদস্যরা হলেন, তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিনিধি, অর্থমন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রতিনিধি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের প্রতিনিধি, স্থানীয় সরকার ও সমবায় বিভাগের প্রতিনিধি।

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


 

কমিটিতে রয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশ, সাইবার ক্রাইম ইন্টেলিজেন্স শাখা, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন, অ্যাস্পায়ার টু ইনোভেট (এটুআই), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ইক্যাব) মনোনীত প্রতিনিধিও।

আদেশের অনুলিপি এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক ও র‌্যাবের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১১ হাজার ৮৭১ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক

২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১১ হাজার ৮৭১ কোটি টাকা

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এসেছে ১৩৯ কোটি ১৭ লাখ (১.৩৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। টাকার হিসাবে (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ৩০ পয়সা ধ‌রে) যার পরিমাণ ১১ হাজার ৮৭১ কোটি টাকা। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে সেপ্টেম্বর মাস শেষে প্রবাসী আয় ১৮০ কোটি ডলার পৌঁছাবে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গেলো আগস্টে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮১ কোটি (১ দশমিক ৮১ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার বা ১৫ হাজার ৩৮৫ কোটি টাকা। যা আগের মাস জুলাই‌য়ের চেয়ে ৬ কোটি ১৪ লাখ ডলার কম। এছাড়া আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৫ কো‌টি ৩৮ লাখ বা প্রায় ৮ শতাংশ কম।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্য বলছে, চল‌তি সেপ্টেম্বর মাসের ২৩ তারিখ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮ কোটি ১১ লাখ মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৭ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬১ লাখ ডলার। দুইটি বিশেষায়িত ব্যাংকের মধ্যে একটিতে এসেছে তিন কোটি মার্কিন ডলার।

আরও পড়ুন:


ছেলের জন্মদিনে শাকিব খানের আবেগঘন স্ট্যাটাস

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দুঃসময় যাচ্ছে: ফখরুল

অনিবন্ধিত সুদের ব্যবসা বন্ধের নির্দেশ

জার্মানিতে মেরকেলের দলকে হারিয়ে মধ্য বামপন্থী দলের বিজয়


চলতি মাসের ২৩ দিনে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে ৩৮ কোটি ১১ লাখ ডলার এসেছে। এরপর ডাচ্–বাংলা ব্যাংকে প্রায় ১৬ কোটি ৫৫ লাখ, অগ্রণী ব্যাংকে ১২ কোটি ১৫ লাখ ও সোনালী ব্যাংকে ৭ কোটি ৬৮ লাখ এবং রূপালী ব্যাংকে এসেছে ৪ কোটি ৮৮ লাখ ডলার প্রবাসী আয়।

আলোচিত সময়ে সরকারি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, বিদেশি ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স পাঠাননি প্রবাসীরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গেল ২০২০-২১ অর্থবছরে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে আসে। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। আগে কোনো অর্থবছরে এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি বাংলাদেশে। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। অর্থবছর হিসাবে যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ। তারও আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আহরণের রেকর্ড হয়। ওই সময় এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে দেশে।

২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। অর্থাৎ কোনো প্রবাসী ১০০ টাকা দেশে পাঠালে তার সঙ্গে আরও ২ টাকা যোগ করে মোট ১০২ টাকা পাচ্ছেন সুবিধাভোগী।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আত্মহত্যা ছাড়া আর কোনো পথ দেখছি না: শাকিল

অনলাইন ডেস্ক

আত্মহত্যা ছাড়া আর কোনো পথ দেখছি না: শাকিল

বোনের জমানো টাকা দিয়ে তিনটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে প্রায় ছয় লাখ টাকার চারটি মোটরবাইক অর্ডার দিয়েছিলেন। নির্ধারিত সময় পার হলেও পাননি কাঙ্ক্ষিত মোটরবাইক। 

উল্টো এখন বোনের প্রয়োজনে টাকা ফেরত দিতে পারছেন না। চারদিকে অন্ধকার দেখা ওই ব্যক্তি (ছদ্মনাম শাকিল হাসান) বলেন, ‘আত্মহত্যা ছাড়া আর কোনো পথ দেখছি না।’ 

পরিচয় গোপন করে শাকিল হাসান আরও বলেন, ‘আমার বোনের অ্যাকাউন্টে চার লাখ টাকার মতো ছিল। ভগ্নিপতি বিদেশ যাবেন, সেজন্য টাকাগুলো রাখা হয়েছিল। গত জুন মাসে তিনি (ভগ্নিপতি) আমাকে সেই টাকা ব্যবহারের অনুমতি দেন। তবে তিন মাসের মধ্যে টাকাগুলো ফেরত দিতে হবে। পণ্য অর্ডার দেওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে ডেলিভারির আশায় টাকাগুলো নিয়েছিলাম। কিন্তু তিনটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে পণ্য অর্ডার দিয়ে টাকা আটকে যাওয়ায় এখন তা ফেরত দিতে পারছি না। এখন ভগ্নিপতির বিদেশে যাওয়ার তারিখ চলে এসেছে। টাকাগুলো না পেলে বোনের সংসার টিকবে না। এ অবস্থায় আত্মহত্যা ছাড়া আর কোনো পথ দেখছি না।’

চাকরির পাশাপাশি ব্যবসা ও পুনঃবিক্রির জন্য মূলত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান থেকে মোটরবাইকগুলোর অর্ডার দিয়েছিলেন শাকিল।

তিনি বলেন, বোনের গচ্ছিত টাকাগুলো। কয়েক মাস আগে ইভ্যালিতে একটি মোটরবাইক (অ্যাপাচি আরটিআর ১৬০ ফোরভি) অর্ডার করি। নির্ধারিত সময়ে বাইকটি দিতে না পেরে এর বিপরীতে তারা আমাকে একটি চেক দেয়। বলে, তাদের ফোন পেলে চেকটি নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে ক্যাশ করতে। কিন্তু আজ পর্যন্ত তাদের ফোন পাইনি। আদৌ চেক ক্যাশ করতে পারব কি না, তাও জানি না।

একই সময়ে ই-অরেঞ্জে এক লাখ ৪০ হাজার টাকায় ইয়ামাহা এফজেড-এস ভার্সন থ্রি অর্ডার দেন শাকিল। কিন্তু এখনও টাকা বা বাইকের হদিস কিছুই পাননি তিনি। জুনের ১৫ ও ১৭ তারিখে ই-কমার্স কিউকম.কম থেকে ইয়ামাহা আর-ওয়ান ফাইভ, ইয়ামাহা এফজেড এফআই ভার্সন টু (মোট চার লাখ ৩০ হাজার টাকার মতো) অর্ডার দেন তিনি। এখানেও ধরা খান। বর্তমানে টাকা বা বাইক কোনোটি না পেয়ে চোখে সর্ষে ফুল দেখছেন শাকিল হাসান।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট 

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর