মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানানোর বিষয়টা অতোটা সরল নয়
মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানানোর বিষয়টা অতোটা সরল নয়

মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানানোর বিষয়টা অতোটা সরল নয়

Other

এই যে লকডাউন চলছে, শীর্ষ কোনো রাজনীতিককে দেখেছেন যিনি এই পরিস্থিতিতে জন সাধারণের জন্য কোনো ধরনের বক্তব্য নিয়ে হাজির হয়েছেন? 

নিদেনপক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উপদেশ নিয়ে কেউ প্রচারণা শুরু করেছেন- এমন কোনো নজির কি আছে?

ছয় জন মন্ত্রী, পাঁচজন সচিব, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, বিভিন্ন সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকতা মিলে ২২/২৩ জন মিলে ডিজিটাল গরুর হাটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন- এমন একটি পোস্টার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অথচ ছয়জন মন্ত্রী মিলে মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা মানার জন্য যুগপৎভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন- এমন কোনো তথ্য কোথাও পাওয়া যায় না।

মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানানো কতো যে কঠিন- গত দেড় বছরে উন্নত দেশগুলো পর্যন্ত  হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। কেবল ঘোষণা দিয়ে বসে থাকলেই, পুলিশ, সেনাবাহিনী নামিয়ে দিলেই যে সব কাজ হয়ে যায়- বিষয়টা অতোটা সরল নয়।

 

আরও পড়ুন: 


দেশে অক্সিজেনের কোনো সংকট নেই: ওবায়দুল কাদের

১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়ল বিধিনিষেধ

বিধিনিষেধ বাড়ল যে কারণে


পশ্চিমা দেশগুলোতে খোদ প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে, মন্ত্রী, মেয়র, এমপি, রাজনীতিক, সেলিব্রেটি, বুদ্ধিজীবী সবাই মিলেই মানুষকে ঘরে  থাকতে, স্বাস্থ্যবিধি মানতে উদ্বুদ্ধ করতে সক্রিয় থেকেছে।

বাংলাদেশে ছয়জন ডিজিটাল গরুরহাট মন্ত্রী গরুর হাট উদ্বোধন করছেন, কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি কেন মানতে হবে, সেই বিষয়ে ছয়জন মন্ত্রীর যুগপৎ কোনো উদ্যোগ কোথাও চোখে পরেনি।

লেখাটি  নতুনদেশ-এর প্রধান সম্পাদক, শওগাত আলী সাগরের ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়। )

news24bd.tv নাজিম