মস্তিষ্কের ক্ষতি করে যে ৭ অভ্যাস

অনলাইন ডেস্ক

মস্তিষ্কের ক্ষতি করে যে ৭ অভ্যাস

মানুষের পুরো শরীরের সব অঙ্গই মস্তিষ্কের উপর নির্ভরশীল। মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখা খুবই জরুরি। মস্তিষ্ক থেকে সংকেত দেয় বলেই শরীরের সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ঠিকমতো চলছে।  মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য জরুরি কিছু বিশেষ যত্নের ও সাবধানতার। অথচ নিজের অজান্তেই প্রতিদিন অসংখ্য ভুল কাজে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যহানি করে চলেছি আমরা নিজেরাই।

সাতটি বদঅভ্যাস মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। 

১. সকালের নাস্তা ভুলে যাওয়া/মিস করা
২. রাতে দেরিতে ঘুমানো

৩. অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া
৪. সকালে অধিক পরিমাণে ঘুমানো 
৫. খাওয়ার সময় টিভি বা কম্পিউটার দেখা
৬.  ক্যাপ/স্কার্ফ বা মোজা পরে ঘুমানো
৭. ইচ্ছাকৃতভাবে প্রস্রাব আটকে রাখা/বন্ধ করে রাখা

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মাথা ঘোরা সমস্যার সমাধানে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

মাথা ঘোরা সমস্যার সমাধানে যা করবেন

মাথা ঘোরা কোনো সুখকর অনুভূতি নয়। মাথা যখন ঘোরে, তখন মনে হয় যেন দুনিয়াটা টলছে। আপনি একপাশে হেলে পড়ে যাবেন। মাথা ঘোরার সঙ্গে অনেক সময় বমি হয়ে থাকে; যা মাথা ঘোরার সমস্যাকে আরও জটিল করে তোলে। ইংরেজিতে একে বলে ভার্টিগো। ভার্টিগো হলে যেকোনো মানুষেরই ভীষণ খারাপ লাগে। আতঙ্কও বোধ হয়। মাথা ঘোরা  কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট স্থায়ী হয়, কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটা দিন বা মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়। ফলে রোগীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হতে পারে।

আমাদের শরীরের ভারসাম্য কিছু অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়। আমরা অনেকেই জানি না, এ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে প্রধান হল আমাদের অন্তঃকর্ণ। কানের দুটো কাজ- একটা হল শ্রবণ, যেটা ককলিয়া দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়। আরেকটা হল শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করা যেটা ভেসটিবুলার অরগান দিয়ে নিয়ন্ত্রিত।

আমাদের অন্তঃকর্ণের পঞ্চাশ ভাগেরও বেশি এলাকাজুড়ে ভেসটিবুল ও সেমি সার্কুলার কেনাল অবস্থিত যার একমাত্র কাজ হল শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করা। অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে চোখ, শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট বিশেষত ঘাড়ের জয়েন্ট আমাদের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে।

এ কান, চোখ ও বিভিন্ন জয়েন্ট থেকে সিগন্যালগুলো মস্তিষ্কের সেরিবেলামে যায় এবং এখানে বিভিন্ন দিকে এবং তার শুরুতে বিবেচনার মাধ্যমে শরীরে ভারসাম্য রক্ষা হয়ে থাকে। এ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে যে কোনো সমস্যা হলে রোগী ভারসাম্যহীনতায় ভুগতে পারে অথবা মাথা ঘুরা অনুভূত হতে পারে।

মাথা ঘোরার অন্যান্য কারণের মধ্যে দুশ্চিন্তা, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তশূন্যতা ও ডায়াবেটিস বেশি বা কমে যাওয়া অন্যতম। বসা বা শোয়া থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে যদি মাথা ঘোরে, তবে সাধারণত তা পোসচারাল হাইপোটেনশন বা আকস্মিক রক্তচাপের নিম্নগামিতার জন্য। সাধারণত ডায়াবেটিসের রোগীদেরই এটা বেশি হয়। অনেক সময় পজিশন পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মাথা ঘুরতে শুরু করে। এপাশ থেকে ওপাশ ফিরলেই শুরু হয়। একে বলে বিনাইন পজিশনাল ভার্টিগো। 

কানের সমস্যা থেকে মাথা ঘুরানো
আমাদের অন্তঃকর্ণের ভেসটিবুল ও সেমি সার্কুলার ক্যানাল, আমাদের শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করার প্রধান অঙ্গ। বহিঃকর্ণ, মধ্যকর্ণ ও অন্তঃকর্ণের অনেক সমস্যা থেকে কানের ভেতরে ভারসাম্য রক্ষার পদ্ধতিতে সমস্যা হতে পারে, যার ফলে মাথা ঘুরাতে পারে।

* কানের ভেতরে ময়লা জমে গেলে

* বহিঃকর্ণের ইনফেকশন
* মধ্য কর্ণের ইনফেকশন যা নাকের পেছন দিয়ে কানের ভেতরে যায়
* কানের পর্দা না থাকা
* ঘনঘন অথবা বেশি মাত্রায় সর্দি-কাশি হয়ে ইউস্টিশিয়ান টিউবের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে মাথা ঘুরানো হতে পারে
* নাকের হাড় বাঁকা থাকা
* সাইনাসের দীর্ঘদিন ইনফেকশন সমস্যা থেকেও মাথা ঘুরানো হতে পারে।

এছাড়া অন্তঃকর্ণের কিছু সমস্যার জন্য মাথা ঘুরাতে পারে, তার মধ্যে প্রধান হল অন্তঃকর্ণের ভেতরে ভাইরাল ইনফেকশন। এটি সাধারণত কমন কোল্ড অথবা প্যারা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস দিয়ে হয়ে থাকে। এছাড়া চিকেনপক্স, মিজেলস থেকেও কানের ভাইরাল ইনফেকশন হতে পারে।

কান ও আশপাশের কিছু জটিল রোগের জন্য মাথা ঘুরাতে পারে যেমন-
* অটোস্ক্লোরোসিস-কানের ভেতর হাড় শক্ত হয়ে যাওয়া।
* মেনিয়ার্স ডিজিজ-অন্তঃকর্ণের প্রেসার বেড়ে গেলে।
* কানের ভেতর টিউমার বা ক্যান্সার।

 করণীয়
* মাথা ঘুরার সমস্যা বেশি থাকলে একা একা চলাফেরা ঠিক নয়। একিউট অবস্থাতে একা একা চলাফেরা পরিত্যাজ্য। এ অবস্থাতে বিশ্রাম জরুরি এবং অন্যান্য কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

* ঘনঘন বমি হলে শরীরের ভেতরে পুষ্টি, লবণ ও পানির ঘাটতি যাতে না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। একিউট অবস্থাতে স্টিমিটিল বা সিনারন জাতীয় ট্যাবলেট খাওয়া যেতে পারে। দিনে তিনটা করে খাবেন অথবা প্রয়োজনে স্টিমিটিল ইনজেকশন দেয়া যেতে পারে।

আরও পড়ুন:


পরীমনি কাণ্ডে থমথমে ‘সুনসান এফডিসি’

প্রজ্ঞাপন জারি, রোববার ব্যাংক বন্ধ


 

তাই মাথা ঘোরা বিষয়টিকে মোটেই হালকা ভাবে নেয়া যাবেনা। যে কোন সমস্যাই বড় আকারের হয়ে দেখা দিতে পারে। তাই সময় থাকতে চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা জরুরী। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

দীর্ঘায়ু পাওয়ার প্রাকৃতিক খাবার

অনলাইন ডেস্ক

দীর্ঘায়ু পাওয়ার প্রাকৃতিক খাবার

সুন্দর এই পৃথীবিতে কে না চায় সুস্থভাবে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে। কিন্তু সেই ইচ্ছে মনে রাখলে কি হবে? মানতে হবে কিছু টিপস। নিচে দিওয়া হলো তেমন কিছু খাবার যা খেলে পেতে পারেন দীর্ঘায়ু ।

মূলত জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসের অভাবে এসব সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে আমাদেরকে। শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ্ থাকতে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। সঠিক খাবার গ্রহণে এনার্জ লেভেল বাড়ে, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়, শরীরের কার্যক্রম ঠিকঠাক থাকে এবং এসব মিলে সার্বক সুস্থতা আমরা পাই।

আমলকি
আয়ুর্বেদে বহুল ব্যবহৃত একটি হার্বস হলো আমলকি। ভিটামিন সি তে পূর্ণ এ ফলটি বিভিন্ন ধরনের রোগ ও সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরকে গড়ে তোলে। এমনকি এটি বার্ধক্য ঠেকাতে ও দীর্ঘায়ু দিতে পারে বলেও মনে করা হয়।

আদা
আদায় কমপক্ষে ২৫ ধরণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে বলে মনে করা হয়। অ্যন্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

এলাচ
এসেনসিয়াল অয়েলে পূর্ণ এলাচ হজম শক্তি বাড়ায়, রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে, রক্ত সঞ্চালন ও শরীরের এনার্জ লেভেল বাড়ায়। পাশাপাশি এলাচ দিয়ে চা বানিয়ে খেলে শরীরের টক্সিন বেরিয়ে যায়।

জিরা
পেটের যেকোনো ধরণের গোলযোগ মোকাবিলায় জিরার ভূমিকা অপরিসীম। এটা আয়রন ও ফাইবারের খুব ভালো উৎস। সারারাত এক গ্লাস পানিতে জিরা ভিজিয়ে রেখে সকালে খালিপেটে তা খাওয়া খুব উপকারী বলে মনে করা হয়। এতে করে হজম শক্তি বাড়ে এবং দিনভর বিপাক প্রক্রিয়া অব্যাহত তাকে।

মধু
মধু হচ্ছে অন্যতম একটি সুপারফুড। বয়সের ছাপ কমাতে সৌন্দর্য চর্চায় এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। এর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতাও রয়েছে। এটাতে প্রাকৃতিক মিনারেল রয়েছে যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। দিনে মাত্র এক চা চামচ পরিমাণে মধু খেলেই এ উপকার পাওয়া সম্ভব।

লবঙ্গ
লবঙ্গতে প্রচুর পরিমাণে ম্যা্ঙ্গানিজ রয়েছে  যা বিপাক প্রক্রিয়া সচল ও নার্ভাস সিস্টেম স্থিতিশীল রাখে।

কালো গোলমরিচ
সারাবিশ্বের বহুল ব্যবহৃত একটি মশলা এটি। এর কিছু ঔষধি গুণাগুণও রয়েছে। মিনারেল সমৃদ্ধ এ মশলাটি হলুদের পুষ্টিগুণ বাড়ায়। তাই হলুদ ও দুধ মিশয়ে খাওয়ার সময় তাতে লবঙ্গ দিয়ে দিলে খাবারটি আরো স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে। এটা আমাদের পরিপাকতন্ত্রকেও শক্তিশালী করে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

প্রসূতিদের টিকা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন তথ্য

অনলাইন ডেস্ক

প্রসূতিদের টিকা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন তথ্য

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রসূতি ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে কোন টিকা বেশি কার্যকর, সেটি জেনেই তাদের টিকা প্রয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম।

আজ বুধবার দুপুরে অধিদপ্তরের নিজ কার্যালয়ে গণমাধ্যমকে তিনি এ তথ্য জানান।


আরও পড়ুন

আর্থিক সংকট মেটাতে বাড়ি ভাড়া দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

চিত্রনায়িকা পরীমণি আটক হচ্ছেন!

পরীমণির বাসায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের হামলার দাবি, আতঙ্কে নায়িকা

পরীমণির বাসায় র‍্যাবের অভিযান, লাইভ শেষ


এবিএম খুরশীদ বলেন, প্রসূতি ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের ৭ আগস্ট থেকে টিকা দেওয়া হবে না। তাদের জন্য কোন টিকা বেশি কার্যকর তা চিন্তা করে এটা দেওয়া হবে। তবে তাদের টিকা দেওয়ার ব্যাপারে জাতীয় কমিটির সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এসে এসেছে। এটা নিয়ে কাজ চলছে। দ্রুত তাদের টিকার আওতায় আনা হবে।

news24bd.tv/এমিজান্নাত 

 

পরবর্তী খবর

করোনাকালে বাড়িতেই বানান কাশি কমানোর লজেন্স

অনলাইন ডেস্ক

করোনাকালে বাড়িতেই বানান কাশি কমানোর লজেন্স

বর্ষাকালে শরীর-স্বাস্থ্যের যত্ন নিলেও কোনও না কোনও ভাবে ঠিক ঠান্ডা লেগেই যায়। তার উপর আবার করোনার প্রকোপ। ফলে গলাব্যথা, জ্বর, কাশি। সব সময় কাশির ওষুধ না খেয়ে বাড়িতেই কিছু উপকরণ দিয়ে বানানো লজেন্স খেলে কমবে গলাব্যথা ও কাশির মতো সমস্যা।

এই লজেন্স গলাব্যথা বা কাশির প্রবণতা কমানোর পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও বাড়ায়।

কী ভাবে বানাবেন: 

ঘরোয়া এই লজেন্স বানাতে লাগবে ১ কাপ পানি, ১ টেবিল চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ চিনি, ২ টেবিল চামচ লেবু এবং ১ টেবিল চামচ আদা।

প্রথমে একটি প্যানে পানি ও চিনি মিশিয়ে ফুটতে দিন। এর পরে তাতে সামান্য আদাবাটা ও লেবু মেশান। ভাল করে মিশে গেলে ফুটতে দিন। ঘন হয়ে গেলে আঁচ বন্ধ করে কিছুক্ষণের জন্য ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে একটি পার্চমেন্ট কাগজে এক চামচ করে সিরাপটি ঢালতে থাকুন। শক্ত হয়ে গেলে লজেন্সগুলো বার করে একটি কাচের বয়ামে রেখে দিন। 

উপকারিতা:

বিশেষজ্ঞদের মতে আদা, মরিচ ও হলুদ দিয়ে তৈরি ঘরোয়া লজেন্স শরীরের প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। এতে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটিরিয়াল ও অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদান গলা জ্বালা, নাক বুজে যাওয়ার সমস্যাও কমায়।

আরও পড়ুন


হানি সিংকে নিয়ে গুরুতর সব অভিযোগ, আদালতের দ্বারস্থ স্ত্রী

ভারতের এলপিইউ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু কর্নার

কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে ঠিকাদারকে হাতুড়িপেটার ঘটনায় মামলা দায়ের

বাড়িতে বানানো এই লজেন্স যখন খুশি প্রয়োজন মতো খেতেও পারেন। মধু, আদা ও লেবু দিয়ে তৈরি লজেন্স কাশি কমাতে খুবই উপকারি। কারণ মধুতে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা হজমশক্তি বাড়ায়। এছাড়া গলার জ্বালা ভাবও কমাতে সহায়তা করে। আদা খেলে নাক বুজে যাওয়ার সমস্যা কম হয়। আর লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি, যা সাধারণ সর্দি-কাশির সমস্যায় আরাম দেয়।

news24bd.tv রিমু 

 

পরবর্তী খবর

পুষ্টি, নাকি কেবলই তুষ্টি?

গুলজার হোসাইন উজ্জ্বল

পুষ্টি, নাকি কেবলই তুষ্টি?

অ্যাপল সাইডার ভিনেগার হলো মূলত এক প্রকারের ভিনেগার বা সিরকা যা আপেল পিষে তৈরি করা হয়। এখানে দুই দুইবার গাঁজনের মাধ্যমে ভিনেগার বা সিরকা তৈরি করা হয়। প্রথমবার আপেল পেষা রস গাঁজনের মাধ্যমে তৈরি হয় এলকোহল। দ্বিতীয় গাঁজনে এলকোহল থেকে তৈরি হয় ভিনেগার।  যেখানে ৫-৬ শতাংশ এসেটিক এসিড থাকে। 

অ্যাপল সাইডার ভিনেগার আর সব ভিনেগারের মতই। এখানে ভিটামিন, প্রোটিন, ফ্যাট এর পরিমাণ শূন্য। অল্প কিছু শর্করা আর খনিজ বা মিনারেল আছে। যার বেশির ভাগই পটাশিয়াম। 

এপল সাইডার ভিনেগার আর সব ভিনেগারের মতই মূলত একধরণের ফুড প্রিজারভেটিভ এবং এডেটিভ যা সালাদ বা মাছ মাংসে ব্যাবহার করা হয় স্বাদ বর্ধক হিসেবে। এর এসিটিক এসিডের কারণে এটি এন্টিব্যক্টেরিয়াল হিসেবে কাজ করে, ফলে খাবার দীর্ঘ সময় ভাল থাকে। 

এপল সাইডার ভিনেগার সহ সকল প্রকার ভিনেগারই সুদীর্ঘকাল ধরে জীবানু নাশক হিসেবে ব্যাবহার হয়ে আসছে৷ ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে চিকিৎসা শাস্ত্রের জনক হিপোক্রেটিস ক্ষতস্থান ড্রেসিং এ এপল সাইডার ভিনেগার ব্যাবহার করতেন। তবে আধুনিক কালে প্রচুর স্যানিটাইজার, এন্টিসেপ্টিক ও এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার হওয়াতে এর ব্যাবহার সীমিত হয়ে পড়েছে।।

অ্যাপল সাইডার ভিনেগারে অন্যান্য ভিনেগারের মতই এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে৷  তবে এর মান আপেলের তুলনায় অনেক অনেক কম। উপরন্তু অ্যাপল সাইডার ভিনেগারে ভিটামিন বা  ফাইবার একেবারে শূন্য যা একটি আপেলে অনেক বেশি থাকে। 

আর সবাই জানে যে ফাইবার হলো রক্তের ব্যাড কোলেস্টেরল বা চর্বি কমানোর আসল হাতিয়ার। অর্থাৎ ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে হলে আপেল বা এ জাতীয় ফলই খেতে হবে, ফল পেষা গাঁজানো ভিনেগার নয়। 

অ্যাপল সাইডার ভিনেগারের কোন পুষ্টিগুণ নেই। এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে বা রক্তে চর্বির মাত্রা কমায় এর স্বপক্ষে কোন উচ্চ মানের গবেষণাও নেই। তবে ধারণা করা হয় এর এসেটিক এসিড পাকস্থলীতে একধরণের Feeling of fullness ( পেট ভরার অনুভব) দিয়ে থাকে যা খাবার কম খেতে উৎসাহিত করে।  অবশ্য সব সিরকাতেই এই গুণ বিদ্যমান। 

অ্যাপল সাইডার ভিনেগারের স্বাস্থ্যঝুঁকিও আছে। আর সব ভিনেগারের মতই এটি বেশি বেশি খেলে অস্টিওপরোসিস বা হাড়ের ক্ষয়, কিডনির পাথর ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। 

আরও পড়ুন


জাপানে এত বেশি ভূমিকম্প কেন হয়?

জাপানে অলিম্পিক আসরের মধ্যেই ভয়াবহ ভূমিকম্প

সাকিব-মোস্তাফিজ আইপিএল খেলতে পারবেন

গোয়েন্দার হাতে পিয়াসার ১৭ গোপন ভিডিও, মৌ’র বিয়ে ১১টি


মোদ্দাকথা হলো গুন ও দোষের বিবেচনায় এপল সাইডার ভিনেগার আর সাধারণ ভিনেগারের মধ্যে তেমন পার্থক্য নেই। পার্থক্য অনেকটা কেরুর মদ আর বিদেশি মদের মত। পার্থক্যটা জাস্ট স্বাদ-গন্ধ আর অনুভবে। 

পুষ্টির কথা ভাবলে এপল সাইডার ভিনেগার খাওয়ার চেয়ে আপেল খাওয়াটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। 

তবে সালাদের স্বাদ বাড়াতে, ম্যারিনেট করতে ভিনেগার ব্যবহার করতেই পারেন। ব্যাপক পুষ্টিগুণ আছে এমন অসৎ ও মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে বাজারে অ্যাপল সাইডার ভিনেগার উচ্চদামে বিক্রি করা হচ্ছে। জনতার সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে বাণিজ্যের পসার বাড়ানোর ধান্দা নতুন কিছু নয়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর