জাতীয় প্রেসক্লাবে ফুটেছে নাগলিঙ্গম

অনলাইন ডেস্ক

জাতীয় প্রেসক্লাবে ফুটেছে নাগলিঙ্গম

জাতীয় প্রেসক্লাবে ফুটেছে নাগলিঙ্গম। অনেকটা বিস্ময়ের ফুলই বলা চলে- নাগলিঙ্গম। দেশে এই বৃক্ষের সংখ্যা খুবই কম। ফুলের রং,আভিজাত্য, মঞ্জুরি, গঠনশৈলী- সবকিছু মিলিয়ে একে অনন্য করে তুলেছে। নাগলিঙ্গম ফুলের রানি। পাপড়ির মধ্যে নাগ বা সাপের মতো ফণা। সম্ভবত এ কারণেই এর নামকরণ হয়েছে ‘নাগলিঙ্গম’।

অন্য সব গাছ থেকে নাগলিঙ্গমের ভিন্নতা হচ্ছে গাছের গোড়া থেকে উপরের দিকে কাণ্ডে ফুল ফোটে। যদিও অন্য সব গাছের ফুল ফোটে ডালে। বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও পতঙ্গ নাগলিঙ্গমের ফুল ও রেণু খায়। ফুল দেখতে অনেকটা সাপের ফনার মতো।

এই গাছের ইংরেজি নাম 'cannonball tree' এবং বৈজ্ঞানিক নাম Couroupita guianensis, যা Lecythidaceae পরিবারভুক্ত। এর আদি নিবাস মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার বনাঞ্চল। নাগলিঙ্গম ৩৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। গুচ্ছ পাতাগুলো খুব লম্বা, সাধারণভাবে ৮-৩১ সেন্টিমিটার, কিন্তু ৫৭ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বায় পৌঁছতে পারে।

আরও পড়ুন


নোয়াখালীতে করোনায় আরও ২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৩৪

দুর্যোগে নেতাকর্মী ও সামর্থ্যবানদের অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর আহবান ওবায়দুল কাদেরের

ঘরে বসে ‘নগদ’-এ দিন ভিসা-ক্রেডিট কার্ডের বিল, আছে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক

‘৫ হাজার ইসরাইলিকে নাগরিকত্ব দিয়ে ‌‘বিশ্বাসঘাতকতা' করেছে আমিরাত’


ফলগুলো কামানের গোলার মতো দেখতে বলেই ব্রিটিশরা এর নাম দিয়েছে ‘ক্যাননবল’। দ্বিজেন শর্মা তাঁর শ্যামলী নিসর্গ বইয়ে লিখেছেন, ‘আপনি বর্ণে, গন্ধে, বিন্যাসে অবশ্যই মুগ্ধ হবেন। এমন আশ্চর্য ভোরের একটি মনোহর অভিজ্ঞতা নিশ্চয়ই অনেক দিন আপনার মনে থাকবে।’ তবে ফলের মতোই নাগলিঙ্গম গাছটির উচ্চতা ৩০ থেকে ৩৫ ফুট। 

নাগলিঙ্গমের ভেষজ গুণও অনন্য। ফুল, পাতা ও বাকলের নির্যাস থেকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরি হয়। অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহার করা হয় এর নির্যাস। এই গাছ থেকে তৈরি ওষুধ পেটের পীড়া দূর করে। পাতার রস ত্বকের নানা সমস্যায় কাজ দেয়। ম্যালেরিয়া রোগ নিরাময়ে নাগলিঙ্গমের পাতার রস ব্যবহৃত হয়। হিন্দুধর্মাবলম্বী ব্যক্তিরা শিবপূজায় নাগলিঙ্গম ফুল ব্যবহার করেন। ভারতে নাগলিঙ্গমকে ‘শিব কামান’ নামে ডাকা হয়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

পর্যটক শূণ্য রাঙামাটি, নতুন রূপে সেজেছে পাহাড়

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি

পর্যটক শূণ্য রাঙামাটি, নতুন রূপে সেজেছে পাহাড়

পর্যটক শূণ্য রাঙামাটি। চার মাস ধরে বন্ধ পর্যটন কেন্দ্র। আয় নেই, আছে ব্যয়। তবুও থেমে নেই কর্মচারীদের বেতন। কিন্তু দিন যত বাড়ছে লোকসানও বাড়ছে কয়েকগুন। মাত্র চার মাসে রাজস্ব খাতে ঘাটতি রয়েছে এক কোটি টাকা।

আয় সংকট চলমান থাকলে বন্ধ হতে পারে কর্মচারীদের বেতনও। শুধু পর্যটন ব্যবসায়ীরা নয়, এর প্রভাব পরবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের শিল্পের উপরও। তাই টানা পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ থাকলে নানামুখি সংকটের শঙ্কা বাড়বে বলে মনে করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে গত এপ্রিল মাস থেকে বন্ধ রাঙামাটির পর্যটন কেন্দ্রগুলো। তাই নেই কোন পর্যটকের আনাগোনা। তাই একেবারে স্থবির পর্যটন কেন্দ্রীক সব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো। আর মাত্র একদিন পর ঈদ-উল-আযহা হলেও লাগেনি উৎসবের রঙ। নেই কোথাও আনন্দের উচ্ছাস। করোনা সংক্রমণের শঙ্কায় ম্লান করেছে সমস্ত আয়োজন।

অথচ গত বছরও পর্যটকের উপচে পড়া ভিড় ছিল এ পাহাড়ে। কিন্তু এখন পুরাই ভিন্ন চিত্র। এ বারে খালি সব হোটেল, মোটেল ও রেস্ট হাউসগুলো। তাতেই বেকার হয়ে পড়েছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্রে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।

শুধু রাঙামাটি নয়, একই চিত্র দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত অপর দুই পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান। করোনার কালো ছায়ায় ধস নেমেছে পর্যটন ব্যবসায়। বেকার সময় পার করছে হাজারো পর্যটন শ্রমিক।

এক সময় যে পাহাড় জুড়ে জমজমাট ছিল ভ্রমণ পিয়াসুদের আনাগোনায়। যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি দূর করতে হাজারো পর্যটক ছুটে আসতো সবুজ পাহাড় ও নদী ঘেরা মনোরম প্রকৃতির লীলাভূমি পার্বত্যাঞ্চলে। এখন তা কল্পনা করা যায়না। 

রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্সের নৌযান ঘাটের ম্যানেজার মো. রমজান আলী জানান, পর্যটক নেই, তাই ব্যবসাও নেই। নৌযান ঘাটের প্রায় শতাধিক মানুষ বেকার রয়েছে। কাপ্তাই হ্রদে এখন আর কেউ নৌ ভ্রমণ করে না। করোনার কারণে সব কিছুতেই ধস নেমেছে। 

অন্যদিকে পাহাড় সেজেছে নতুন রূপে। সবুজ পাহাড়ে একপশলা বৃষ্টিতে দোল খেলছে সাদা মেঘের ভেলা। একই সাথে পাহড়ের ভাঁজে ভাঁজে হরেক রঙের ফুলের মেলা। পাখ-পাখালির নির্মল আনন্দ আর অনাবিল উচ্ছাস। প্রকৃতি যেন শান্ত, সিগ্ধ আর কোমলতার রূপ নিয়েছে। কিন্তু তা দেখার কেউ নেই।

রাঙামাটি পর্যটন মোটেল ও হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক সৃজন বিকাশ বড়ুয়া জানান, দেশে করোনাকাল শুরু থেকে বন্ধ রাঙামাটিতে পর্যটক আসা। মাঝখানে একটু স্বাভাবিক হলেও গত চার মাস ধরে একেবারে বন্ধ পর্যটন কেন্দ্র। তাই পর্যটন কমপ্লেক্সের কর্মচারীদেরও বেতন ভাতাও বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্সে ৪৯ জন কর্মচারী রয়েছে। তাদের প্রতি মাসে বেতন দিতে হয় প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকা।

অন্যদিকে ঘাটতি রয়েছে এক কোটি টাকা। তাই দিন বাড়লে নানামুখি শঙ্কাও বেড়ে যায়।  এবার ঈদ উৎসবেও পর্যটক আসেনি পাহাড়ে। নেই কোন বুকিংও। করোনার দূর্যোগ না কাটা পর্যন্ত স্বাভাবিক হবে না পর্যটন ব্যবসা।


আরও পড়ুনঃ

দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা

দীর্ঘ রোগে ভুগে মহানবী (সা.) কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র আঁকা কার্টুনিস্টের মৃত্যু


প্রসঙ্গত, রাঙামাটি জেলাজুড়ে রয়েছে অসংখ্য দর্শণীয় ও উপভোগ্য স্থান। গড়ে উঠেছে অনেক দৃষ্টিনন্দন পর্যটন স্পট। এখন ভ্রমণপিপাসু ও প্রকৃতিপ্রেমী মানুষের বেড়ানোর বড় সুযোগ ছিল ঈদের ছুটি। রাঙামাটির মূল শহর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের হলিডে কমপ্লেক্স। সেখানে রয়েছে দৃষ্টিকাড়া ঝুলন্ত ব্রিজ, কটেজ ও মোটেল। পর্যটন নগরী রাঙামাটিতে পর্যটকদের আনন্দ ও মনোরঞ্জন জোগানোর অসংখ্য নৈসর্গিক আবেশ ও দর্শনীয় অনেকগুলো স্থান ও স্পট রয়েছে। সরকারি পর্যটন মোটেল ছাড়াও ডিসি বাংলো, পেদাটিংটিং, সুবলং ঝর্ণা ও পর্যটন স্পট, টুকটুক ইকো ভিলেজ, গিরিশোভা ভাসমান রেস্তোঁরা, পৌর পার্ক, সুখী নীল গঞ্জ, উপজাতীয় যাদুঘর, রাজবন বিহার, চাকমা রাজার বাড়ি, বীরশ্রেষ্ট মুন্সি আবদুর রউফের স্মৃতিসৌধসহ মনোরম ও নয়নাভিরাম স্পট ও স্থাপনা সত্যিই যে কোন পর্যটককে সহজেই কাছে টানে। শিহরিত করে তোলে স্বচ্ছ কাপ্তাই হ্রদের জলে নৌ বিহারের মতো রোমাঞ্চকর নৌ-ভ্রমণ। আর এসব পর্যটন স্পটগুলো এখন একেবারে ফাঁকা।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ঈদে নতুন পোশাকের জন্য হাতে চায়ের ফ্লাক্স

শফিকুল ইসলাম শামীম, রাজবাড়ী

ঈদে নতুন পোশাকের জন্য হাতে চায়ের ফ্লাক্স

ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে খুশি। তবে তা কার ও কাদের জন্য। যারা তিন বেলা পেট ভরে খেতে পায় না। স্কুলের গন্ডি পার হতে পারেনি, সংসারের ঘানি নিয়ে জীবন সংগ্রামে যুদ্ধ করছে। মায়ের একটি নতুন শাড়ি, ছোট ভাইয়ের ঈদের পোশাক, অসুস্থ বাবার ওষুধ কেনার জন্য দিন-রাত পরিশ্রম করছে। তাদের জন্য কি, ঈদ মানে আনন্দ? ঈদ মানে খুশি?

আসাদ শেখ (১১)। রাজবাড়ী জেলার দৌলতদিয়া কেকেএস সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনীর ছাত্র। করোনা ভাইরাসের কারণে প্রায় দেড় বছর স্কুল বন্ধ। ঘরে বসে সময় কাঁটে। বাবা লালন শেখ। করোনা কালে কর্ম হারিয়ে ঘরে বসে রয়েছে। দীর্ঘদিন আয়-রোজগার বন্ধ। ধার-দেনা করে সংসার চলে। অসুস্থ শরীর। প্রতিনিয়ত ওষুধ কিনতে হয়। তিন বেলা পেট ভরে খেতে পায় না। খেয়ে-না খেয়ে আর কয় দিন চলে!

তাই ঘরে রাখা টিফিনের জমানো টাকা দিয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আসাদের কিনে নেয় চায়ের ফ্লাক্স। সকাল-সন্ধ্যায় চায়ের ফ্লাক্স হাতে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। চা বিক্রি করে মায়ের হাতে দেয় আয়ের টাকা। আনে অসুস্থ বাবার ঔষুধ।

আসাদ চা বিক্রি শুরু করেছে তাও প্রায় ৬ মাস হলো। প্রতিদিন আয় হয় দেড় থেকে দুইশ’ টাকা। আসাদের আয়ের টাকায় সংসার কিছুটা ভাল চলে। রবিবার সকালে দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরি ঘাটের মাঝে এই প্রতিবেদকের সাথে দেখা হয় আসাদের। খোলা একটি জায়গায় কয়েকজন লোক বসা দেখে মুখ ভরা হাসি নিয়ে এগিয়ে এসে বলে স্যার চা দিব।

উপস্থিত সবাই ব্যস্ত। তাই আসাদের কথা কেউ শুনেছে, কেউ শোনেনি। এসময় মুখটি মলিন হয়ে গেল। আসাদের চেহারার দিকে তাকিকে উপস্থিত ৬ জনের সকলের চা দেওয়া কথা বললে নিমিষেই আসাদের মুখে হাসি ফিরে আসে। আনন্দের সাথে সকলের হাতে এক কাপ করে চা তুলে দেয়। এসময় পাশে বসিয়ে কথা বলতে চাইলে মনের আনন্দের বলতে লাগলো সে। স্যার আমি ৫ম শ্রেণীতে পড়ি। বাবা লালন শেখ হকারী করে। তবে করোনার কারণে এখন কাজ নেই। তাই ঘরে বসে থাকে। শরীরটাও ভাল না।

আসাদ আরও বলে, বাবার চোখ ফাঁকি দিয়ে আমার টিফিনের জমানো টাকা দিয়ে চায়ের ফ্লাক্স কিনি। সেই দিন থেকে প্রতিদিন দুই বেলা, সকাল-সন্ধ্যা চা বিক্রি করি। প্রথমে বাবা জানতো না। এখন জানে।

দুই ফ্লাক্স চা বিক্রি করলে আর কয় টাকা লাভ হয়? হাসি দিয়ে বলে স্যার প্রতি ফ্লাক্সে ১১০/১২০ টাকা লাভ হয়। দুই ফ্লাক্সে ২৩০/২৪০ টাকা লাভ হয়। আমি টাকাগুলো খরচ করি না। মায়ের হাতে দেই।

তোমার এই টাকা দিয়ে কি করে তোমার মা? এমন প্রশ্নে আসাদ বলে, চাউল কেনে, বাজার করে। এই টাকায় এখন আমাদের সংসার চলে। তবে ঈদের মধ্যে সারাদিন চা বিক্রি করি। ৪/৫ ফ্লাক্স চা বিক্রি করা যায়। লাভ বেশি হচ্ছে। দুই দিন যাবৎ চার-পাঁচশ’ টাকা লাভ হয়।

এই টাকা দিয়ে তুমি কি করবে এমন প্রশ্নে আসাদ বলে, কেন স্যার? ঈদে মায়ের জন্য নতুন শাড়ী। ছোট ভাইয়ের নতুন জামা। সেমাই, চিনি ও বাবার জন্য জন্য একটি নতুন লুঙ্গি। তোমার জন্য কিছু কিনবে না। তখন বলে স্যার এত টাকা কোথায় পাব?

এসময় পাশে বসে থাকা বিআইডব্লিউটিসি কর্মরত রাজু হাউলাদার আসাদের কথা শুনে পাঁচশ’ টাকা দিয়ে বলেন বাবা তুমি একটি নতুন জামা কিনে নিও। আসাদ টাকা নিয়ে অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে চলে গেল আর কোন প্রশ্নে উত্তর না দিয়ে। উপস্থিত সকলে আসাদের চলে যাওয়ার দিকে নীরবে তাকিয়ে রইল।


আরও পড়ুনঃ

পর্নতারকা ডালিয়া স্কাইয়ের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার

পাকিস্তানে আফগান রাষ্ট্রদূতের মেয়েকে অপহরণ ও নির্যাতন

সৌদি আরবে বন্ধ হচ্ছে নামাজের সময়ে দোকান বন্ধ রাখার নিয়ম

'ছাত্রলীগ সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে'


আসাদের ব্যাপারে কথা হয় দৌলতদিয়া কর্মজীবি কল্যাণ সংস্থা কেকেএস সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গৌরি রাণীর সাথে। তিনি বলেন, আসাদ ভাল ছাত্র। স্কুলচলা কালীন প্রতিদিন স্কুলে আসতো। তবে স্কুল বন্ধ থাকায় অনেক দিন যাবৎ যোগাযোগ নেই।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

গিনেস ওয়ার্ল্ডে জায়গা করে নিলো বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু বালির প্রাসাদ (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক

গিনেস ওয়ার্ল্ডে জায়গা করে নিলো বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু বালির প্রাসাদ (ভিডিও)

এবার বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় বানিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে জায়গা করে নিলো ডেনমার্ক। দেশটিতে ৬৭ ফুট উঁচু বালির পাহাড় নির্মাণ করা হয়েছে। আর তাতেই আগের সব রেকর্ড ভেঙে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ডে জায়গা করে নিয়েছে।

ডেনমার্কের আগে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু বালির প্রাসাদ তৈরির খেতাব দখল করে রেখেছিল জার্মানি। বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় হিসেবে ৫৮ ফুট উঁচু ওই প্রাসাদটি গিনেস বুকে জায়গা করে নিয়েছিল। ডেনমার্কের এই প্রাসাদ ওই প্রাসাদের চেয়েও তিনগুণ বড় বলে দাবি শিল্পীদের। ৫ হাজার টন বালি দিয়ে তৈরি এই প্রাসাদকে বলা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু বালির প্রাসাদ।

মূলত মিসরের পিরামিডের আদলে নির্মাণ করা হয়েছে ডেনমার্কের এই বালির প্রাসাদ। প্রাসাদের চূড়ায় করোনার মডেল মুকুট হিসেবে পরানো হয়েছে। বিশ্বজুড়ে চলমান করোনার রাজত্ব বোঝাতে এই মুকুট পরানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পীরা।

আরও পড়ুন


আমলাদের যুদ্ধটা কি রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে

কুরবানী সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ মাসায়েল

ইভ্যালি নিয়ে যা বললেন ব্যারিস্টার সুমন( ভিডিও)

নিবন্ধন ছাড়াই টিকা পাচ্ছেন গাজীপুরের ২৫ লাখ পোশাক শ্রমিক


এই প্রাসাদ শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা সব ঋতুতেই যেন ঝড়-ঝাপটা সামলাতে পারে এ জন্য বালির সাথে ১০ ভাগ কাদা ব্যবহার করা হয়েছে। সঙ্গে দেওয়া হয়েছে আঠার প্রলেপ। বালির তৈরি প্রাসাদের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। কারণ অস্থায়ী কিছু বোঝাতে সাধারণত বালির বাঁধ কিংবার বালির প্রাসাদের উদাহরণ টানা হয়। তবে এই প্রাসাদের স্থায়িত্ব বাড়াতে বালির সাথে কাদা ও আঠার প্রলেপ দেওয়া হয়েছে।

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

বিশ্বের ৩০ জন সেরা প্রতিভাধর ভাস্কর্যবিদ যুক্ত হয়েছিলেন এই প্রকল্পে। ওলন্দাজ শিল্পী উইলফ্রেড স্টিগারের পরিচালনায় একটি কাঠের কাঠামোর মাধ্যমে এই প্রাসাদটি তৈরি করা হয়েছে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে যা করবেন

অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বর্তমান সময়ে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে ডায়বেটিস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। করোনার এই সময়ে ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখাটা অত্যন্ত জরুরি। আসন্ন কোরবানির ঈদে ডায়বেটিস যেন অনিয়ন্ত্রিত হয়ে না পড়ে সেজন্য আমদের আগে থেকেই সচেতন হতে হবে।

অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের জন্য কোভিড-১৯ হওয়ার ঝুঁকি যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি এ থেকে ভবিষ্যতে হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক, চক্ষু ও কিডনিজনিত রোগের আশঙ্কাও অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। অতিরিক্ত তেল, চর্বি ও মসলাসমৃদ্ধ খাবার এ ক্ষেত্রে রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
তাই আসন্ন কোরবানি ঈদে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি কিছু নিয়ম অনুসরণ করুন।

১। নিয়মিত রক্তে শর্করার পরিমাণ পরীক্ষা করতে হবে। পরীক্ষাটি অবশ্যই খালি পেটে এবং খাবারের দুই ঘণ্টা পর দুবার করে দেখতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সম্ভব হলে বাসায় স্ট্রিপ টেস্টের মাধ্যমে পরীক্ষাটি করা যেতে পারে।

২। করোনাকালে বাইরে বের না হয়ে বাসায় বারান্দা, করিডর বা ছাদে নিয়মিত ৪০ মিনিট হাঁটতে হবে। বাসায় ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজও করা যেতে পারে।

৩। পুষ্টিকর ও সুষমখাদ্য গ্রহণ করতে হবে। বেশি করে শাকসবজি ও মিষ্টি ব্যতীত ফল খেতে হবে। অতিরিক্ত তেল-চর্বি ও মসলাযুক্ত খাবার বাদ দিতে হবে। লাল মাংস পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।


আরও পড়ুনঃ

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানজট, ভোগান্তি চরমে

নৌপথে যাত্রী ও যানবাহনের প্রচণ্ড চাপ

দ্বিতীয়বারের মতো অবসরের ঘোষণা দিলেন আরিয়েন রোবেন

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার ভোগান্তি স্বাভাবিক: রেলমন্ত্রী


৪। শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়ার আগে ভালো করে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। কাঁচা সবজি বর্তমানে না খাওয়াই ভালো।

৫। দৈনিক ২.৫-৩ লিটার পানি পান করতে হবে। পানি খাদ্য পরিপাক ও দেহের হাইড্রেশন বজায় রাখতে সাহায্য করে।

৬। ধূমপান পরিহার করতে হবে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

সোনালী আঁশে স্বপ্ন দেখছেন নাটোরের পাট চাষিরা

নাটোর প্রতিনিধি

সোনালী আঁশে স্বপ্ন দেখছেন নাটোরের পাট চাষিরা

এক সময় পাটকে সোনালি আঁশ বলা হতো। কিন্তু এ সোনালি আঁশ কৃষকের গলার ফাস ’ হয়ে দাঁড়িয়েছিল, তখন অনেক কৃষকই পাট চাষ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। গত কয়েক বছর ধরে পাটের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় কৃষকরা পাট চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন।

তবে আবারও পাটের সুদিন ফিরে আসছে। পলিথিনের ব্যবহার কমিয়ে পাট ও পাটজাত দ্রব্যে ব্যবহার বাড়াতে ভোক্তাদের আগ্রহী করা হচ্ছে। অপরদিকে পাট চাষে আগ্রহী করতে চাষিদেরকে সরকার থেকে প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে।

গত বছর থেকে আবারও পাটের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন চাষিরা। মাঝখানে পাটের আবাদ কমলেও আবারও পাট চাষে আগ্রহ বেড়েছে চাষিদের। পাটজাত দ্রব্যের ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব হলে পাটের আবাদ আরো বৃদ্ধি পাবে। সোনালী আঁশে স্বপ্ন পূরণের আশা দেখছেন নাটোরের কৃষকরা। 

নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন সড়কে চলাচলের সময় চোখে পড়ছে,পাটচাষী ও শ্রমিকরা ব্যস্ত সময় পার করছে,পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজে। আর এই সোনালী আঁশ কৃষককে দিচ্ছে, সোনালী স্বপ্ন পূরণের বার্তা।
 
ইতিমধ্যে হাট-বাজারে উঠতে শুরু করেছে পাট। কৃষকেরাও পাচ্ছে ভালো দাম। উপজেলার পশ্চিম মাধনগরের বাসিন্দা আব্দুল আজিজ জানান, এবার তিনি ৫ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। প্রতি বিঘা জমিতে সব মিলিয়ে প্রায় ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তবে পাটের ফলনও ভালো হয়েছে এবং প্রাথমিক অবস্থায় বাজারে পাটের দামও ভালো পাচ্ছেন। মন প্রতি ৩২শ থেকে ৩৫শ টাকা পর্যন্ত দাম পেয়েছেন তিনি।

একই কথা জানালেন উপজেলার ব্রহ্মপুর ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের কৃষক উজ্জ্বল হোসেন। তিনি বলেন, ৪ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। পোকামাকড় বা প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগে হ্মতিও হয়নি, যার কারণে ফলনও ভালো হয়েছে। তবে গতবার বন্যার কারণে বেশ হ্মতি হয়েছিল বলে জনান তিনি।

স্থানীয় আড়ৎদার মেসার্স হাবিবা ট্রেডার্সের মালিক মো.মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বাজারে পাট উঠতে শুরু হয়েছে, তিনি মন প্রতি ৩২শ-৩৫শ টাকা দরে প্রায় ১০০মন পাট ক্রয় করেছেন এবং এগুলো মন প্রতি ৩৭শ-৩৮শ টাকা দরে খুলনা, যশোর, মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলার জুট মিলে পাঠান তিনি।

আরেক আড়ৎদার মেসার্স সুমন বাণিজ্যলয়ের মালিক মো. কাজী সুমন জানান, বর্তমান বাজারে তিনি মন প্রতি ৩২শ-৩৫শ দরে পাট কিনছেন। তবে তিনি মন প্রতি ২০-৫০ টাকা কমিশন বিভিন্ন পাট মিলে এসব পাট সরবরাহ করে থাকেন।

এ বিষয়ে নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকতা ফৌজিয়া ফেরদৌস বলেন,পাটের সেই সোনালী দিন ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি এবং কৃষকেরাও উৎসাহিত হচ্ছে। যার কারণে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে উপজেলায় যেখানে ১৫৬৫ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয়েছিল। সেখানে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ১৮১০ হেক্টর জমিতে পাট উৎপাদন হয়েছে।

এ বিষয়ে নাটোর পাট অধিদপ্তরের পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন জুয়েল জানান, পাটের সুদিন ফিরিয়ে আনতে আমরা বদ্ধ পরিকর। তিনি জানান, আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তিতে পাট ও পাট বীজ উৎপাদন ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নাটোর সদর এবং নলডাঙ্গা উপজেলায় ১২০০ কৃষকের প্রত্যককে ১২ কেজি করে সার ও ১ কেজি করে উন্নত পাটের বীজ প্রদান করা হয়েছে।

আরও পড়ুন


রাজধানীতে ট্রাকচাপায় দুই হোটেল কর্মচারী নিহত

নোয়াখালীতে মাটি চাপায় শিশু নিহত, আহত ৫

গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীর আইসিইউতে

হাতিয়ায় ৩ কোটি ২০ লক্ষ টাকার চিংড়ি পোনা জব্দ


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর