নওগাঁ সীমান্তে পুশইন করা ৮ নারী-পুুরুষ আটক

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

নওগাঁ সীমান্তে পুশইন করা ৮ নারী-পুুরুষ আটক

নওগাঁর সাপাহার সীমান্তে ভারত থেকে পুশইন করার পর ৮জন বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে আটক করে সাপাহার থানায় সোপর্দ করেছে ১৬ বিজিবি কোম্পানী হাপানিয়া বিওপি ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা। মঙ্গলবার ভোরে ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে সাপাহার সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে পুশইন করে বলে তারা জানায়।

বিজিবির হাতে আটক ব্যক্তিরা হলেন- বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জের আ. রহমান গাজীর ছেলে মো. জহুর আলী গাজী (৩৭), শ্যামনগরের শামসুর রহমান গাজীর ছেলে মো. হাসান আলী (৩২), শ্যামনগরের আবু হাসানের স্ত্রী মোসা. নুরনাহার বেগম (২৭) একই থানা ও জেলার জহর আলী গাজীর মেয়ে মো. সালমা পারভীন (৩০), জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবির মো. আতিয়ার রহমানের ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম (২৭), নড়াইল জেলার কালিয়া থানার মো. আলিফ খালাসীর মেয়ে মোসা. সোনিয়া খাতুন (২৫), ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী থানার জাহাঙ্গীর আকন্দ এর মেয়ে মোসা. সাদিয়া খন্দকার ইভা (২৪), কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী থানার আবুল হোসেন এর মেয়ে মোসা. পপি আক্তার (২১)।

সাপাহার উপজেলার হাপানিয়া বিজিবি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার মো. আজিজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে হাপানিয়া সীমান্তের হরিণ মাঠ নামক এলাকা হতে টহলরত বিজিবি সদস্যরা ভারত থেকে পুশইন হয়ে আসায় ব্যক্তিদের আটক করে সকালে স্থানীয় থানায় সোপর্দ করে। বেশ কিছুদিন পূর্বে আটককৃত ব্যক্তিরা একত্রে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারত অভ্যন্তরে প্রবেশ করে বিএসএফ সদস্যদের হাতে আটকা পড়ে এবং ভারতীয় আইনে দমদম জেলখানায় জেলহাজত খাটার পর ছাড়া পেলে মঙ্গলবার ভোরে বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে সাপাহার সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরে পুশইন করে দেয়। আটকদের বিরুদ্ধে ১৯৫২ সালের কন্ট্রোল অফ এন্ট্রি এ্যাক্ট এর ৪ ধারায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ আকটদের নওগাঁ কোর্টে চালান করেছে বলে সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) আল-মাহমুদ জানান।

আরও পড়ুন:


বিভিন্ন জেলায় ১৪২ জনের মৃত্যু


news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

স্বামীর পরকীয়ায় বাধা,গাছে ঝুলছে স্ত্রীর লাশ

অনলাইন ডেস্ক

স্বামীর পরকীয়ায় বাধা,গাছে ঝুলছে স্ত্রীর লাশ

স্বামীর পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় দুই সন্তানের জননী আমিনাকে (৩০) হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী সুলতানের (৩৫) বিরুদ্ধে। হত্যার আমিনার লাশ গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন। পরে তারা ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালায়।

নিহত আমিনার ভাই সাদিকুল ও মা সুফিয়া বেগম জানান, আমার মেয়ের ঘরে দুটি সন্তানও রয়েছে। কিন্তু আমিনার স্বামী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে । আমিনা পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। এরই জের ধরে শুক্রবার সকালে আমিনাকে তার স্বামী সুলতান, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদ মিলে বেধড়ক মারপিট ও শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর বাড়ির একটি গাছের ডালের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে এটিকে আত্মহত্যা বলে প্রচার করে।

শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সুলতান পুটিয়া গ্রামের নওশের আলীর ছেলে।

শুক্রবার দুপুরে পুলিশ আমিনার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

এদিকে এই ঘটনার পর আমিনার পরিবারের লোকজন জানান, সুলতানের পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় আমিনাকে হত্যা করে বাড়ির পাশে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন। পরে তারা ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালায়। 

জানা যায়, একযুগ আগে সুলতানের সঙ্গে ঘাটাইল উপজেলার বগাজান গ্রামের আমজাদ আলীর মেয়ে আমিনার বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের ঘরে এক ছেলে ও এক মেয়ের জন্ম হয়। সন্তান নিয়ে সুখেই চলছিল সুলতান-আমিনার সংসার। সম্প্রতি সুলতান পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হয়ে পড়ে। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। মাঝে মধ্যেই স্ত্রী আমিনাকে মারপিট করত সুলতান।

আজ সকালে বাড়ির পাশে আমিনার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা।এ ঘটনার পর থেকে সুলতান ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার ওসি মোল্লা আজিজুর রহমানর জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে গৃহবধূ আমিনার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে ১৩ দিন ধরে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান তরুণীর

আব্দুল লতিফ লিটু, ঠাকুরগাঁও

স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে ১৩ দিন ধরে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান তরুণীর

স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে ১৩ দিন ধরে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের চড়ুইগদি গ্রামের মাসুদ রানা নামে এক যুবকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন ২৫ বছর বয়সী এক তরুণী। তবে ১৩ দিন পেরিয়ে গেলেও তার স্বামীর দেখা পাননি তিনি।

ঈদের ৩য় দিন শুক্রবার ওই তরুণী সাংবাদিকদের অভিযোগ করেন, তার আসার খবরে শ্বশুরবাড়ি লোকজন মাসুদকে লুকিয়ে রেখেছে। যদিও মাসুদের পরিবারের লোকজন বলছেন ঢাকায় ছেলে একটি বেসরকারি কোম্পানীতে কর্মরত। সেখান থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার কথা থাকলেও আজ শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ফেরেনি।

অবস্থানরত থাকা তরুণী সাংবাদিকদের আরও জানান, আমার পরিবারকে ভুল বুঝিয়ে রাজশাহীর এক প্রতারক আমাকে বিয়ে করলে পরে জানতে পারি যে বাড়িতে আরেকটা স্ত্রী রয়েছে তার। এরপরে তার সংসারে যায়নি। ঢাকায় বোনের বাসায় থেকে একটি বিউট পার্লারে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে মাসুদের সাথে পরিচয় হয় আমার। পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে রাজশাহীর প্রতাকরকে তালাক দিয়ে ১৬ এপ্রিল আমরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই।

তরুণী জানায়, দেড় বছর প্রেম ও বিয়ের পর ৩ মাস সংসার ভালোই চলছিল ঢাকায়। হঠাৎ কয়েকদিন পূর্বে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমাকে মারধর করে বাসা ছেড়ে চলে যায় মাসুদ। সব রকমের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় আমার সাথে। ভাড়া বাসার মালিক মারধরের ঘটনা ভয় পেয়ে আমাকে বাসা ছেড়ে দিতে বলে। বাসা ছেড়ে দেওয়ার পর উপায় না পেয়ে স্বামীর বাড়িতে এসে অবস্থান নিয়েছি। আমি স্ত্রীর মর্যাদা না পেলে এখান থেকে আমার লাশ যাবে।

শ্বশুড়বাড়িতে কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না জানতে চাইলে তরুণী জানান, স্থানীয় কয়েকজনকে দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অসংখ্যাবার চেষ্টা করেছে। আমি বের হয়নি। চর থাপ্পরও মেরেছে। আমার স্বামী না আসা পর্যন্ত এখানে যদি মরতে হয়, মরব। ফিরে গেলে আমার মরদেহ যাবে। আমি যাব না।

মাসুদের বাবা মোহাম্মদ আলী জানান, মেয়েটি এসে আমার ছেলের বউ হিসেবে নিজেকে দাবি করছে। বিবাহের কাগজপত্র সাথে নিয়ে এসেছে। কাগজপত্র দেখে মনে হচ্ছে বিয়ে করেছে আমার ছেলে। তবে ঢাকা থেকে মাসুদ না ফেরা পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।

মাসুদের মা সুফিয়া বেগম জানান, মেয়েটিকে আমার পছন্দ হয়েছে। তবে শুনেছি মেয়েটির আগে আরকেটা বিয়ে ছিল। ছেলে যদি তাকে নিয়ে সংসার করে আমার কোনো আপত্তি নেই। এখানে আসার পর তার খাওয়া দাওয়াসহ সব ধরনের যত্ন আমরা করছি। তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা।

তরুণীর বাবা জানান, ছেলের বাড়িতে অবস্থান নেওয়ার পর শুনেছি মেয়ে ঢাকা থেকে চলে এসেছে। মেয়েটি মোবাইলে জানিয়েছে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে। আমি স্থানীয় চেয়ারম্যানকে লিখিতভাবে বিষয়টি মীমাংসার জন্য অভিযোগপত্র দিয়েছি। ঈদের পর বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দিয়েছেন।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আকালু (ডংগা) জানান, মাসুদের বাবাকে বলা হয়েছে দ্রুত সময়ে মাসুদকে বাসায় নিয়ে আসতে। ছেলে ফিরে আসলে আগামী ২৫ জুলাই তারিখ দুই পরিবারকে নিয়ে বসা হবে।

উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আসলাম জুয়েল জানান, মেয়েটির বাবা আমার নিকট এসেছিল। বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য আমরা চেষ্টা করছি।

আরও পড়ুন: 


বাংলাদেশকে টিকা দেওয়ার ব্যাপারে যা জানালেন ভারতীয় হাই কমিশনার

এদেশে সৎ মানুষ তৈরির সিস্টেমটাই নাই

গাজীপুরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে হত্যা চেষ্টা


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহে লকডাউনে মোটরসাইকেল বোঝাই ফেনসিডিল

সৈয়দ নোমান, ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহে লকডাউনে মোটরসাইকেল বোঝাই ফেনসিডিল

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে লকডাউনের মধ্যেই এক’শ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক হয়েছে আবু সাঈদ (৩০) নামে এক মাদক কারবারি। লকডাউন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে উপজেলার মইলাকান্দা ইউনিয়নের মেছিডেঙ্গি নামক এলাকা থেকে তাকে আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এসময় শিবলু (৩৫) নামে অপর এক মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়।

ইউএনও হাসান মারুফ জানান, তারা দুজনেই একটি মোটরসাইকেল চেপে মাদক পাচার করছিল। নেত্রকোণার দুর্গাপুর জনৈক মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এক’শ বোতল ফেনসিডিল নেয়। পরে সেই ফেনসিডিলের বোতল স্কুল ব্যাগে বহন করে গৌরীপুর-শ্যামগঞ্জ সড়ক দিয়ে ময়মনসিংহের দিকে যাচ্ছিল।

তিনি আরও জানান, জব্দকৃত ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আবু সাঈদকে গৌরীপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

গৌরীপুর থানার এসআই সামছুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় মাদক আইনে গৌরীপুর থানায় মামলা হয়েছে। পলাতক শিবলুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পরবর্তী খবর

রমেক হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিতে আসা ৩ ট্রাক জব্দ

রেজাউল করিম মানিক, রংপুর

রমেক হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিতে আসা ৩ ট্রাক জব্দ

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অক্সিজেন স্টোরের সামনে অবৈধভাবে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিতে আসা তিনটি ট্রাক জব্দ করেছে পুলিশ।

বিস্তারিত আসছে...

পরবর্তী খবর

লকডাউনেও বাংলাবাজার ঘাটে যাত্রী

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

লকডাউনেও বাংলাবাজার ঘাটে যাত্রী

দেশব্যাপী ১৪ দিনের কঠোর লকডাউনের প্রথমদিন বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে যাত্রী ও যানবাহন সকালে পারাপার হয়েছে।

তবে বিকেলের দিকে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ অনেকটাই কমে এসেছে। শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে মোটরসাইকেল আরোহীদের চাপ বেশি দেখা গেছে।

শুক্রবার সকাল থেকে শতশত যাত্রী ও যানবাহন পারাপার হতে দেখা যায় নৌরুটের ফেরিগুলোতে।

বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাবাজার ঘাটে আটকে পড়া প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স শুক্রবার সকাল থেকে পার হয়ে গেছে। তবে সকালে ঘাটে আসা কোনো যাত্রীবাহী যানবাহন পার হতে দেওয়া হচ্ছে না বলে ঘাট সূত্রে জানা গেছে।

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে লকডাউন শুরু হলে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে সাধারণ যাত্রী পারাপার বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার রাতে পারাপারের অপেক্ষায় থাকা শতাধিক ছোট যানবাহন সকালে পার করা হয়েছে। এছাড়া ঘাটে আটকে থাকা অর্ধশত যাত্রীবাহী বাসের শুধু যাত্রীদের পার করা হয়েছে। বাস পারাপার বন্ধ রেখেছে। নৌরুটে সকাল থেকে ১৬টি ফেরি চলছে।

সরেজমিনে শুক্রবার দুপুরে বাংলাবাজার ঘাটে অবস্থান করে দেখা গেছে, ফেরিঘাটে অ্যাম্বুলেন্স, পণ্যবাহী ট্রাক, প্রাইভেটকারের পাশাপাশি অসংখ্য মোটরসাইকেল রয়েছে। কিছু সাধারণ যাত্রী ফেরিতে পার হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাটের ব্যবস্থাপক মো.সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, নৌরুটে যাত্রীবাহী কোনো যানবাহন পার করা হচ্ছে না। গতরাতের আটকে থাকা কিছু যানবাহন পার করা হয়েছে সকালে। এছাড়া অ্যাম্বুলেন্সসহ কিছু জরুরি যানবাহন পার হচ্ছে। তবে বিকেলের দিকে চাপ অনেকটাই কমে এসেছে।

বিআইডব্লিউটিএ বাংলাবাজার লঞ্চঘাটের টিআই আকতার হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১০টা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচলের পরে সব লঞ্চ বন্ধ করা হয়েছে। লকডাউনের নিয়ম অনুযায়ী শুক্রবার এ নৌপথে আর কোন লঞ্চ চলেনি। লঞ্চঘাটে যাত্রীও নেই। ঘাটে যেসব যাত্রীরা আসছে তারা ফেরিতে করে পদ্মা পার হচ্ছে।

আরও পড়ুন: 


বাংলাদেশকে টিকা দেওয়ার ব্যাপারে যা জানালেন ভারতীয় হাই কমিশনার

এদেশে সৎ মানুষ তৈরির সিস্টেমটাই নাই

গাজীপুরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে হত্যা চেষ্টা


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর