রাঙামাটিতে বন্যহাতির তাণ্ডব, বাড়ি-গাড়ি-দোকান বিধ্বস্ত
রাঙামাটিতে বন্যহাতির তাণ্ডব, বাড়ি-গাড়ি-দোকান বিধ্বস্ত

রাঙামাটিতে বন্যহাতির তাণ্ডব, বাড়ি-গাড়ি-দোকান বিধ্বস্ত

Other

রাঙামাটিতে বন্যহাতির তাণ্ডবে বিধ্বস্ত হয়েছে বাড়ি-ঘর, দোকানপাঠ ও গাড়ি। রোববার ভোর ৪টায় কাপ্তাই উপজেলার ৪নং ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের তালপট্টি এলাকায় এঘটনা ঘটে। এসময় স্থানীয়রা বন্যহাতি থেকে পালিয়ে নিজেদের প্রাণ রক্ষা পেলেও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত সম্মুখীন হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ৪নং ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের তালপট্টি এলাকায় হঠাৎ তাণ্ডব চালায় বন্যহাতির দল।

এসময় ওই এলাকার স্থানীয়রা নিজ ঘরে অবস্থান করছিল।

বন্যহাতির পালের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায় স্থানীয়রা। এসময় বন্যহাতির দল ওই এলাকার বসত ঘর, দোকান পাঠ ও গাড়ি ভাঙচুর করে। এসময় হাতির দল ব্যাপক ভাঙচুর করে স্থানীয় সেলিম ও কাপ্তাই উপজেলার ৪নং ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আব্দুল আহাদ সেলিম বাড়ি-ঘর। একইভাবে ভাঙ চুর করে স্থানীয় তোফাজ্জলের দোকান। সড়কে থাকা ট্টাকেরও জানালার কাচ ভাঙচুর করে হাতির দলটি।

কাপ্তাই উপজেলার ৪নং ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আব্দুল আহাদ সেলিম জানান, আযানের পর হঠাৎ একদিন বন্যহাতি তালপট্টি এলাকায় ঢুকে পরে। কিছু বুঝার আগে ব্যাপক ভাঙচৃুর করতে থাকে হাতির দল। পরিবার নিয়ে কোনো রকমে প্রাণ রক্ষা পেলেও, রক্ষা পাইনি বাড়ি-ঘর, দোকান ও সড়কের গাড়ি। পরে বেলা বাড়ার সাথে সাথে বন্যহাতির পালটি জঙ্গলে চলে যায়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. তানজিলুর রহমান জানান, খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। বন্যহাতির দল সেই খানে একটি ঘর, একটি দোকান এবং একটি গাড়ী ভাংচুর করেছে। বিষয়টি বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, খাবারের খোজে বন্যহাতির দল এখন বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। কারণ এখন মোৗসুমী ফলের মাস। পাহাড়ে জুমের ফলন হলে হাতির উৎপাত বেড়ে যায়। তবে মানুষেরও কিছু দোষ আছে। হাতির অভায়শ্রম ধবংস করে তৈরি করতে বাড়ি ঘর-জঙ্গল উজাড় করে করছে জুম চাষ। যার কারণে মানুষ আর হাতির মধ্যে দ্বন্ধ লেগে থাকে।

কাপ্তাই ৪নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. আবদুল লতিফ জানান, কাপ্তাই শিল্প এলাকাসহ আশেপাশে এলাকায় বসবাসরত জনগণ সবসময় বন্যহাতির আতঙ্কে থাকে। কারণ এ এলাকায় প্রায় প্রতিদিন হাতি ঘুরে বেড়ায়। মালের ক্ষতি হলেও জান নিয়ে শঙ্কায় আছে স্থানীয়রা। হাতি থেকে প্রাণ বাচাঁতে অনেকে রাত জেগে পাহারা বসিয়েছে।

 

সম্পর্কিত খবর