ওজন বাড়াতে হলে দুপুরে ঘুমাতে হবে

অনলাইন ডেস্ক

ওজন বাড়াতে হলে দুপুরে ঘুমাতে হবে

স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা কম বেশি সব মানুষেরই আছে। কেউ ওজন কমানোর চেষ্টা করে আবার অনেকেই আছে যারা ওজন বাড়ানোর চেষ্টা করে চলেছে। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অনিয়মিত খাবার খাওয়া, শারীরিক অসুস্থতা নানা কারণে শরীরের যথাযথ ওজন বৃদ্ধি হয় না।

অতিরিক্ত ওজন যেমন স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর, ঠিক তেমনই ওজন কম থাকলেও তা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল নয়। কয়েকটি সহজ পদ্ধতি মেনে চললে, খুব সহজেই শরীরের ওজন বৃদ্ধি করা সম্ভব।

১। শুকনো খেজুর এবং দুধ শুকনো খেজুর ভিটামিন এ, সি, ই, কে, বি২, বি৬ এবং থায়ামিন সমৃদ্ধ, যা সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এছাড়াও, শুকনো খেজুর প্রোটিন, শর্করা এবং শক্তির দুর্দান্ত উৎস। এটি অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি ছাড়াই, পর্যাপ্ত পরিমাণে পেশী তৈরিতে সহায়তা করে। তবে ওজন বৃদ্ধির জন্য এক গ্লাস দুধের সাথে যদি শুকনো খেজুর খেতে পারেন।

২। ঘি এবং চিনি এক চামচ ঘিয়ের সাথে এক চামচ চিনি মিশ্রিত করুন। তারপর এই মিশ্রণটি প্রতিদিন দুপুর বা রাতের খাবারের ঠিক আধঘণ্টা আগে খালিপেটে সেবন করুন। টানা এক মাস এই মিশ্রণটির সেবন, আপনাকে পছন্দসই ফল দিতে পারে।

৩। আম এবং ঈষদুষ্ণ দুধ একটি করে পাকা আম, এক গ্লাস গরম দুধের সাথে সেবন করুন। আমে পর্যাপ্ত পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, চিনি এবং প্রোটিন থাকে, যা দেহের ভর বৃদ্ধিতে অত্যন্ত সহায়ক।

৪। প্রতিদিন দুপুরে ঘুমানোর অভ্যাস করুন রাতের ঘুম যতটা গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক তেমনি ওজন বাড়ানোর ক্ষেত্রে দুপুরের ঘুমও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন দুপুরে খাওয়ার পর অন্ততপক্ষে ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা ঘুমোলে, মন এবং পেশীগুলি রিল্যাক্স হয়। দুপুরের ঘুম যে কেবলমাত্র ওজন বৃদ্ধির করতে সহায়ক তা নয়, রাতের ঘুম ভাল হতেও সাহায্য করে।

আরও পড়ুন:


আজ যাদের জন্মদিন

ঈদের দিনে যে কাজগুলো করবেন

দোয়া ইউনুস'এর উপকারিতা

৫। খাদ্যতালিকায় পিনাট বাটার অন্তর্ভুক্ত করুন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বা ব্রেকফাস্টে পিনাট বাটার অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করুন। এটি ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, খনিজ এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ। এছাড়া, পিনাট বাটারে ক্যালোরি মাত্রা উচ্চ হওয়ায়, দ্রুত ওজন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দুর্দান্ত কাজ করে। এছাড়া, ওজন বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিনের ডায়েটে কয়েকটি চিনাবাদামও রাখুন।

৬। খাদ্যতালিকায় আলু অন্তর্ভুক্ত করুন ওজন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আলু দুর্দান্ত কাজ করে। আলুতে কার্বোহাইড্রেট ভরা থাকে। তরকারি হোক কিংবা মাখনের সাথে বেক বা গ্রিল করে আলু খেতে পারেন। চাইলে মাঝেসাজে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইও খেতে পারেন।

সূত্র: বোল্ডস্কাই

news24bd.tv রিমু  

 

পরবর্তী খবর

আমড়ার যত গুণাবলী

অনলাইন ডেস্ক

আমড়ার যত গুণাবলী

মৌসুমি ফল খেলে শরীরের সাথে সাথে মনও সুস্থ থাকে। তাই তো এখন বাজারে গেলেই চোখে পড়ে সবুজ রঙের আমড়ার। দামি ফল আপেলের চেয়ে আমড়ায় প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও আয়রনের পরিমাণ বেশি। তাই শরীরের জন্য বেছে নিতে পারেন আমড়া। আমড়া খেতে টক-মিষ্টি স্বাদের। এটি কাঁচা খাওয়ার পাশাপাশি সুস্বাদু আচার, চাটনি ও জেলি তৈরি করা যায়। অনেকে তরকারি হিসেবে রান্না করে খান। বহুমুখী উপকারিতার কারণে অনেকেই নিয়ম করে আমড়া খাচ্ছেন। প্রতিদিনের দূষণভরা জীবনে সুস্থ থাকার টোটকা এখন আমড়া। 

আমড়া :
আমড়ার ইংরেজি নাম Hog Plum. একপ্রকার ফল যা মাঝারি আকারের পর্ণমোচী বৃক্ষে ফলে। বৈজ্ঞানিক নাম Spondias pinnaata Kurz. বা Spondias mombin, পরিবার: Anacardiaceae। বাংলাদেশ ছাড়াও আফ্রিকা, ভারত, শ্রীলংকা এবং ইন্দোনেশিয়ায় এই গাছটি জন্মে।

আমড়া ব্লাড পিউরিফায়ারের কাজ করে। স্ট্রেসের জাল বিছানো সমাজ জীবনে শরীর সুস্থ রাখাই যেখানে চ্যালেঞ্জ, সেখানে আমড়া থাকতে হবে অবশ্যই। 

এই ফলে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি আর ক্যালসিয়াম। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। দামেও সস্তা। গুণে মহার্ঘ। তাই আমড়া খান রোজ। শরীর সুস্থ রাখতে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। 

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক আমড়ার গুণাবলী-
রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। স্ট্রোক ও হৃদরোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চর্বি কমিয়ে হৃত্‍‍পিণ্ডে সঠিক ভাবে রক্ত চলাচলে সাহায্য করে

চিনির পরিমাণ কম থাকায় উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের রোগীরা নিশ্চিন্তে খেতে পারেন। আমড়ার খোসায় থাকা আঁশ বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম দাঁত ও মাড়ি শক্ত করে। দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত, পুঁজ বের হওয়া প্রতিরোধ করে।

আমড়া পিত্ত ও কফ নাশ করে, কণ্ঠস্বর পরিষ্কার রাখে। নিয়মিত আমড়া খেলে চুল, নখ, ত্বক সুন্দর থাকে।

অরুচি দূর করে, শরীরের অতিরিক্ত উত্তাপ কমায়। আমড়ায় থাকা অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

আরও পড়ুন:


বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত করোনার মতো বারবার রূপ পরিবর্তন করছে: বাহাউদ্দিন নাছিম

টিকা নেয়ার পরেও করোনা পজিটিভ ফারুকী

স্বামীর পর্নকাণ্ড: মানহানির মামলা নিয়ে শিল্পাকে আদালতের ভর্ৎসনা


 

এ মৌসুমের দারুণ ফল হিসেবে তাই ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ কিংবা ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে আমড়া খেতে পারেন। আমড়ায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। ফলে সহজেই সুস্থ থাকতে পারবেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে যেসব খাবার

অনলাইন ডেস্ক

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে যেসব খাবার

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে প্রতিনিয়তই নানা রকম ওষুধ খেতে হয়। কিন্তু ওষুধ খেলেই কি সমস্যার নিরসন হয়? শরীর ভাল রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা করা এবং দৈনিক ৮ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন আছে। তার পাশাপাশি অকারণ উদ্বেগ কমাতে পারলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এই ভাবে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার পাশাপাশি যদি খাবারের তালিকায় কিছু জিনিস যোগ করেন এবং কিছু অপ্রয়োজনীয় খাবার বাদ দেন, তাহলে ওষুধ ছাড়াই নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে উচ্চ রক্তচাপ।

কী কী খাবেন:

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমাতে সকালে খালি পেটে রোজ রসুন খান। রসুনে রয়েছে অ্যালিসিন নামে এক ধরনের পদার্থ, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। 
এছাড়াও রোজ খাবারের সঙ্গে রাখুন পেঁয়াজ। এতে রয়েছে কোয়েরসেটিন ফ্লেভনয়েড, যা রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করতে সহায়তা করে।

নিয়মিত পালং শাক খান। পালং শাকে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, আয়রনের মতো পুষ্টি উপাদান, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

শীতকালের সময় বিট খেতে পারেন। এই সবজিতে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রেট রয়েছে, যার কারণে শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়।

প্রচুর সবুজ শাক-সবজি তো খাবেনই, তার পাশাপাশি মুরগির মাংস, মাছও খেতে হবে। এছাড়াও শরীরের পানির ঘাটতি কম যেন না হয়, সেই জন্য প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে।  

কী খাবেন না:

উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা কাঁচা লবণ  ও লবণ দেওয়া খাবার একেবারেই খাবেন না। 

খেতে ভাল লাগলেও সস, চিপস, রোল বা স্যান্ডউইচ যতটা না খাওয়া যায়, ততই ভাল।

আরও পড়ুন


ভারতকে ১৪টি প্রাচীন শিল্প নিদর্শন ফেরত দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

ফল খাওয়ার উপযুক্ত সময় কোনটি জেনে নিন

জাহাজে হামলার ঘটনায় ইরানকে দায়ী করল ইসরায়েল

ক্রিকেট থেকে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিরতি নিলেন বেন স্টোকস

এই রোগে অতিরিক্ত পরিমাণ চিনি দেওয়া খাবার যেমন, কেক বা মিষ্টি খাবার খাওয়া উচিত না।

তেল, ঘি, মাখন ও রেডমিট একেবারেই খাওয়া যাবে না।

এছাড়া ধূমপান, অ্যালকোহল কিংবা কোল্ড ড্রিংক খাওয়ার অভ্যেস থাকলে, তা অচিরেই বন্ধ করুন।

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

ফল খাওয়ার উপযুক্ত সময় কোনটি জেনে নিন

অনলাইন ডেস্ক

ফল খাওয়ার উপযুক্ত সময় কোনটি জেনে নিন

দিনের মধ্যে সবচেয়ে ভালো সময় কখন ফল খাবেন। আর কখন ফল খাওয়া উচিত নয়, কিভাবে ফল খেতে হয়, ফল খাওয়ার উপযুক্ত সময় কোনটি জেনে নিন। 

অনেকে একসঙ্গে অনেক রকম ফল মিশিয়ে খান, যা একেবারেই সঠিক নয়। একসময় বসে একটি ফলই খেতে হবে।  উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি আপেল খান তবে শুধু আপেলই খান এবং এতে কলা বা অন্য কোনো ফল মেশাবেন না। তবে বর্তমানে ফ্রুট সালাদ খাওয়ার অনেক প্রবণতা আছে। কিন্তু আপনি এই ফল থেকে তেমন কোনো পুষ্টি পাবেন না। 

ফলে প্রচুর পরিমাণে ফিটামিন, মিনারেলস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং ফাইবার থাকে। ফল খাওয়ার সবচেয়ে উপযোগী সময় সকাল বেলা। সকালে ফল খেলে এর যাবতীয় গুণ সহজেই শরীরে শুষে যায়। মিড মর্নিং স্ন্যাক হিসেবেও ফল খাওয়া যেতে পারে। ব্রেকফাস্ট ও লাঞ্চের মধ্যে আমাদের খিদে পায়। এই সময় অন্য কিছু না খেয়ে ফল খেতে পারেন। ওয়ার্কআউটের আগে-পরেও ফল অত্যন্ত উপযোগী। ফল ওয়ার্কআউটের জন্য প্রয়োজনীয় এনার্জি শরীরকে দেয়। ব্যায়ামের পরে শরীরে যে এনার্জির ঘাটতি দেখা দেয়, তা পূরণ করতেও ফলের জুড়ি মেলা ভার।

আরও পড়ুন


টি-স্পোর্টসে আজকের খেলা

জাহাজে হামলার ঘটনায় ইরানকে দায়ী করল ইসরায়েল

যে কারণে কোরআনে ৮২ বার নামাজের কথা বলা হয়েছে

অনেকে ফলের রস খেতে বেশি পছন্দ করেন। কিন্তু ফল পুরোটাই খেতে হবে আপনাকে। রস খেলে ফলে যে ফাইবার থাকে তা শরীর গ্রহণ করতে পারে না পুরোপুরি।

news24bd.tv রিমু 

 

পরবর্তী খবর

তারুণ্য ধরে রাখার যত কৌশল

অনলাইন ডেস্ক

তারুণ্য ধরে রাখার যত কৌশল

চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। ছবি ফেসবুক

বৃদ্ধ হতে চায় না কেউ। যৌবনটা যেন চিরজীবন থেকে যায় মনে মনে সেই ইচ্ছা নিয়েই আয়নার সামনে দাড়ায় প্রতিটি মানুষ। এমন কাউকেই পাওয়া যাবে না যে, যৌবন রেখে বার্ধক্যকে পছন্দ করে। বার্ধক্য একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। তবে দেখা গেছে কেউ কেউ তুলনামূলক দ্রুত বুড়িয়ে যান। আবার কারও চেহারা দেখে বয়স বোঝার উপায় থাকে না। বয়সের তুলনায় চেহারায় তারুণ্যের ছাপ দেখা যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চেষ্টা করলে অর্থাৎ কিছু নিয়ম মেনে চললে নিজের তারুণ্য ধরে রাখা যায়।

আমাদের ত্বকের নিচে কোলাজেন টিস্যু থাকে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে কোলাজেন টিস্যু কমতে থাকে। ফলে ধীরে ধীরে ত্বকের উজ্জ্বলতা কমতে থাকে। পড়ে বয়সের ছাপ।বয়স বাড়ার সাথে সাথে শারীরিক পরিবর্তন তো আসবেই। সেইসঙ্গে কমবে ত্বকের উজ্জ্বলতা। তবে জীবনধারা পরিবর্তন ও ঠিকমতো ঘুমালে বয়সের ছাপ বাড়ার গতি কমবে।

এজিং তো বন্ধ করার কোনো উপায় নেই, কিন্তু এটিকে আমরা কী কী উপায়ে স্লোয়ার ডাউন করে দিতে পারি? হ্যা পারি

‘স্লোয়ার ডাউন করার জন্য প্রথমে লাইফস্টাইলটা খুব জরুরি। লাইফস্টাইলের পাশাপাশি আধুনিক অনেক ধরনের চিকিৎসা বের হয়েছে। যেমন এটাকে আমরা তিনটা এজে ভাগ করতে পারি—কারো এজ যখন থার্টি থাকে, তখন এক ধরনের ট্রিটমেন্ট আমরা দিয়ে থাকি। যাদের এজিংয়ের সাইন কিছুটা দেখা দিয়েছে, তাঁদের পিআরপি বা ভ্যাম্পায়ার ফেসিয়াল দিয়ে থাকি। এটা হচ্ছে যে পারসনের এজিংয়ের ছাপ এসেছে বা যে তার এজিংটা ধরে রাখতে চাই, তার বডির ব্লাড কালেক্ট করে সেটাকে আমরা সেন্ট্রিফিউজ করি।

সেন্ট্রিফিউজ করে ফেসে ইনজেক্ট করি। এতে দেখা যায় কোলাজেন টিস্যু কমে যাওয়ার জন্য যে ভাঁজগুলো ফেসে দেখা দিয়েছে, সেই ভাঁজগুলো অনেকটাই কমে যায়। আবার যাদের বয়স থার্টি ফাইভ ক্রস করেছে, তাদের ক্ষেত্রে রিঙ্কলসের জন্য আমরা একটা ট্রিটমেন্ট করি, এটাকে আমরা বলি বোটক্স।’

 ‘বোটক্স সম্পর্কে এখন সবাই কমবেশি জানে। বোটক্স হচ্ছে পিউরিফায়েড প্রোটিন, যেটা ইনস্ট্যান্টলি যে রিঙ্কলসগুলো আছে, তা দূর করে দেবে। বোটক্সের আরেকটি বেনেফিশিয়াল সাইড হচ্ছে, পারমানেন্ট যে রিঙ্কলস আসে, সেটাকে প্রিভেন্ট করে। এরপর যাঁরা ফোরটি ক্রস করেছে, যাদের রিঙ্কলস খুব বেশি বা ডিপ হয়ে গেছে, যারা ফেসটাকে অনেক বেশি ড্যামেজ করে ফেলেছে, তাঁদের জন্য রয়েছে অন্য এক প্রসিডিউর, যাকে আমরা বলি ফিলার। 

ফিলারের সাহায্যে অনলি থার্টি মিনিটসে রিঙ্কলস দূর করা যায়। এটা ইনজেক্টেবল প্রসিডিউর…।


বিয়ে করব প্রেম করে এটা সত্য : ফারিয়া শাহরিন

এবার কি মিমি-নুসরাতের সম্পর্কে ফাটল!

আগামী সপ্তাহেই মা হচ্ছেন কারিনা!


 

সবশেষে প্রতিদিন নিয়মিত ব্যায়াম আপনার তারুণ্যকে উজ্জীবিত রাখতে সাহায্য করে। জিমে গিয়ে ব্যায়াম না করতে পারলে প্রতিদিন অন্তত আধা ঘণ্টা হাঁটতে বলা হয়েছে। ব্যায়াম না করলে বা ছেড়ে দিলে দেহে আলসেমি চলে আসে আর স্থুলকায় হয়ে মানুষ তার তারুণ্য হারাতে থাকে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

এই সপ্তাহেই আসছে অক্সফোর্ডের আরও ১৩ লাখ টিকা

অনলাইন ডেস্ক

এই সপ্তাহেই আসছে অক্সফোর্ডের আরও ১৩ লাখ টিকা

আগামী শনিবার (৩১ জুলাই) ও বুধবার (৪ আগস্ট) দেশে অক্সফোর্ডের আরও ১৩ লাখ ডোজ করোনা টিকা আসছে। শুক্রবার (৩০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, কোভ্যাক্স কর্মসূচির আওতায় জাপান থেকে অক্সফোর্ডের ১৩ লাখ ডোজ কোভিশিল্ড টিকা বাংলাদেশে আসবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের টিকা ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক এ বিষয়ে বলেন, জাপান থেকে কোভ্যাক্সের কর্মসূচির আওতায় এ ১৩ লাখ টিকা দেশে আসবে দু’টি চালানে। প্রথম চালান শনিবার ও দ্বিতীয় চালান বুধবার দেশে পৌঁছাবে।

আরও পড়ুন:

তৃতীয় দিনে তুরস্কের দাবানল, আগুনে পুড়ে চার জনের মৃত্যু

সবচেয়ে দীর্ঘ সুড়ঙ্গ পথ উন্মোচন করল ইরান

পর্যটকদের জন্য খুলছে সৌদির দরজা

বাংলাদেশসহ চার দেশে দুবাইগামী ফ্লাইট বন্ধ ৭ আগস্ট পর্যন্ত


উল্লেখ্য, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড টিকার প্রথম ডোজ নিয়ে দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রায় ১৪ লাখেরও বেশি মানুষ। নতুন এ ১৩ লাখ টিকা পেলে প্রথম ডোজ নেওয়া ব্যক্তিদের অপেক্ষা দ্রুতই শেষ হবে বলে আশা করছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর