ইংল্যান্ডে করোনায় আক্রান্ত দুই ভারতীয় ক্রিকেটার

অনলাইন ডেস্ক

ইংল্যান্ডে করোনায় আক্রান্ত দুই ভারতীয় ক্রিকেটার

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ইংল্যান্ডে সফররত ভারতীয় দলের দুই ক্রিকেটার। এদের মধ্যে একজনকে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিভৃতবাসে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএনআই।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক সূত্র জানায়, একজন ক্রিকেটারের প্রথমে গলায় ব্যথা হয়। এরপর তার কোভিড পরীক্ষা করা হলে সেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ওই ক্রিকেটারের সংস্পর্শে আসা আরও কয়েক জন ক্রিকেটার এবং সাপোর্ট স্টাফদেরও তিন দিনের জন্য নিভৃতবাসে রাখা হয়েছিল।

ওই একই সূত্র জানায়, আক্রান্ত দুই ক্রিকেটারের মধ্যে একজন করোনা থেকে সেরে উঠেছেন। আরেকজনের আবারও করোনা পরীক্ষা করা হবে রবিবার।

আনন্দবাজার পত্রিকার এক সূত্র জানায়, “একজন ক্রিকেটার সেরে উঠলেও এখনও অসুস্থ আরও এক ক্রিকেটার। তবে তিনি আশাবাদী, দ্রুত সুস্থ হয়ে দলে ফিরতে পারবেন।”


আরও পড়ুনঃ

অক্সফোর্ডের দ্বিতীয় ডোজের টিকা আগস্ট থেকে: সেব্রিনা ফ্লোরা

যে ধরণের পশু ছাড়া কোরবানি হবে না

রূপগঞ্জে সেই কারখানার সামনে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২৫

আজ থেকে শিথিল হচ্ছে লকডাউন, খুলছে গণপরিবহন-শপিংমল


বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের পরই ছুটি কাটাতে চলে যান কয়েকজন ক্রিকেটার। ঋষভ পন্ট, রোহিত শর্মা, রবিচন্দ্রন আশ্বিন, অজিঙ্কা রাহানেদের দেখা যায় ইংল্যান্ডের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতে। ঋষভ গিয়েছিলেন ইউরো কাপ দেখতে। অশ্বিন গিয়েছিলেন উইম্বলডন দেখতে। ভারতের অফ স্পিনার এখন কাউন্টি ক্রিকেট খেলছেন।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

আবারও বাংলাদেশের জয়কে কটাক্ষ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের

অনলাইন ডেস্ক

আবারও বাংলাদেশের জয়কে কটাক্ষ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে দেশে এসেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দুই ম্যাচেই দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা দুই জয়ে বাংলাদেশ দলের প্রশংসা করছে বিশ্বক্রিকেট। অথচ ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই জয়কে দেখল ‘অঘটন’ হিসেবে!

দুই ম্যাচেই অজিদের ১২৫ রানের কমে বেঁধে রাখেন বাংলাদেশের বোলাররা। দ্বিতীয় ম্যাচেও যেখানে সহজেই জিতে সিরিজ প্রায় টাইগারদের হাতের মুঠোয় তখন কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে— ‘ফের অঘটন, দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ’।

আরও পড়ুনঃ

অসংখ্য তরুণীর পর্নো ভিডিও পরীর গডফাদার রাজের মোবাইলে

দক্ষিণ চীন সাগরে বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে ভারত

পর্নোগ্রাফি: আঁচল-নায়লা নাঈম ও শিলাসহ অনেকেই র‍্যাবের নজরদারিতে

বেরিয়ে আসছে পরীমনির অন্ধকার জগতের চাঞ্চল্যকর তথ্য


এভাবেই বাংলাদেশের এই জয়কে খাটো করা হয়েছে ‘অঘটন’ শব্দ জুড়ে দিয়ে। অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ পাঁচ দলের একটি, সেই দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের এমন জয়ে বিস্মিত ভারতের ক্রীড়া সাংবাদিকরা। কিন্তু টানা দুটো জয়কেই খাটো করে অবিবেচকের মতোই উপস্থাপন করল আনন্দবাজার।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও অস্ট্রেলিয়াকে হারালো টাইগাররা

নিজস্ব প্রতিবেদক

আরো একবার অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে অজিদের বাংলার টাইগাররা হারিয়েছে ৫ উইকেটে। প্রথম বল করে মুস্তাফিজ, শরিফুল, সাকিব মেহেদীদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে স্কোরবোর্ডে মাত্র ১২১ রান তুলতে পারে অজিরো। বিপরীতে ৮ বল আর ৫ উইকেট হাতে রেখে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মাহমুদুল্লাহরা। ৩১ বলে ৩৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে ম্যাচ সেরা আফিফ হোসেন। 

আরো একটি জয় আরো একটি মাইলফলক আরো একটি সম্ভাবনা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা দ্বিতীয় জয়, আরোও একবার সোনালী স্বপ্ন উকি দিলো শুধু ম্যাচ নয় সিরিজ জয়ের টাইগারদের সামনের অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে যা কিনা হতে পারে ইতিহাসে প্রথমবার।

তবে আফিফ সোহান যেভাবে ম্যাচটা শেষ করলেন ব্যাপরটা এতটাও সহজ ছিলোনো বাংলাদেশের জন্য এই ছোট টার্গেট তারা করতে নেমে। 

সৌম্য ফেরেন দলীয় ৯ রানে নিজেরে রানের খাতা খোলার আগেই। 

আগের ম্যাচের সম্ভাবনা জাগানো মোহাম্মদ নাঈম আজকে ফেরেন ৯ রান করে তখন স্কোরবোর্ডে রান ২১। 

এরপর সাকিব মেহেদির ৩৭ রানের পার্টনারশীপ আশা জাগায় টাইগার শিবিরে। বাড়ায় কপালে ভাজ অজিদের।

এরপর এন্ডু টাইয়ের আঘাত, সাজঘরে সাকিব। ১৭ বলে ২৬ রানের আশা জাগানো ইনিংস শেষ হয় দ্বলীয় ৫৮ রানে। 

টিকতে পারেননি মাহমুদুল্লাহ এদিন খুব বেশীক্ষণ। অ্যাস্টন আগারের বলে ইনসাইডেজ হয়ে ধরে সাঝঘরের পথ। থুলতে পারেননি রানের খাতা। 

এরপর ব্যাটিং অর্ডারে উঠে আশা মেহেদীর ২৩ রানের ইনিংস দলকে নিয়ে যায় ৬৭ রানে। যখন স্বপ্ন দেখছে টাইগাররা জয়ের হাতছানির তখণ মেহেদীও ফেরেন সাজঘরে এ্যডাম জাম্পার বলে। 

বাকীটা ইতিহাস, তার রচয়ীতা বাংলার দুই দরুন কান্ডারী আফিফ হোসেন ও নুরুল হাসান সোহান। দুজন খেলেন দলকে তীরে ভেড়ানোর এক ইনিংস। কোনো ভুল হয়নি আর এবার । ৫৬ রানের ম্যাচ জয়ী এই পার্টনারশীপে আফিফের ব্যাট থেকে আছে ৩৭ রানের অপরাজিত ইনিংস। নুরুল হাসান সোহানের ব্যাট থেকে আসে ২২ রান। আট বল বাকী থাকতে আর হাতে ৫ উইকেট হাতে রেখে রচনা হয় মিরপুরে নতুন এক অধ্যায়ের । যেই অধ্যায়ে স্বপ্ন এখন সিরিজ জয়ের অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। 

আরও পড়ুন

আর্থিক সংকট মেটাতে বাড়ি ভাড়া দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

চিত্রনায়িকা পরীমণি আটক হচ্ছেন!

পরীমণির বাসায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের হামলার দাবি, আতঙ্কে নায়িকা


 

এর  আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে চমক দেখিয়েছে আবারো বাংলাদেশের বোলররা। মুস্তাফিজের ৩ উইকেট শরিফুলের ২ উইকেট আর সাকিব মেহেদীর ১ উইকেট শিকারে এদিন মাত্র ১২১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে থেমে জায় সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

১৩০-১৪০ করলে আমাদের জয় হতো: অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক

অনলাইন ডেস্ক

১৩০-১৪০ করলে আমাদের জয় হতো: অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক

এভাবে পর পর দুটি ম্যাচ হারবে হয়তো তা ভাবতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে মঙ্গলবার বাংলাদেশের সঙ্গে প্রথমবারের মতো হারের স্বাদ পায় তারা। দ্বিতীয় দিনই ফের হার।

মিরপুরের স্পিনবান্ধন উইকেটে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৫ উইকেটে হারের পর প্রতিক্রিয়ায় জানান অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড। তিনি এজন্য উইকেটের আচরণের বিস্ময় প্রকাশ করেন।

তিনি জানিয়েছেন, ‘আমরা আজ প্রথম ৪ ওভার বেশ ভালো ব্যাট করেছি। শুরুতে আমারা ভালো পজিশনেও ছিলাম। কিন্তু শেষ ৪ ওভারে আশাব্যঞ্জক রান করতে পারিনি। ওই সময়টায় আমাদের সংগ্রাম করতে হয়েছে। তাই আমাদের স্কোর ১২১ রানেই থেমে গেছে। এই উইকেটে ১৩০-১৪০ করলে হয়তো জয় আমাদের হতো। এমন উইকেটে এই টার্গেট জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল। আমরা সেই লক্ষ্যে এগিয়েও যাচ্ছিলাম। কিন্তু আমরা পারিনি। আজ দুই দলই দুর্দান্ত বল করেছে। আমাদের স্পিনাররাও ভালো বল করেছে আজ। বিশেষ করে অ্যাগার দুর্দান্ত বল করেছে। কিন্তু টার্গেট কম হওয়া দুর্ভাগ্যজনকভাবে হেরেছি। তবে আমাদের খেলায় উন্নতি হয়েছে। আশা করছি পরের ম্যাচে আরো ভালো খেলব।’

তিনি যোগ করেন, আসলে বোলিং ডিপার্টমেন্ট নিয়ে আমাদের দুর্বলতা নেই। আমাদের সমস্যাটা এখানে টপঅর্ডারের ব্যাটসম্যানরা ভালো করছে না তেমন। শেষের অধেক ব্যাটসম্যানই খারাপ খেলছে।

এমন উইকেটে যে অস্ট্রেলিয়রা খেলতে অভ্যস্ত নয় তা গত ম্যাচেই জানিয়েছিলেন ওয়েড। উইকেটের আচরণে তিনি বিস্মিত হয়েছিলেন।

তিনি বলেছিলেন,  ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেটেও স্পিন সহায়ক ছিল। কিন্তু এখানে স্পিনারদের বল স্কিড করে ভেতরে ঢুকেছে, যা ওয়েস্ট ইন্ডিজে ছিল না। এখান থেকে আমাদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে হবে।’

তবে দ্বিতীয় ম্যাচেও ঘুরে দাঁড়াতে পারল না মেথিউ ওয়েডের দল।

আরও পড়ুন:

যতক্ষণ না পুলিশ আসবে, মিডিয়া আসবে লাইভ চলবে: পরীমনি

আবারও মুখোমুখি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

একসঙ্গে দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জন্ম

দরজা খুলল পরীমনি

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন

অনলাইন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন

পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি  সিরিজের  দ্বিতীয় ম্যাচে  অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের দাপুটে জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে প্রানঢালা  অভিনন্দন জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল। 

আজ এক অভিনন্দন বার্তায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সকল  খেলোয়াড়, কর্মকর্তা,  কোচসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানান যুব ও  ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ।

অভিনন্দন  বার্তায় যুব ও ক্রীড়া  প্রতিমন্ত্রী বলেন, শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও বিশাল জয় আমাদের খেলোয়াড়দের লড়াকু মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। ৬৭ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর দুই তরুণ ক্রিকেটার আফিফ হোসেন ও নুরুল হাসান যেভাবে  ম্যাচটাকে ঘুরিয়ে দিয়েছে তা প্রশংসনীয়।

আরও পড়ুন:

যতক্ষণ না পুলিশ আসবে, মিডিয়া আসবে লাইভ চলবে: পরীমনি

আবারও মুখোমুখি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

একসঙ্গে দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জন্ম


 

প্রতিমন্ত্রী টি- টোয়েন্টি সিরিজ জয়লাভের আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আমি আশা করি পারফরম্যান্সের এ ধারাবাহিকতা টুনামেন্টের বাকী ম্যাচগুলোতেও বজায় থাকবে এবং বাংলাদেশ সিরিজ জয় লাভ করবে। আমি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সার্বিক সাফল্য ও  মঙ্গল কামনা করছি। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

৫ উইকেটে হারল ‘দিশেহারা’ অস্ট্রেলিয়া

অনলাইন ডেস্ক

৫ উইকেটে হারল ‘দিশেহারা’ অস্ট্রেলিয়া

প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিও হারল সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। অসিদের নাকাল করে জয় তুলে নিল টাইগাররা। ঘরের মাঠে বাংলাদেশ যে কঠিন প্রতিপক্ষ, তা হাড়ে হাড়ে বুঝল অস্ট্রেলিয়া।

এবার অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেট আর ৮ বল হাতে রেখে হারিয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। তাতে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে স্বাগতিক দল এগিয়ে গেছে ২-০তে।

বুধবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৭ উইকেটে ১২১ রানের বেশি করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। 

টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৮ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটের জয় পায় স্বাগতিক বাংলাদেশ।

টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান করে সফরকারীরা।

এদিন ২.৩ ওভারে দলীয় ১৩ রানে অফ স্পিনার মেহেদি হাসানের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার অ্যালেক্স ক্যারি। সাজঘরে ফেরার আগে ১১ বলে ১১ রান করার সুযোগ পান তিনি। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ইনিংসের প্রথম বলে এই ক্যারিকেই সাজঘরে ফেরান মেহেদি।

শুরুর এই ধাক্কা সামলিয়ে ওঠার আগেই অস্ট্রেলিয়া শিবিরে দ্বিতীয় আঘাত হানেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। ফিজের গতির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার জশ পিলিপি। দলীয় ৩১ রানে সাজঘরে ফেরার আগে ১৪ বলে ১০ রান করার সুযোগ পান এ ওপেনার।  

৩১ রানে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর তৃতীয় উইকেটে মিসেল মার্শের সঙ্গে ৫২ বলে ৫৭ রানের জুটি গড়েন হেনরিক্স। অনবদ্য ব্যাটিং করে যাওয়া এই জুটির বিচ্ছেদ ঘটান সাকিব। ১৪.২ ওভারে দলীয় ৮৮ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরার আগে ২৫ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় ৩০ রান করেন ময়েস হেনরিক্স।

প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় খেলায়ও ব্যাটিং বিপর্যয়ে লড়াই করে যান মিসেল মার্শ। প্রথম ম্যাচে নাসুম আহমেদের শিকার হওয়ার আগে ৪৫ রান করা এ তারকা ব্যাটসম্যানকে এদিনও সেই ৪৫ রানে ফেরান শরিফুল ইসলাম।  

এরপর কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমানের গতির শিকার জয়ে পরপর দুই বলে সাজঘরে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড ও অ্যাস্টন অ্যাগার।

এরপর ৩ রানের ব্যবধানে ৩ রান করে শরিফুলের দ্বিতীয় শিকার হন অ্যাস্ট টার্নার। ব্যাটসম্যানদের এই আসা-যাওয়ার মিছিলে ২০ ওভারে ১২১ রানে ইনিংস গুটায় অস্ট্রেলিয়া।

বাংলাদেশ দলের হয়ে মোস্তাফিজ নেন ৩ উইকেট, দুই উইকেট শিকার করেন তরুণ পেসার শরিফুল। একটি করে উইকেট নেন সাকিব আল হাসান ও মেহেদি হাসান। 

১২২ রানের সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের ২.২ ওভারে মিচেল স্টার্কের গতির বলে বোল্ড হন সৌম্য সরকার। প্রথম ম্যাচে ২ রানে আউট হওয়া এ ওপেনার এদিন ফেরেন শূন্য রানে।

সৌম্য আউট হওয়ার ঠিক পরের ওভারের প্রথম বলে জশ হ্যাজলউডের বলে বোল্ড নাঈম শেখও। আগের ম্যাচে ৩০ রান করা নাঈম, এদিন আউট হন ১৩ বলে ৯ রানে। 

দলীয় ৫৮ রানে এন্ডু টাইয়ের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন সাকিব আল হাসানও। সাজঘরে ফেরার আগে ১৭ বলে ২৬ রান করে সাকিব।

দুর্ভাগ্য মাহমুদউল্লাহ রিযাদের। বল ব্যাটে লেগে স্টাম্পে গিয়ে আঘাত হানে। সৌম্য, নাঈম, সাকিবের মতো বোল্ড হয়ে ফেরেন অধিনায়ক। 

ডাউন দ্য উইকেটে খেলতে গিয়ে স্ট্যাম্পিং হয়ে ফেরেন মেহেদি হাসান। ১১.২ ওভারে দলীয় ৬৭ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন মেহেদি। তার আগে ২৪ বলে করেন ২৩ রান। 

এরপর নুরুল হাসান সোহানকে সঙ্গে নিয়ে ৪৪ বলে ৫৬* রানের অবিচ্ছি জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছেদেন তরুণ ব্যাটসম্যান আফিফ হোসেন। দলের জয়ে ৩১ বলে ৫টি চার ও এক ছক্কায় ৩৭ রান করেন আফিফ হোসেন। ২১ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন সোহান।

পরবর্তী খবর