মৃত্যুকে স্মরণ রেখে উচ্চবিত্তদের উচিত অসচ্ছল মানুষদের সাহায্য করা: নানক

নিজস্ব প্রতিবেদক

মৃত্যুকে স্মরণ রেখে উচ্চবিত্তদের উচিত অসচ্ছল মানুষদের সাহায্য করা: নানক

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, প্রত্যেকটি ধর্মে বলা হয়েছে মৃত্যুর পরে কেউ কোনো সম্পত্তি পরকালে নিয়ে যেতে পারবে না। সেই কথা স্মরণ রেখে মহামারী করোনার এই দুর্যোগে দল-মত নির্বিশেষে সমাজের সকল উচ্চবিত্তদের উচিত খেটে খাওয়া ও অসচ্ছল মানুষের সহযোগিতা করা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় ১৪ নম্বর সেক্টর খেলার মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত ঈদ উপহার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের সকল দুর্যোগ সফলভাবে মোকাবেলা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, এদেশের কেউ না খেয়ে থাকবে না। সেই লক্ষ্যে মহামারী করোনাভাইরাস এর এই দুর্যোগেও মাননীয় নেত্রী নির্দেশে আমাদের দলের সকল নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের ঘরে খাবার পৌঁছে দিতে কাজ করছে। তবে এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি সমাজের উচ্চবিত্তদের জনকল্যাণে এগিয়ে আসতে হবে।

সকলের সচেতনতার মাধ্যমেই করোনাকে জয় করা যাবে আশা প্রকাশ করে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, বিশ্বের উন্নত অনেকগুলো দেশ করোনার প্রকোপ এ হিমশিম খাচ্ছে। বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও আন্তরিক দক্ষতায় জনগণের সুস্বাস্থ্য রক্ষার্থে স্বল্প সময়ের মধ্যে পর্যাপ্ত টিকা ব্যবহার করতে পেরেছে। লকডাউন চলাকালীন সময়ে খেটে খাওয়া ও অসচ্ছল মানুষের ঘরে ঘরে নগদ অর্থ খাদ্য এবং ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জনগণের পাশে ছিল, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

জনগণের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে সাবেক প্রতিমন্ত্রী নানক বলেন, জীবন এবং জীবিকার সমন্বয় রাখার জন্য সরকার চলমান বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। আমাদের সকলকেই নিয়ম মেনে টিকা গ্রহণ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত। 

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচির সঞ্চালনায় এক হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার ও ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড-থানা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:


ঠাকুরগাঁওয়ে ট্রাকচাপায় গেল তিন প্রাণ

বিএনপির মিথ্যাচার সংক্রমণের মতো, মন্তব্য ওবায়দুল কাদেরের


news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম

স্বেচ্ছাসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও তার পূত্র

অনলাইন ডেস্ক

স্বেচ্ছাসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও তার পূত্র

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, স্বেচ্ছাসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা স্বেচ্ছাসেবকদের আইডল। বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশে আসার পর থেকে দেশ ও  মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করে কাজ করে যাচ্ছেন।  বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় অবৈতনিকভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা হিসেবে দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত করতে নিরলসভাবে কাজ করে স্বেচ্ছাসেবার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। 

আজ ২৭ জুলাই বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এসব কথা বলেন। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সেরা স্বেচ্ছাসেবক হিবেসে ঘোষণা দিয়ে কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, আমাদের সকলের অভিভাবাক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মীরা মানবতার সেবায় নিজেদের বিলিয়ে দিয়ে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।  স্বেচ্ছাসেবক লীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে জনগণের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে। 

স্বেচ্ছাসেবক লীগের এই প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের  নেতাকর্মীদের জন্য আজকের দিনটি দুটি কারণে অহঙ্কার এবং গর্বের। স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সাথে সাথে আজ  তারুণ্যের অহঙ্কার সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন। আমরা সকলে মিলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিনে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা জানাই। তিনি এনালগ থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত করেছেন। হতাশায় নিমজ্জিত যুবকদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আশার আলো দেখিয়েছেন। তার দেখানো পথে আজ নতুন প্রজন্ম স্বপ্নের বুনিয়াদ দেখছেন। 
 
আওয়ামী লীগের বাহাউদ্দিন নাছিম আরও বলেন, বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানী সজিব ওয়াজেদ জয় দেশকে এগিয়ে নিতে স্বেচ্ছায় অক্লান্ত শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দেশের সেবায় নিজের মেধা ও শ্রম দিয়ে দেশের মানুষের কাছে দৃষ্টান্ত গড়ে যাচ্ছেন। 
 
মানবতার সেবায় নিজেদের বিলিয়ে দিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়ে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে জনগণের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে। দল ক্ষমতায় থাকুক আর না থাকুক সর্ববস্তায় দেশের মানুষের জন্য কর্মীরা নিজেদের উৎসর্গ করে দিয়ে চলেছে। 
 
তিনি বলেন, এবারের করোনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কাজ সকলের কাছে সমাদৃত। ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া লাশ দেখে আপনজন পালিয়ে গেলেও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা এগিয়ে এসে তাদের দাফন করেছেন। কৃষকের ধান কাটা ছাড়াও অক্সিজেন সরবরাহ করে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের অক্লান্ত শ্রমের কারণে তাদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।
 
স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আফজাল রহমান বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য বিধি মেনে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ম আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল আলিম বেপারী, কাজী মোয়াজ্জেম, সালেহ মোহাম্মদ টুটুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোবাশ্বের চৌধুরী, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ইসহাক মিয়া, দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক তারিক সাইদ সহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

ভিএনসিসির অধ্যক্ষ পদে নির্দলীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি বিএনপির

অনলাইন ডেস্ক

ভিএনসিসির অধ্যক্ষ পদে নির্দলীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি বিএনপির

অবিলম্বে ভিকারুননেসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের দলবাজ, সন্ত্রাসী প্রিন্সিপালকে অপসারণপূর্বক ন্যায়-নিষ্ঠ, ভদ্র, আদর্শবান, সত, নির্ভিক ও নির্দলীয় শিক্ষককে প্রিন্সিপাল হিসেবে নিয়োগ দেয়ার আহবান জানিয়েছেন  বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ভিকারুননিসা নূনস্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার এবং একজন অভিভাবকের ফোনালাপ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশের পর মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই দাবী জানান। 

তিনি বলেন, ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজ দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে অতীতে স্বনামধন্য, যোগ্য শিক্ষকরাই দায়িত্ব পালন করে প্রতিষ্ঠানটিকে দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। আজকে দূর্ভাগ্য যে, বর্তমান সরকারের আমলে শুরু থেকেই ক্রমাগত নির্লজ্জ দলীয়করণ, ভর্তি বানিজ্য, অনিয়ম, দুর্নীতি ইত্যাদির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের মান-মর্যাদা ধুলিস্যাত করে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, অধ্যক্ষ কামরুন নাহার ও একজন অভিভাবকের ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ফাঁস হওয়ায় এখন সমালোচনার ঝড় বইছে। ফোনালাপের সময় অধ্যক্ষ কামরুন নাহার কথা বলার এক পর্যায়ে একজন অভিভাবককে বলেন, “আমি বালিশের নিচে পিস্তল রাখি। কোনো ... বাচ্চা যদি আমার পেছনে লাগে আমি কিন্তু ওর পেছনে লাগবো, আমি শুধু ভিকারুননিসা না, আমি দেশছাড়া করবো।”

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের মতো দায়িত্বশীল পদে ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসী-ক্যাডার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রকাশিত ফোনালাপেই বোঝা যায় কি তার পরিচয়। কি তার চরিত্র। এরা শিক্ষক নামের কলঙ্ক। এই দলবাজ, সন্ত্রাসী মহিলা যিনি কথায় কথায় ক্ষমতার দাপটে অস্ত্র ও লীগ নামধারী সন্ত্রাসী বাহিনীর হুমকি দেয়, প্রকাশের অনুপযোগী অশ্রাব্য অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন, তার হাতে শিক্ষা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রী,অভিভাবকসহ কেউই নিরাপদ নয়। 

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

দলবাজ সরকার দলীয় আধিপত্য বিস্তার ও বজায় রাখতে এরকমশিক্ষিকাকে বসিয়ে এই স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস ও ক্ষমতাসীন দলের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চায়।  ভোটবিহীন সরকারের চরিত্র, ভাষা, ব্যবহার যে ধরণের, তাদের পছন্দের ব্যক্তিরাও একই ধরণের হবে-এটাই স্বাভাবিক।

তিনি অভিযোগ করে বলেন,দেশের প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরই একই অবস্থা। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সমুহে দলীয় অনুগত, এমনকি নৈতিক স্খলন ও দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্তদেরকে ভিসি বা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে শিক্ষার মর্যাদা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হচ্ছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল যুগে সজীব ওয়াজেদ জয়ের মতো নেতৃত্বই প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

ডিজিটাল যুগে সজীব ওয়াজেদ জয়ের মতো নেতৃত্বই প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ধারণা আজ তার মাতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাস্তবায়ন হচ্ছে। চতূর্থ শিল্প বিপ্লবের মধ্যে বাংলাদেশকে নিয়ে গিয়ে ইতোমধ্যেই নেতৃত্ব দিচ্ছেন সজীব ওয়াজেদ জয় এবং ডিজিটাল যুগে তার মতো নেতৃত্বই প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র এবং তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু জাদুঘর প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত দোয়া ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। 

মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যখন ২০০৮ সালে ডিজিটাল দেশ গড়ার ঘোষণা দেয়, তখনও ভারত এমনকি যুক্তরাজ্যও সেই ঘোষণা দেয়নি, তারা দিয়েছে আরো পরে। আজ। সেকারণেই প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শিল্প বিপ্লবে আমরা পিছিয়ে পড়লেও সজীব ওয়াজেদ জয়ের ধারণাতে ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে সঠিক সময়ে সম্পৃক্ত হয়ে ডিজিটাল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছে।  দেশের আপামর জনগণ ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল ভোগ করছে।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

কৃষক লীগের সভাপতি সমীর চন্দের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এড. উম্মে কুলসুম স্মৃতির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বিশেষ অতিথি হিসেবে এবং কৃষক লীগের সহসভাপতি শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ বিটু, সংসদ সদস্য হোসনে আরা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। 

অনুষ্ঠানে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সুস্বাস্থ্য কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে কৃষক লীগ নেতাকর্মীদের নিয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও গাছের চারা রোপণ করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে

অ্যামনেস্টির বক্তব্য তথ্যমন্ত্রীর প্রত্যাখ্যান

অনলাইন ডেস্ক

অ্যামনেস্টির বক্তব্য তথ্যমন্ত্রীর প্রত্যাখ্যান

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার দুপুরে মন্ত্রী ঢাকায় তার সরকারি বাসভবনে বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ বিষয়ে সংস্থাটির সাম্প্রতিক প্রতিবেদন বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।  

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ এবং এদেশের সরকারের বিরুদ্ধে নানা বক্তব্য-বিবৃতি দিয়ে আসছে উল্লেখ করে
তথ্যমন্ত্রী বলেন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সময়ে সময়ে সরব আবার অনেক সময় প্রচন্ড নিরব থাকে৷ 

সংস্থাটির গ্রহণযোগ্যতা হারানোর বিষয়ে ড. হাছান বলেন, 'এদেশে শত শত মানুষকে পেট্রোলবোমায় পুড়িয়ে হত্যা-দগ্ধ করার সময় যখন  অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল কোনো বিবৃতি দেয় না, ফিলিস্তিনে যখন পাখি শিকারের মতো মানুষ হত্যার সময় যখন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক সপ্তাহ চুপ থাকে, আবার যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে বিবৃতি দেয়, তখন এই সংগঠনের গ্রহণযোগ্যতা আসলে হারিয়ে গেছে।' 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিষয় ব্যাখ্যা করে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, দেশের সব মানুষকে ডিজিটাল নিরাপত্তা দেয়ার জন্যই এ আইন। একজন গৃহিণী, সাংবাদিক, রিকশাচালক বা কর্মকর্তা, সবার ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্যই এই আইন। আগে যখন ডিজিটাল বিষয়টি ছিল না, তখন আইনেরও প্রয়োজন ছিল না। এখন যখন বিষয়টি এসে গেছে, মানুষের ডিজিটাল নিরাপত্তা দেয়ার জন্য আইনেরও প্রয়োজন আছে। ডিজিটাল মাধ্যমে কারো চরিত্রহনন করা হলে, অসত্য অপপ্রচার হলে, তাকে সুরক্ষা দেবার জন্য এ আইন এবং সাধারণ মানুষই এ আইনের আশ্রয় নেয়। 

বিশ্বব্যাপী এধরনের আইনের উদাহরণ তুলে ধরে ড. হাছান বলেন, শুধু বাংলাদেশে নয়, পার্শ্ববর্তী ভারত, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুরসহ অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ আইন করা হয়েছে এবং হচ্ছে। সুতরাং এনিয়ে বারংবার কথা বলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। 

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

এসময় বিএনপিনেতা রিজভী আহমেদের করোনার টিকা গ্রহণ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী আহমেদ আগে টিকা নিয়ে সমালোচনা করলেও এখন টিকা নেয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান। মন্ত্রী বলেন, এটা শুভবুদ্ধির উদয় এবং এতে তিনি স্বীকার করে নিলেন যে, টিকা নিয়ে তার পূর্বের অপপ্রচার মিথ্যা ছিল। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ফেসবুক লাইভে অঝোরে কাঁদলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর, ভিডিও ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক

ফেসবুক লাইভে অঝোরে কাঁদলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর, ভিডিও ভাইরাল

আবারো খবরের শিরোনাম হলেন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ থেকে সদ্য পদ হারানো হেলেনা জাহাঙ্গীর। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত শনিবার আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপ-কমিটি থেকে বহিষ্কার করা হয় তাকে। 

সম্প্রতি ফেসবুকে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ’ নামের একটি সংগঠনের সভাপতি হিসেবে হেলেনা জাহাঙ্গীরের নাম আসে। সে কারণেই তাকে উপ-কমিটির পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে জানান আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি।

বহিষ্কারের ঠিক একদিন পর ফেসবুক লাইভে এসে অঝোরে কাঁদলেন নিজেকে আইপি টিভি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেওয়া হেলেনা।

সোমবার (২৬ জুলাই) রাত ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে লাইভে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

এ সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, আমি সরকারের জন্য একটা চ্যানেল চালাচ্ছি। সেটা জয়যাত্রা টেলিভিশন। সেই চ্যানেল আমি ভতুর্কি দিয়ে চালাচ্ছি প্রায় চার বছর যাবৎ। আমি চ্যানেলের বাইরে কোনো কাজ করতে পারি না, এত মনোযোগ দিতে হয় আমাকে। জয়যাত্রা ছোট হোক, চ্যানেল তো। আমি তো চালাচ্ছি সরকারের জন্য। 

তিনি বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে ও লালন করে চলছি। এ বি এম রিয়াজুল কবির কায়সার গতকালকে বলেছিল, হেলেনা জাহাঙ্গীর আসছে, আমি চলে যাব। আমি বললাম, ভাই, আপনি থাকেন আমি চলে যাই, আমি বের হয়ে গেছি। কেন? আজকেও সেই অবস্থা বলছেন। হ্যাঁ, ’৭১ টিভিতে একটা প্রোগ্রাম ছিল সেই প্রোগামে তিনি বলছেন, উনার নাম কামাল ভাই। উনাকে আমি বললাম, ভাই, আপনি আমাকে এভাবে অপমান করতে পারেন না।

হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, তারপরেও পুরুষরা এত খারাপ কেন, সব পুরুষ না, কিছু কিছু পুরুষ। এত খারাপ মেয়েদের পেছনে লেগে থাকে। লজ্জা করে না আপনাদের, মেয়েদের পেছনে লেগে থাকতে। মেয়েরা না মায়ের জাতি। মা না থাকলে আপনার জন্ম হতেন না। সেই মেয়েদেরকে আপনারা অপমান করেন, লেলিয়ে দেন; হেলেনা জাহাঙ্গীরের পেছনে লাগো। 

তিনি বলেন, মন্ত্রী মহোদয় আছেন, এমপিরা আছেন। আপনাদের যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংসদে ছাতার ভেতরে আগলিয়ে রাখে, আপনাদের যদি পরামর্শ দেয়, আপনাদের পরামর্শ শুনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। সেখানে আপনারা আমাদের পরামর্শ দেবেন। আমাদের কাজ করার সুযোগ দেবেন। আপনারা আমাদের অপমান করেন, অ্যারেস্ট করার হুকুম দেন। আপনি কি অ্যারেস্ট করার হুকুম দিতে পারেন। আপনি কি বড় জন? আপনি আমাকে অ্যারেস্ট করার ইয়া বলতে পারেন... পারেন না কখনোই। 

আরও পড়ুন:


কক্সবাজারের উখিয়ায় পাহাড় ধসে ৫ রোহিঙ্গা নিহত

৫ অতিরিক্ত সচিবকে বদলি 

ভারত সফর বাতিল করলেন আফগান সেনাপ্রধান

একজন আইনজীবির মৃত্যু ও আমাদের জন্য বার্তা


তিনি আরও বলেন, আমি যদি আজকে এই কথাগুলো শেয়ার না করতাম, তাহলে আমি হয়তো হার্ট অ্যাটাক করে মারা যেতে পারতাম। স্ট্রোক করেও মরতে পারতাম। আমার যে কষ্ট, এগুলো অবশ্যই শেয়ার করতে হবে। যদি মরেও যাই জাতি যেন মনে রাখে। যারা লেলিয়ে দিচ্ছে এবং যারা কমেন্ট করছেন; সাইবার ক্রাইমকে অনুরোধ, ওরা কারা, ওরা কোত্থেকে এসেছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন:

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর