করোনা পরবর্তী জটিলতায় কী করণীয়

ডা. সামিউল আউয়াল সাক্ষর

করোনা পরবর্তী জটিলতায় কী করণীয়

প্রাচীনকাল থেকেই চিকিৎসা ক্ষেত্রের নানা বিপর্যয়কে পরাজিত করে বিজ্ঞানের আবিষ্কারগুলো আমাদের জীবনযাত্রাকে সহজতর করেছে। উন্নত চিকিৎসা বিজ্ঞানের কল্যাণে বহু জটিল রোগের নিরাময়ের সন্ধান খুঁজে রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে নতুন জীবনের আলো দেখিয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সেই চিকিৎসাবিজ্ঞানকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করেছে করোনা ভাইরাস। করোনা ভাইরাসের আগ্রাসনে বাংলাদেশ সহ সারাবিশ্ব এক আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে সময় অতিবাহিত করছে। ইতোমধ্যেই করোনার ছোবলে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করতে হয়েছে অনেককেই। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভাইরাসটি মানুষের দেহকোষের ভেতরে মিউটেট করছে অর্থাৎ গঠনগত পরিবর্তন এনে নতুন রুপ নিচ্ছে যা ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

সাধারণত যে ব্যক্তিটি করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যার আইসিইউ সাপোর্ট প্রয়োজন হয়েছে। কিংবা মৃদ্যু উপসর্গ নিয়ে বাসায় চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন, করোনা থেকে সেরে উঠার পরও তার মধ্যে যদি সেই উপসর্গগুলো থাকে এবং তার সাথে অন্যান্য নতুন উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে এগুলোকে বলা হয় করোনা পরবর্তী জটিলতা / Post Covid Complication । পোস্ট কোভিড সিন্ড্রোম তখনই বলা হয়, যখন করোনা পজেটিভ বা করোনা আক্রান্ত হওয়ার ১৪-২১ দিন পরও তার বিভিন্ন ধরণের উপসর্গ শরীরে অবস্থান করে। করোনা পরবর্তী জটিলতাসমূহ ৩-৪ মাস পযর্ন্তও দীর্ঘায়িত হতে পারে। করোনা পরবর্তী জটিলতা ব্যক্তি বিশেষে ভিন্নতর হতে পারে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসা ব্যবস্থাপনাও ভিন্ন হবে। করোনা পরবর্তী জটিলতা সমূহ -

মারাত্মক দুর্বলতা

করোনা থেকে সেরে উঠার পরও রোগীদের মধ্যে যেই সমস্যাটি সবথেকে বেশি দেখা যায়, তা হল প্রচন্ড বা মারাত্মক দুর্বলতা। অনেকে অল্প হাঁটা-চলা বা অল্প পরিশ্রমেই অনেক বেশি দুর্বলতা অনুভব করেন। সেক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বিশ্রাম, খাদ্যাভাসে পরিবর্তন, ভিটামিনযুক্ত খাবার ও প্রোটিন জাতীয় খাবার করোনা পরবর্তী শরীর পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খাবারের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মাল্টিভিটামিন জাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে।

ঘুমের সমস্যা

করোনা আক্রান্ত হবার পর থেকেই রোগীদের মধ্যে ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে থাকে (কাশি, চিন্তা ও অন্যান্য কারণে)। পরবর্তীতে করোনা নেগেটিভ হওয়ার পরও রোগীরা নিদ্রাহীনতায় ভুগেন। প্রতিদিন নিদিষ্ট সময় করে ঘুমাতে যাওয়া, রাতে ঘুমের আগে নিয়ম মেনে সহনীয় মাত্রায় অল্প ব্যয়াম করে ঘুমাতে যাওয়া ও চিকিৎসকের পরার্মশ অনুযায়ী ঘুমের ওষুধ সেবন ঘুুমের সমস্যা থেকে মুক্তিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

চুল পড়ে যাওয়া

করোনা পরবর্তী জটিলতায় পুরুষ ও মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই (অনেকের মধ্যেই) চুল পড়ার সমস্যাটি দেখা দেয়। এক্ষেত্রে ভিটামিন “ই” জাতীয় ক্যাপসুল, বায়োটিন সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তবে চুল পড়া সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপনড়ব হওয়া প্রয়োজন।

স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া

করোনা পরবর্তী সময় অনেকেই স্বল্প সময়ের স্মৃতি ভুলে যাওয়া কিংবা পূর্বের অনেক কথাই সঠিকভাবে স্মরণ করতে না পারা - এ ধরণের জটিলতায় ভুগছেন। এক্ষেত্রে পূর্ণ বিশ্রাম, অবসর সময়ে বিনোদন, পারিবারিক সৌহার্দপূর্ণ অবস্থান ও নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে পূর্বের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাওয়া সম্ভব।

শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা

শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, শ্বাস আটকে আটকে যাওয়া, বুকে চাপ ধরে থাকা কিংবা মৃদ্যু কাশি - মূলত শ্বাসতন্ত্রের এই সমস্যাগুলোই বেশি দেখা যায়। এক্ষেত্রে ফুসফুসের সাধারণ ব্যায়াম অর্থাৎ নাক দিয়ে নিশ্বাস নিয়ে ৭-১০ সেকেন্ড ধরে রেখে মুখ দিয়ে শ্বাস বের করা- এই ব্যয়ামটি শ্বাসতন্ত্রের জটিলতায় সাময়িক প্রশান্তি দিবে। এছাড়া যারা ধুমপায়ী, তাদেরকে সম্পূর্ণরূপে ধূমপান পরিহার করতে হবে।

হার্টের সমস্যা

এক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, করোনা আক্রান্ত হবার পর প্রায় ৬০-৮০ ভাগ রোগীর হৃদপিন্ড করোনা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বুকে এক ধরনের চাপা ব্যথা অনুভব করা, বুক ধরফর করা, অল্পতেই হাঁপিয়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, এই ধরণের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপনড়ব হতে হবে।

মস্তিষ্কের সমস্যা

মাথা ব্যথা, দুশ্চিতা, ব্রেন স্ট্রোক সহ মস্তিষ্কের সমস্যাও করোনার পরবর্তী জটিলতা হিসেবে দেখা দিতে পারে। খাবারে অরুচি, গ্যাসের সমস্যা, এলার্জির সমস্যাগুলোসহ নতুন নতুন কিছু জটিলতা বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে। যাদের ধুলাবালি ও খাবারে এলার্জির সমস্যা রয়েছে, তাদের ধুলাবালি থেকে বাচঁতে মাস্ক ব্যবহার করা ও এলার্জী জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে। শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় শ্বাসতন্ত্রের ব্যয়ামের সাথে স্পাইরোমিটার সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তবে স্পাইরোমিটার এর ব্যবহার পদ্বতি সঠিকভাবে জেনে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

এছাড়া যারা ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ জনিত জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন, তাদের ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

করোনা পরবর্তী জটিলতা এড়াতে রোগীকে অবশ্যই উপরোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হবে। রোগীর নির্দিষ্ট সময় পর পর ফলোআপ নিশ্চিত করতে হবে, তবে উপর্সগ জটিল আকার ধারণ করলে দ্রুত চিকিৎসক ও হাসপাতালের শরণাপন্ন হতে হবে।

নিয়মিত ফলোআপের মাধ্যমে করোনা পরবর্তী জটিলতা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। করোনা পরবর্তী জটিলতা থেকে মুক্তি পেতে সচেতনতার কোন বিকল্প নেই।

লেখক: ডাঃ সামিউল আউয়াল সাক্ষর, আবাসিক মেডিকেল অফিসার, এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

প্রস্রাবের ইনফেকশন কমাবে যে খাবার

অনলাইন ডেস্ক

প্রস্রাবের ইনফেকশন কমাবে যে খাবার

প্রস্রাবের ইনফেকশনের কথা আমরা কম বেশি সবাই জানি। কিন্তু যাদের এই ইনফেকশন আছে তারা  জানে কি যন্ত্রণাদায়ক এই রোগ। এই সমস্যাটিকে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (ইউটিআই) বলা হয়। প্রস্রাবের ইনফেকশন হলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। নারীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। অনেকেই আবার প্রায়ই প্রস্রাবের ইনফেকশনে ভোগেন।

দীর্ঘ সময় এই স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াসহ বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। ঘন ঘন ওষুধ না খেয়ে বরং ঘরোয়াভাবে এই সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করুন। প্রচুর পানি পান করার পাশাপাশি এমন কিছু খাবার খান যেগুলো প্রস্রাবের ইনফেকশন কমাবে।

ব্রোকলি
ব্রোকলিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি যা প্রস্রাবকে অ্যাসিডিক করে ইনফেকশনের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাধা দেয়। পাশাপাশি এটি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ইনফেকশন থেকে মুক্তি মেলায়।

ক্রেনবেরি জুস
লাল রঙা জাম জাতীয় এই ফল প্রস্রাবের ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বের করে দেয়। ক্রেনবেরিতে বেটা ক্যারোটিন, লাইকোপেন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের জন্য উপকারী।

দারুচিনি
অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদানের কারণে শত শত বছর ধরেই সমাদৃত দারুচিনি। এটি শরীরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বেড়ে উঠতে বাধা দেয়। একটি গবেষণায় জানা গেছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইউরিন ইনফেকশন হওয়ার জন্য দায়ী ই. কোলি ভাইরাসকে প্রতিরোধ করে দারুচিনি।

পেঁপে
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফলটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি প্রস্রাবে অ্যাসিডিটি বাড়ায়। ফলে ইনফেকশন তৈরিতে দায়ী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না।

মেনে চলুন কিছু বিষয়
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। এতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া শরীর থেকে বের হয়ে যাবে।

ইউরিন ইনফেকশন সেরে না উঠা পর্যন্ত চা-কফি, ক্যাফেইন বা অ্যালকোহল পান করবেন না। কারণ এগুলো মূত্রথলির আরো ক্ষতি করতে পারে।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


জাম জাতীয় ক্রেনবেরি ছাড়াও ব্লু বেরি ফল পেলে খাবেন, এসব ফল প্রস্রাব ইনফেকশন দূর করতে উপকারি।

মসলাযুক্ত খাবার খাবেন না।

প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার যেমন দই খেলে উপকার পাবেন।

প্রস্রাবের ইনফেকশনের সময় অ্যাসিডিক ফল (লেবু, কমলালেবু) বেশি খেলে পরিস্থিতি আরো বিগড়ে যেতে পারে।

ডাক্তার প্রেসক্রাইব করলে অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স পুরো শেষ করুন। ভালো বোধ করলেও অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স শেষ করা জরুরি।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক

গ্রামে টিকা প্রয়োগ নিয়ে ভাবা হচ্ছে, টিকা নেয়ার বয়সসীমা ১৮

অনলাইন ডেস্ক

গ্রামে টিকা প্রয়োগ নিয়ে ভাবা হচ্ছে, টিকা নেয়ার বয়সসীমা ১৮

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকার সর্বনিম্ন বয়সসীমা ১৮ বছর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশীদ আলম।

 তিনি বলেন, গ্রাম পর্যায়ে টিকা প্রয়োগ নিয়ে ভাবা হচ্ছে।

শুক্রবার (২৩ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় মুগদা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যেই এর বাস্তবায়ন শুরু করব।

স্বাস্থ্য মহাপরিচালক বলেন, গ্রাম পর্যায়ে টিকা প্রয়োগ নিয়ে ভাবা হচ্ছে। গ্রামের মানুষদের অন্যান্য টিকা যেভাবে দেওয়া হয়, সেভাবেই করোনা টিকা দেওয়া যায় কি না এ বিষয়ে সরকার পরিকল্পনা করছে। যদি এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়, তাহলে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং টিকা কার্ড দেখেই টিকা নিতে সম্ভব হবে, নিবন্ধনের প্রয়োজন হবে না।


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


গত ১৯ জুলাই করোনাভাইরাসের টিকা নেওয়ার বয়স ৩০ বছর নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এর আগে গত ৫ জুলাই করোনার টিকার বয়স ৩৫ বছর করা হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

টুথপিক ব্যবহারে আসলে দাঁতের কি হয়?

অনলাইন ডেস্ক

টুথপিক ব্যবহারে আসলে দাঁতের কি হয়?

খাওয়ার পর আমাদের মধ্যে অনেকের অভ্যাস আছে টুথপিক ব্যবহারের। অনেকের ধারণা, টুথপিক ব্যবহার করলে দাঁত ফাঁকা হয়ে যায়। কিন্তু সেই ধারণাটি কি সঠিক?

আমাদের দেশে অনেকের ধারণা, যদি টুথপিক ব্যবহার করি, তাহলে দাঁত ফাঁক হয়ে যাবে। কিন্তু সেই ধারণা একেবারেই সঠিক নয়। কারণ, টুথপিক করে যদি দাঁতকে পরিষ্কার রাখা হয় এবং ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করা হয়, তাহলে ফাঁক যদি থাকে উল্টো বন্ধ হবে।

কিন্তু অনেকের ধারণা যে টুথপিক ব্যবহার করলে দাঁত ফাঁক হয়ে যাবে। টুথপিক ও ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করাটা খুবই জরুরি।

টুথপিক জরুরি ওরাল হাইজিন ঠিক রাখার জন্য। এখন আমাদের ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলোতে ইন্ট্রাডেন্টাল ব্রাশ পাওয়া যায়। এ ব্রাশ দিয়ে যদি দুই দাঁতের ফাঁকগুলো পরিষ্কার করা যায়, তাহলে আপনি যেটি বললেন, জিনজিভাইটিস হবে না, পেরিওডনটাইটিস হবে না। 

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


ক্যালকুলাস যদি পরিষ্কার করে রেখে, ইন্ট্রাডেন্টাল ব্রাশ, টুথপিক, ডেন্টাল ফ্লস যদি ব্যবহার করা যায়, তাহলে ক্যালকুলাস জমা হবে না, জিনজিভাইটিস হবে না।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মানসিক চাপ কমানোর গোপন সুত্র

অনলাইন ডেস্ক

মানসিক চাপ কমানোর গোপন সুত্র

পরিবার বা কর্মক্ষেত্রে সমস্যা, সম্পর্কে অবনতি, অর্থনৈতিক সংকট, খারাপ স্বাস্থ্য, এমনকি ঘনিষ্ঠ কারো মৃত্যু— এসব বিভিন্ন কারণে আমরা মানসিক চাপের মধ্যে থাকি। এই মানসিক চাপ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই নিজেকে ভালো রাখতে চাপ কমানো জরুরি।চুইংগাম চিবালে মানসিক চাপ ও  দুশ্চিন্তা দুটোই কমে। এর কারণ চুইংগাম চিবানোর সময় ব্রেনে রক্ত চলাচল ঠিকভাবে হয়।

আবার কেউ কেউ বলেন চুইংগামের স্বাদ এবং গন্ধ দুশ্চিন্তামুক্ত হতে সহায়তা করে। ঘরের বাহিরে সময় কাটানোর ফলে মানসিক চাপ কমে। বিভিন্ন পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় ঘরের কাছে হলেও কয়েক মিনিট বাহিরে সময় কাটিয়ে আসলে মানসিক চাপ কমবে এবং আপনি সতেজ ও চাঙ্গা অনুভব করবেন।

প্রকৃত হাসি আপনার মানসিক চাপ কমায়। তাই যতদূর সম্ভব আমাদের হাসি মুখে থাকা উচিত। ল্যাভেন্ডার সৌরভ যেমন ল্যাভেন্ডার এয়ার ফ্রেশনার মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন অন্ততঃ একটি গান শুনুন। গান মানসিক চাপ কমায়। গান ব্রেনে ডোপামিন নামে একটি রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে থাকে, যা আপনার মুডকে উজ্জীবিত করে এবং মানসিক চাপ কমিয়ে দেয়। ব্রেথিং এক্সারসাইজ বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যয়াম  আপনার মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে।

শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যয়ামে লম্বা করে দম নিন এবং ধীরে ধীরে দম ছেড়ে দিতে হবে। অন্তত দিনে দশ বার এভাবে ব্রেথিং এক্সারসাইজ করলে মানসিক চাপ অনেক কমে যাবে। মানসিক চাপ অনুভব করলে আপনি ডায়েরীর পাতায় বা কোনো স্থানে আপনার সমস্যার কথাগুলো লিখুন এবং একটা সময় পর দেখবেন  সমস্যার সমাধান আপনি নিজ থেকেই পেয়ে যাবেন। ফলে আপনার মানসিক চাপ থাকবে না।

সামাজিক বন্ধন এবং বন্ধুত্ব মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। আপনার কোনো ভাল বন্ধু থাকলে বা আপনজন কাউকে আপনার সমস্যার কথা খুলে বলুন, দেখবেন মানসিক চাপ ধীরে ধীরে কমে যাবে। তবে আপনার  বন্ধু বা আপনজন যদি স্বার্থপর হয়ে থাকে তবে সেক্ষেত্রে মানসিক চাপ কমার বদলে বরং বেড়ে যাবে। তাই আপনার বন্ধু বা আপনজন কে তা আপনাকে জানতে হবে। প্রতিদিন দিনে অন্ততঃ একবার সকালে বা বিকালে ব্যয়াম করার অভ্যাস করুন। একটু হাটা-চলা, নৌকা চালানো বা শারীরিক পরিশ্রম আপনার মানসিক অবস্থা ভাল রাখতে সাহায্য করে।

ব্যয়াম করলে এন্ডোরফিন নামক হরমোন নিঃসৃত হয় যা মানসিক চাপ কমায় এবং আমাদের মনে আনন্দের সৃষ্টি করে। এন্ডোরফিন অর্থ এন্ডোজেনাস মরফিন যা সরাসরি আল্লাহ প্রদত্ত। আমাদের কিনতে হয় না। এন্ডোরফিন নিঃসৃত হলে মনে কোনো ব্যাথা বেদনা থাকলে তা কমিয়ে দেয় এবং মনে আনন্দের সৃষ্টি করে। একটি কথা সবার জানা দরকার মানসিক চাপ ক্রমাগত চলতে থাকলে মুখের অভ্যন্তরে যে সব রোগ পরিলক্ষিত হয় তা সহজে ভাল হতে চায় না। তাই মুখের রোগে ভাল হতে চাইলে আপনাকে মানসিক চাপ মুক্ত থাকতে হবে।  


নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

বউ যেন এদিক-ওদিক ভাইগা না যায় : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা (ভিডিও)

নাসির-তামিমার জন্য ভালোবাসা ও দোয়া : শবনম ফারিয়া


 

চাপ দূর করতে কী করা প্রয়োজন, এর জন্য একটি তালিকা তৈরি করুন। আপনার চাহিদা অনুসারে তালিকাটি সাজান এবং সেই তালিকা অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। এই পদক্ষেপগুলোর চর্চা মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

৭ ভুল কাজে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যহানি

অনলাইন ডেস্ক

৭  ভুল কাজে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যহানি

মানুষের পুরো শরীরের সব অঙ্গই মস্তিষ্কের উপর নির্ভরশীল। মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখা খুবই জরুরি। মস্তিষ্ক থেকে সংকেত দেয় বলেই শরীরের সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ঠিকমতো চলছে।  মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য জরুরি কিছু বিশেষ যত্নের ও সাবধানতার। অথচ নিজের অজান্তেই প্রতিদিন অসংখ্য ভুল কাজে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যহানি করে চলেছি আমরা নিজেরাই।

সাতটি বদঅভ্যাস মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। 

১. সকালের নাস্তা ভুলে যাওয়া/মিস করা
২. রাতে দেরিতে ঘুমানো

৩. অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া
৪. সকালে অধিক পরিমাণে ঘুমানো 
৫. খাওয়ার সময় টিভি বা কম্পিউটার দেখা
৬.  ক্যাপ/স্কার্ফ বা মোজা পরে ঘুমানো
৭. ইচ্ছাকৃতভাবে প্রস্রাব আটকে রাখা/বন্ধ করে রাখা

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর