বাংলা একাডেমির সাথে থাকা মানে বাংলাদেশের সাথে থাকা: নূরুল হুদা

সুকন্যা আমীর

বাংলা একাডেমির সাথে থাকা মানে বাংলাদেশের সাথে থাকা: নূরুল হুদা

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হলেন কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। নতুন মহাপরিচালককে ইতোমধ্যেই অভ্যর্থনা জানিয়েছেন তাঁর সহকর্মীরা। বাংলা একাডেমির সাথে থাকা মানে বাংলাদেশের সাথে থাকা বলে মনে করেন এই কবি। নিউজ টুয়েন্টিফোরের সাথে আলাপকালে তিনি তুলে ধরেন তার কর্ম পরিকল্পনা।

সত্তর দশকের বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। একই সঙ্গে তিনি একজন ঔপন্যাসিক ও সাহিত্য-সমালোচক।

এবারে বাংলা একাডেমির মহা পরিচালকের পদ পেলেন তিনি। গত ১১ জুলাই, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে তিন বছরের জন্য এই পদে নিয়োগ দেয়া হয় তাঁকে।

আরও পড়ুন


তিশা-ফারুকীর একসাথে চলার ১১ বছর

করোনায় রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীবের মৃত্যু

খুলনায় করোনায় আরও ১৩ জনের মৃত্যু

কুষ্টিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় আরো ১০ জনের মৃত্যু


বাংলা একাডেমির সঙ্গে তাঁর সংযুক্তি ১৯৭৩ সালে থেকে। তখন তিনি অনুবাদ বিভাগের সহ পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করা মানে, স্বাধীনতার চেতনা সমৃদ্ধ বাংলাদেশের সাথে থাকা বলে মনে করেন এই কবি।

অনুবাদ, কপিরাইট নিয়ে কাজ করতে চান নতুন মহা মহাপরিচালক। সেই সাথে বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দেয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

১৯৮৮ সালে বাংলা কবিতায় অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ২০১৫ সালে একুশে পদক প্রদান করা হয় কবি নূরুল হুদাকে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ঈদুল আজহার টানা বন্ধে চট্টগ্রাম বন্দরে ভয়াবহ কন্টেইনার জট

নয়ন বড়ুয়া জয়, চট্টগ্রাম

ঈদুল আজহার টানার বন্ধে আবারো চট্টগ্রাম বন্দরে ভয়াবহ কন্টেইনার জট। বেড়েছে জাহাজ জটও। লকডাউনের অজুহাতে পণ্য খালাস না করার কারণেই এই অবস্থা বললেন বন্দর কতৃপক্ষ। আর আমদানি রপ্তানিকারকরা বলছেন, লকডাউনে কারখানা বন্ধ রাখার কারণেই পণ্য খালাস বন্ধ রেখেছে তারা।

জট নিরসনে এনবিআরের নির্দেশে খালাস না করা কন্টেইনার যাচ্ছে বেসরকারি ডিপোতে। বিকডার সভাপতি বলছেন, ২০ থেকে ২৫ হাজার কন্টেইনার ধারণ হবে তাদের ডিপোতে। 

চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার ধারণ ক্ষমতা ৪৯ হাজার ১৮ টিইইউস হলেও স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে খালি রাখতে হয় ৩০ শতাংশ। 

ঈদুল আজহার টানা বন্ধে চট্টগ্রাম বন্দর চালু থাকলেও আমদানিকারকরা নিয়মিত পণ্য খালাস না করায় আটকে আছে ৪৩ হাজার ৫০০ টিইইউস কন্টেইনার।

আর বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, লকডাউনে কারখানা বন্ধ থাকায় দেরি হচ্ছে পণ্য খালাসে। রপ্তানির জন্য দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কন্টেইনারগুলো সরিয়ে নিলেই ধারণক্ষমতা আরো বাড়বে বলছে বিকডা। 

আরও পড়ুন:


কক্সবাজারের উখিয়ায় পাহাড় ধসে ৫ রোহিঙ্গা নিহত

৫ অতিরিক্ত সচিবকে বদলি 

ভারত সফর বাতিল করলেন আফগান সেনাপ্রধান

একজন আইনজীবির মৃত্যু ও আমাদের জন্য বার্তা


অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বন্দর সচল রাখতে নির্দিষ্ট সময়ে পণ্য খালাসে বাধ্য করতে হবে আমদানিকারকদের।

চট্টগ্রামে ১৯টি বেসরকারি আইসিডিতে কন্টেইনার ধারণ ক্ষমতা ৭৮ হাজার ৭০০ টিইইউস। বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে দ্রুত পণ্য খালাস না হলে অচল হয়ে পড়বে চট্টগ্রাম বন্দর।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

গরু-মহিষের নাড়ি ভুঁড়ি রপ্তানি

নয়ন বড়ুয়া জয়

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই চীন, হংকং, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে রপ্তানি হচ্ছে ওমাসম বা গরু-মহিষের নাড়ি-ভুঁড়ি। চট্টগ্রামের একদল তরুন উদ্যোক্তা ওমাসম বিক্রি করেই এখন আয় করছে কোটি কোটি টাকা। কারণ এক টন ওমাসম বিশ্ববাজারে বিক্রি হয় আট হাজার ডলারে। একই সাথে গরুর পিজল যাচ্ছে আমেরিকাসহ চীনে, যা ককুরের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করছে তারা। প্রতি টন পিজল বিক্রি হয় আট থেকে সাড়ে আট হাজার ডলারে। আর গরুর হাড় ও শিং দিয়েই তৈরি হচ্ছে বোতামসহ বিভিন্ন ধরনের শোপিস।

গরুর তৃতীয় পাকস্থলীর স্থানীয় নাম সাতপাল্লা। যা চীনসহ বিশ্ববাজারে ওমাসম নামে পরিচিত। গরু জবাইয়ের পর এক সময় নদী খালে ফেলে দেওয়া হতো এসব উচ্ছিষ্ট। যা পরিবেশও দূষণ করতো। কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এসব পণ্যের কদর রয়েছে জেনে এখন নিয়মিত রপ্তানি করছেন চট্টগ্রামের তরুন উদ্যোক্তারা।

এক টন ওমাসম রপ্তানিতে আয় হয় আট হাজার ডলার । গরুর পেনিস বা পিজলের চাহিদাও বেড়েছে আমেরিকা,  চীনসহ আরো কয়েকটি দেশে। প্রক্রিয়াজাত প্রতি টন পেনিস বিশ্ববাজারে বিক্রি হচ্ছে আট থেকে সাড়ে আট হাজার ডলারে।

এদিকে গরুর হাড় শিং দিয়েই দেশে তৈরি হচ্ছে বোতামসহ নানা ধরনের শোপিস। এসব পণ্য রপ্তানি হওয়ার পাশাপাশি হাড় শিংও যাচ্ছে বিদেশে।

করোনা সংকটেও গেল অর্থবছরে ৩২০ কোটি টাকার ওমাসম রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:


বিভিন্ন জেলায় করোনা ও উপসর্গে মৃত্যুর তথ্য

গার্মেন্টস খোলার ব্যাপারে যা জানালেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

কখন লকডাউন বাড়ানো লাগবে না জানালেন তথ্যমন্ত্রী

ময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনায় ‍মৃত্যুর রেকর্ড


 news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ভরা মৌসুমেও ইলিশ নেই বরিশালের পোর্টরোড মোকামে

রাহাত খান

ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বরিশালের পোর্ট রোড ইলিশ মোকামে। তবে কিছু ইলিশ মোকামে আসলেও দাম চড়া। মাছের সরবরাহ কম থাকায় আয় রোজগার হারিয়ে দুর্বিসহ জীবন-যাপন করছেন মৎস্য শ্রমিকরা।  দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে শূন্য হাতে সাগর থেকে ফিরেছে জেলেরা।

এ কারণে বাজারে ইলিশের ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে মনে করেন আড়তদাররা।

সাগরে সব ধরনের মাছ শিকারে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে গত ২৩ জুলাই। তবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে শূন্য হাতে সাগর থেকে ফিরেছে জেলেরা। অভ্যন্তরীন নদ-নদীতেও তেমন ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে দক্ষিণের সর্ববৃহত ইলিশ মোকাম পোর্ট রোড আড়ত অনেকটাই ইলিশ শূন্য।

আড়তদাররা জানান, বরিশাল মোকামে ১ কেজি ২শ’ গ্রাম সাইজের প্রতি মন ইলিশ পাইকারী ৪৬ হাজার,  রপ্তানী যোগ্য এলসি সাইজ (৬শ’ থেকে ৯শ’ গ্রাম) প্রতিমন ৩৮ হাজার, ৪শ’ থেকে সাড়ে ৫শ’ গ্রাম সাইজের প্রতিমন ২১ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। স্থানীয় নদ-নদীর কিছু ইলিশ মোকামে আসলেও চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম চড়া।

ইলিশের চড়া দাম হওয়ায় হতাশ ক্রেতারা।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া কেটে যাওয়ায় মাছ ধরা ট্রলারগুলো আবার গভীর সমূদ্রে যেতে শুরু করেছে। জেলেরা ফিরে আসলে ইলিশের সরবরাহ বাড়ার পাশাপাশি দামও কমবে বলে আশা করেন সংশ্লিস্টরা।

আষাঢ়-শ্রাবন-ভাদ্র এই ৩ মাস ইলিশের প্রধান মৌসুম হিসেবে বিবেচনা করে মৎস্য বিভাগ।

আরও পড়ুন:


ডিএমপির ৯ পুলিশ কর্মকর্তার পদায়ন 

ফুলবাড়িয়ায় হাতকড়াসহ পালানো আসামি সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর গ্রেপ্তার

পিরোজপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

 news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও কঠোর অবস্থানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী

নাঈম আল জিকো

রাজধানীতে লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও কঠোর অবস্থানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী

সরকার ঘোষিত টানা ১৪ দিনের লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও কঠোর অবস্থানে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এদিন জন চলাচল নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি বিনা প্রয়োজনে রাস্তায় বের হওয়া মানুষদের জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হয়। যাত্রী ছাড়া ঘোরাঘুরি করা রিক্সাও আটক করে পুলিশ। লকডাউন উপেক্ষা করে এদিনও রাজধানীতে আসতে দেখা যায় কর্মজীবী মানুষদের।

দোকানপাট বন্ধ, রাজপথে নেই যানবাহনের বাড়তি কোনো চাপ, রাস্তার মোড়ে মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট। করোনা সংক্রমণ রোধে দেশব্যাপী চলা কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিন রাজধানী জুড়ে দেখা যায় এমনি চিত্র।

করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে এদিনও মধ্যে কারণে ও অকারণে ঘরের বাইরে বের হন মানুষ।  তবে সবাইকেই পড়তে হয় জিজ্ঞাসাবাদের মুখে।

বিনা কারণে ঘরের বাইরে বের হওয়ায় অনেককে গুনতে হচ্ছে জরিমানা। আবার যাত্রি ছাড়া ঘোরাঘুরি করায় শাস্তি স্বরূপ রিক্সাও আটকে রাখে পুলিশ। 

আরও পড়ুন:

খুলনায় কমেছে করোনায় মৃতের সংখ্যা, শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৫২ শতাংশ

মুম্বাই পুলিশের জেরার মুখে শিল্পা

পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ল পচেত্তিনোর 

চীনে ভারী বৃষ্টিপাতে প্রাণহানির ঘটনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রীর শোক

লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীতে ফিরতে দেখা যায় কর্মজীবী মানুষদের। গণপরিবহন সংকটে তাই চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের। 

লকডাউন বাস্তবায়নে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে রাস্তায় টহল দিতে দেখা যায়।  তবে গত বারের মত আইন প্রয়োগকারী অন্যান্য সন্থাগুলোর অবস্থান তেমন একটা দেখা যায়নি।

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

নৌকার চাহিদা কম, ডিঙি মিলছে দুই হাজার টাকায়

কাবুল খান

মানিকগঞ্জের ঘিওরে জমে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী নৌকার হাট। বিক্রেতাদের অভিযোগ, চরাঞ্চল ছাড়া অন্য কোনো স্থানে পানি না বাড়ায় তেমন বাড়েনি নৌকা বিক্রি। ক্রেতা কম থাকায় নৌকার নায্য দাম পাচ্ছেন না তারা। এতে লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।

এ চিত্র ঘিওর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নৌকার হাটের। এভাবেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের পদচারনায় মুখর হয়ে উঠেছে এ হাট।

তবে বিক্রেতাদের অভিযোগ, এবার বর্ষা মৌসুমে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি না পাওয়ায় নৌকার চাহিদা বাড়েনি। এ কারণে হাটে ক্রেতাও কম, নৌকাও বিক্রি হচ্ছে কম দামে। এ অবস্থায় আবার হাটে ইজারাদারদের খাজনাও দিতে হয়। সব মিলে লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।

ইজারাদারের দাবি, অন্য হাটের চেয়ে এই হাটে খাজনা কম নেওয়া হয়।

আকার ও মানভেদে প্রতিটি ডিঙি নৌকা বিক্রি হচ্ছে ২ থেকে ৭ হাজার টাকায়। কম দামে নৌকা কিনতে পেরে খুশি ক্রেতারা।

মানিকগঞ্জের ঘিওর সরকারি কলেজ সংলগ্ন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে প্রতি বুধবার বসে এ বিশাল নৌকার হাট।

আরও পড়ুন: 


বাংলাদেশকে টিকা দেওয়ার ব্যাপারে যা জানালেন ভারতীয় হাই কমিশনার

এদেশে সৎ মানুষ তৈরির সিস্টেমটাই নাই

গাজীপুরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে হত্যা চেষ্টা


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর