সময় চেয়ে যা বললেন ইভ্যালির এমডি

অনলাইন ডেস্ক

সময় চেয়ে যা বললেন ইভ্যালির এমডি

বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে ইভ্যালি প্রসঙ্গ এখন ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’। প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে দেশের গণমাধ্যমেও বিভিন্ন ধরনের সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এরমধ্যেই শুক্রবার দিনের বিভিন্ন সময় দেশের বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে খবর আসে ইভ্যালির প্রধান কার্যালয় বন্ধ এবং হট লাইনেও তারা গ্রাহক ও মার্চেন্টদের ফোন রিসিভ করছে না। 

এছাড়া ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমেও চলছে  ইভ্যালি প্রসঙ্গে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

এর পরিপ্রেক্ষিতেই শুক্রবার (১৬ জুলাই) রাতে ফেসবুকে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে একটি স্ট্যাটাস দেন ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাসেল। সেখানে তিনি ইভ্যালিকে আরেকটু সময় দিতে গ্রাহকসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে আবেদন জানান।

স্ট্যাটাসে রাসেল বলেন, ‘ইভ্যালির পক্ষে বিপক্ষে অনেক মতামত সোস্যাল মিডিয়াতে পেয়েছি এবং দেখেছি। এতদিন ইভ্যালির যে লস সেটা শুধুমাত্র বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এর এই ইনভেস্টমেন্ট গিয়েছে। এখন ইভ্যালির অর্গানিক সেলস অনেক বেড়েছে। অনেকে এই সময় মতামত দিচ্ছেন বন্ধ করে পুরাতন অর্ডার ডেলিভারি করা হোক।’

‘কিন্ত এখন তো আমরা অগ্রিম টাকা পাই না। গত দুই সপ্তাহ কিভাবে তাহলে পুরাতন অর্ডার থেকে ৪০ কোটি টাকার অধিক ডেলিভারি করা হলো? আমরা বড় বড় সেলারদের ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি পেমেন্ট দিয়েছি। তারা আমাদের পাশে থাকতে চান। কিন্ত মিডিয়া অথবা সোস্যাল মিডিয়া যখন ডেসটিনি এর মত কোম্পানির সাথে তুলনা করেন, তখন যে কেউ ই ভয় পেয়ে যান। আমরা বিজনেস সবাই বুঝি। এটা একটা চলমান সম্পর্কে থাকার বিষয়। সেলস থাকলে সেলার থাকবে এবং সেলার থাকলে পণ্য থাকবে।’

রাসেল বলেন, ‘আমাদের এই বিজনেস ডেভেলপমেন্টে সবচেয়ে বড় বাধা ছিল দেশি অথবা বিদেশি বিনিয়োগ। কেউ কী আমাকে দয়া করে কোনো আইনি ধারা উল্লেখ করতে পারেন, যেটি হয়তো আমার অজান্তেই মিস করে গেছি। যে কারণে আপনি বলতে পারেন, ইভ্যালি অবৈধ। (আমি এই সংক্রান্ত বিস্তারিত আরও লিখব)।’

‘যদি না-ই হয়, মিডিয়ায় অথবা সোস্যাল মিডিয়ায় আমাকে ক্রিমিনাল না বানিয়ে বিচার না করার অনুরোধ করতে পারি শুধু। আমি বাংলাদেশের সব বড় গ্রুপ এখন যাচ্ছি। আমার হয়তো পুঁজি ঘাটতি। কেউ পুঁজি দিলেই কিন্তু কাল আমাকে সবাই হিরো বলত। যেই জিনিসটা ইভ্যালি অর্জন করতে চেয়েছিল, ইভ্যালির একদম সেটার দারপ্রান্তে। এতো কিছুর পর নতুন নীতিমালার আলোকে ইভ্যালির সেলস ১০০ কোটি টাকা (পেইড)। এই সময় এসে গঠনমূলক অথবা পরামর্শমূলক আলোচনা অবশ্যই সবার উপকার হবে।’

‘ইভ্যালি নিয়ে আমি শতভাগ আশাবাদী। এবং এর চেয়েও বেশি আশাবাদী ইকমার্স নিয়ে। বিদেশী Amazon আসলে আমরা খুশি হব স্বাভাবিক।  কিন্ত দেশের কেউ ইকমার্স লিড দিবে এটা আমি শতভাগ নিশ্চিত। কারণ আমরা এখন সবচেয়ে দ্রুত উন্নয়নশীল জাতি। আমাদের একটু সময় দিন।’


স্বাভাবিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত কারাভোগ করতে হবে

২২ দিন পর আবার ট্রেন চলাচল শুরু

নৌপথে যাত্রী ও যানবাহনের প্রচণ্ড চাপ


 

ইভ্যালির সম্পদের চেয়ে ছয় গুণ বেশি দেনা বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে আসে। প্রতিবেদনে উঠে আসে ইভ্যালির মোট দায় ৪০৭ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকের কাছ থেকে অগ্রিম নিয়েছে ২১৪ কোটি টাকা, আর মার্চেন্টদের কাছ থেকে বাকিতে পণ্য নিয়েছে ১৯০ কোটি টাকার। স্বাভাবিক নিয়মে প্রতিষ্ঠানটির কাছে কমপক্ষে ৪০৪ কোটি টাকার চলতি সম্পদ থাকার কথা। কিন্তু সম্পদ আছে মাত্র ৬৫ কোটি টাকা।

ইভ্যালির ওপর করা বাংলাদেশ ব্যাংকের এক পরিদর্শন প্রতিবেদনের পর্যবেক্ষণের পরিপ্রেক্ষিতে ৪ জুলাই অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারের ৪ প্রতিষ্ঠানকে চিঠি পাঠিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠান চারটি হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের হাতে জিম্মি রাষ্ট্র

নেট ব্যবহারকারী ৯০ শতাংশের বেশিরই তথ্য ফাঁস

রিশাদ হাসান

তথ্য প্রযুক্তির যুগে আপনার তথ্য কতটা নিরাপদ। ল্যানসেটের গবেষণা বলছে, বিশ্বব্যাপি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ৯০ শতাংশের বেশী মানুষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে তুলে দিয়েছেন তাদের তথ্য। অথচ ব্যবহারকারী নিজেই জানেন না কবে আর কিভাবে দিয়েছেন এত তথ্য। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে করে ব্যক্তিগত স্বার্থ অক্ষুন্ন থাকলেও একটি রাষ্ট্রের সমষ্টিগত তথ্য জিম্মি হয়ে হয়ে পড়ছে গুটি কয়েক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের হাতে।

যখনই নিজের মুঠোফোন কোন এ্যাপ ডাউনলোড করা হচ্ছে, সেই অ্যাপ চেয়ে বসে লোকেশন, ফোনবুক, মাইক্রোফোন। তবে ক্ষেত্র বিশেষে অনুমতি চায় ব্যাক্তিগত মেসেজিং, গ্যালারিসহ বিভিন্ন তথ্য।

এসব তথ্য দিয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যক্তি, বয়স ও পছন্দ ভেদে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন পাঠায়। তথ্যগুলো ছোট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছেও বিক্রি হয় চড়া মূল্যে। সেই সাথে তারা বের করে সমষ্টিগত এমন কিছু তথ্য যা কোন রাষ্ট্রের কাছেও নেই।

আরও পড়ুন


আশ্রয়ণ প্রকল্প: এটা তো দুর্নীতির জন্য হয়নি, এটা কারা করলো?

আগের স্ত্রীকে তালাক না দিয়েই মাহিকে বিয়ে করেছে রাকিব

আমরা কখনো জানতামও না যে এই সম্পদ আমাদেরই ছিলো

নাশকতার মামলায় নওগাঁর পৌর মেয়র সনিসহ বিএনপির ৩ নেতা কারাগারে


 

একটি দেশ গুটি কয়েক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছে জিম্মি হতে পারে না উল্লেখ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ডেটা সেন্টার তৈরির মাধ্যমে দেশের তথ্য ও দেশেই রাখতে হবে।

 news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

বাজারে এলো আইফোন ১৩, যা আছে ফোনটিতে

অনলাইন ডেস্ক

বাজারে এলো আইফোন ১৩, যা আছে ফোনটিতে

অবশেষে বাজারে এলো আইফোন ১৩। বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাপল পার্কে উচ্চমানের পারফরম্যান্স সমৃদ্ধ এই আইফোনটির লঞ্চিং হয়।

গোলাপি, নীল, কালো (মিডনাইট), লাল (প্রোডাক্ট রেড) আর স্টারলেট এই পাঁচটি কালারে মিলবে আইফোনটি। দেখতে অনেকটা আইফোন ১২ মডেলের মতোই। তবে আগের মডেলের আইফোনগুলো থেকে ৫০ শতাংশ বেশি দ্রুত পারফরম্যান্স দেবে এবারের অ্যাপলের নতুন চিপ।

অ্যাপেল জানিয়েছে, আইফোন ১৩ ও আইফোন ১৩ মিনির পেছনে থাকছে ১২ মেগাপিক্সেলের দুটি ক্যামেরা। ক্যামেরায় দেওয়া হয়েছে সিনেম্যাটিক মোড। ভিডিও কনটেন্ট তৈরিতেও নতুন আইফোনে বেশ সুবিধা নিয়ে আসা হয়েছে।

এছাড়া নতুন আইফোনগুলো চলবে অ্যাপলের তৈরি এ১৫ বায়োনিক প্রসেসরে। যা আগের চেয়ে দ্রুতগতির। অপরদিকে স্টোরেজ ৫০০ জিবি। সর্বনিম্ন ৬৪ জিবির বদলে রয়েছে ১২৮ জিবি স্টোরেজ।

ডিসপ্লেতেও আনা হয়েছে বেশ পরিবর্তন। যা প্রায় ২০ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল। অপরদিকে পুরোনো সিরিজের থেকে আড়াই ঘণ্টা বেশি ব্যাটারি ব্যাকআপ দেবে আইফোন ১৩।

এই সিরিজের রয়েছে কয়েকটি মডেল। যেমন- আইফোন ১৩, আইফোন ১৩ মিনি, আইফোন ১৩ প্রো এবং আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স।

আইফোন ১৩ -এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৯৯ ডলার মার্কিন ডলার, আইফোন ১৩ মিনি ৬৯৯ ডলার, আইফোন ১৩ প্রোর দাম ৯৯৯ ডলার। আর আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্সের দাম পড়বে ১ হাজার ৯৯ ডলার।

আরও পড়ুন:


জামালপুরে মাদ্রাসা থেকে ৩ ছাত্রী উধাও, আজও মেলেনি খোঁজ

বার্সেলোনাকে উড়িয়ে দিলো বায়ার্ন

চেকের ছবি শেয়ার করে জায়েদ খান বললেন বিষয়টি অনেক গর্বের

কিয়ামতের দিন আল্লাহ যে তিন ব্যক্তির দিকে ফিরেও তাকাবেন না


‘অ্যাপল হাব’ ব্লগের তথ্যানুযায়ী আইফোন ১৩-র দাম হতে পারে ৭৯৯ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৬৮ হাজার টাকা। তবে এটি বাংলাদেশে আসলে তার দাম আরও বাড়তে পারে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

এবার গুগলকে বড় অংকের জরিমানা করলো দক্ষিণ কোরিয়া

অনলাইন ডেস্ক

এবার গুগলকে বড় অংকের জরিমানা করলো দক্ষিণ কোরিয়া

মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আলফাবেটের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গুগলকে নতুন আইনে ১৭৭ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করলো দক্ষিণ কোরিয়া। আজ মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) জরিমানার বিষয়টি জানিয়েছে কোরিয়া ফেয়ার ট্রেড কমিশন (কেএফটিসি)।

প্রযুক্তি বিশ্বের অন্যতম দুই জায়ান্ট গুগল ও অ্যাপলের আধিপত্যবাদী আচরণে লাগাম টানতে সম্প্রতি আইন পাস করে দক্ষিণ কোরিয়া, যেটি ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। সেই আইনের আওতায় জরিমানা করা হয়েছে গুগলকে। 

জরিমানার প্রতিক্রিয়ায় গুগল জানিয়েছে, তারা আপিল করবে।

অ্যান্ড্রয়েড নামে গুগলের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে। সারা বিশ্বে ৮০ ভাগ মোবাইল ফোনে এটি ব্যবহার করা হয়। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমটি যাতে স্থানীয় স্মার্টফোন নির্মাতারা মডিফাই করতে না পারে তার সব ব্যবস্থা করে রেখেছে গুগল। এই বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার আপত্তি রয়েছে।

আরও পড়ুন:


দুই মেয়েসহ মা নিখোঁজ উৎকন্ঠায় পরিবার

রশি দিয়ে বাধা প্রতিবন্ধী শহিদের বন্দী জীবন

বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্রিকেটার রিদু নিহত

স্কুল খোলার পর যেভাবে চলবে প্রাথমিকের ক্লাস!


 

মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের বাজার নিয়ন্ত্রণে গুগলের পরেই আছে আরেক মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। এই বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার আপত্তি রয়েছে।

তথ্যসূত্র : রয়টার্স, ব্লুমবার্গ।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

শিগগির নিয়ন্ত্রণে আসছে ফেসবুক টুইটার ইউটিউব

অনলাইন ডেস্ক


শিগগির নিয়ন্ত্রণে আসছে ফেসবুক টুইটার ইউটিউব

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো এক সময় বাংলাদেশকে তেমন পাত্তা দিত না। এখন তারা আমাদের কথা শুনছে, নিয়মিত বৈঠক করছে। এমনকি বাংলাদেশের  আইন মেনে ভ্যাট-ট্যাক্সও দিচ্ছে তারা। সেদিন হয়তো বেশি দূরে নয়, যখন ফেসবুকসহ এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বিষয়টি আমাদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। তারপরও এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বর্তমান সরকার। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ‘সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী’সহ বিভিন্ন রকম ‘আপত্তিকর’ কনটেন্ট ছড়ানো হচ্ছে। 

এ বিষয়ে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে? এমন প্রশ্নের জবাবে গতকাল ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে উল্লিখিত কথাগুলো বলেন।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এই মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এসব বিষয়ে এখন আমরা অনেক দক্ষতা অর্জন করেছি। আমরা এখন জানি বিদেশ থেকে কারা এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফেজবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। সেখানে কিছু দাবি তুলে ধরাসহ সার্বিক বিষয়ে কথা হয়েছিল। তারাও এসব বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। বর্তমানে তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক এমন পর্যায়ে এসেছে যে তারা প্রতি সপ্তাহে আমাদের সঙ্গে বৈঠক করে, প্রতিদিন কথা হচ্ছে। যে সব বিষয়ে রিপোর্ট করি সে বিষয়েও রেসপন্স করছে। ফেসবুকের বিষয়ে বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন মহিলা কর্মকর্তা রয়েছেন, সিঙ্গাপুর ও দিল্লিতে একজন করে কর্মকর্তা রয়েছেন তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে আমাদের বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নানা বিষয়ে কথা হচ্ছে। এক সময় হয়তো তারা আমাদের কোনোটাই পাত্তা দিত না। এখন অনেক ভালো জায়গায় এসেছে।’

ফেসবুক কর্র্তৃপক্ষের এক সময় বাংলা বোঝার মতো লোক ছিল না উল্লেখ করে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, একসময় ফেসবুকের বাংলা ভাষা বোঝার মতো লোক ছিল না, বাংলা কনটেন্ট সরাতে পারত না। এখন তাদের বাংলা ভাষা বোঝার মতো লোক রয়েছে। তারা বাংলা কনটেন্ট বুঝতে পারে এবং তা সরাতেও পারছে। এখন তাদের সঙ্গে আমাদের সরাসরি ফোনেও যোগাযোগ হচ্ছে। আমরা মনিটরিং ব্যবস্থাটাকে সম্প্রসারণ করেছি বিটিআরসির মাধ্যমে। আরও কিছু যন্ত্রপাতি সংগ্রহের চেষ্টা করছি। এর ফলে আমি আশা করছি যে সেদিন হয়তো বেশি দূরে নয়, যখন আমরা মোটামুটি এদের ভালো নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনতে পারব। এখন যে অবস্থায় আছে, সেটা মোটামুটি একটা নিয়ন্ত্রণের ভিতর। কিন্তু আমাদের জন্য অত্যন্ত হুমকির বিষয় হলো জেএমবি, আইএস, তালেবান যাই বলি না কেন তারা প্লাটফরম হিসেবে এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছে। অনেকে ব্যক্তিগতভাবেই সরকারের শীর্ষ ব্যক্তি থেকে শুরু করে মন্ত্রী, এমপিসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্লাটফরম হিসেবে এসব ব্যবহার করছে। নিয়মিত গণমাধ্যমে এসব অপকর্ম করা যায় না। এসব নিয়ন্ত্রণে তাদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত কথা হচ্ছে। এক সময় পাত্তা না দিলেও এখন নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। তারা আমাদের ভ্যাট-ট্যাক্সও দিচ্ছে।
এই আইটি বিশেষজ্ঞ আরও বলেন-ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটারসহ সোশ্যাল মিডিয়া এখন বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়। আমাদের দেশে ফেসবুকের প্রায় ৪ কোটি ইউজার রয়েছে। ইউটিউবের হয়তো এত নেই। বাংলাদেশ জন্মের শুরু থেকেই কিছু লোক বিরোধিতা করেছে, এখনো করছে। দেশের ভিতরে যেমন রয়েছে, তেমনি বিদেশেও রয়েছে। তারা কখনো নীরব ছিল না। তারা পরিকল্পিতভাবে সরকার ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের এবং সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, সাম্প্রদায়িকতার বিষয়ে ইচ্ছামতো প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। দেশে এ ধরনের কাজ করলে সহজেই চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে পারি। কিন্তু যারা বিদেশে বসে এসব করছে তাদের ধরাই বড় চ্যালেঞ্জ। আবার এসব ব্যক্তির অ্যাকাউন্টও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভুয়া হয়ে থাকে। ফলে তাদের শনাক্ত করাও কঠিন। তারা ইচ্ছামতো নাম দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে এসব প্রচারণা চালাচ্ছে। ফলে এটি শনাক্ত করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তারপরও আমাদের আইসিটি ডিভিশন, বিটিআরসি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। কিছু বিষয়ে সুফলও পেয়েছি আমরা।

ইচ্ছা করলে টোটাল সোশ্যাল মিডিয়া ‘শাট ডাউন’ করতে পারি উল্লেখ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী’সহ বিভিন্ন রকম ‘আপত্তিকর’ কনটেন্ট প্রচারকারী, ওয়েবসাইট, পেজ বা অ্যাকাউন্ট আমরা বাংলাদেশে যে কোনো মুহূর্তে বন্ধ করতে পারি, কিন্তু বাইরের দেশে নয়। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ২২ হাজার পর্নো সাইট ও ৬ হাজার ভুয়া সাইট বন্ধ করেছি। এ ছাড়া ১১০০-এর বেশি ক্ষতিকর ওয়েবসাইট বন্ধ করা হয়েছে। সেগুলো দেশের অখন্ডতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করি। দেশের কোনো অ্যাকাউন্ট, সাইট, ইউটিউব চ্যানেল থেকে দেশবিরোধী কনটেন্ট, ব্যক্তিবিরোধী, সম্মানহানিকর কোনো তথ্য বা এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা হয়ে থাকে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

হোয়াটসঅ্যাপের সব চ্যাট পড়ছে ফেসবুককর্মীরা!

অনলাইন ডেস্ক

হোয়াটসঅ্যাপের সব চ্যাট পড়ছে ফেসবুককর্মীরা!

ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার ফিচারের ব্যাপারে জনপ্রিয় হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজিং অ্যাপের প্রচারণায় দাবি করা হয়, তাদের মূল মালিকানা কোম্পানি- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক তাদের ব্যবহারকারীদের মধ্যে আদানপ্রদান হওয়া মেসেজ পড়তে পারে না। কিন্তু সেটা যে আসলে পুরোটাই মিথ্যা সেটা সামনে এলো ৭ সেপ্টেম্বর মার্কিন গণমাধ্যম প্রো-পাবলিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গোপনীয়তার নিশ্চয়তা দিলেও ফেসবুক ইঙ্কের আওতাধীন হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজিং সার্ভিস মোটেই গোপনীয় কিছু নয়। 
সারাবিশ্বের হোয়াটসঅ্যাপের মেসেজ পড়তে ও সেগুলো প্রয়োজন অনুসারে সংশোধন করতে এক হাজারের বেশি বেতনভুক্ত কর্মী রেখেছে ফেসবুক। তথাকথিত প্রাইভেট বা ডিজিটাল কোডিংয়ের মাধ্যমে সুরক্ষিত (ইনক্রিপটেড) মেসেজ পড়ছেন বেতনভুক্ত এসব কর্মী।

শুধু তাই নয় ফেসবুক ইঙ্ক হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের তথ্য বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা- যেমন, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের সঙ্গেও শেয়ার করে।

হোয়াটসঅ্যাপে কোন নতুন ব্যবহারকারী যখন অ্যাপটিতে সাবস্ক্রাইব করেন, তারা শুরুতেই ব্যক্তিগত গোপনীয়তার আশ্বাস দেখেন, যা মূলত একটি বিজ্ঞাপন। সেখানে বলা হয়, আপনার মেসেজ ও কলগুলো এখানে সুরক্ষিত, শুধু আপনি এবং যার সঙ্গে আপনি যোগাযোগ করছেন, কেবল তিনিই এসব দেখতে পাবেন। এছাড়া অন্য কেউ, এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষও দেখতে বা শুনতে পাবে না।

কিন্তু প্রো-পাবলিকার প্রতিবেদন বলছে, এসব আশ্বাস ভাঁওতামাত্র। মেসেজ মডারেট করাসহ কল আড়ি পাততে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন ও সিঙ্গাপুরে রীতিমতো বহুতল অফিস রয়েছে ফেসবুকের। এসব অফিসের এক হাজার নিয়মিত কর্মী প্রতিনিয়ত কোটি কোটি বার্তা ও কল বিশ্লেষণ করছেন।'

এসব কর্মীর অস্তিত্ব স্বীকার করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। প্রতিজন মডারেটর দিনে গড়ে ৬০০-এর অধিক অভিযোগ সংক্রান্ত বার্তা নিরীক্ষা করেন, ফলে প্রতিটি বার্তা চেকের ক্ষেত্রে তারা এক মিনিটের কম সময় ব্যয় করতে পারেন।

আরও পড়ুন:


দুই মেয়েসহ মা নিখোঁজ উৎকন্ঠায় পরিবার

রশি দিয়ে বাধা প্রতিবন্ধী শহিদের বন্দী জীবন

বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্রিকেটার রিদু নিহত

স্কুল খোলার পর যেভাবে চলবে প্রাথমিকের ক্লাস!


 

প্রো-পাবলিকা তাদের প্রতিবেদনে আরও জানায়, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী মেটাডাটা বা ইনক্রিপশনের আওতামুক্ত তথ্যের রেকর্ডও পায়, যা ব্যবহারকারীর অনলাইন গতিবিধি সম্পর্কে অনেক কিছু জানাতে সক্ষম। এখান থেকে অনেক কিছুই মার্কিন বিচার বিভাগের মতো বিশ্বের অনেক আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে জানানো হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর