আনুশকার দেহরক্ষীর বেতন কত?

অনলাইন ডেস্ক

আনুশকার দেহরক্ষীর বেতন কত?

বলিউড সব তারকারাই তাদের সুরক্ষার জন্য মোটা টাকা খরচ করে থাকেন। শাহরুখ থেকে সালমান খান, কারিনা কাপুর থেকে অনুশকা শর্মা সকলেই এই বিষয়টি বাড়তি গুরুত্ব দেন। তারা যেখানেই যান সঙ্গে অন্তত একজন দেহরক্ষী থাকেন তাদের সাথে।

রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, পাপারাজ্জিদের হাত থেকে নায়ক বা নায়িকাদের বাঁচিয়ে চলাই মূলত তাদের কাজ। এছাড়া যেকোন বিরূপ পরিস্থিতিতে তারা ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে যান মনিবের সামনে। তাই তাদের বেতনটাও কখনো কখনো এমন হয় যা বড় বড় কোম্পানির সিইও-দেরকেও লজ্জায় ফেলে দিতে পারে।

বলিউডের জনপ্রিয় নায়িকা আনুশকা শর্মারও রয়েছে একজন দেহরক্ষী। প্রায় ৯ বছর ধরে তার সাথে থাকতে থাকতে অনেকটা আনুশকার পরিবারের সদস্যের মতোই হয়ে গেছেন তার দেহরক্ষী সনু। তার পুরো নাম প্রকাশ সিংহ। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের পরিবারের সঙ্গে প্রায় দেখাই হয় না তার।


আরও পড়ুনঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবি’র প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

দক্ষিণ আফ্রিকায় সহিংসতা ও লুটপাট পূর্বপরিকল্পিত: প্রেসিডেন্ট

সৌদি আরবে বন্ধ হচ্ছে নামাজের সময়ে দোকান বন্ধ রাখার নিয়ম

বৃদ্ধ বাবা-মাকে মারপিটের মামলা তুলে নিতে হত্যার হুমকি ছেলে ও তার সহযোগীদের


তার বেতনটাও সবাইকে চমকে দেয়ার মতোই। বছরে এক কোটি ২০ লাখ রুপি বেতন পান তিনি। বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় এক কোটি ৫৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি মাসে তার অ্যাকাউন্টে যোগ হয় প্রায় ১৩ লাখ টাকা।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

পরীমণির পাশে নাই চয়নিকা চৌধুরী

অনলাইন ডেস্ক

পরীমণির পাশে নাই  চয়নিকা চৌধুরী

প্রখ্যাত নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীকে নিজের ‘মা’ বলে সম্বোধন করে থাকেন ঢাকাই ছবির আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। বিভিন্ন সময় তাদের দু'জনকে একসঙ্গে দেখাও গেছে। পরীমণির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সবসময় পাশে ছিলেন এই নারী নির্মাতা। কিন্তু গত বুধবার পরীমণির বাসায় র‌্যাবের অভিযান ও তাকে আটকের সময় পাশে ছিলেন না চয়নিকা চৌধুরী।

জানা গেছে, বোট ক্লাব ইস্যু পরবর্তী বিভিন্নভাবে পরীর পরামর্শক হিসেবে ছিলেন চয়নিকা। অথচ কাল যখন পরীর বাসায় ৪ ঘণ্টা ধরে র‌্যাব অভিযান চালায় তখন আর দেখা পাওয়া যায়নি চয়নিকার। বিষয়টি অনেকেরই নজরে এসেছে। শুধু তাই নয়, কেউ কেউ চয়নিকাকে নিয়ে ট্রলও করছেন ফেসবুকে। 

আজাদ নামে একজন লিখেছেন, ‘সেই চৌধুরী এখন কোথায়?’ কবীর নামে এক সোশ্যাল ব্লগার লিখেছেন, ‘বিপদের সময় কাউকে পাওয়া যায় না। সেই নারী নির্মাতাও আরও নেই।’

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে চয়নিকা চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি সব সময় আমার সব শিল্পীদের প্রতি মানবিক এবং কেয়ারিং। সে আমার বিশ্বসুন্দরী ছবির শিল্পী। তার সাথে আমার কাজের সম্পর্ক। তার যেহেতু মা-বাবা নেই, তার জন্য আমার অবশ্যই মায়া ও ভালোবাসা কাজ করে। সেইদিন গিয়েছিলাম স্ট্যাটাস দেখে। কিন্ত কাল আমার যাওয়া-না যাওয়ায় কিছু আসে যায় না। কারণ বিষয়টা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে। আর আইনের প্রতি আমরা সবাই শ্রদ্ধাশীল।’

আরও পড়ুন:

যতক্ষণ না পুলিশ আসবে, মিডিয়া আসবে লাইভ চলবে: পরীমনি

আবারও মুখোমুখি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

একসঙ্গে দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জন্ম


 

উল্লেখ্য, চয়নিকা চৌধুরী পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘বিশ্বসুন্দরী’তে অভিনয় করেছেন পরীমণি। সিনেমাটি মুক্তি পায় গত বছর। এ ছবিকে ঘিরেই চয়নিকা ও পরীর সখ্য আরও বাড়ে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

রিমান্ডে নেওয়া হলো পরীমনিকে

অনলাইন ডেস্ক

রিমান্ডে নেওয়া হলো পরীমনিকে

মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এক মামলায় পরীমনিকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। পরীমনিকে আদালতে নেওয়ার পর শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার রাতে এ আদেশ দেন ঢাকা মুখ্য মহানগর আদালতের হাকিম মামুনুর রশীদ।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

শামসুন্নাহার থেকে পরীমনি বনে যাওয়ার গল্প শোনালেন প্রথম স্বামী

অনলাইন ডেস্ক

শামসুন্নাহার থেকে পরীমনি বনে যাওয়ার গল্প শোনালেন প্রথম স্বামী

পরীমণিকে নিয়ে মুখ খুলেছেন তার প্রথম স্বামী ফেরদৌস কবীর সৌরভ। তার মুখ থেকে জানা গেল কীভাবে শামসুন্নাহার থেকে পরীমণি বনে গেলেন ঢাকাই চলচিত্রের এ নায়িকা।

বুধবার (০৪ আগস্ট) বিকেলে পরীমণিকে তার বাসা থেকে প্রথমে আটক করা হয়। র‌্যাবের অভিযানে পরীমণির বাসায় বিপুল পরিমাণ মদ ও ভয়ঙ্কর মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।

পরীমণির গ্রেপ্তারের পর তার সাবেক স্বামী ফেরদৌস কবীর সৌরভের সাক্ষাৎকার একটি শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা।

বৃহস্পতিবার পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে ওই সাক্ষাৎকার প্রকাশ করা হয়।

সেখানে সৌরভ জানান, শামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমণির সঙ্গে ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে বিয়ে হয় সৌরভের। সৌরভ ভালো ফুটবল খেলতে পারায় তার ডাক পড়ে ঢাকায়। তখন স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার বনশ্রীতে বাসা ভাড়া নেন। পরীমণিকে মিরপুরের একটি কলেজে ভর্তি করেন।

সৌরভের দেওয়া তথ্য মতে, কলেজে পড়া অবস্থায় মিডিয়ায় জড়িত এক ব্যক্তির নজরে পড়েন পরী। পরীর বিভিন্ন রকম ছবি তুলে পত্রিকায় ছাপেন ওই ব্যক্তি। এরপর তাকে মডেল ও অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখান সেই ব্যক্তি। তখন থেকেই শামসুন্নাহার স্মৃতি নাম পাল্টে পরীমণি হয়ে যান।

এর কিছু দিন না যেতেই পরীমণি উশৃঙ্খল জীবন যাপন শুরু করেন। ফলে স্বামীর সঙ্গে দূরত্ব শুরু হয়। পরে মিডিয়ার সঙ্গে জড়িত সেই ব্যক্তিকে পরীমণি বিয়ে করেছেন বলে সৌরভ জানতে পারেন। এরপর ২০১৫ সালে সৌরভ ঢাকা ছেড়ে কেশবপুরে ফিরে যান।

স্বামীকে বিদায় করার পরই পরীমণি মাদকে জড়িয়ে পড়েন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি নিয়মিত মাদকাশক্ত বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

পরবর্তী খবর

ব্ল্যাকমেইল ও পর্নো ব্যবসায় যে দুই তরুণীকে ব্যবহার করতেন রাজ

অনলাইন ডেস্ক

ব্ল্যাকমেইল ও পর্নো ব্যবসায় যে দুই তরুণীকে ব্যবহার করতেন রাজ

প্রতারণা ও পর্নো ব্যবসায় দুই তরুণীকে ব্যবহার করে আসছেন রাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার কথিত চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল  ইসলাম রাজ।

এদের একজনের ডাক নাম সেমি এবং অপরজন কাঁকন। দুজনই তার সার্বক্ষণিক সঙ্গী। এ দুই তরুণীকে দিয়ে তিনি ব্ল্যাকমেইলিংয়ের কাজ করতেন। র‌্যাব সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

সূত্র জানায়, পাশ্চাত্য পোশাকে অভ্যস্ত সেমি এবং কাঁকনকে নিয়ে হাজির হতেন সরকারি কর্মকর্তাদের ফ্ল্যাটে অথবা বাসায়। একপর্যায়ে অনেকেই তাদের প্রেমে পড়ে যেতেন। যে কোনো মূল্যে তাদের সান্নিধ্য পেতে চাইতেন।

এমন দুর্বলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে সরকারি কাজ বা তদবিরের টোপ ফেলতেন নজরুল। কোটি টাকা ঘুসের চেয়ে দ্রুততার সঙ্গে তার কাজ হয়ে যেত। এছাড়া এ দুই তরুণীকে ব্যবহার করে তিনি ক্যাসিনো সম্রাট ইসমাইল চৌধুরীর কাছাকাছি পৌঁছে যান।

ঠিকাদারি কাজের ডন হিসাবে পরিচিত জিকে শামীমের সঙ্গেও তার সখ্য গড়ে ওঠে। সম্প্রতি তিনি জিকে শামীমকে কারাগারে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দিতে তদবির করছিলেন। শামীমের বোন সুবর্ণা মোস্তাফার সঙ্গে তিনি প্রতি সপ্তাহে নানা বিষয়ে শলা-পরামর্শ করেন।

পরবর্তী খবর

সিনেমায় আসার আগে ​রাজের কাছেই থাকতেন পরী

অনলাইন ডেস্ক

সিনেমায় আসার আগে ​রাজের কাছেই থাকতেন পরী

নায়িকা পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদের পর এক এক করে বেড়িয়ে আসছে নানা তথ্য। এমনটিই বলছে র‌্যাব। র‌্যাব সূত্র জানায়, পরীমনিকে গ্ল্যামার জগতে নিয়ে আসেন রাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার কথিত চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ। সিনেমায় নাম লেখানোর আগে দীর্ঘদিন তার কাছেই থাকতেন পরী। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর নজরুল নিজের জেলার পরিচয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠেন।

র‌্যাব বলছে, পরীর গডফাদার হিসাবে পরিচিত নজরুল রাজ একেক সময় একেক পরিচয়ে চলাফেরা করেন। কখনও চিত্রপরিচালক, কখনও ব্যবসায়ী আবার কখনও রাজনীতিবিদ। প্রতারণার মাধ্যমে তিনি অঢেল টাকার মালিক বনে গেছেন।

বুধবার রাতে বনানীর বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনিকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে তাকে র‌্যাব সদর দপ্তরে নেওয়া হয়। মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয় জিজ্ঞাসাবাদ।

এদিন পরীমনি ও পিয়াসার গডফাদার হিসাবে পরিচিত রাজকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

 

পরবর্তী খবর