আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে: তাপস

অনলাইন ডেস্ক

আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে: তাপস

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, আওয়ামী লীগ দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এগিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর। আর তাই আওয়ামী লীগ সবসময় জনগণের পাশে ছিল, আছে এবং আগামীতেও থাকবে।

শনিবার (১৭ জুলাই) দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫৫, ৫৬ ও ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের দরিদ্র ও করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া ২ হাজার ৪০০ পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে তিনি এ কথা বলেন।

ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এবং সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলামের যৌথ উদ্যোগে কামরাঙ্গীরচরের আলহেরা কমিউনিটি সেন্টার প্রাঙ্গণে এ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

অনলাইন মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদেশের অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রতি বিশেষমাত্রায় সহানুভূতিশীল। তার নির্দেশে সারাদেশে আওয়ামী লীগ দরিদ্র, অসহায় ও কর্মহীন জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়িয়েছেন। 

তিনি বলেন, করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া এবং অসহায় মানুষের সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করপোরেশনকে বরাদ্দ দিয়েছেন। সেই বরাদ্দের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম। এর ফলে সহযোগিতার কলেবর আরও বিস্তৃত হয়েছে।

সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, করোনা মহামারির বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমি দীর্ঘদিন ধরে কামরাঙ্গীরচরের অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। আমার এই এলাকার জনগণকে সহযোগিতার লক্ষ্যে করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এগিয়ে আসায় আমিও তার সঙ্গে সংযুক্ত হলাম। আমাদের এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

খাদ্যসামগ্রী হিসেবে প্রতিটি পরিবারের মধ্যে ১০ কেজি চাল, এক কেজি তেল, এক কেজি আলু ও আধা কেজি মশুর ডাল বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন:


পাটুরিয়ায় দীর্ঘ যানজট, ভোগান্তিতে সাধারণ যাত্রীরা

২৩ জুলাই থেকে কঠিন লকডাউন নিয়ে যা বললেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

আনুশকার দেহরক্ষীর বেতন কত?

দক্ষিণ আফ্রিকায় সহিংসতা ও লুটপাট পূর্বপরিকল্পিত: প্রেসিডেন্ট


অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. নুরে আলম, ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন, ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সাইদুল ইসলাম, সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর শেফালী আক্তার, কামরাঙ্গীরচর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কাশেম সরকার এবং ৫৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আব্দুর রশীদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সরকারের বিবেচনাবোধ থাকলে শ্রমিকদের এই দুর্ভোগ হতো না: রব

অনলাইন ডেস্ক

সরকারের বিবেচনাবোধ থাকলে শ্রমিকদের এই দুর্ভোগ হতো না: রব

জনগণের সীমাহীন অমানবিক দুর্ভোগে রাষ্ট্র তথা সরকার দর্শকের ভূমিকায় থাকতে পারে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আব্দুর রব। তিনি বলেছেন, নাগরিকের দুর্ভোগে সরকারকে অবশ্যই মানবিক হতে হবে।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফেরাকে কেন্দ্র করে তাদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগের প্রেক্ষিতে আজ গণমাধ্যমে এক বিবৃতি দেয় জেএসডি।

ওই বিবৃতিতে আ স ম রব বলেন, সরকারের উচিত এই অবর্ণনীয় দুর্ভোগ কষ্টের জন্য শ্রমিকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করা। গার্মেন্টসহ সব রপ্তানিমুখী শিল্প কলকারখানা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের সঙ্গে যে গণপরিবহন খোলা রাখার বিষয়টি সম্পৃক্ত সরকারের মধ্যে এটুকু বিবেচনাবোধ থাকলে আর শ্রমিকদের এই দুর্ভোগ হতো না।

‌‘ঢাকামুখী মানুষের স্রোত, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, উপচে পড়া ভিড় সীমাহীন দুর্যোগ এবং দুর্ভোগের দৃষ্টান্তের ঘটনা নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র ও সরকারের অমানবিকতা প্রতিফলিত হয়েছে। এ ধরনের অদূরদর্শী ও অপরিকল্পিত ঘটনায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব পড়বে’ বলে জানান রব।

তিনি আরও বলেন, জনগণ ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রামের মাধ্যমে বুকের রক্ত দিয়ে রাষ্ট্রের উপর মালিকানা প্রতিষ্ঠিত করেছে, কারো বা কোনো প্রতিষ্ঠানের অবহেলা পাওয়ার জন্য নয়।

ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে তার জন্য সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে এবং যথাযথ পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

করোনায় স্বাস্থ্যবিধি শতভাগ মেনে শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য সরকারকে ছয়টি প্রস্তাব দেন এই প্রবীণ রাজনীতিক।

প্রস্তাবগুলো হলো- কর্মরত শ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার টিকা প্রদানসহ প্রতিটি কারখানায় করোনা পরীক্ষার কেন্দ্র স্থাপন, আক্রান্ত শ্রমিকদের কারখানা মালিকের ব্যবস্থাপনায় আইসোলেশন ও চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ, শ্রমিকদের কারখানায় যাওয়া আসার জন্য মালিকের ব্যবস্থাপনায় পরিবহন নিশ্চিত করা; চাকরিরত শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হলে সরকারি কর্মচারীদের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং বিভিন্ন উৎসবে ছুটি অথবা কারখানা বন্ধ বা খোলার সাথে সরকারের লকডাউন ঘোষণার সঙ্গে ও পরিবহন চলাচলের সমন্বয় করতে হবে।

আরও পড়ুন:


১১ তারিখ থেকে যানবাহন চলবে যে নিয়মে

৭, ৮, ৯ আগস্ট ভ্যাকসিন নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছি: মোজাম্মেল হক

১১ আগস্টের পর ভ্যাকসিন ছাড়া ঘোরাফেরা করলে শাস্তি


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

বিচার চাওয়ার অধিকার পর্যন্ত জিয়াউর রহমান কেড়ে নিয়েছিলেন: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিচার চাওয়ার অধিকার পর্যন্ত জিয়াউর রহমান কেড়ে নিয়েছিলেন: কাদের

বিএনপি কথায় কথায় মানবাধিকারের কথা বলে, গণতন্ত্রের কথা বলে, অথচ সপরিবারে জাতিরপিতাকে হত্যার একুশ বছর পর্যন্ত আমরা কোন বিচারই চাইতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিচার চাওয়ার অধিকার পর্যন্ত জিয়াউর রহমান কেড়ে নিয়েছিলেন। আর এখন মিষ্টি মিষ্টি কথায় নতুন ইতিহাসের প্রলাপ বকছেন।

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) সকালে মন্ত্রী তাঁর বাসভবনে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে বহুদলীয় তামাশা আর কারফিউ গণতন্ত্রের চালু করেছিলেন জিয়াউর রহমান, ক্ষমতায় থেকে প্রহসনের নির্বাচন করেছিলেন। হ্যাঁ - না ভোটের মাধ্যমে এদেশের নির্বাচনের ইতিহাসকে কলংকিত করেছে জিয়াউর রহমান।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আগস্ট মাস এলেই বিএনপি রক্তাক্ত অতীতের অন্তর্জালা নিয়ে অস্থির হয়ে পড়ে। বিএনপি আজ আষাঢ়ে গল্প ফেঁদেছে। বঙ্গবন্ধু হত্যায় নাকি আওয়ামী লীগ জড়িত এবং সরকার নাকি জিয়াউর রহমানের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে চাইছে - বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্য অনেকটা ঠাকুর ঘরে কে রে, আমি কলা খাইনা'র মতো বলে মনে করেন ওবায়দুল কাদের। 

বঙ্গবন্ধু হত্যার কুশীলব কারা তা এখন জাতির কাছে স্পষ্ট উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন - কারা হত্যাকান্ডের বেনিফিশিয়ারী, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর খুনী মোশতাক কাকে সেনাপ্রধান করেছিলো, জিয়ার ভূমিকা কি ছিলো,খুনীরা হত্যাকান্ড ঘটিয়ে কার কাছে রিপোর্ট করেছিলো, তখন জিয়ার মন্তব্য কি ছিলো? এসব ঐতিহাসিক সত্য বিএনপি নেতারা নতুন করে বাকপটুতায় ধামাচাপা দেওয়ার নির্লজ্জ ব্যর্থ চেষ্টা করছে, যা করেও কোন লাভ নেই। বিএনপির "শীবের গীত" জনগণের কাছে এখন পরিস্কার বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। 

বঙ্গবন্ধুর খুনীদের কারা নিরাপদে  বিদেশে চলে যেতে সহযোগিতা করেছিলো? কারা পূনর্বাসন ও পরস্কৃত করেছিলো, দূতাবাসে কে চাকরি দিয়েছিলো,- এসব প্রশ্নের জবাব চেয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন তা না হলে জিয়াউর রহমানকে "ধোয়া তুলসি পাতা" বানানোর অপচেষ্টা জনগণ কখনো মেনে নেবে না।

রক্তমূল্যে অর্জিত স্বাধীন দেশের সংবিধানে খুনীদের রক্ষায় ইনডেমনিটির বিধান ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে কে সংযোজন করেছিলেন? ওবায়দুল কাদের আবারও বিএনপি মহাসচিবের কাছে জানতে চেয়ে বলেন জিয়াউর রহমান যদি এতই নিস্পাপ হয় তাহলে বিচার বন্ধ করলেন কেন? ওবায়দুল কাদের এতসব প্রশ্নের জবাব নিশ্চয়ই বিএনপি দিতে পারবে না বলেও মনে করেন।

আরও পড়ুন


বরিশাল শেবাচিমে অক্সিজেনের দাবীতে বাসদের বিক্ষোভ

টিকা নিন নইলে বেতন বন্ধ: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়

হেলেনা জাহাঙ্গীরের আরও ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

আবারও বাড়ল লকডাউন


ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা জিয়ার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে যাবো কেন?  সময়ের ধারাবাহিকতায় চুল-চেরা বিশ্লেষণের মাধ্যমে ইতিহাসই যার যার স্থান নির্ধারণ করে দেয়। তিনি বলেন ইতিহাসের ভিলেনকে জোর করে ইতিহাসের নায়ক বানানো যায় না।

এদেশের রাজনীতিতে খুন এবং হত্যাকান্ডের চর্চা বিএনপির নিজস্ব পেটেন্ট  উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন তারা এখনো হত্যার রাজনীতি ছাড়তে পারেনি,তার প্রমাণ ১৫ আগস্ট, ৩রা নভেম্বর ও ২১ আগস্ট।

বিএনপি রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে হাওয়া ভবন থেকে গ্রেনেড হামলার নির্দেশনা  ও  মনিটরিং করে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন বেগম জিয়া সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা নাকি বেনিটি ব্যাগে করে বোমা নিয়ে গিয়েছিলেন! তিনি প্রশ্ন রেখে আরও বলেন তাহলে জজ মিয়া নাটক কেন সাজিয়েছিলেন? কেন হত্যাকান্ডের আলামত নষ্ট করেছিলেন?

ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন আওয়ামী লীগকে নসিহত না করে আগে নিজেরা পরিশুদ্ধ হোন। 

আওয়ামী লীগ জন্মলগ্ন থেকে জনমানুষের রাজনীতি করে, মানুষের চোখের ভাষা ও মনের ভাষা বুঝেই শেখ হাসিনা রাজনীতি করছেন এবং সরকার পরিচালনা করছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন বিএনপি নিজেদের দর্গন্ধময় ইতিহাস থেকে বেরিয়ে আসুক, যদি তারা সত্যিকার অর্থে এদেশে সুস্স্থ্যধারার রাজনীতি করতে চায়।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

আমি আপনাদের পাশে আছি : যুবলীগ নেতা বদিউল আলম

অনলাইন ডেস্ক

আমি আপনাদের পাশে আছি : যুবলীগ নেতা বদিউল আলম

চট্টগ্রামের পটিয়ার জিরি ইউনিয়নের ৪ ও ৫নং ওয়ার্ডের জনসাধারণের মাঝে আপদকালীন ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ বদিউল আলম। সোমবার তিনি এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

এ সময় বদিউল আলম বলেন, আমি আপনাদের জন্য রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার পক্ষে উপহার সামগ্রী নিয়ে এসেছি। আপনারা জানেন আমার নেত্রী বিশ্ব মানবতার জননী। আমার নেত্রী ১০ লক্ষাধিক বিপদগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেন, তাদের অন্ন বস্ত্র বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। দেশের যেকোনো দুর্যোগ দুঃসময়ে মানুষের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমার নেত্রী জনগণের সেবার রাজনীতি করেন। আমার নেত্রী নির্দেশ দিয়েছেন বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। খাবার, চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সব কিছু পৌঁছে দিতে হবে।

তিনি বলেন, আমি গত ৪১ বছর ধরে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করি। এই রাজনীতির জন্য জেল জুলুমসহ নানান নির্যাতনের শিকার হয়েছি। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে মানুষের জন্য রাজনীতি করি, মানুষের সেবার কাজ করছি। আজ শোকাবহ আগস্টের দ্বিতীয় দিন। এই দিনে আমি ১৫ই আগস্টের সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। এখন বিশ্বব্যাপী একটা খারাপ সময় চলছে। করোনা পুরো বিশ্বকে আক্রান্ত করে দিয়েছে। আপনারা এই আপদকালীন সময়ে সরকারি বিধিনিষেধ মেনে চলুন, ঘরে থাকুন। আমি আপনাদের পাশে আছি। আমার দলের নেতাকর্মীরা আপনাদের পাশে আছেন।

তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের সকল মানুষের জন্য টিকার ব্যবস্থা করেছেন। আপনারা আগামী ৭ তারিখ থেকে ইউনিয়ন টিকা কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নিবেন। এই টিকা সম্পূর্ণ ফ্রি দিচ্ছে সরকার। টিকা কার্যক্রমে কোনো টাকার লেনদেন করবেন না। টিকা নিয়ে কেউ কোনো হয়রানির শিকার হলে আমাকে জানাবেন।

এ সময় জিরি ইউনিয়নের ৫নং ওয়াড়ের জনগণের মাঝে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, লবণ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ শাড়ি লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন:


করোনায় আক্রান্ত কনডেম সেলের ফাঁসির আসামি

টিকা নিলে কমে মৃত্যু ঝুঁকি: আইইডিসিআর

করোনা: কুষ্টিয়ায় একদিনে ৯ জনের মৃত্যু

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ টিকা প্রয়োগ শুরু


 

পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা মো সাহাব উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, পটিয়া উপজেলা যুবলীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রিটন বড়ুয়া, পটিয়া উপজেলা যুবলীগ নেতা আব্দুর করিম ইমন, সাহাবউদ্দিন সাদি, পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাজ্জাদ হোসাইন, পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা টিটু। এ ছাড়া স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ওবায়দুল কাদেরের বাড়ির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

অনলাইন ডেস্ক

ওবায়দুল কাদেরের বাড়ির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের গ্রামের বাড়ির সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে ৫টি অবিস্ফোরিত ককটেল ও ১ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ১নম্বর ওয়ার্ডের বড় রাজাপুর গ্রামের বসুরহাট টু দাগনভূঞা সড়কে এ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার  বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সুপ্রভাত চাকমা ঘটনাস্থলে রয়েছে। তবে কে বা কারা দিনে দুপুরে এ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়েছে এ বিষয়ে ওসি কিছু জানাতে পারেননি।

আরও পড়ুন:


করোনায় আক্রান্ত কনডেম সেলের ফাঁসির আসামি

টিকা নিলে কমে মৃত্যু ঝুঁকি: আইইডিসিআর

করোনা: কুষ্টিয়ায় একদিনে ৯ জনের মৃত্যু


 

ওসি সাইফুদ্দিন জানিয়েছে, মন্ত্রীর বাড়ির সামনে বসুরহাট টু দাগনভূঞা সড়কের ফাঁকা জায়গায় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এ ছাড়া ৫টি অবিস্ফোরিত ককটেল ও একটি কার্তুজ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য যারা

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য যারা

বিএনপির মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার নির্বাহী কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার নির্বাহী কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটিতে আমানউল্লাহ আমানকে আহ্বায়ক এবং আমিনুল হককে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

বিএনপি-ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার ৪৭ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঢাকা মহানগর উত্তর আহ্বায়ক কমিটি   
১. আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান
২. যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আলী নকি গুলশান
৩. যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার তেজগাঁও
৪. যুগ্ম আহবায়ক আতিকুল ইসলাম মতিন মোহাম্মদপুর
৫. যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন বিমানবন্দর
৬. যুগ্ম আহবায়ক ফেরদৌসি আহমেদ মিষ্টি সাবেক কাউন্সিলর
৭. যুগ্ম আহবায়ক এ জি এম শামসুল হক বাড্ডা
৮. যুগ্ম আহবায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন মতি কাফরুল
৯. যুগ্ম আহবায়ক আতাউর রহমান চেয়ারম্যান ভাটারা
১০. যুগ্ম আহবায়ক আক্তার হোসেন খিলক্ষেত
১১. যুগ্ম আহবায়ক গোলাম মোস্তফা তুরাগ
১২. সদস্য সচিব আমিনুল হক রুপনগর
১৩. সদস্য তাবিথ আউয়াল গুলশান
১৪. সদস্য ফয়েজ আহমেদ ফরু রামপুরা
১৫. সদস্য শাহিনুর আলম মারফত খিলক্ষেত
১৬. সদস্য আলহাজ্ব আবুল হাসেম আদাবর
১৭. সদস্য মাহফুজুর রহমান বাড্ডা
১৮. সদস্য আলাউদ্দিন সরকার টিপু বিমানবন্দর
১৯. সদস্য তুহিনুল ইসলাম তুহিন বাড্ডা
২০. সদস্য হাফিজুর রহমান ছাগির উত্তরা পশ্চিম
২১. সদস্য সোহেল রহমান মোহাম্মদপুর
২২. সদস্য এ্যাড: মোঃ আক্তারুজ্জামান আদাবর
২৩. সদস্য আবুল হোসেন আব্দুল মিরপুর
২৪. সদস্য মোঃ শাহ্ আলম শেরে-বাংলানগর
২৫. সদস্য এল রহমান তেজগাঁও
২৬. সদস্য আফাজ উদ্দিন উত্তরা পশ্চিম
২৭. সদস্য আহসান হাবিব মোল্লা উত্তর খান
২৮. সদস্য সালাম সরকার উত্তরা পূর্ব
২৯. সদস্য গোলাম কিবরিয়া মাখন ভাষাণটেক
৩০. সদস্য এ বি এম রাজ্জাক মিরপুর
৩১. সদস্য তারিকুল ইসলাম তালুকদার ক্যান্টনমেন্ট
৩২. সদস্য হাজী মো. ইউসুফ মোহাম্মদপুর
৩৩. সদস্য আলী আকবর আলী দক্ষিণ খান
৩৪. সদস্য আহসান উল্লা চৌধুরী হাসান কাফরুল
৩৫. সদস্য মিজানুর রহমান বাচ্চু বনানী
৩৬. সদস্য হুমায়ন কবির রওশন শাহ আলী
৩৭. সদস্য আমজাদ হোসেন মোল্লা রূপনগর
৩৮. সদস্য রেজাউর রহমান ফাহিম বনানী
৩৯. সদস্য মাহবুব আলম মন্টু পল্লবী
৪০. সদস্য হাফিজুর হাসান শুভ্র দারুস-সালাম
৪১. সদস্য জাহাঙ্গীর মোল্লা বাড্ডা
৪২. সদস্য আজহারুল ইসলাম সেলিম ভাটারা
৪৩. সদস্য শফিকুল ইসলাম শাহিন গুলশান
৪৪. সদস্য আফতাব উদ্দিন জসিম শেরে-বাংলানগর
৪৫. সদস্য মো. হানিফ মিয়া শাহ্ আলী
৪৬. সদস্য মো. মোজাম্মেল হোসেন সেলিম তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল
৪৭. সদস্য মো. জিয়াউর রহমান জিয়া মিরপুর

বিস্তারিত আসছে...

পরবর্তী খবর