সেই বৃদ্ধকে এবার চাল দিলেন কাদের মির্জা

আকবর হোসেন সোহাগ, নোয়াখালী

সেই বৃদ্ধকে এবার চাল দিলেন কাদের মির্জা

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভা চত্বরে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ত্রাণ (শাড়ি-লুঙ্গি) নিতে এসে মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ‘ঘুষি’ খাওয়া এনামুল হক কালু নামের সেই বৃদ্ধ এবার মেয়রের তরফ থেকেই চাল পেয়েছেন।

রোববার (১৮ জুলাই) সকালে বসুরহাট পৌরসভা চত্বরে ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে সেই বৃদ্ধের হাতে ১০ কেজি চাল তুলে দেন মেয়র। তার পাশাপাশি আরও দুস্থ-দরিদ্রকে চাল উপহার দেন মেয়র।

এর আগে গত শুক্রবার (১৬ জুলাই) সকালে ঈদ উপহারের ত্রাণ বিতরণ করেন কাদের মির্জা। সেই অনুষ্ঠানের ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বৃদ্ধ কালুকে একটি শাড়ি দেন মেয়র কাদের মির্জা, তিনি সেটা পরিবর্তন করতে চাইলে তাকে ঘুষি মেরে সরিয়ে দেন মেয়র। পরে ‘ত্রাণ নিতে আসা বৃদ্ধকে ঘুষি মারলেন কাদের মির্জা’ শিরোনামে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবরটি প্রকাশ হয়।এরপর সেই বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার (১৬ জুলাই) রাত ৯টা ৪০ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। 

স্ট্যাটাসে কাদের মির্জা লেখেন, ‘প্রিয় দেশবাসী, আপনারা জানেন মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউনে জনজীবন অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে আমি আমার পৌরসভা থেকে নিম্ন আয়ের অসহায় মানুষদের জন্য বিভিন্ন সহযোগিতা করে আসছি। এর আগেও আমি সর্বদা চেষ্টা করতাম, অসহায় গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে থাকতে। আমার পৌরসভা ও আমার ব্যক্তিগত পক্ষ হতে, আমি শুধু কোম্পানীগঞ্জ নয়, কবিরহাট, দাগনভূঞা, সোনাগাজী, সেনবাগসহ বিভিন্ন জনপদের অসহায় মানুষদের সহযোগিতা করে আসছি। কখনও কোনো মানুষ সাহায্য প্রত্যাশা করে আমার কাছ থেকে খালি হাতে ফিরে যায়নি। 

আজও আমার পৌরসভাতে অসহায় মানুষদের এক হাজারের বেশি শাড়ি-লুঙ্গি, পাঁচশত জনকে নগদ অর্থ ও প্রায় দুই হাজার জনের মাঝে চাউল বিতরণ করা হয়। পৌরসভার ছোট্ট আঙিনায় সহস্রাধিক মানুষ একত্রিত হয়ে যাওয়ায় দ্রুততার সাথে কাপড় বিতরণ করতে হয়েছিল। 

তাই যাদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে তাদের দ্রুত চলে যাওয়ার জন্য বলা হচ্ছিল। তখন একজন মানুষ কাপড় পাওয়ার পরও দাঁড়িয়ে থাকায় এবং একাধিকবার বলার পরও সে মাস্ক না লাগানোর কারণে তাকে দ্রুত সরে যাওয়ার জন্য হাত দিয়ে সরানো হচ্ছিল। এখানে তাকে আঘাত করা হয়নি। এ বিষয়ে তিনি কোনো আক্ষেপও করেননি। 

সহস্রাধিক মানুষের মাঝে একযোগে এতগুলো ত্রাণ বিতরণ করার সময় অজান্তে কিছু অসাবধানতা হতে পারে, এক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত কোনো কিছু করা হয়নি। আমি সব সময় অসহায় গরিব মানুষের পাশে আছি। কখনও কেউ আমার কাছে সাহায্যের জন্য এসে খালি হাতে ফিরে যায়নি। আমার সামর্থ্য অনুযায়ী আমি যতদিন বেঁচে থাকব অসহায় গরিব মানুষের সেবা করে যাব। 

প্রত্যাশা রাখব, অন্যের সমালোচনা না করে, যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় গরিব মানুষের সহযোগিতায় হাত বাড়ান।

স্ট্যাটাসের সত্যতা নিশ্চিত করে মেয়র আবদুল কাদের মির্জা  বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ  ওবায়দুল কাদের এম.পি মহোদয়ের সহযোগিতায় প্রায় ৪ হাজার অসহায় গরিব মানুষের মাঝে শাড়ি, লুঙ্গি, খাদ্য এবং নগদ অর্থ উপহার প্রদান করি।’


আরও পড়ুনঃ

গোল্ডেন পাম জয় করলেন ফরাসি নির্মাতা জুলিয়ার দুকুরনো

পাকিস্তানে আফগান রাষ্ট্রদূতের মেয়েকে অপহরণ ও নির্যাতন

সৌদি আরবে বন্ধ হচ্ছে নামাজের সময়ে দোকান বন্ধ রাখার নিয়ম

'ছাত্রলীগ সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে'


তিনি আরও বলেন, ‘সহস্রাধিক মানুষের মাঝে একযোগে এতগুলো ত্রাণ বিতরণ করার সময় অজান্তে কিছু অসাবধানতা হতে পারে, এক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত কোনো কিছু করা হয়নি। একজন মানুষ কাপড় পাওয়ার পরও দাঁড়িয়ে থাকায় এবং একাধিকবার বলার পরও মাস্ক না লাগানোর কারণে তাকে দ্রুত সরে যাওয়ার জন্য হাত দিয়ে সরানো হচ্ছিল। এখানে তাকে আঘাত করা হয়নি। এ বিষয়ে তিনি কোনো আক্ষেপও করেননি।’

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে করোনার গণটিকা কার্যক্রম সফলে চলছে প্রস্তুতি

কাজী শাহেদ, রাজশাহী

রাজশাহীতে করোনার গণটিকা কার্যক্রম সফল করতে চলছে প্রস্তুতি। ইতিমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে ১২৬টি কেন্দ্র। প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্যকর্মীদের। চাপ সামলাতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি সহায়তায় থাকবে আইন-শৃংঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা। 

আগামী শনিবার থেকে করোনার গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে উপজেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এবার এতে যুক্ত করা হয়েছে জনপ্রতিনিধিদের। প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে টিকাদানে যুক্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের।

 * জেলার ৭৩ ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র

* উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ০৯টি

* সিটি করপোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ড

* ১টি পৌরসভা (গোদাগাড়ী)

* স্থায়ী ১৩টি কেন্দ্র

আরও পড়ুন:


আবারও বাড়ল লকডাউন

জানানো হলো দোকানপাট খোলার তারিখ

টিকা নেওয়া ছাড়া কেউ অফিস-দোকান-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসতে পারবে না


রাজশাহীতে টিকা দিতে কেন্দ্র করা হচ্ছে ১২৬টি। ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রতিটি কেন্দ্রে থাকবে ৩টি করে বুথ। সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছাড়াও প্রস্তুত আছে স্থায়ী ১৩ টিকাদান কেন্দ্র।

রুটিন ইপিআই কার্যক্রমে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সেজন্য স্থান ও দিনক্ষণ নির্ধারণ করবে স্থানীয় করোনা ব্যবস্থাপনা কমিটি। চাপ সামলাতে সহায়তায় থাকবে স্থানীয় প্রশাসন।

 টিকার প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। তবে বয়স্ক ও নারীদের অগ্রাধিকার দিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে কেন্দ্রগুলোতে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

নাটোরে কমছে কাঠকরবী ফুলের গাছ

নাসিম উদ্দীন নাসিম, নাটোর

নাটোরে কমছে কাঠকরবী ফুলের গাছ

পাঁচ পাপড়ির সাদা ফুল, ভেতরের দিকে হলুদ আভা। গাছের উঁচু ডালে লম্বা সবুজ পাতার মধ্যে উঁকি দেয় থোকায় থোকায়, সঙ্গে মিষ্টি গন্ধ। ফুলটির নাম কাঠকরবী বা কাঠগোলাপ। নান্দনিক আভিজাত্য সম্পন্ন এই ফুলটি সকলের বেশ পরিচিত। কাঠকরবীর আগমনকাল বেশ প্রাচীন, যার প্রমাণ পাওয়া যায় নাটোর রাজবাড়ির গাছগুলোর দিকে তাকালে। নাটোর শহরের বিভিন্ন জায়গায় এক সময় প্রচুর পরিমাণে কাঠগোলাপ গাছ দেখা গেলেও, কালের আর্বতে বিলুপ্তির পথে আজ কাঠকরবী। কাঠকরবী নামে পরিচতি ফুলটি কয়েক রকমের দেখতে। কোনটা একেবারেই সাদা। আবার কোনটা হলুদ। তবে হলুদ আভায় রাজকীয়ভাব নিয়ে থাকা এই জাতটিই নাটোরে বেশি দেখা যায়।

নাটোরের অনেক ইতিহাসের সাক্ষি হয়ে থাকা এই গাছগুলো নীরবেই হারিয়ে যাচ্ছে, সেদিকে কোনো খেয়ালই নেই কারোও। খোদ যাদের হাতে দায়িত্ব সেই হর্টিকালচারের কাছেই নেই কাঠকরবীকে সংরক্ষণ করার কোনো উদ্যোগ।

ইতিপূর্বে নাটোর পৌরসভার, নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা কলেজ, মহারাজা হাইস্কুলের সামনে, অনেক মন্দিরের আঙিনায়, লালবাজার, হরেনের মোড়, উপরবাজার পৌর ভূমি অফিসের সামনে, কাপুড়িয়াপট্টি, ঘোষপাড়া ও পুরাতন জেলখানার সামনে কাঠকরবির গাছ ছিল।বর্তমানে দেখা মিলছে না কাঠকরবী গাছের। এখন বিলুপ্ত প্রায় সেইসব স্থানের ফুল গাছগুলো। চোখে পড়ে কেবল রানীভবানীর রাজবাড়িসহ কিছু জায়গায়। রাজবাড়ির গেটের সামনে ও ভেতরে কয়েকটি কাঠকরবি ফুলগাছ দেখা যায়।

নাটোর হর্টিকালচার সেন্টারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেখানে কাঠকরবি ফুলগাছ বা চারা পাওয়া যায় না। তবে শহরের চকরামপুরের সুমি নার্সারিতে খোঁজ নিয়ে চারা পাওয়া গেল। নার্সারির মালিক জানালেন- খুব কম চলে এই কাঠকরবি ফুলের চারা। তাই তেমন একটা উৎপাদন করা হয় না।

শীতকালে এই বৃক্ষ পাতা শূন্য থাকে, দেখে মনে হয় যেন কোনো শিল্পীর হাতে আঁকা নিপুন ভাস্কর্য। শীত পেরিয়ে বসন্ত এলেও ফুল শূন্য নৈপুন্য কায়ায় ঘুমন্ত থাকে। নতুন কুঁড়ি জাগে চৈত্রের শেষাংশে। ধীরেধীরে প্রস্ফুটিত হতে থাকে নতুন পাতা। তারপর শুরু হয় ২-১টা করে ফুল ফোটা। খুব অল্প সময়েই গোটা গাছ ফুলে ছেয়ে যায়।

গাছের ডালের উপরাংশে থোকায় থোকায় ফুল আর ফুলের নিচের অংশে থাকে পাতা। ভোরের স্নিদ্ধতা যে কারও নজর কাড়ে খুব সহজেই। দেখে মনে হয় কোনো কৃষক যেন তার নিজ হাতে তৈরি করে চলেছে এই ফুলের তোরা। তবে লাল রঙের প্রজাতির ফুলগুলো বিশেষ আকর্ষণ করে। পথচারীর ক্লান্ত দৃষ্টি জুড়িয়ে নিতে পারে এক পলকেই। পথিকের মন উদাস করার অসম্ভব ক্ষমতা আছে এই ফুলের গন্ধে। হালকা বাতাসেই ঝরে পড়ে ফুলগুলো, গাছতলায় ঝরা ফুলের সমাহার দেখে মনে হতে পারে ফুলের বাসর। গাছতলায় শুভ্রতায় ভরে যায়।

পূজা-অর্চনাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সাজানো এবং মেয়েদের খোপায় স্থান করে নেয়া এই ফুলটিকে আশঙ্কাজনক হারে হারানোর আগেই রক্ষার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে মনে করেন নাটোরের সচেতন মানুষ।

আবার অনেকেই মনে করেন যেহেতু গাছের ডাল লাগালেই নতুন গাছ হয় সেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত অবস্থান থেকেও অনেকে গাছটি লাগাতে পারেন এবং বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে ভুমিকা রাখতে পারেন।

জয় কালিবাড়ির পুরোহিত নিধু চক্রবর্তী জানান, গাছটির নানা অংশের ওষুধি গুণ রয়েছে। নারিকেল তেলের সাথে এই গাছের কষ চর্ম রোগের মহৌষধ। এই ফুল মেয়েদের বাধক সুতিকা রোগের জন্য প্রযোজ্য।

পূজার্চনায় বিশেষ প্রয়োজন হয় এই ফুলের তিনি আরও বলেন, এই ফুল গাছের দেখা বর্তমানে তেমন একটা মিলছে না । তবে রাজবাড়িতে এখনো এই ফুলের কয়েকটি গাছ আছে, তার মধ্যে তারকেশ্বর মন্দিরের পাশে গঙ্গাস্নান ঘাটের কাছে গাছটি কয়েকদিন আগে ঝরে পড়ে গেছে গাছটি দ্রুত রক্ষা করা দরকার।

রোজী মোজাম্মেল মহিলা ডিগ্রি কলেজের বোটানিক বিভাগের অধ্যাপক সায়মা চৌধুরী রোশনী জানান, কাঠকরবি গাছ আকারে মাঝারি, লম্বায় সাধারণত ১২-৩০ ফুট হয়। আলতো নরম ভঙ্গুরশাখা-প্রশাখা ছড়ানো-ছিটানো থাকে। কষ হয় দুধ রঙের। পাতা বেশ বড় ও লম্বা।

৫টি ছড়ানো পাপড়ির ফুলগুচ্ছ ৫-৮ ইঞ্চি চওড়া হয়। পাপড়ির কেন্দ্রে কিছুটা হলদে বা কমলা রঙের স্পর্শ থাকে। ডাল থেকেই জন্ম হয়। পশ্চিমা দেশের এই প্রজাতি, নাটোরে আগমন ঘটে রাজপরিবারের হাত ধরে। সেই সুবাদে একে রাজকীয় ফুল বলা চলে। নাটোরে এই ফুলটি কাঠকরবি নামে পরিচিত। তবে স্থান ভেদে এই ফুলটিকে নানা নামে ডাকা হয়। মূলত কাঠকরবির বহু প্রজাতির ও এটা বিচিত্র হয়ে থাকে।

জানা যায়, মেক্সিকো থেকে এই ফুলের চারা আনা হয়েছিল। যতদূর জানা যায় নাটোরে এই ফুল এনেছিলেন রাজা যোগেন্দ্রনাথ রায় বাহাদুর। কয়েক বছর আগেও এই ফুল গাছ চোখে পরতো শহরে বিভিন্ন জায়গায়। কিছু প্রজাপতির কাঠকরবি ফুল আছে যেগুলো সারা বছরই ফোটে। তবে ইদানিং এই ফুলগাছ বিলুপ্ত প্রায়। আগের তুলনায় এই কাঠকরবি ফুলগাছ অনেকাংশেই কমে যাচ্ছে। তবে হর্টিকালচার সেন্টার এই প্রজাতির ফুল গাছগুলো সংরক্ষণ, পর্যবেক্ষণ ও প্রসার করতে পারে বলে তিনি মনে করেন। রাজপরিবারের হাত ধরে আগমন ঘটলেও এখনও সেই রাজকীয় ভাব গাম্ভীর্যের ধরে রেখেছে কাঠকরবী।

আরও পড়ুন:


১১ তারিখ থেকে যানবাহন চলবে যে নিয়মে

৭, ৮, ৯ আগস্ট ভ্যাকসিন নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছি: মোজাম্মেল হক

১১ আগস্টের পর ভ্যাকসিন ছাড়া ঘোরাফেরা করলে শাস্তি


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

সিআরবিতে হাসপাতাল হতে দেওয়া হবে না: চসিক মেয়র

অনলাইন ডেস্ক

সিআরবিতে হাসপাতাল হতে দেওয়া হবে না: চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, সিআরবির প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস করে কোনোভাবে হাসপাতাল হতে পারে না। হাসপাতালের জন্য জায়গা লাগলে সিটি করপোরেশন দিতে প্রস্তুত। কিন্তু সিআরবিতে হাসপাতাল হতে দেওয়া হবে না।

আজ দুপুরে সিআরবি রক্ষায় আন্দোলনে থাকা নাগরিক সমাজ, চট্টগ্রামের একটি প্রতিনিধি দল মেয়র রেজাউল করিমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি একথা বলেন।

এ সময় নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে হাসপাতাল নির্মাণ বন্ধে হস্তক্ষেপ কামনা করে একটি চিঠিও দেওয়া হয়।

সংগঠনটির প্রতিনিধি দলে ছিলেন সংগঠনের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম চৌধুরী বাবুল, কো-চেয়ারম্যান মো. ইউনুস, মফিজুর রহমান, যুগ্ম সদস্য সচিব মহসিন কাজী প্রমুখ।

আরও পড়ুন:


আবারও বাড়ল লকডাউন

জানানো হলো দোকানপাট খোলার তারিখ

টিকা নেওয়া ছাড়া কেউ অফিস-দোকান-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসতে পারবে না


সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে গত ৯ জুলাই সমকালে 'চট্টগ্রামের "ফুসফুসে' গাছ কেটে হাসপাতাল"-শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে সিআরবি রক্ষায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে ওঠে। চট্টগ্রামসহ সারাদেশের মানুষ সিআরবি থেকে হাসপাতাল সরিয়ে নিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে ৪ মৃত্যু

মনিরুল ইসলাম মনি, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে ৪ মৃত্যু

করোনা ডেডিকেটেড সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘন্টায় উপসর্গ নিয়ে দুই নারীসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটির উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৫৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৮৫ জন। 

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০৪ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ৩১ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। যা শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এনিয়ে, জেলায় আজ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৭৮৯ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৫৭৫ জন। 

এদিকে, ভাইরাসের কারণে পাঁচদিন বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হয়েছে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আরটিপিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা।  

সাতক্ষীরা মেডিকেলের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডা. অভিজিৎ বিশ্বাস জানান, আরটিপিসিআর ল্যাবে ধারণ ক্ষমতার বাইরে কাজ করা হয়েছে। এই ল্যাবের স্বাভাবিক পরীক্ষণ ক্ষমতা দিনে ৯৪টি। অথচ দিনে ৪শতাধিক পরীক্ষা করা হয়েছে। যে কারণে ভাইরাসে পরিপূর্ণ হয়ে গিয়েছিল ল্যাবটি। পাঁচদিন জীবানুমুক্ত করার পরে আবারও কাজ শুরু করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:


আবারও বাড়ল লকডাউন

জানানো হলো দোকানপাট খোলার তারিখ

টিকা নেওয়া ছাড়া কেউ অফিস-দোকান-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসতে পারবে না


সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, জেলায় বর্তমানে সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতালে মোট ২১৬ জন করোনা রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকীরা হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রংপুরে নিখোঁজের ৯ দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার

রেজাউল করিম মানিক, রংপুর

রংপুরে নিখোঁজের ৯ দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার

রংপুরের কাউনিয়ায় নিখোঁজের ৯ দিন পর তিস্তা নদী থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর