যে বাঙালি আলেম হজের খুতবা অনুবাদ করবেন

অনলাইন ডেস্ক

যে বাঙালি আলেম হজের খুতবা অনুবাদ করবেন

পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। গত বছরের মতো এবারও সীমিত আকারে পালন করা হচ্ছে হজ। হজ পালন করতে কয়েক হাজার মুসল্লি আরাফাতের ময়দানে জড়ো হয়েছেন। 

এবারে হজের খুতবা বাংলাসহ মোট ১০টি ভাষায় অনুদিত হবে এবং দু’টি প্লাটফর্মে সেটি সম্প্রচার করা হবে বলে জানিয়েছেন সৌদির পবিত্র দুই মসজিদের পরিচালনা বিভাগের প্রধান শায়খ ড. আবদুর রহমান আল সুদাইস।

বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কাছে হজের খুতবা পৌঁছে দিতে সৌদি আরব সরকার এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলেও তিনি জানান।

এদিকে অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও হজের খুতবা বাংলায় অনুবাদ করা হবে। বাংলার পাশাপাশি আরও নয়টি ভাষায় অনুদিত হবে খুতবা।

হজের খুতবার বাংলা অনুবাদক হিসেবে এ বছর মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশের মাওলানা আ.ফ.ম ওয়াহীদুর রহমান। তার জন্ম কক্সবাজার জেলায়। তিনি বর্তমানে মক্কা ইসলামী সেন্টারে দাঈ হিসেবে কাজ করছেন। 

পবিত্র দুই মসজিদের খাদেম কর্তৃক গৃহীত হারামাইন শরীফাইন ও আরাফার খুতবার তাৎক্ষনিক অনুবাদ প্রকল্পের অংশ হিসেবে মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববী পরিচালনা পরিষদ এ তথ্য জানিয়েছে।

আরও পড়ুন:

কোরবানী যাদের উপর ওয়াজিব

নেলসন ম্যান্ডেলার অবাক করা কিছু অজানা তথ্য

শঙ্কা কাটিয়ে আবারও শুটিংয়ে ফিরছেন পরীমণি

বাংলা ভাষা সহ আরও নয়টি ভাষায় সম্প্রচারিত হবে হজের খুতবা, তা  হলো- ইংরেজি, ফ্রেন্স, তুর্কি, মালাইউ, চায়নিজ, উর্দু, ফার্সি, রাশিয়ান ও হাউসা।

করোনা মহামারী শুরুর আগে প্রতি বছর প্রায় ২৫ লাখ মানুষ হজ করতেন। গত দু'বছর ধরে করোনা মহামারীর কারণে বড় ধরনের সমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ করা হয় বিদেশি হজ যাত্রীদেরও।

news24bd.tv রিমু

পরবর্তী খবর

সূরা আল নাসের বাংলা অনুবাদ

অনলাইন ডেস্ক

সূরা আল নাসের বাংলা অনুবাদ

পবিত্র কোরআন শরীফের সর্বশেষ সূরা আল নাস। এই সূরার আয়াত সংখ্যা ৬, এতে রুকু আছে ১টি। সূরা আল নাস মদিনায় অবতীর্ণ হয়। 

সূরা আল নাসের আরবি উচ্চারণসহ বাংলা অনুবাদ:

بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ
কুল আউযু বিরাব্বিন নাস
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার,

مَلِكِ النَّاسِ
মালিকিন্ নাস
মানুষের অধিপতির।

إِلَهِ النَّاسِ
ইলাহিন্ নাস
মানুষের মা’বুদের।

مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ
মিন্ শররিল ওয়াস্ ওয়াসিল খান্নাস
তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,

الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ
আল্লাযী ইউওযাসবিসু ফী ছুদুরিন্নাস
যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে।

مِنَ الْجِنَّةِ وَ النَّاسِ
মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্নাস
জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।

আরও পড়ুন:


পবিত্র জুমার দিনের বিশেষ পাঁচটি বৈশিষ্ট্য

মহান আল্লাহ তা'আলা সকলকে কোরআন পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন। 

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

পবিত্র জুমার দিনের বিশেষ পাঁচটি বৈশিষ্ট্য

মুফতি মুহাম্মদ ওসমান সাদেক

পবিত্র জুমার দিনের বিশেষ পাঁচটি বৈশিষ্ট্য

আল্লাহ রাত ও দিনকে সৃষ্টি করেছেন। সব দিনের মধ্যে জুমাবার বা শুক্রবারকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। কোরআন ও হাদিসে এই দিনের বিশেষ সম্মান ও মর্যাদা বর্ণিত হয়েছে।

জুমার দিনের পাঁচ বৈশিষ্ট্য : সৃষ্টিজগতের শুরু থেকে জুমার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। আবু লুবাবা বিন আবদুল মুনজির (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) জুমার দিনের পাঁচটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন। তা হলো—এক. আল্লাহ তাআলা এদিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করেছেন, দুই. আল্লাহ তাআলা এই দিনে আদম (আ.)-কে জমিনে অবতরণ করিয়েছেন, তিন. এই দিনে আদম (আ.)-কে মৃত্যু দিয়েছেন, চার. এই দিনে এমন সময় আছে যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা কিছুই প্রার্থনা করবে তিনি তা দেবেন। যতক্ষণ না সে হারাম কিছু প্রার্থনা করবে না, পাঁচ. এই দিনে কিয়ামত সংঘটিত হবে।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৮৯৫)

জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদা : মহান আল্লাহর কাছে জুমাবারের বিশেষ মর্যাদা আছে। শেষনবী মুহাম্মদ (সা.)-এর উম্মতের জন্য এই দিনটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, আল্লাহ তাআলা আগের জাতিদের কাছে জুমার মর্যাদা অজ্ঞাত রাখেন। তাই ইহুদিরা শনিবার নির্ধারণ করে। আর খ্রিস্টানরা রবিবার নির্ধারণ করে। অতঃপর আমরা আসি। আমাদের তিনি জুমার দিনের মর্যাদা প্রকাশ করেন।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৮৫৬)
জুমার দিন পুরো বছর নামাজের সওয়াব : জুমার দিন গোসল করা ও আগে আগে মসজিদে যাওয়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। আউস বিন আউস সাকাফি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালো করে গোসল করল, দ্রুততর সময়ে মসজিদে গেল ও (ইমামের) কাছাকাছি বসে মনোযোগ দিয়ে (খুতবা) শুনল, তাঁর জন্য প্রতি কদমের বদলে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব থাকবে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৪৫)

মসজিদে প্রথমে প্রবেশের সওয়াব : জুমার দিন মসজিদে আগে প্রবেশ করা ও মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনার বিশেষ গুরুত্ব আছে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, অতঃপর প্রথমে মসজিদে গেল সে যেন একটি উট কোরবানি করল। যে এরপর মসজিদে গেল সে যেন একটি গরু কোরবানি করল। আর যে এপর ঢুকল সে যেন ছাগল কোরবানি করল, এরপর যে ঢুকল সে যেন মুরগি কোরবানি করল, আর যে এরপর ঢুকল সে ডিম সদকা করল। অতঃপর ইমাম খুতবার জন্য এলে ফেরেশতারা আলোচনা শোনা শুরু করে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৪১)

আরও পড়ুন:


বান্দরবানে ভারী বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কা

পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলে ‘বাংলা' রাখার অনুরোধ মুখ্যমন্ত্রী মমতার

গুনাহ মাফ হয় : সালমান ফারসি থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, সাধ্যমতো পবিত্র হলো, তেল ব্যবহার করল, ঘর থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করল, অতঃপর মসজিদে এলো, সেখানে দুজন মুসল্লির মধ্যে ফাঁক করে সামনে এগিয়ে যায় না, নির্দিষ্ট পরিমাণ নামাজ পড়ল, অতঃপর ইমাম কথা শুরু করলে চুপ থাকল; তাহলে আল্লাহ তাআলা তাঁর দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ মাফ করবেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৮৩)

জুমার দিন দোয়া কবুলের সময় : জুমার দিন একটি সময় আছে যখন মানুষ আল্লাহর কাছে কোনো দোয়া করলে আল্লাহ তা কবুল করেন। জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘জুমার দিন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে ভালো কিছুর দোয়া করলে আল্লাহ তাকে তা দেন। তোমরা সময়টি আসরের পর অনুসন্ধান করো।’ (আবু দাউদ, হাদিস নম্বর : ১০৪৮)

news24bd.tv রিমু

পরবর্তী খবর

নামাজে দুই সিজদার মাঝে যে দোয়া পড়তে হয়

অনলাইন ডেস্ক

নামাজে দুই সিজদার মাঝে যে দোয়া পড়তে হয়

নামাজ বান্দাদের জন্য মহান আল্লাহ তাআলার অশেষ নিয়ামত। প্রতিটি নামাজ সৃষ্টিকর্তার নিয়ামতে ভরপুর। আর নামাজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আল্লাহর প্রশংসা। তাই নামাজের প্রত্যেক রুকনে দোয়া, তাসবিহ, তাহলিলের মধ্যে বান্দা আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে চায়। এ সব দোয়া ও জিকির কুরআন ও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। দুই সিজদার মধ্যবর্তী বৈঠকেও রয়েছে আল্লাহ তাসবিহ এবং দোয়া। পাঠকদের উদ্দেশে তা তুলে ধরা হলো-

সিজদার মধ্যবর্তী বৈঠকের দোয়া

হজরত ইবনে আব্বার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই সিজদার মাঝে বলতেন-
اَللّهُمَّ اغْفِرْلِيْ وَارْحَمْنِي وَاهْدِنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফিরলি, ওয়ারহামনি, ওয়াহদিনি, ওয়া আফিনি, ওয়ারযুকনি। (মুসলিম, মিশকাত)
অর্থ: হে আল্লাহ আপনি আমাকে মাফ করুন, আমাকে রহম করুন, আমাকে হেদায়েত দান করুন, আমাকে শান্তি দান করুন এবং আমাকে রিজিক দান করুন।

হজরত হুজায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই সিজদার মধ্যবর্তী বৈঠকে এ দোয়াটি পড়তেন-

 رَبِّ اغْفِرْ لِي، رَبِّ اغْفِرْ لِي
উচ্চারণ: রব্বিগফির লী, রব্বিগফির লী। (ইবনু মাজাহ, আবু দাউদ)
অর্থ: হে আমার রব্ব! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। হে আমার রব্ব! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন।

আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা, প্রত্যেক নামাজে সিজদার মধ্যবর্তী বৈঠকে আল্লাহর তাসবিহ-তাহলিল করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহর হুকুম আহকাম পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ফজিলতপূর্ণ সূরা আল নাস

অনলাইন ডেস্ক

ফজিলতপূর্ণ সূরা আল নাস

পবিত্র কোরআন শরীফের সর্বশেষ সূরা আল নাস। এই সূরার আয়াত সংখ্যা ৬, এতে রুকু আছে ১টি। সূরা আল নাস মদিনায় অবতীর্ণ হয়। 

হাদিস শরীফে সূরা নাস ও সূরা ফালাক বারবার পড়ার জন্যে তাগিদ দিয়েছে। এই দুই সূরাকে এক সঙ্গে মুআওবিযাতাইন বলা হয়। 

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘এ দুইটি সূরা তোমরা পড়তে থাক। কেননা, এ দুইটি সূরার মতো কোনো সূরা তোমরা কোনো দিন পাবে না।’ (মুসলিম ৮১৪)

ফজর আর মাগরিবে এই দুই ওয়াক্তে ফরজ সালাতের পর সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস প্রতিটি সূরা তিন বার করে পড়া সুন্নত। অন্যান্য ফরজ সালাতের আদায় করে একবার করে এই তিন সূরা পড়তে হবে। (আবু দাউদ হা: ১৩৬৩)

আরও পড়ুন:


এবার তিউনিসিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বহিষ্কার করলেন প্রেসিডেন্ট

আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে যেসব কাজে প্রতিযোগিতা করা উচিত

সূরা নাস পড়লে শয়তানের অনিষ্ট ও যাদু থেকে হেফাজতে থাকা যায়। হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যা সূরা ইখলাস ও এই দুই সূরা ( সূরা ফালাক ও সূরা নাস) পড়বে সে সকল বিপদ-আপদ থেকে নিরাপদ থাকবে।’ (জামে তিরমিযী, হাদীস: ২৯০৩)

মহান আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে নেক আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন। 

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

আয়াতুল কুরসির ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

আয়াতুল কুরসির ফজিলত

পবিত্র কোরআন মাজীদের সুরা আল বাকারার ২৫৫তম আয়াত হলো আয়াতুল কুরসি। এ আয়াতটিতে ১০টি বাক্য রয়েছে। যার প্রত্যেকটিতে আল্লাহর ক্ষমতার কথা বর্ণনা করা হয়েছে। আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে মানব জাতির অনেক কল্যাণ সাধিত হয়, বিভিন্ন বিপদ আপদ থেকে বাঁচা যায়।

এই আয়াতটিকে রাসুলুল্লাহ (সা.) কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। উবাই বিন কাব (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) উবাই বিন কাবকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তোমার দৃষ্টিতে কোরআন মাজিদের কোন আয়াতটি সর্ব শ্রেষ্ঠ? তিনি বলেছিলেন, আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুআল হাইয়্যুল কাইয়্যুম তথা আয়াতুল কুরসি। তারপর রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজ হাত দিয়ে তাঁর বুকে মৃদু আঘাত করে বলেন, আবুল মুনজির! এই জ্ঞানের কারণে তোমাকে মোবারকবাদ।  (মুসলিম, হাদিস : ১৩৯৬)

আরও পড়ুন:


এবার তিউনিসিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বহিষ্কার করলেন প্রেসিডেন্ট

মাহফুজ আনামের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সম্পাদক পরিষদ থেকে নঈম নিজামের পদত্যাগ


পবিত্র কোরআনের এই আয়াতটি এতই বরকতপূর্ণ যে রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি নামাজের পর এই আয়াত পড়বে, সে তার জান্নাতে যেতে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সূরা বাকারার মধ্যে এমন একটি আয়াত রয়েছে, যে আয়াতটি পুরো কোরআনের নেতাস্বরূপ। তা পড়ে ঘরে প্রবেশ করলে শয়তান বের হয়ে যায়। তা হলো- ‘আয়াতুল কুরসি’।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর