ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে আজও যানজট দুর্ভোগে চালক ও যাত্রীরা

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে আজও যানজট দুর্ভোগে চালক ও যাত্রীরা

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়‌কে আজও প্রায় ১৩ কি‌লো‌মিটার এলাকাজু‌ড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এ‌তে ভোগা‌ন্তি‌তে প‌ড়ে‌ছে চালক ও যাত্রীরা।

টানা কয়েক দিনের মতো আজ সোমবার সকাল থে‌কেই শুরু হয়েছে তীব্র যানজট। বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব পাড় থেকে মহাসড়কের এলেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ১৩ কি‌লো‌মিটার এলাকা জুরে এই যাননজটের সৃষ্টি হয়েছে। 

কখনও কখনও ধীর গতিতে যানবাহন চলাচল করলেও বেশির ভাগ সময়ই প্রচণ্ড গরমে ঘন্টার পর ঘন্টা গাড়িতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে চরম বিপাকে পরেছে চালক ও যাত্রীরা। নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে যেতে পারছে না তারা। এদের মধ্যে বেশি সমস্যা পরেছে নারী শিশুরা।  

পুলিশ জানান, দে‌শে লকডাউন শিথিল হওয়ায় বৃহস্প‌তিবার থে‌কে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়‌কে প‌রিবহ‌নের চাপ প্রচুর পরিমানে বে‌ড়ে গেছে। স্বাভা‌বিক সম‌য়ের চে‌য়ে মহাসড়‌কে কয়েকগুন বেশি প‌রিবহন চলাচল করছে অন্যদিকে ঢাকা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত ৪ লেন থাকলেও এলেঙ্গার পর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ২ লেন হওয়ায় যানবাহনগুলো স্বাভাবিক গতিতে চলাচল করতে পারছে না। 

এদিকে এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ৪ লেন হওয়ার কথা থাকলে কর্তৃপক্ষ এখনও ৪ লেন প্রকল্পের কাজ শুরু করেনি। ফলে যে কোন উৎসবকে কেন্দ্র করেই বছরের পর বছর যানজটের কবলে পরতে হচ্ছে উত্তর বঙ্গের ২২টি জেলার মানুষকে।

টানা ৫দিন যাবৎ উত্তর বঙ্গগামী ঈদে ঘরমুখো মানুষকে যানজটের কবলে পরতে হচ্ছে। আজ ভোর থে‌কেই কখনও কখনও যানবাহন ধীরগ‌তি‌তে চলাচল কর‌ছে আবার কিছুক্ষণ পরেই থেমে যাচ্ছে। স্বাভাবিক গতিতে গাড়ি চালাতে পারছে না চালকরা। এতে চরম দুর্ভোগ হচ্ছে ঈদে ঘরমুখো মানুষের।

এলেঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইয়াসীর আরাফাত জানান, ঢাকা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত ৪ লেন থাকলেও এলেঙ্গার পর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ২ লেন হওয়ায় যানবাহনগুলো স্বাভাবিক গতিতে চলাচল করতে পারছে না। গার্মেন্টস ছুটি হওয়ায় গাড়ির চাপ  আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। 

আরও পড়ুন


এমবাপ্পেকে দলে ভেড়ানোর পরিকল্পনা লিভারপুলের

আজ হুমায়ূন আহমেদের নবম মৃত্যুবার্ষিকী

কোরবানী যাদের উপর ওয়াজিব

খুলনায় করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে আরও ৭০ শয্যা


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

বাগেরহাটে পানিবন্দী লাখো মানুষ

ভেসে গেছে ১৭ হাজার খামারের মাছ

শেখ আহসানুল করিম, বাগেরহাট

বাগেরহাটে পানিবন্দী লাখো মানুষ

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে তিন’দিন ধরে বাগেরহাটের অবিরাম বৃষ্টিপাত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে কমে আসলেও উপকূলীয় এখনো পানিবন্দি হয়ে রয়েছে শরণখোলা উপজেলার ৭০ হাজারের অধিক মানুষসহ জেলার লাখো মানুষ।

শরণখোলা উপজেলা প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে, উপজেলার ৯০ ভাগ মানুষ এখনো পানিবন্দী। পানিবন্দী হয়ে পড়া নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষদের শুকনা খাবার দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধের মধ্যে থাকায় ও নদীর পানিতে উচ্চতা থাকায় বৃষ্টির পানি নামতে না পারায় জলাবদ্ধতা কমছে না। শুক্রবার থেকে জেলার মোংলা, রামপাল, মোরেলগঞ্জ ও বাগেরহাট সদর উপজেলার নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করলেও এখনো এসব উপজেলায় ৭০ হাজারের অধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে রয়েছে। এদিকে উপকূলীয় বাগেরহাটে টানা বৃষ্টির পানিতে ১৭ হাজার চিংড়ি ঘের ও পুকুর ভেসে গেছে। এতে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে মৎস্য বিভাগ। গত তিন দিনের টানা বর্ষণে জেলার মোংলা, রামপাল, শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ ও বাগেরহাট সদর উপজেলাতে সবচেয়ে বেশি মাছের ঘের ভেসে গেছে। গত মে বাগেরহাটে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের জোয়ারের পানিতে ৬ হাজারের অধিক মাছের ঘের ভেসে যায়। সে সময়ে চাষীদের ক্ষতি হয় ৯ কোটি টাকার।

বাগেরহাট জেলায় ছোটবড় ৬৭ হাজার মাছের ঘের রয়েছে। চলতি অর্থ বছরের ৩৩ হাজার মেট্রিক টন মাছ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে চিড়িসহ পুকুর-খামরের মাছ অথৈই পানিতে ভেঁসে যাওযায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে শংঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শরণখোলা উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা খাতুনে জান্নাত জানান, শরণখোলা উপজেলাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধের মধ্যে থাকায় ও নদীর পানিতে উচ্চতা থাকায় বৃষ্টির পানি নামতে না পারায় জলাবদ্ধতা কমছে না। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলা হচ্ছে জলাবদ্ধ পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করতে। উপজেলার ৯০ ভাগ মানুষ এখনো পানিবন্দী হয়ে রয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়া নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষদের শুকনা খাবার দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া যাদের খাবার প্রয়োজন তারা ৩৩৩ নম্বরে ফোন করলে বাড়ি খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

বাগেরহাট জেলা চিংড়ি চাষী সমিতির সভাপতি ফকির মহিতুল ইসলাম বলেন, বাগেরহাটে টানা বৃষ্টির পানিতে কয়েক হাজার মাছের ঘের ভেসে গেছে। এতে ২০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে চাষীদের। গত কয়েক বছর ধরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেন উপকূলের মানুষদের গলারকাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই উপকূলীয় জেলার আশি ভাগ মানুষ মাছ চাষের উপর নির্ভরশীল।

এই খাতের আয় দিয়ে তাদের সংসার চলে। বারবার দুর্যোগে মাছ চাষীরা সর্বশান্ত হয়ে যাচ্ছে।দেশের রপ্তানি আয়ের বড় ভূমিকা রাখে বাগেরহাট জেলা। অনেক চাষী ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঝণ নিয়ে মাছের চাষ করে থাকে। এই খাতকে টিকিয়ে রাখতে সরকারের সাহায্য দরকার। সুদমুক্ত ঝণের ব্যবস্থা করতে সরকারের দাবি জানান এই চিংড়ি চাষী নেতা।

বাগেরহাট মৎস্য বিভাগের বিভাগীয় মৎস্য কর্মকর্তা (ডিএফও) এ এস এম রাসেল বলেন, গত দুই দিনের অতি বৃষ্টি ও প্রবল জোয়ারের পানিতে জেলার ৪৭টি ইউনিয়নে ১৭ হাজার চিংড়ি ঘের ও পুকুরের মাছ পানিতে ভেসে গেছে। সব মিলিয়ে মাছের ঘের ভেসে ১১ কোটি টাকার ক্ষতির হিসাব পেয়েছি। বৃষ্টিপাতের ধারা অব্যাহত থাকলে ক্ষতির পরিমান আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এই মৎস্য কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:


বিট লবনের যত উপকার

ধানখেতে ৮ ফুট অজগর

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ম্যুরাল ভাঙচুরকারীদের গ্রেপ্তার দাবি হানিফের


 news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

বৈরী আবহাওয়ায় শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে সব ধরনের ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে কর্তৃপক্ষ। 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডাব্লিউটিসি) শিমুলিয়াঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. ফয়সাল গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিন বলেন, ‘সকাল থেকে নৌরুটে সাতটি ফেরি যোগে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার হলেও দুপুর ১২টার দিকে পদ্মায় তীব্র স্রোত ও বাতাসে নদী উত্তাল হতে শুরু করলে ফেরি চালা চলা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বাতাসের কারণে যে পর্যন্ত নদী উত্তাল থাকবে, সেই পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ থাকবে।'

ফেরি বন্ধ থাকায় এখন পর্যন্ত ঘাটে ১০০ থেকে ১৫০টি যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরিতে যাত্রী ও ব্যক্তিগত গাড়ির ভিড় ছিল। করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে গত কয়েক দিনের ন্যায় আজও ঢাকায় ফিরছেন দক্ষিণাঞ্চলের শত শত কর্মজীবী মানুষ।

আরও পড়ুন:


একসঙ্গে তিন ডোজ টিকা নেয়া সেই ব্যাক্তির পরিচয় মিলল

সম্পাদক পরিষদ থেকে পদত্যাগের কারণ জানালেন নঈম নিজাম

কভিড-১৯ টিকা উৎপাদনে বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার দেবে যুক্তরাষ্ট্র

করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পথে পাঁচজনের মৃত্যু


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

দৌলতদিয়া ঘাটে

বৃষ্টিতে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগের মাত্রা দ্বিগুন

শফিকুল ইসলাম শামীম, রাজবাড়ী:

বৃষ্টিতে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগের মাত্রা দ্বিগুন

রাত পোহালেই ঈদ। ঘরমুখো হচ্ছে কর্মজীবি সাধারণ মানুষ। মহাসড়ের যানজট থাকায় দুর্ভোগের শিকার হয়ে ঘরে ফিরছে সাধারণ মানুষ। তবে সকাল থেকে টানা বৃষ্টির কারণে দুর্ভোগের মাত্রা দ্বিগুন হয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার সকালে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকা ঘুরে ও ঘরমুখো মানুষের সাথে কথা বলে এমনি চিত্র দেখা ও জানা যায়। 

এদিকে টানা বৃষ্টির মধ্যে অনেক যাত্রী মোটরবাইক ও গণপরিবহনে যাওয়ার চেষ্টা করছে। আবার অনেক যাত্রী বিভিন্ন হোটেল ও দোকানে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। তবে দৌলতদিয়া পারে পর্যাপ্ত পরিমান গণপরিবহন থাকার কারণে ঘরমুখো যাত্রীরা নদী পার হয়ে এসে সহজে গৌন্তব্য স্থানে যেতে পারছেন। 

এ সময় কথা হয় ফরিদপুর গামী শামসুর নাহার নামের এক নারীর সাথে। তিনি বলেন, ঈদে কষ্ট জানি। তবে এতটা কষ্ট হবে কখনও বুঝতে পারি নাই। বৃষ্টিতে সন্তান নিয়ে সম্পন্ন ভিজে গেছি। তিনি আরও বলেন, এত কষ্ট হবে জানলে ঢাকায় থেকে আসতাম না। 

কথা হয় গোপালগঞ্জ গামী সুবর্ণা আজমীর নামের এক ব্যক্তি সাথে তিনি বলেন, কষ্ট হবে ভেবে জেনেও ঢাকা থেকে এসেছি। কিন্ত বৃষ্টিতে ভিজতে হবে এটাতো ভাবি নাই। এখন বৃষ্টিতে সারা শরীর ভিজে গেছে। সাথে থাকা শিশু বাচ্চাও ভিজে গেছে। এই ভিজা শরীর নিয়ে গোপালগঞ্জ যেতে হবে। জানি না, কি হয়। 

করিব হোসাইন নামের এক যাত্রী বলেন, পাটুরিয়া ঘাট থেকে ভিজতে শুরু করেছি। এখনও বৃষ্টিতে ভিজতে হচ্ছে। আরও কত ভিজতে হবে কে জানে। তিনি বলেন, ভিজা শরীর নিয়ে আরও কত সময় পর বাড়িতে যেতে পারব। এটা সঠিক বলতেও পারছি না।  

আরও পড়ুন:


কোরবানির পশু জবাইয়ের নিয়ম ও দোয়া

রাজবাড়ীর পাংশায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন নিহত

১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা

করোনার টিকা নেয়ার ক্ষেত্রে নতুন বয়সসীমা নির্ধারণ

কঠোর বিধিনিষেধের নতুন প্রজ্ঞাপনে যা থাকছে

ঢাকা ছেড়েছেন ২৬ লাখ মানুষ


news24bd.tv / কামরুল

পরবর্তী খবর

বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ২৫ কিলোমিটার যানজট

অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ২৫ কিলোমিটার যানজট

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহন ও ঘরমুখো মানুষের চাপে উত্তরবঙ্গমুখী লেনে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার ভোর রাত থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আশেকপুর বাইপাস পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে মহাসড়কের ঘারিন্দা, রাবনা, বিক্রমহাটি, রসুলপুর, পৌলি ও এলেঙ্গা এলাকায় এমন চিত্র দেখা যায়। মাঝে মাঝে ঢাকামুখী লেনে গাড়ি চললেও উত্তরবঙ্গমুখী গাড়ি আটকে রয়েছে। 

গণপরিবহণ চললেও অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে ট্রাকের উপরে যাতায়াত করছে। এ ছাড়াও ঘরমুখো মানুষদের তেমন স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি।

যানজটের কারণে চালক ও যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ভোগান্তি অনেক বেশি হচ্ছে।এছাড়াও গরু নিয়ে উত্তরাঞ্চল থেকে ঢাকা অভিমুখে যাত্রা করা ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম বেকায়দায়। সড়কেই কেটে যাচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

আরও পড়ুন:


কোরবানির পশু জবাইয়ের নিয়ম ও দোয়া

রাজবাড়ীর পাংশায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন নিহত

১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা

করোনার টিকা নেয়ার ক্ষেত্রে নতুন বয়সসীমা নির্ধারণ

কঠোর বিধিনিষেধের নতুন প্রজ্ঞাপনে যা থাকছে

ঢাকা ছেড়েছেন ২৬ লাখ মানুষ


news24bd.tv / কামরুল

পরবর্তী খবর

দৌলতদিয়া ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ সারি, দুর্ভোগ চরমে

শফিকুল ইসলাম শামীম, রাজবাড়ী:

দৌলতদিয়া ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ সারি, দুর্ভোগ চরমে

ঘাটে এসেছি রাত সাড়ে ১১টায়। সারারাত সিরিয়ালে। এখন সকাল ১১টা। তবুও সিরিয়ালে। ফেরির দেখা পাইনি। কখন পাব জানি না। চালকের সিটে বসে রাত কাঁটাতে হলো। চোখে ঘুম। এভাবে যেতে হবে ঢাকায়। কথাগুলো বললেন চুয়াডাঙ্গা থেকে গরুবাহী ট্রাক (ঢাকা-মেট্রো-১৬-৩২৪৩) নিয়ে আসা চালক হিমেল। 

তিনি ভাঙ্গা ভাঙ্গা সুরে বললেন, শুক্রবার বেলা ৫টা দিকে চুয়াডাঙ্গা থেকে ছেড়ে এসেছি। এই সিটে বসে রাত কাঁটাতে হলো। ঘুমে চোখ ভেঙ্গে আসছে। তবে, ঘুমালে কি হবে। এভাবে ঢাকায় গিয়ে গরু নামাতে হবে। আবার ফিরে আসতে হবে।

এ সময় পাশে থাকা একটি ট্রাক চালক এগিয়ে এসে বললেন, চোখের ঘুম নিয়ে আমাদের গাড়ি চালাতে হয়। জীবনে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় চলাচল করি। রেস্ট নেওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। সারারাত রাস্তায় কাঁটাতে হলো। ঘুম নেই, গোসল নেই। ফুট পথের খাবার খেতে হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেঁটে গেলেও ফেরিতে উঠতে পারিনি। আরও কয় ঘণ্টা লাগবে বলতে পারছি না। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকে গরমের মধ্যে গরুগুলো অসুস্থ্য হয়ে পরছে। 

সাতক্ষীরা থেকে আসা রেজাউল নামের এক গরু ব্যবসায়ী বলেন, ১২টি গরু নিয়ে ঢাকার উদ্দ্যেশে যাচ্ছি লাভের আশায়। ধার দেনা করে ব্যবসায় নেমেছি। কিন্ত দৌলতদিয়া ঘাটে যে পরিমান দুর্ভোগ। এতে গরু গুলো অসুস্থ্য হয়ে পরছে। 

শনিবার সকালে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট এলাকায় সরেজমিন এবং সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে এমনি চিত্র দেখা যায়। এদিকে দৌলতদিয়া ফেরি-লঞ্চ ঘাটে ঘরমুখি যাত্রীদের উপচে পরা ভির রয়েছে। পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া জন্য অনেকে ঘরমুখি হয়েছে। এ সময় দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরিঘাটে সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখে যাচ্ছে ঘরমুখি যাত্রীরা। 

সকালের এই চিত্র বেলা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে যানবাহনের চাপ একটু কমতে থাকে। বিকেল ২.৩০মিনিট সময় দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কে প্রায় দেড় শতাধিক গরুবাহী ট্রাক ও ২শতাধিক যাত্রীবাহী বাস পারের অপেক্ষায় রয়েছে। ঘাট সংশ্লিষ্টদের দাবি এখন যানবাহন কমে আসলেও সন্ধ্যার পর থেকে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পায়। 

বিআইডব্লিউটিএ আরিচা পোর্ট অফিসার মাসুদ পারভেজ জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া এবং আরিচা কাজিরহাট নৌরুটে এমভি ও এমএল লঞ্চ সহ মোট ৩৭টি লঞ্চ চলাচল করছে। তিনি দাবি করে বলেন, এই দুই নৌরুটে কোন লঞ্চ অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যেতে পারছে না। সকল লঞ্চে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ধারন ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যাচ্ছে। 

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. শিহাব উদ্দিন জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ৮টি রোরো (বড়) এবং ৬টি ইউটিলিটি (ছোট) সহ মোট ১৪টি ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া উভয় পারে ৪টি করে ঘাট রয়েছে। তিনি বলেন, গবাদি পশুবাহী অতিরিক্ত ট্রাকের কারণে ঘাটে চাপ রয়েছে। কোন যানবাহন নদী পারাপার করার ক্ষেত্রে কোন প্রকার সমস্যা হচ্ছে না। 

আরও পড়ুন:


২৩ জুলাই থেকে কঠিন লকডাউন নিয়ে যা বললেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

আজ যেসব এলাকায় ব্যাংক খোলা আছে

অভিনেতা নিলয় করোনায় আক্রান্ত

খুলনায় করোনায় আরও ১১ জনের মৃত্যু


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর