ঈদের পরের লকডাউনে যা বন্ধ ও খোলা থাকবে

অনলাইন ডেস্ক

ঈদের পরের লকডাউনে যা বন্ধ ও খোলা থাকবে

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ১৪ দিনের জন্য কঠোর লকডাউন শুরু হবে। এ লকডাউনে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণসহ সব ধরনের দোকানপাট, গণপরিবহন এবং শিল্পকারখানা বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় সরকার। তবে নতুন লকডাউনের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে বিধি নিষেধ শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় নতুন বিধি-নিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোরবানির পশুর চামড়া সংশ্লিষ্ট খাত, খাদ্যপণ্য এবং কোভিড-১৯ প্রতিরোধে পণ্য ও ওষুধ উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান ঈদের পর কঠোর বিধি-নিষেধের আওতার বাইরে থাকবে।

কঠোর লকডাউন তিন ধরনের শিল্পকারখানা খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে সরকার।

এর মধ্যে খাদ্য ও খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন বা প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প কারখানা চালু থাকবে। কোরবানির পশুর চামড়া পরিবহন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প কারখানা চালুসহ ওষুধ, অক্সিজেন ও কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্পকারখানা চালু থাকবে।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


এর আগে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আগামী ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে সরকার। এ সময় গার্মেন্টসসহ সব ধরনের শিল্পকারখানা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

করোনার টিকা দেশেই উৎপাদন হবে: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

করোনার টিকা দেশেই উৎপাদন হবে: প্রধানমন্ত্রী

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জন প্রশাসন পদক প্রদান অনুষ্ঠানে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, 'দেশেই উৎপাদন হবে করোনার টিকা।' 

করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালে জন প্রশাসন পদক আয়োজনটি বাতিল করায় এবার দু' বছরের পদক একসঙ্গে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এ পদক প্রদান করেন। 

আরও পড়ুন:

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ফেরি শাহজালালের চালকসহ চারজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে

লকডাউনে বিয়ে: প্রশাসনের উপস্থিতিতে পালাল বরযাত্রী

যারা নাটক বানাচ্ছেন তাদেরকে আরও সচেতন হতে হবে: দিলরুবা ইয়াসমিন রুহি

কুষ্টিয়ায় করোনা ও উপসর্গে মৃত্যু ২২, নতুন শনাক্ত ২৫৩

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক মনোনীত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হাতে পদক তুলে দেন।  

মোট ৩৫টি পদক তুলে দেওয়া হয় মনোনিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির হাতে। এর মধ্যে ২০২০ সালের জন্য ১৫টি ও ২০২১ সালের জন্য ২০টি পদক প্রদান করা হয়।

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ফেরি শাহজালালের চালকসহ চারজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ফেরি শাহজালালের চালকসহ চারজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে

জিজ্ঞাসাবাদের পর দুর্ঘটনায় কবলিত ফেরি শাহজালালের চালকসহ চারজনকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। 

রবিবার রাত ১২টার দিকে তাদের শিবচর থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তারা হলেন, ইনল্যান্ড মাস্টার অফিসার আব্দুর রহমান, মাস্টারের সাথে থাকা সুখানী সাইফুল ইসলাম, নিচে মেশিন রুমে থাকা ইনল্যান্ড জুনিয়র ইঞ্জিন অফিসার রেজাউল করিম ও তার সহকারী গ্রিজার মো. আজাদ।   

শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকালে পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর পিয়ারের পাইল ক্যাপে ধাক্কা দেয়ার ঘটনায় ফেরি শাহজাজালের চালকসহ চার জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিবচর থানায় নেওয়া হয়।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, মাস্টার ও সুখানীর অসর্তকতার জন্যই দুর্ঘটনাটি ঘটে এই মর্মে প্রতিবেদন দিয়েছে তদন্ত কমিটি।

আরও পড়ুন:

পবিত্র কোরআনুল কারিমে বর্ণিত নবীজির নামসমূহ

লকডাউনে বিয়ে: প্রশাসনের উপস্থিতিতে পালাল বরযাত্রী

যারা নাটক বানাচ্ছেন তাদেরকে আরও সচেতন হতে হবে: দিলরুবা ইয়াসমিন রুহি

টি-স্পোর্টসে আজকের খেলা

উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল পৌনে ১০টায় মুন্সিগঞ্জে রো রো ফেরি শাহজালাল পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর খুঁটির সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। ফেরিটি বাংলাবাজার ঘাট থেকে রওনা দিয়ে শিমুলিয়া ঘাটে যাচ্ছিল। এতে ফেরির সামনের অংশে বড় ধরনের ছিদ্র হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় ফেরিতে থাকা ৩৩টি যানের একটির সঙ্গে আরেকটির ধাক্কা লাগে।

ফেরির প্রায় দুই হাজার যাত্রীর মধ্যে অনেকেই পড়ে সামান্য আঘাত পেয়েছেন। এদের মধ্যে ২০ জন জখম হয়েছেন। তছনছ হয়ে গেছে ফেরির ভেতরের ক্যান্টিন।তবে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান যাত্রীরা। আঘাতটি পানির লেভেলের নিচে হলে ফেরিটি ডুবে যেতে পারত।

news24bd.tv রিমু

পরবর্তী খবর

অবসরের পর বড় অপরাধে বাতিল হবে পেনশন

অনলাইন ডেস্ক

অবসরের পর বড় অপরাধে বাতিল হবে পেনশন

অবসরে থাকা সরকারি কর্মচারীরা গুরুতর অপরাধ করলে সরকার তার অবসর সুবিধা (পেনশন) সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বাতিল, স্থগিত বা প্রত্যাহার করতে পারবে- আইনের এই বিধান রহিত করার প্রস্তাবে সায় দেয়নি মন্ত্রিসভা।

এ বিধান রহিতের প্রস্তাব করে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) আইন, ২০২১’–এর খসড়া মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হলেও সেটির অনুমোদন হয়নি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ প্রস্তাব করেছিল। এর ফলে আইনের বিদ্যমান বিধানই বহাল থাকল।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মাধ্যমে মন্ত্রিসভার  বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইনের ৫১(৪) ধারায় আছে- ‘অবসর সুবিধাভোগী কোনো ব্যক্তি গুরুতর অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত বা কোনো গুরুতর অসদাচরণের দোষে দোষী সাব্যস্ত হইলে, কারণ দর্শাইবার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদান করিয়া, সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ, তাহার অবসর সুবিধা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বাতিল, স্থগিত বা প্রত্যাহার করিতে পারিবে।’

আরও পড়ুন:

চীনে গুদামে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪

এনএসও'র দাবি পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহারে বিশ্বের লাখো মানুষ ঘুমাতে পারছে

পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ল পচেত্তিনোর


তিনি বলেন, এই ধারাটি বাতিলের প্রস্তাব করা হয়েছিল। ক্যাবিনেট সেটার সাথে একমত হয়নি। ক্যাবিনেট আগেরটিই বহাল রেখেছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) যাওয়া ব্যক্তিদের অন্য কোথাও চাকরি করা কিংবা বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে বর্তমান বিধান পাল্টে সংশোধনী আইনে সরকারের অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছিল।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন আজ

অনলাইন ডেস্ক

সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন আজ

ডিজিটাল বাংলাদেশের নেপথ্য নায়ক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিখাতে ঘটে যাওয়া বিপ্লবের স্থপতি সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন আজ। সজীব ওয়াজেদ জয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দেশের পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার পুত্র। তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের এদিনে (২৭ জুলাই) জন্ম গ্রহন করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তার নাম রাখেন নানা শেখ মুজিবুর রহমান।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা এ দু’জনের স্বপ্ন বাস্তায়নে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পনপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করছেন পরিশ্রমী, মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন জীবন-জীবিকার অধিকারী কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় জাতির পিতার দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠান।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার সময় মা ও বাবার সঙ্গে জার্মানিতে ছিলেন জয়। পরে মায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ভারতে চলে যান তিনি। তার শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে। সেখানকার নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে লেখাপড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক করেন তিনি। পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। 

২০০২ সালের ২৬ অক্টোবর ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তাদের একটি মেয়ে আছে।

লেখাপড়া করা অবস্থায় রাজনীতির প্রতি অনুরক্ত থাকলেও জয় সক্রিয় রাজনীতিতে নাম লেখান ২০১০ সালে। ঐ বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিতৃভূমি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদ দেওয়া হয় তাকে, যার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে আসেন তিনি। বর্তমানে মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে আছেন। ২০০৭ সালে জয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড হিসেবে নির্বাচিত হন। 

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টি নিয়ে আসেন। পর্দার অন্তরালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে গোটা দেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব ঘটান এই তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। বর্তমানে দলীয় ঘরানা ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি, রাজনীতি, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন জয়।

বিশেষ করে দেশের তরুণদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে আত্মনিয়োগ করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্মসূচি ও পদক্ষেপ নিচ্ছেন তিনি। বর্তমানে বেশিরভাগ সময়েই দেশের বাইরে অবস্থান করতে থাকা সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশের রাজনীতি ও সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে ফেসবুকে মতামত ব্যক্ত করে থাকেন। ইতিমধ্যেই ডিজিটাল বাংলাদেশের স্থপতি হিসেবে তার নামডাক ছড়িয়ে পড়েছে।
দেশের আইসিটি খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষাগত যোগ্যতা আর পেশাগত কাজের অভিজ্ঞতা-এই দু’য়ের মিশেলেই দেশের আইসিটি খাতের এমন তড়িৎ উন্নতিতে সফল নেতৃত্ব দিতে পেরেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে ইন্টারনেটকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে  দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। ইউনিয়ন পর্যায়ের পাশাপাশি চর বা পার্বত্য অঞ্চলের মতো প্রত্যন্ত এলাকায় ইন্টারনেট পৌঁছে  দেওয়া হয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী যুবলীগ সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছ।

আরও পড়ুন:

চীনে গুদামে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪

এনএসও'র দাবি পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহারে বিশ্বের লাখো মানুষ ঘুমাতে পারছে

পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ল পচেত্তিনোর


 

এছাড়াও স্বস্থ্যবিধি মেনে জেলা/মহানগর/উপজেলা/থানা/পৌরসভা/ইউনিয়নে মিলাদ ও দোয়া এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হবে।

এদিকে বিকেলে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সজীব ওয়াজেদ জয়’র শুভ জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা ও তাঁর সু-স্বাস্থ্য কামনায় দোয়ার আয়োজন করেছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

করোনা বিধিনিষেধ : উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক মঙ্গলবার

অনলাইন ডেস্ক

করোনা বিধিনিষেধ : উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক মঙ্গলবার

করোনাভাইরাস সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধ পর্যালোচনাসহ পরবর্তী করণীয় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে এই বৈঠক হবে।

সোমবার (২৬ জুলাই) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

বিধিনিষেধ আরও বাড়ানো হবে কি-না বা আরও কঠোর করার পরিকল্পনা রয়েছে কি-না- জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘কাল আমরা মিটিং করব। তারপর সিদ্ধান্ত। 

আরও পড়ুন:


করোনায় জাবি অধ্যাপকের মৃত্যু

মর্মান্তিক মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে ছবি তোলেন তিনি

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ স্থগিত


 

বিধিনিষেধে বেসরকারি অনেক অফিস খোলা। এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হবে কি-না জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমার গতকালও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের এডিশনাল আইজির সঙ্গে কথা হয়েছে। অফিসগুলোর কিছু মেশিন চালু রাখতে হয়। ওই টেকনিক্যাল (কর্মী) যায়-আসে। অনেক জিনিস আছে, সার্ভিসিং করতে হয়, এগুলো তারা করছে। এগুলো আমাদের মোবাইল কোর্ট চেকিং করছে।’

করোনা সংক্রমণ রোধে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে দেশে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। এই বিধিনিষেধ থাকবে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত। কঠোর বিধিনিষেধেও করোনা পরিস্থিতির উন্নতি নেই, বরং অবনতি হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর