বিচ্ছিন্ন হচ্ছে ঢাকা

শুক্রবার থেকে রেল-গণপরিবহনসহ যা যা বন্ধ থাকবে

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার থেকে রেল-গণপরিবহনসহ যা যা বন্ধ থাকবে

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ১৪ দিনের জন্য কঠোর লকডাউন শুরু হবে। এ সময় গার্মেন্টসহ সব ধরনের শিল্পকারখানাসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। 

জিরো টলারেন্সে থাকবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, ঈদের পর ১৪ দিন যে লকডাউন আসছে তা কঠোর থেকে কঠোরতর হবে।

জরুরি সেবা, গণমাধ্যম ও খাদ্য উৎপাদনে সংশ্লিষ্ট পরিবহন ছাড়া সব ধরনের পরিবহন বন্ধ থাকবে। গণপরিবহন বিশেষ করে বাস, ট্রেন, লঞ্চ ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বন্ধ থাকবে। রাজধানী ঢাকা থাকবে বিচ্ছিন্ন। 

নতুন লকডাউনের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে বিধি নিষেধ শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সোমবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় নতুন বিধি-নিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

ঈদের পর বিধি-নিষেধে অফিস বন্ধ থাকলেও সরকারি কর্মচারীদের নিজ নিজ কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে মাঠপর্যায়ে অর্পিত দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই নির্দেশনা দিয়ে সব সচিবকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

২৩ দফা নির্দেশনা দিয়ে ঈদের তৃতীয় দিন- অর্থাৎ ২৩ জুলাই ভোর ৬টা থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত বিধি-নিষেধ আরোপ করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়। 

২৩ দফা নির্দেশনা :
১. ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি সব অফিস বন্ধ থাকবে। 
২. সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সব যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। 
৩. শপিংমল/মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে। 
৪. সব পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে। 
৫. সব শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে। 
৬. জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান, ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি বন্ধ থাকবে। 
৭. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে। 
৮ ব্যাংকিং/বীমা/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক/আর্থিকপ্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে। 
৯. সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাপ্তরিক সব কাজ ভার্চুয়ালি (ই-নথি, ই-টেন্ডারিং, ই-মেইল, এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যান্য মাধ্যম) সম্পন্ন করবেন। 
১০. আইন-শৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষিপণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন/বিক্রয়, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কডিড-১৯ টিকা প্রদান, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদান কার্যক্রম, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তাব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ভিসাসংক্রান্ত কার্যক্রম, সিটি করপোরেশন/পৌরসভা (পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়কের বাতি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কার্যক্রম), সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফার্মেসি ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।

১১. বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা রাখার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।
 ১২. জরুরি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক/লরি/কাভার্ডভ্যান/নৌযান/পণ্যবাহী রেল/ফেরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে। 
১৩. বন্দরসমূহ (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে। 
১৪. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে। 

১৫. অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 
১৬. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে। 
১৭. খাবারের দোকান, হোটেল- রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন টেকঅ্যাওয়ে) করতে পারবে। 

১৮. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকিট/প্রমাণ প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে।
 
২০ ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। 

২১. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয়সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি/কোস্ট গার্ড, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। সেই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহ এ বিষয়ে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

২২. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয়সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে। 

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

২৩. সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮-এর আওতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন। লকডাউনে খোলা থাকবে ৩ খাত : ঈদের পর ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউনে খোলা থাকবে শুধু তিনটি খাত। খাতগুলো হলো- খাদ্য ও খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ মিলকারখানা, কোরবানির পশুর চামড়া পরিবহন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ওষুধ, অক্সিজেন ও কভিড-১৯ প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্প। প্রসঙ্গত, ঈদ উপলক্ষে বর্তমানে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। ঈদের পর ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর লকডাউন দিয়েছে সরকার।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প, ২৩ জেলায় এক হাজার ছাউনি

অনলাইন ডেস্ক

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প, ২৩ জেলায় এক হাজার ছাউনি

বজ্রপাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে ৩০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। টেকনিক্যাল কমিটির পরামর্শে কী কী করা হবে, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে থাকছে অ্যালার্মিং সিস্টেম, হাওর ও ফাঁকা স্থানে ছাউনি তৈরি এবং জনসাধারণকে সচেতন করা। প্রাথমিকভাবে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে দেশের ২৩টি জেলায় এক হাজার ছাউনি তৈরি করা হবে। এই জেলাগুলোকে বজ্রপাতপ্রবণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি বজ্রপাত থেকে মানুষকে রক্ষার বিষয়টি নিয়ে ভাবতে শুরু করেন। এরই মধ্যে দেশের গবেষকদের নিয়ে তাঁরা সেমিনারও করেছেন। সেখান থেকে অনেক পরামর্শ এসেছে। ওই পরামর্শ ও বিদেশের বজ্রনিরোধক সিস্টেমের খোঁজখবর নিয়ে মন্ত্রণালয়ের ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রজেক্ট হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁর অনুমোদন সাপেক্ষে প্রজেক্টটি গতি পাবে।

জানা গেছে, এ প্রজেক্ট বাস্তবায়ন হলে দেশের যে এলাকায় যখন বজ্রপাতের আশঙ্কা দেখা দেবে, তখন ওই এলাকার বাসিন্দাদের মোবাইল ফোনে মেসেজ চলে যাবে যে কখন, কোন জায়গায় বজ্রপাত হবে। অন্তত ৪০ মিনিট আগে সেই তথ্য তাদের জানানো যাবে এবং আবহাওয়া বার্তার মতো প্রচারমাধ্যমেও সেটি প্রচার করা হবে। এতে করে মেসেজ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই এলাকার বাসিন্দারা নিরাপদ স্থানে চলে যেতে পারবে।

সুনামগঞ্জ, সিলেট, সিরাজগঞ্জ, নেত্রকোনা, রাজশাহীসহ দেশের ২৩টি জেলাকে বজ্রপাতপ্রবণ জেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই জেলাগুলোতে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে এক হাজারটি ছাউনি তৈরি করা হবে, যার ওপরে বজ্রপাত নিরোধক দণ্ড ব্যবহার করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান গতকাল বলেন, ‘বজ্রপাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে একটি প্রজেক্ট নিয়েছি। বজ্রপাতপ্রবণ জেলাগুলোতে লাইটিং ডিটেক্টর সেন্টার বসাব। ৪০ মিনিট আগে সিগন্যাল দেবে। সিগন্যালটি অ্যাপের মাধ্যমে ওই এলাকার বাসিন্দাদের কাছে চলে যাবে। আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করা হবে। ফাঁকা স্থানে এক কিলোমিটর ব্যবধানে আশ্রয়কেন্দ্র করা হবে, যাতে সিগন্যাল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একজন মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে পারে।’

তিনি জানান, প্রজেক্ট তৈরি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর কাজ শুরু করা হবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, চলতি বছর ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে বজ্রপাতে ২৮২ জন মারা গেছে, যাদের মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিভাগে ৪২, ময়মনসিংহে ৩০, চট্টগ্রামে ২৩, সিলেটে ২৫, রংপুরে ২৭, রাজশাহীতে ১০৪, বরিশালে ১০ ও খুলনায় ২১ জন। সবচেয়ে বেশি মারা গেছে রাজশাহীতে।

এ ছাড়া পরিসংখ্যান বলছে, ২০১১ সালে মারা যায় ১৭৯ জন। ২০১২ সালে ২০১, ২০১৩ সালে ১৮৫, ২০১৪ সালে ১৭০, ২০১৫ সালে ২২৬, ২০১৬ সালে ৩৯১, ২০১৭ সালে ৩০৭, ২০১৮ সালে ৩৫৯, ২০১৯ সালে ১৯৮ জন ও ২০২০ সালে ২৪৭ জন।  

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ অ্যালার্মিং সিস্টেম ও বজ্র নিরোধক দণ্ড ব্যবহার করে হতাহতের সংখ্যা কমাতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশেও সেই সিস্টেম চালু হতে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন


আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’, দেশে ভারী বৃষ্টির আভাস

অবসান ঘটতে যাচ্ছে আঙ্গেলা ম্যার্কেলের

শিশু সন্তানকে জবাই করে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, আটক মা


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে বজ্রপাতের মূল কারণ ভৌগোলিক অবস্থান। বড় বড় গাছ কেটে ফেলাও একটি কারণ। উঁচু গাছপালা বজ্রনিরোধক হিসেবেও কাজ করে। খোলা স্থানে মানুষের কাজ করা এবং বজ্রপাতের বিষয়ে অসচেতনতাও বজ্রপাতে প্রাণহানি বাড়ার জন্য দায়ী। তাপমাত্রা বাড়লেও বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিনিয়র আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ জানান, ‘অ্যালার্ম সিস্টেম করতে পারলে আগে থেকেই মানুষকে সচেতন করা যাবে।’

বাংলাদেশে বজ্রপাতে মৃত্যু বাড়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, একের পর এক গাছ কেটে ফেলার কারণে এই সমস্যা বাড়ছে। গাছ বজ্রপাত নিরোধক হিসেবে কাজ করত।’ তিনি আরো জানান, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বজ্রপাত নিরোধক দণ্ড ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: কালের কণ্ঠ 

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে হামলার মামলার আসামি গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে হামলার মামলার আসামি গ্রেপ্তার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা পুলিশ। ডিএমপির গোয়েন্দা মতিঝিল বিভাগ মো. তারিকুজ্জামান ওরফে কনক নামের ওই আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) ডিবির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার রিফাত রহমান শামীম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রোববার দুপুরের দিকে মিরপুরের ১০০ ফিট এলাকা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলায় জড়িত সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি তারিকুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির মতিঝিল জোনাল টিম।

গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতে প্রেরণের আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান গোয়েন্দা এই কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরা জেলায় সমাবেশ করে কলারোয়া থানা হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা করেছিলেন। পথিমধ্যে কলারোয়ার তুলশীডাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা হয়। হামলার দিন গ্রেপ্তারকৃত তারিকুজ্জামান সকালে দলীয় থানা বিএনপির পার্টি অফিসে নেতাকর্মীর সঙ্গে মিলিত হন। 

আরও পড়ুন:


কাল লাখ লাখ অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বন্ধ হয়ে যাবে!

আত্মহত্যা ছাড়া আর কোনো পথ দেখছি না: শাকিল


হামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহলে থাকা তৎকালীন এমপি পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমানের গাড়িসহ অন্যান্য গাড়ি ব্যাপক ভাংচুর করা হয়। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী আহত হন।

এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কলারোয়া ইউনিট কমান্ডার মোসলেমউদ্দিন থানায় মামলার জন্য এজাহার দেন। তবে থানায় মামলা রেকর্ড না হওয়ায় তিনি আদালতে মামলা করেন। পরে মামলাটি খারিজ হয়ে যায়। পরে ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর ওই মামলা পুনরুজ্জীবিত হয়। বিএনপির সাবেক সাংসদ হাবিবুল ইসলামসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

যুক্তিতর্ক ও শুনানি শেষে চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি মামলার রায় হয় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। ওই রায়ে সাবেক সাংসদ হাবিবুলসহ ৫০ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়।

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

এসএসসি পরীক্ষার সূচি চূড়ান্ত আজ, প্রকাশ যে কোনো সময়

অনলাইন ডেস্ক

এসএসসি পরীক্ষার সূচি চূড়ান্ত আজ, প্রকাশ যে কোনো সময়

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সময়সূচি চূড়ান্ত হচ্ছে সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর)। সূচি চূড়ান্ত করার পর যে কোনো দিন তা প্রকাশ করা হবে।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগরে সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, শিক্ষা বোর্ডের তিনটি প্রস্তাবের একটি নির্ধারণ করা হয়েছে। আমাদের সম্মতির পর শিক্ষা বোর্ড রুটিন প্রকাশ করবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ জানায়, শিক্ষা বোর্ডের পাঠানো প্রস্তাব শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

আরও পড়ুন:


হংকংয়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মেয়েদের বড় জয়

তালেবান ক্ষমতায় আসায় বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত উৎফুল্ল: কৃষিমন্ত্রী

সৌদি আরবে বাংলাদেশির মৃত্যু

দুই ডোজ টিকা নিয়েও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার করোনা শনাক্ত


মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর শিক্ষা বোর্ডগুলো এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করবে।

অরপদিকে, দাখিল পরীক্ষার সূচি ইতোমধ্যে প্রকাশ করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষা শুরু হবে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

তালেবান ক্ষমতায় আসায় বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত উৎফুল্ল: কৃষিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

তালেবান ক্ষমতায় আসায় বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত উৎফুল্ল: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘বিএনপি সবসময় মিথ্যাচার ও ইতিহাস বিকৃতি করে ক্ষমতায় এসেছে। বিএনপি শুরু থেকেই নানা মিথ্যাচার ও ইতিহাস বিকৃতির মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করে ক্ষমতায় আসে। বিএনপির এই মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্র এখনও চলছে, আগামী দিনেও হবে।

তিনি বলেন, মিথ্যাচার করে বিএনপি আর কোনদিন ক্ষমতায় আসতে না পারে সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

রোববার টাঙ্গাইলের জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বিগত ১২ বছর ধরে একটানা ক্ষমতায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই সময়ে সকল ক্ষেত্রে দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। সারা পৃথিবীতে যা প্রশংসিত হচ্ছে। ক্ষুধা দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের ‘এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার’ পেয়েছেন। আমরা উন্নয়নের এ ধারাকে ধরে রাখতে চাই। এটি করতে হলে আগামীদিনেও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় থাকতে হবে’।

আরও পড়ুন:


সৌদি আরবে বাংলাদেশির মৃত্যু

দুই ডোজ টিকা নিয়েও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার করোনা শনাক্ত


মন্ত্রী আরও বলেন, এ উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে বিএনপি ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি বাধাগ্রস্ত করতে চায়। তারা অতীতের মতো এখনও অপতৎপরতায় ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আফগানিস্তানে তালেবানরা ক্ষমতায় আসায় এই বিএনপি, জামায়াত, হেফাজত, ধর্মান্ধরা ভেতরে ভেতরে খুব উৎফুল্ল।

সেখান থেকে টাকা আসবে, অস্ত্র আসবে আর দেশে তারা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করবে-এই আশায়। কিন্তু আওয়ামী লীগ তাদের সকল ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতা শক্ত হাতে মোকাবিলা করবে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

চলে গেলেন প্রফেসর ডা. হাবিবুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক

চলে গেলেন প্রফেসর ডা. হাবিবুর রহমান

স্বনামধন্য চিকিৎসক প্রফেসর ডা. চৌধুরী হাবিবুর রহমান আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ... রাজিউন)। শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে রাজধানীর এক হাসপাতালে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। 

দেশের প্রথিতযশ সার্জারি ও অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ ডা. চৌধুরী দীর্ঘদিন হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। তিনি ১৯৬৫ সালে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং ১৯৭২ সালে এফআরসিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত তিনি লন্ডনের বিভিন্ন হাসপাতালে কাজ করেন। 

আরও পড়ুন:


বিমানবন্দরে শুরু আরটি-পিসিআর ল্যাবের কার্যক্রম

নির্মাণশৈলী ও রাতে নৈসর্গিক দৃশ্য দেখতে পায়রা সেতুতে পর্যটকদের ভিড়

কাল লাখ লাখ অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বন্ধ হয়ে যাবে!

জাপার ফিরোজ রশীদের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলের অভিযোগ, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত


দেশে ফিরে তিনি চিকিৎসা সেবায় আত্মনিয়োগ করেন এবং জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত মানুষকে সেবা দিয়ে গেছেন।  

গতকাল বনানী জামে মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর