মানসিক চাপ কমানোর গোপন সুত্র

অনলাইন ডেস্ক

মানসিক চাপ কমানোর গোপন সুত্র

পরিবার বা কর্মক্ষেত্রে সমস্যা, সম্পর্কে অবনতি, অর্থনৈতিক সংকট, খারাপ স্বাস্থ্য, এমনকি ঘনিষ্ঠ কারো মৃত্যু— এসব বিভিন্ন কারণে আমরা মানসিক চাপের মধ্যে থাকি। এই মানসিক চাপ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই নিজেকে ভালো রাখতে চাপ কমানো জরুরি।চুইংগাম চিবালে মানসিক চাপ ও  দুশ্চিন্তা দুটোই কমে। এর কারণ চুইংগাম চিবানোর সময় ব্রেনে রক্ত চলাচল ঠিকভাবে হয়।

আবার কেউ কেউ বলেন চুইংগামের স্বাদ এবং গন্ধ দুশ্চিন্তামুক্ত হতে সহায়তা করে। ঘরের বাহিরে সময় কাটানোর ফলে মানসিক চাপ কমে। বিভিন্ন পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় ঘরের কাছে হলেও কয়েক মিনিট বাহিরে সময় কাটিয়ে আসলে মানসিক চাপ কমবে এবং আপনি সতেজ ও চাঙ্গা অনুভব করবেন।

প্রকৃত হাসি আপনার মানসিক চাপ কমায়। তাই যতদূর সম্ভব আমাদের হাসি মুখে থাকা উচিত। ল্যাভেন্ডার সৌরভ যেমন ল্যাভেন্ডার এয়ার ফ্রেশনার মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন অন্ততঃ একটি গান শুনুন। গান মানসিক চাপ কমায়। গান ব্রেনে ডোপামিন নামে একটি রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে থাকে, যা আপনার মুডকে উজ্জীবিত করে এবং মানসিক চাপ কমিয়ে দেয়। ব্রেথিং এক্সারসাইজ বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যয়াম  আপনার মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে।

শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যয়ামে লম্বা করে দম নিন এবং ধীরে ধীরে দম ছেড়ে দিতে হবে। অন্তত দিনে দশ বার এভাবে ব্রেথিং এক্সারসাইজ করলে মানসিক চাপ অনেক কমে যাবে। মানসিক চাপ অনুভব করলে আপনি ডায়েরীর পাতায় বা কোনো স্থানে আপনার সমস্যার কথাগুলো লিখুন এবং একটা সময় পর দেখবেন  সমস্যার সমাধান আপনি নিজ থেকেই পেয়ে যাবেন। ফলে আপনার মানসিক চাপ থাকবে না।

সামাজিক বন্ধন এবং বন্ধুত্ব মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। আপনার কোনো ভাল বন্ধু থাকলে বা আপনজন কাউকে আপনার সমস্যার কথা খুলে বলুন, দেখবেন মানসিক চাপ ধীরে ধীরে কমে যাবে। তবে আপনার  বন্ধু বা আপনজন যদি স্বার্থপর হয়ে থাকে তবে সেক্ষেত্রে মানসিক চাপ কমার বদলে বরং বেড়ে যাবে। তাই আপনার বন্ধু বা আপনজন কে তা আপনাকে জানতে হবে। প্রতিদিন দিনে অন্ততঃ একবার সকালে বা বিকালে ব্যয়াম করার অভ্যাস করুন। একটু হাটা-চলা, নৌকা চালানো বা শারীরিক পরিশ্রম আপনার মানসিক অবস্থা ভাল রাখতে সাহায্য করে।

ব্যয়াম করলে এন্ডোরফিন নামক হরমোন নিঃসৃত হয় যা মানসিক চাপ কমায় এবং আমাদের মনে আনন্দের সৃষ্টি করে। এন্ডোরফিন অর্থ এন্ডোজেনাস মরফিন যা সরাসরি আল্লাহ প্রদত্ত। আমাদের কিনতে হয় না। এন্ডোরফিন নিঃসৃত হলে মনে কোনো ব্যাথা বেদনা থাকলে তা কমিয়ে দেয় এবং মনে আনন্দের সৃষ্টি করে। একটি কথা সবার জানা দরকার মানসিক চাপ ক্রমাগত চলতে থাকলে মুখের অভ্যন্তরে যে সব রোগ পরিলক্ষিত হয় তা সহজে ভাল হতে চায় না। তাই মুখের রোগে ভাল হতে চাইলে আপনাকে মানসিক চাপ মুক্ত থাকতে হবে।  


নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

বউ যেন এদিক-ওদিক ভাইগা না যায় : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা (ভিডিও)

নাসির-তামিমার জন্য ভালোবাসা ও দোয়া : শবনম ফারিয়া


 

চাপ দূর করতে কী করা প্রয়োজন, এর জন্য একটি তালিকা তৈরি করুন। আপনার চাহিদা অনুসারে তালিকাটি সাজান এবং সেই তালিকা অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। এই পদক্ষেপগুলোর চর্চা মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচতে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচতে যা করবেন

সুস্থ থাকতে অনেক কিছুই করতে হয়। তবে এর মধ্যে একটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। তা হলো, দেহে যেন পানিশূন্যতা দেখা না দেয়। তৃষ্ণার অপেক্ষায় না থেকে সারাদিন এক দুই চুমক পানি মুখে দিতে হবে। নয়তো দেহে ডিহাইড্রেশন দেখা দেবে। এতে অবসাদ হয়ে পড়ে দেহ।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ডিহাইড্রেশন শরীরের প্রধান অঙ্গগুলোতে খুব খারাপ প্রভাব ফেলে। চলুন জেনে নেওয়া যাক ডিহাইড্রেশন কীভাবে আমাদের শরীরের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। 

ডিহাইড্রেশনের কারণে, ইলেক্ট্রোলাইটের স্তর খুব কমে যেতে পারে, যা মস্তিষ্কে সমস্যা তৈরি করে। ইলেক্ট্রোলাইটগুলো খুব কম হয় তবে এ কোষগুলোয় কোনো সঙ্কেত পাঠাতে পারবে না। 

ফলে পেশিতে স্ট্রেন থেকে শুরু করে খিচুনি পর্যন্ত হতে পারে। শরীরে পানির অভাব দেখা দিলে, কোষগুলো মস্তিষ্কে তৃষ্ণার সঙ্কেত পাঠায়। তবে ডিহাইড্রেশন মস্তিষ্ককে অন্যান্য উপায়ে প্রভাবিত করে। ডিহাইড্রেশনের সঙ্গে মন মেজাজ সরাসরি সম্পর্কিত। আমেরিকান কলেজ অব নিউট্রিশনের ম্যাগাজিন অনুসারে, ডিহাইড্রেশনের প্রভাবে কোনো কাজ ২ শতাংশ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ডিহাইড্রেশন স্মৃতিশক্তিকেও প্রভাবিত করে।

শরীরে পানির অভাব দেখা দিলে কোষগুলো হাইপোথ্যালামাসে একটি সঙ্কেত প্রেরণ করে, যা ভ্যাসোপ্রেসিন নামক হরমোন নিঃসরণ করে। রক্ত তৈরি করতে শরীরের তরল প্রয়োজন হয়। শরীরে পানির অভাব দেখা দিলে রক্তের স্তরও হ্রাস পায়। শরীরে পানির অভাবের কারণে হাইপোটেনশন বা নিম্ন রক্তচাপ হতে পারে। এই কারণে ওই ব্যক্তি অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে আর যা থেকে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখে চাপ, ঘুমের মতো সমস্যা হতে পারে।

আরও পড়ুন:

চীনে গুদামে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪

এনএসও'র দাবি পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহারে বিশ্বের লাখো মানুষ ঘুমাতে পারছে

পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ল পচেত্তিনোর


 

হজম প্রক্রিয়ার ওপর প্রভাব হজম সিস্টেম সঠিকভাবে কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি প্রয়োজন। বর্জ্য পদার্থগুলো শুধু পানির মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয় এবং হজম ব্যবস্থা ঠিক থাকে। পানির অভাব সরাসরি ত্বকেও প্রভাব ফেলে। ফলে ত্বক শুকিয়ে যেতে শুরু করে। অনেক সময় ঠোঁট ফাটতে শুরু করে। এ জন্য কমপক্ষে ২ লিটার পানি আপনাকে পান করতেই হবে। সুস্থ ত্বকের জন্য প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধে 
সব সময় তৃষ্ণার্ত থাকা ডিহাইড্রেশনের অন্যতম লক্ষণ। তাই পানি এবং পানিপূর্ণ ফল খেতে হবে। গরমের দিনে ডাবের পানি বা লেবুর শরবতের মতো ঠাণ্ডা বেভারেজও উপকার দেবে। এ ছাড়া স্যুপ, সালাদ, দইসহ অন্যান্য পানিপূর্ণ ফল ও খাবারে ডিহাইড্রেশন থেকে মুক্তি মিলবে। বাইরে গেলে সব সময় বোতলে করে পানি নিন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে যা যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

ডেঙ্গু প্রতিরোধে যা যা করবেন

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যেই নতুন আতঙ্ক হিসেবে হাজির হচ্ছে ডেঙ্গু। এডিস মশাবাহী এই ভাইরাস জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা সম্প্রতি বেড়েই চলেছে।

ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির মধ্যেই জুন মাসে ২৭২ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আর জুলাই মাসে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজারেরও বেশি মানুষ।

তাই পূর্ব সতর্কতা হিসেবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কিছু নিয়ম অবশ্যই সবার মেনে চলা প্রয়োজন। এক নজরে সেই উপায়গুলো দেখে নেয়া যাক-

 

- বাড়ির আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখুন। ফুলের টব, মাটি বা প্লাস্টিকের পাত্র ও ফুলদানিতে কয়েকদিনের বাসি পানি যেন না জমে।

- শিশুদের ফুলহাতা জামা ও ফুলপ্যান্ট পরাবেন। সাদা কাপড় পরা ভালো। দিনের বেলায় ঘুমালে মশারি টানানো উচিত। শরীরে উন্মুক্ত স্থানে মশা প্রতিরোধক ক্রিম লাগাতে পারেন।

- দিন ও রাতে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করুন।

- ঘরে যেন মশা ঢুকতে না পারে এজন্য জানালাসহ বারান্ডার গ্রিলেও নেট লাগাতে পারেন।

- এডিস মশার জন্ম হয় পাত্রে জমে থাকা পানিতে। তাই সপ্তাহে অন্তত একদিন আপনার বাড়ি এবং তার চারদিকে ঘুরে দেখুন কোথাও কোনো পাত্রে পানি জমে আছে কি-না। থাকলে ফেলে দিন বা পরিষ্কার করুন।

- যদি কোনো পাত্রের পানি ফেলে দেওয়া না যায়; তাহলে সেখানে ব্লিচিং পাউডার বা লবণ দিন।

- গাড়ির অব্যবহৃত টায়ার ঘরে রাখবেন না, কারণ সেখানে এডিস মশার জন্ম হতে পারে।

- কোনো খাবারের কৌটা বাইরে ফেলবেন না। এসব পাত্রেও পানি জমে থাকতে পারে।

- বাথরুমে যদি পানি ধরে রাখতে হয় তাহলে পানির পাত্র সপ্তাহে অন্তত একবার ব্লিচিং পাউডার দিয়ে ভালো করে ধুয়ে আবার পানি ভর্তি করুন।

- এডিস মশা পানির পাত্রের কিনারে ডিম পাড়ে এবং পাত্রের গায়ে আটকে থাকে, যে কারণে পানি ফেলে দিলেও ডিম যায় না। তাই এটিকে ব্লিচিং পাউডার দিয়ে ভালোভাবে ঘষে পরিষ্কারের প্রয়োজন পড়ে।


আরও পড়ুন:

মেঘনা নদীতে ঈদ আনন্দ ভ্রমণে অস্ত্রসহ ৪৬ কিশোর আটক

এনএসও'র দাবি পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহারে বিশ্বের লাখো মানুষ ঘুমাতে পারছে

পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ল পচেত্তিনোর

হাইতি প্রেসিডেন্টের সৎকার অনুষ্ঠান থেকে পালিয়েছে মার্কিন প্রতিনিধিদল


- বাড়ির পাশে কোনো নির্মাণাধীন ভবন থাকলে, এটির লিফটের গর্ত, ইট ভেজানোর চৌবাচ্চা, ড্রাম পরীক্ষা করুন। যদি এসব জায়গায় জমে থাকা পানিতে ছোট ছোট পোকা দেখতে পান, তাহলে বুঝবেন সেটি এডিস মশার লার্ভা বা বাচ্চা।

- বাড়ির আশপাশে যদি কোনো সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা থাকে মশা জন্মানোর মতো, তাহলে কর্তৃপক্ষকে জানান। বাড়ির আশপাশে গাছের গর্ত বা কাটা বাঁশের গোড়া মাটি দিয়ে বন্ধ করে দিন।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

দেশে আসবে ২১ কোটি ডোজ টিকা

অনলাইন ডেস্ক

দেশে আসবে ২১ কোটি ডোজ টিকা

আগামী পাঁচ-ছয় মাসে সব মিলিয়ে দেশে প্রায় ২১ কোটি ডোজ টিকা আসার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। শনিবার (২৪ জুলাই) বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ) আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনায় টিকা নিয়ে এমন সম্ভাবনার কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, সরকারের হাতে বর্তমানে এক কোটি ডোজের বেশি টিকা রয়েছে। আগামী মাসের মধ্যেই আরও দুই কোটি ডোজ টিকা দেশে চলে আসবে। এ ছাড়া, চীন থেকে তিন কোটি, রাশিয়া থেকে সাত কোটি, জনসন অ্যান্ড জনসনের সাত কোটি, অ্যাস্ট্রাজেনেকার তিন কোটিসহ আগামী বছরের শুরুর মধ্যেই সরকারের হাতে প্রায় ২১ কোটি টিকা চলে আসবে। এসব টিকা পেলে দেশের প্রায় ৮০ ভাগ লোককে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে।


আরও পড়ুন:

চীনে গুদামে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪

এনএসও'র দাবি পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহারে বিশ্বের লাখো মানুষ ঘুমাতে পারছে

পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ল পচেত্তিনোর

হাইতি প্রেসিডেন্টের সৎকার অনুষ্ঠান থেকে পালিয়েছে মার্কিন প্রতিনিধিদল


টিকা গ্রহণ অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সভাপতি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা উপস্থিত ছিলেন।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া পদ্ধতি

অনলাইন ডেস্ক

গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া পদ্ধতি

পেটে গ্যাস, বমি ভাব, পেট ফুলে ওঠে বা চিনচিন করে ব্যথা করে—এমন সমস্যা হলেই মুঠো মুঠো গ্যাস্ট্রিকের বড়ি খান, অথবা অ্যাসিডিটির সিরাপ খান। তাতে খানিকটা আরাম মেলে অবশ্য, কিন্তু সেই সমস্যা যদি আবার হয় তখন?কেমন হয়  যদি ঘরোয়াভাবে এ রোগটি খুব সহজেই প্রতিরোধ করা যায়। চলুন দেখে নেওয়া যাক কীভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে গ্যাস্ট্রিক নির্মূল করা যায়। ঘরোয়া উপায়েই রেহাই পাবেন, দেখে নিন কীভাবে…

কলা খেতে আমরা সকলেই কমবেশি ভালবাসি। তবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় এর বিকল্প হয় না। কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে, যা প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড। এটি অ্যাসিড রিফ্লাক্সের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে একটা করে কলা খান খালি পেটে। কিছুদিনের মধ্যেই আপনি উপকার পাবেন। তবে ১-২ টা কলা ঠিক আছে। কোনও কিছুই বেশি খাওয়া উচিৎ নয়।

তুলসী পাতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছুই নেই। তুলসী পাতা পাকস্থলীতে শ্লেষ্মার মতন পদার্থ উৎপাদনে সাহায্য করে। সকালে উঠে আপনি চা খান তো! ওই চায়ের মধ্যে কয়েকটা তুলসী পাতা ফেলে দিন। চায়ের সঙ্গে ফুটতে দিন, খালি পেটে সেই চা খান, এতে চায়ের স্বাদ হবে দারুণ। আর আপনিও গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন। কারো যদি সকালে চা খাওয়ার অভ্যাস না থাকে তাহলে তিনি হালকা গরম পানিতে তুলসী পাতা দিয়ে খেতে পারেন।

মুহূর্তেই আপনার গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কমাতে পারে মৌরি। খাওয়ার পরে মৌরি চিবিয়ে খেলে অ্যাসিড হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। রাতের বেলা ঘুমাতে যাওয়ার আগে পানিতে মৌরি ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে খালি পেটে খান। কিংবা গরম পানিতে মৌরির সঙ্গে কয়েকটি পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খেতে পারেন। এইভাবেও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে রেহাই মিলবে।

আদা-রসুন গ্যাস-অম্বলের হাত থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে। আদা খাওয়ার খুব তাড়াতাড়ি হজম করায়। তাই খাওয়ার আধ থেকে এক ঘণ্টা আগে আদা কুঁচি করে বিটনুন দিয়ে খান। এতে খাওয়ার পরে অম্বলের সমস্যা থাকবেনা। রসুন শুধু রান্নায় স্বাদ বাড়ায় না। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা খাওয়ার জলদি হজম কয়ায়।

টকদই, যার কোনও বিকল্প নেই। টকদইয়ে থাকে ক্যালসিয়াম, যা পাকস্থলীতে গ্যাস তৈরি হতে দেয় না। এর সঙ্গে বিট লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে আরও ভাল ফল মিলবে। টকদইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড হজম প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী বানায়।


দশ বছর আগে যা ঘটেছে তার জন্য আমি দায়ী নই : প্রভা

‘চুম্বন বা অন্তরঙ্গ দৃশ্যয়নের আগে একান্তে সময় কাটাই’


 

এ ছাড়াও খাবারে সরষে যোগ করুন : সরষে গ্যাস সারাতে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন খাবারের সাথে সরষে যোগ করা হয় যাতে সেইসব খাবার পেটে গ্যাস সৃষ্টি করতে না পারে। নজর রাখতে হবে নিজের খাওয়া-দাওয়ার প্রতি। জেনে নিতে হবে কোনটি খাওয়া উচিত হবে কোনটি হবে না।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মানসিক অস্থিরতা কমায় যেসব খাবার

অনলাইন ডেস্ক

মানসিক অস্থিরতা কমায় যেসব খাবার

বাড়তি কাজের চাপ অনেক সময় অবসাদ ডেকে আনে। কখনো কোন কারণ ছাড়াই মন খারাপ হয়। এমন পরিস্থিতি দীর্ঘদিন থাকলে অবশ্য মনরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে। তবে পুষ্টিবিদেরাও এমন কিছু খাবারের সন্ধান দিয়েছেন যা অনেক সময় আমাদের মন খারাপের ভাবটা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।

এমন কিছু পুষ্টি উপাদান ও খাবারের কথা নিচে তুলে ধরা হলো-

ভিটামিন ডি

ভিটামিন ডি মেজাজ খিটখিটে হতে বাধা দেয়, মানসিকভাবে শক্তিশালী থাকতেও ভালো কাজ করে। কোন কারণ ছাড়া হতাশা গ্রাস করলে বুঝবেন শরীরে হয়তো 'ভিটামিন ডি' এর ঘাটতি আছে। সহজেই এর অভাব পুষিয়ে নেওয়া যায়। দুধ, কুসুমসহ ডিম, সূর্যের আলো 'ভিটামিন ডি' এর জন্য যথেষ্ট। প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সূর্যালোকে থাকার চেষ্টা করুন।

ভিটামিন সি

'ভিটামিন সি'-কে বলা যেতে পারে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার যম। জটিল পরিস্থিতিতে পড়লে আগে এক গ্লাস কমলার জুস খেয়ে দেখা যায়। মাথার ভার অনেকটাই কমে আসবে। মনকে সতেজ ও শক্তিশালী রাখতে ভিটামিন সি অনবদ্য।

ভিটামিন বি-১২

'ভিটামিন বি ১২' এর অভাবে অবসাদ, ক্লান্তি ইত্যাদি বেড়ে যায়। গড়ে প্রতিটি মানুষের প্রতিদিন ২.৪ মাইক্রোগ্রাম পরিমাণ 'ভিটামিন বি ১২' এর দরকার হয়। পনির, কম চর্বিযুক্ত দই, দুধ- এসব 'ভিটামিন বি ১২' এর চাহিদা পূরণে বেশি ভূমিকা রাখে। আধুনিক বিজ্ঞান বলে 'ভিটামিন বি ১২' আমাদের শরীরে ভালো লাগার হরমোনকে উদ্দীপ্ত করে। ফলে মেজাজ ফুরফুরে থাকে।


আরও পড়ুন:

পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ল পচেত্তিনোর

মুখ্যমন্ত্রীকে গরুর মাংস উপহারের ইচ্ছা পোষণ, নারী গ্রেপ্তার

হাইতি প্রেসিডেন্টের সৎকার অনুষ্ঠান থেকে পালিয়েছে মার্কিন প্রতিনিধিদল

মাছের ড্রামে যারা ঢাকা যাচ্ছে, তাদের নিয়ে ট্রল করাটা ঠিক হচ্ছে না


ম্যাগনেসিয়াম

মানসিক যেকোনও সমস্যা মোকাবিলায় ম্যাগনেসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ। এটাকে প্রাকৃতিক ব্যাথানাশক বললেও ভুল হবে না। ডার্ক চকলেট, পালং শাক, বাদামে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর