ফরজ গোসল অবহেলার শাস্তি

অনলাইন ডেস্ক

ফরজ গোসল অবহেলার শাস্তি

ফরজ গোসল ওই গোসলকে বলা হয়, যা করা অপরিহার্য। বালেগ বয়সে নাপাক হলে অর্থাৎ কারো স্বপ্নদোষ হলে বা স্বামী-স্ত্রীর মিলনে গোসল ফরজ হয়। আর তা থেকে পবিত্রতা অর্জনের তাগীদ দিয়ে আল্লাহ বলেন: যদি তোমরা নাপাক হয়ে থাক, তবে গোসল কর। [সূরা মায়েদাহ: ৬]।

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা আমি আমার এক প্রতিবেশীর জানাযাতে যোগদান করি। তার লাশ কবরে নামানোর সময় বিড়ালের ন্যায় একটি অদ্ভুত জানোয়ার কবরের ভিতরে বাইরে লম্বঝম্প করে লাশ কবরে নামাতে বাধার সৃষ্টি করতে লাগল।

সেটিকে তাড়াবার জন্য সকলে মিলে চেষ্টা করলাম। কিন্তু কোন প্রকারই দূর করা গেল না। ব্যর্থ হয়ে অন্যত্র গিয়ে কবর খনন করা হল। সেখানে গিয়ে জন্তুটি ভয়ানক উৎপাত করতে লাগল। সেটিকে মারতে গিয়েও সর্ব প্রকার চেষ্টা ব্যর্থ হল।

অগত্য বাধ্য, হয়ে অন্যত্র গিয়ে তৃতীয় কবর খনন করা হল। সেখানে গিয়েও জন্তুটি আরও বেশী উপদ্রব শুরু করল। অনন্যোপায় হয়ে আমরা তাড়াতাড়ি তৃতীয় কবরেই তাকে দাফন করে সভয়ে দ্রুতপদে সেখানে হতে প্রস্থান করলাম। দফনান্তে কবর হতে বজ্রবৎ ভীষণ এক আওয়াজ বের হয়েছিল। আমি জানার জন্য তার স্ত্রীর কাছে জিজ্ঞেস করলাম, তার স্ত্রী উত্তর দিল, সহবাসের পর তিনি ফরয গোসল অবহেলা করতেন।

এতে তার ফজরের নামাজ কাযা হয়ে যেত। এছাড়া তার অন্য কোন পাপ আমি কখনো দেখি নাই।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

পবিত্র কোরআনুল কারিমে বর্ণিত নবীজির নামসমূহ

সাআদ তাশফিন

পবিত্র কোরআনুল কারিমে বর্ণিত নবীজির নামসমূহ

মহান আল্লাহ তার প্রিয় বন্ধুকে ‘রহমত’ বলে সম্বোধন করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, আমি তোমাকে (রাহমাতান লিল আলামিন) বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসেবেই প্রেরণ করেছি। (সুরা আম্বিয়া, আয়াত : ১০৭)

মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় বন্ধুকে আমাদের জন্য পাঠিয়েছেন নিয়ামতস্বরূপ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘ওয়াজকুরু নিমাতাল্লাহি আলাইকুম’ তোমরা তোমাদের ওপর আল্লাহর নিয়ামতকে স্মরণ করো। (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ১০৩)

কিছু কিছু তাফসিরবিদের মতে, এখানে ‘নিয়ামত’ দ্বারা রাসুল (সা.)-এর কথা বলা হয়েছে। 
অন্য আয়াতে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, হে নবী, আমি আপনাকে পাঠিয়েছি, ‘শাহেদ’ সাক্ষ্যদাতা, ‘মুবাশশির’ সুসংবাদদাতা ও ‘নাজির’ সতর্ককারীরূপে। (সুরা আহজাব, আয়াত : ৪৫)

ওই আয়াতে মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় বন্ধুকে তিনটি নামে সম্বোধন করেছেন। শাহেদ, মুবাশশির ও নাজির।

এর পরের আয়াতেই মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় বন্ধুকে আরো দুটি নামে সম্বোধন করেন। ১. ‘দায়ি ইলাল্লাহ’। ২. ‘সিরাজাম মুনিরা’। ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আল্লাহর অনুমতিক্রমে (দায়ি ইলাল্লাহ) তাঁর দিকে আহ্বানকারী ও (সিরাজাম মুনিরা) উজ্জ্বল প্রদীপরূপে। (সুরা আহজাব, আয়াত : ৪৬)

আন নাবিয়্যুল উম্মি : ইরশাদ হয়েছে, যারা অনুসরণ করে রাসুলের। যিনি উম্মি নবী। (সুরা আরাফ, আয়াত : ১৫৭) এই আয়াতে মহান নবী (সা.)-কে ‘আন নাবিয়্যুল উম্মি’ বলে সম্বোধন করেছেন।

কখনো মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় বন্ধুকে মুজ্জাম্মিল বলে সম্বোধন করেছেন। ‘মুজ্জাম্মিল’ মানে হলো, চাদরে আবৃত ব্যক্তি। একবার রাসুল (সা.) চাদরে আবৃত ছিলেন। সেই সময় আয়াত নাজিল হলো, ‘ইয়া আইয়ুহাল মুজ্জাম্মিল’ হে বস্ত্রাবৃত, (সুরা মুজ্জাম্মিল, আয়াত : ১)

আবার কখনো সম্বোধন করেছেন ‘মুদ্দাসসির’ বলে। যার অর্থ হলো বস্ত্রাবৃত। ইরশাদ হয়েছে, ‘ইয়া আইয়ুহাল মুদ্দাসসির’ হে বস্ত্রাবৃত, (সুরা মুদ্দাসসির, আয়াত : ১)

আরও পড়ুন:

শিল্পকারখানা খুললে আইনানুগ ব্যবস্থা

আবারও মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল

কখনো সম্বোধন করেছেন, ‘আমিন’ বলে, যার অর্থ : বিশ্বস্ত। ইরশাদ হয়েছে। নিশ্চয়ই কোরআন সম্মানিত রাসুলের আনিত বাণী। যে শক্তিশালী আরশের মালিক, আল্লাহর নিকট মর্যাদাসম্পন্ন। মান্যবর ও বিশ্বাসভাজন। (সুরা তাকভির, আয়াত : ১৯-২১)

এ ছাড়া মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় নবীকে ‘হাদি’, ‘খাতামুন নাবিয়্যিন’ প্রভৃতি নামে সম্বোধন করেছেন।

news24bd.tv রিমু

পরবর্তী খবর

যে তিনটি কারণে জাহান্নাম অবধারিত

অনলাইন ডেস্ক

যে তিনটি কারণে জাহান্নাম অবধারিত

প্রিয় নবী রাসুল (সা.) বিভিন্ন সময় তার উম্মতকে বিভিন্ন খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য আহবান জানিয়েছেন। হজরত আবু মুসা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তিন ব্যক্তি জান্নাতে যাবে না। তারা হলো: মদ্যপায়ী, আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারী ও জাদুতে বিশ্বাসী।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১৯৫৮৭)

মদপানে অভ্যস্ত হওয়া: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মদ্যপানকারী ব্যক্তির ৪০ দিনের নামাজ কবুল করা হয় না। সে তাওবা করলে তবে আল্লাহ তাআলা তার তাওবা কবুল করেন। যদি আবার সে মদপান করে, তাহলে আল্লাহ তাআলা তার ৪০ দিনের নামাজ কবুল করেন না। যদি সে তাওবা করে, তাহলে আল্লাহ তাআলা তার তাওবা গ্রহণ করেন। সে যদি আবার মদপানে লিপ্ত হয়, তাহলে তার ৪০ দিনের নামাজ আল্লাহ তাআলা গ্রহণ করেন না।

আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা ব্যক্তি: পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা আল্লাহর (ইবাদত করার) দেওয়া প্রতিশ্রুতির পর তা লঙ্ঘন করে আর (আত্মীয়তার) সম্পর্ক অক্ষুণ্ন রাখার আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে এবং পৃথিবীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, তাদের ওপর আল্লাহর অভিশাপ। আর আখিরাতে তাদের জন্য রয়েছে নিকৃষ্ট আবাস।’ (সুরা আর রাদ, আয়াত : ২৫)

জাদু-টোনায় বিশ্বাস করা: পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, আর তারা অনুসরণ করেছে, যা শয়তানরা সুলাইমানের রাজত্বে পাঠ করত। আর সুলাইমান কুফরি করেনি, বরং শয়তানরা কুফরি করেছে। তারা মানুষকে জাদু শেখাত এবং (তারা অনুসরণ করেছে) যা নাজিল করা হয়েছিল বাবেলের দুই ফেরেশতা হারুত ও মারুতের ওপর। আর তারা কাউকে শেখাত না যে পর্যন্ত না বলত যে ‘আমরা তো পরীক্ষা, সুতরাং তোমরা কুফরি কোরো না। এর পরও তারা এদের কাছ থেকে শিখত, যার মাধ্যমে তারা পুরুষ ও তার স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাত। অথচ তারা তার মাধ্যমে কারো কোনো ক্ষতি করতে পারত না আল্লাহর অনুমতি ছাড়া।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১০২)

আরও পড়ুন:

আন্দোলনের মুখে তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী অপসারিত, স্থগিত পার্লামেন্ট

ইরানে পানির দাবিতে বিক্ষোভ, নিহত ৩

এই আয়াত দ্বারা স্পষ্ট হয়ে যায় যে জাদু-টোনার নিজস্ব কোনো শক্তি নেই। বরং আল্লাহর পূর্বনির্ধারিত জাগতিক নিয়ম ও নির্দেশেই তা প্রভাব বিস্তার করে থাকে।

মহান আল্লাহ তা'আলা আমাদের এই তিন খারাপ কাজসহ অন্যান্য খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

বিদেশীদের ওমরাহ’র অনুমতি সৌদির

অনলাইন ডেস্ক

বিদেশীদের ওমরাহ’র অনুমতি সৌদির

আগামী ১০ আগস্ট থেকে বিদেশী মুসল্লিদের ওমরাহ করার অনুমতি দিয়েছে সৌদি আরব। ৯টি দেশ ছাড়া বাকি সব দেশ থেকেই সৌদি আরবে সরাসরি বিমান চলাচল করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে সৌদি প্রশাসন।

কোভিড মহামারির মধ্যে সীমিত পরিসরে সফলভাবে হজ আয়োজনের পর রোববার এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা দিলো দেশটি। তবে ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিযা, তুরস্ক, মিশর, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, লেবানন ও দক্ষিণ আফ্রিকা- এই দেশগুলোর নাগরিকদের তৃতীয় আরেকটি দেশে দু সপ্তাহের কোয়ারেন্টাইন পালন করতে হবে। 

আরও পড়ুন:

চীনে গুদামে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪

এনএসও'র দাবি পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহারে বিশ্বের লাখো মানুষ ঘুমাতে পারছে

পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ল পচেত্তিনোর


 

ওমরাহ পালনে ইচ্ছুক সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে করোনা ভ্যাকসিনের উভয় ডোজ গ্রহণ সম্পন্ন করতে হবে। তবে সে ভ্যাকসিন অবশ্যই ফাইজার, মডার্না, অ্যাস্ট্রাজেনেকা অথবা জনসন অ্যান্ড জনসনের হতে হবে। আর এসব টিকারই বাড়তি বুস্টার ডোজ গ্রহণ করতে হবে চীনা টিকা গ্রহণকারীদের। এছাড়া ওমরাহ হজযাত্রীদের বয়স অন্তত আঠারো বছর হতে হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ইসলামে মানতের বিধান

অনলাইন ডেস্ক


ইসলামে মানতের বিধান

মানত শব্দের সঙ্গে সব ধর্মের অনুসারীরাই কম-বেশি পরিচিত। মানতের বিষয়ে সব ধর্মের অনুসারীরা একমত পোষণ করলেও মানতের ক্ষেত্র নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মতভেদ রয়েছে। 

যেমন- মানত কোথায় করবে, মানত কীভাবে করবে, মানতের যৌক্তিকতা কি এবং আদৌ মানতের বৈধতা আছে কিনা ইত্যাদি।

সাধারণত কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে সাধনের লক্ষে কোনো কিছু উৎসর্গ করাকে মানত বলা হয়। মানতের বিধান নিয়ে ইসলাম কি বলে। এ বিষয়ে জানতে ভিডিওটি দেখুন।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

জাহান্নাম থেকে মুক্তির ১০টি আমল

অনলাইন ডেস্ক

জাহান্নাম থেকে মুক্তির ১০টি আমল

মহান আল্লাহ তা'আলা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদাত করার জন্য। আল্লাহ তা'আলার হুকুম-আহকাম পালনের উপর জাহান্নামের আজাব থেকে মুক্তির জন্য রহমত বর্ষণ করবেন। 

জাহান্নাম থেকে মুক্তির ১০টি আমল:

১. আসমা বিনতে ইয়াজিদ (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘যে ব্যক্তি তার (মুসলিম) ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে তার সম্ভ্রম রক্ষা করে, সে আল্লাহর কাছে এ অধিকার পায় যে তিনি তাকে দোজখ থেকে মুক্ত করে দেন।’ (মুসনাদে আহমদ, সহিহুল জামে, হাদিস : ৬২৪০)

২. আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, “আদম সন্তানের মধ্যে প্রত্যেক মানুষকে ৩৬০ গ্রন্থির ওপর সৃষ্টি করা হয়েছে। (আর প্রত্যেক গ্রন্থির পক্ষ থেকে প্রদেয় সদকা রয়েছে।) সুতরাং যে ব্যক্তি ‘আল্লাহু আকবার’ বলল, ‘আল হামদুলিল্লাহ’ বলল, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলল, ‘সুবহানাল্লাহ’ বলল, ‘আসতাগফিরুল্লাহ’ বলল, মানুষ চলার পথ থেকে পাথর, কাঁটা অথবা হাড় সরাল কিংবা ভালো কাজের আদেশ করল অথবা মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করল (এবং সব মিলে ৩৬০ সংখ্যক পুণ্যকর্ম করল), সে ওই দিন এমন অবস্থায় সন্ধ্যা যাপন করল যে সে নিজেকে জাহান্নামের আগুন থেকে দূর করে নিল।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস ২২২০)

৩. রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, “কেউ যদি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর ‘সুবহানাল্লাহ’ ৩৩ বার, ‘আলহামদুলিল্লাহ’ ৩৩ বার, ‘আল্লাহু আকবার’ ৩৩ বার পাঠ করে, এরপর একবার ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির’ পাঠ করে, ওই ব্যক্তির সব পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে, যদিও তা সাগরের ফেনার সমতুল্য হয়।” (মুসলিম, হাদিস : ১২৩৯)

৪. যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সে জান্নাতবাসী হবে। (নাসাঈ : ৫/৩৩৯; সিলসিলাহ সহিহাহ : ৯৭২)

৫. রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা জাহান্নাম থেকে বাঁচ, যদিও খেজুরের এক টুকরো সদকাহ করে হয়। আর যে ব্যক্তি এর সামর্থ্য রাখে না, সে যেন ভালো কথা বলে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৪১৩)

৬. হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘কোনো ব্যক্তি যদি জান্নাতের জন্য আল্লাহর কাছে তিনবার প্রার্থনা করে, তাহলে জান্নাত তখন বলে, হে আল্লাহ! তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান। আর কোনো ব্যক্তি তিনবার জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাইলে জাহান্নাম তখন আল্লাহর কাছে বলে, হে আল্লাহ! তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিন।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৫৭২)

৭. রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি ধারাবাহিকভাবে জোহরের আগে চার রাকাত ও পরে চার রাকাত নামাজ আদায় করবে, মহান আল্লাহ তার জন্য জাহান্নাম হারাম করে দেবেন।’ (ইবনে মাজাহ : ১১৬০, আবু দাউদ, হাদিস : ১২৬৯)

৮. আবু বকর ইবনে শায়বা, আবু কুরায়ব ও ইসহাক ইবনে ইবরাহিম (রহ.)... আবু বকর ইবনে উমর ইবনে রুয়াইবা (রহ.) তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি সূর্যোদয়ের ও সূর্যাস্তের আগে অর্থাৎ ফজর ও আসরের সালাত আদায় করে, সে কখনো জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। তখন বসরার এক ব্যক্তি তাঁকে বলেন, আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছ থেকে শুনেছেন? তিনি বলেন হ্যাঁ। তখন ওই ব্যক্তি বলল, আমি এই মর্মে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি নিজ কানে তা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছ থেকে শুনেছি এবং আমার হৃদয়ে তা গেঁথে রেখেছি। (মুসলিম, হাদিস : ১৩১১)

৯. রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, “যে ব্যক্তি একমাত্র আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে, কিয়ামতের দিন সে এমনভাবে উপস্থিত হবে যে তার ওপর জাহান্নাম হারাম।” (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ১৪৬৮২)

আরও পড়ুন:

চীনে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮

সূরা ফাতিহার ফজিলত

মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর মায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

১০ আগস্ট থেকে বিদেশি মুসল্লিদের জন্য চালু হচ্ছে পবিত্র ওমরাহ

১০. আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমি কি তোমাদের জানিয়ে দেব না, কোন ব্যক্তির জন্য জাহান্নাম হারাম এবং জাহান্নামের জন্য কোন ব্যক্তি হারাম?

যে ব্যক্তি মানুষের কাছাকাছি (জনপ্রিয়), সহজ-সরল, নম্রভাষী ও সদাচারী (তার জন্য জাহান্নাম হারাম)।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৪৮৮)

আল্লাহ তা'আলা আমাদের তাঁর হুকুম-আহকাম পালনের পাশাপাশি জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর