মৃত ব্যক্তির নামে কি কোরবানী দেওয়া যাবে?

অনলাইন ডেস্ক

মৃত ব্যক্তির নামে কি কোরবানী দেওয়া যাবে?

ইসলামে যত বিধান আছে, তার অন্যতম হলো কোরবানী। কোরবানী করা অত্যন্ত তাৎপর্যমণ্ডিত ও ফজিলতপূর্ণ ইবাদত। এতে আছে আত্মত্যাগের মহিমা ও আর্তের সেবার গৌরব। 

আদি পিতা হজরত আদম (আ.)-এর দুই পুত্র হাবিল ও কাবিল থেকে শুরু হওয়া এই কোরবানীর ইতিহাস মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইব্রাহিম (আ.) ও তাঁর শিশুপুত্র ইসমাইল (আ.)–এর মহান আত্মবিসর্জনে উজ্জ্বল, যা কিয়ামত পর্যন্ত অম্লান থাকবে। 

উপরোক্ত আলোচনার মাধ্যমে এটা স্পষ্ট যে কোরবানী গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। এখন প্রশ্ন হলো মৃত ব্যক্তির নামে কি কোরবানী দেওয়া যাবে? 

আরও পড়ুন:


হজে প্রথমবারের মতো নিরাপত্তার দায়িত্বে সৌদি নারী সেনা

ফরজ গোসল অবহেলার শাস্তি

আমেরিকাকে প্রতিহত করতেই রাশিয়া হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণ করছে: পেসকভ

৫০ হাজার টাকা বেতনে লোক নেবে আকিজ বিড়ি ফ্যাক্টরি


উত্তরটি জানতে এখানে ক্লিক করুন:

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সূরা বাকারা, আয়াত ১৪-১৬, মুনাফিকদের রং ধারণ

অনলাইন ডেস্ক

সূরা বাকারা, আয়াত ১৪-১৬, মুনাফিকদের রং ধারণ

পবিত্র কুরআনের গুরুত্বপূর্ণ সূরা আল-বাকারা আলোচনার আজকের পর্বে সূরা আল-বাকারা’র ১৪ থেকে ১৬ নম্বর আয়াতের ব্যাখ্যা তুলে ধরা হবে। এই সূরার ১৪ আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন -

وَإِذَا لَقُوا الَّذِينَ آَمَنُوا قَالُوا آَمَنَّا وَإِذَا خَلَوْا إِلَى شَيَاطِينِهِمْ قَالُوا إِنَّا مَعَكُمْ إِنَّمَا نَحْنُ مُسْتَهْزِئُونَ (14

‘‘মুনাফিকরা যখন ঈমানদারদের সংস্পর্শে আসে তখন তারা বলে-আমরাও বিশ্বাস করি। কিন্তু যখন তারা নিভৃতি তাদের দলপতিদের সাথে মিলিত হয় তখন তারা বলে-আমরা তো তোমাদের সাথেই রয়েছি। আমরা শুধু ঈমানদারদের সাথে ঠাট্টা-তামাশা করে থাকি।’’ (২:১৪)

নিফাক বা কপটতার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, মুনাফিকদের ব্যক্তিত্বে দৃঢ়তা বা গাম্ভীর্যতা নেই। তারা যে পরিবেশে যায় সেই পরিবেশের রং ধারণ করে। তারা যখন মুমিনদের মাঝে যায়, তখন মুসলমান হওয়ার ভাব দেখায়। আবার যখন ইসলামের দুশমনদের সাথে মিলিত হয়, তখন তাদের সাথেও কণ্ঠে কণ্ঠ মেলায়, মুমিনদের বিরুদ্ধে কথা বলে এবং তাদের সুনজরে পড়ার জন্য মুমিনদেরকে নিয়ে উপহাস ও ঠাট্টা-তামাশা করে। এই আয়াতও আমাদেরকে সতর্ক করে দেয় যাতে লোকজনের বাহ্যিক আচরণে আমরা ধোঁকা না খাই। ঈমানের দাবী করলেই তাকে মুমিন ভাবা ঠিক নয় এবং দেখতে হবে ঈমানের দাবীদার ব্যক্তি কাদের সাথে ওঠা বসা করে এবং তার বন্ধুই বা কারা। কেউ মুমিন হবে আবার ইসলামের নেতাদের শত্রু ও ধর্মের দুশমনদের বন্ধু হবে-এটা মেনে নেয়া যায় না। ঈমান,ইসলামের শত্রুদের সাথে আপোষ এবং বন্ধুত্বের পরিপন্থী। ঈমানের আবশ্যিক দিক হলো- আল্লাহর দুশমনদেরকে নিজেও শত্রু মনে করা।
এই আয়াত থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি, ইবলিসের বংশধররাই শুধু শয়তান নয় বরং যেসব মানুষ অন্যদেরকে বিভ্রান্ত করে তারাও শয়তান এবং তাদেরকে এড়িয়ে চলতে হবে।
এরপর পনেরতম আয়াতে বলা হয়েছে-

اللَّهُ يَسْتَهْزِئُ بِهِمْ وَيَمُدُّهُمْ فِي طُغْيَانِهِمْ يَعْمَهُونَ 15

‘‘আল্লাহও তাদেরকে উপহাস করেন এবং তাদেরকে তিনি ছেড়ে দিয়েছেন যেন তারা নিজেদের অহংকার ও অবাধ্যতায় বিভ্রান্তের ন্যায় ঘুরে বেড়ায়।’’ (২:১৫)

ইমাম মূসা রেজা (আ.) বলেছেন- ‘‘আল্লাহপাক ধোঁকাদানকারী বা উপহাসকারী নন। কিন্তু দুশমনদের ধোঁকা ও উপহাসের শাস্তি তিনি দেন।’’ বিভ্রান্তি ও হৃদয়ের অন্ধত্বের শিকার হওয়ার চেয়ে বড় শাস্তি আর কী হতে পারে? আল্লাহর নিয়ম হলো তিনি অত্যাচারী পাপীদের সময় দেন। এ সময়টিকে যদি মানুষ তওবা ও অনুশোচনার জন্য ব্যবহার করে তাহলে তা হবে তার জন্য রহমত। তা না হলে তারা আরো পাপের মধ্যে ডুবে যাবে এবং শেষ পর্যন্ত ধ্বংস হয়ে যাবে। মুনাফিকদের জন্য আল্লাহর শাস্তি হলো তাদেরকে নিজেদের অবস্থায় ছেড়ে দেয়া। এর ফলে তাদের মধ্যে বিভ্রান্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়। তাদের নেই কোন লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং নেই কোন শান্তি।

এই আয়াতের শিক্ষা হলো- মানুষের গুনাহ্‌ যেরকম, আল্লাহর শাস্তিও সেরকম। তাই উপহাসের শাস্তিও উপহাস।

এতে কোন সন্দেহ নেই যে, আল্লাহপাক মুমিনদের সাহায্যকারী। মুনাফিকরা যদি মুমিনদের উপহাস করে তাহলে আল্লাহও তাদেরকে উপহাস করবেন এবং শাস্তি দেবেন।

এরপর ১৬তম আয়াতে বলা হয়েছে-

أُولَئِكَ الَّذِينَ اشْتَرَوُا الضَّلَالَةَ بِالْهُدَى فَمَا رَبِحَتْ تِجَارَتُهُمْ وَمَا كَانُوا مُهْتَدِينَ (16

‘‘এরাই সৎ পথের বিনিময়ে ভ্রান্ত পথ কিনে নিয়েছে। কিন্তু তাদের ব্যবসা লাভজনক হয়নি এবং তারা সৎ পথও পায়নি।’’ (২:১৬)

আমরা যে দুনিয়ায় বাস করছি, তা একটি বাজারের মত। আমাদের সবাইকে ব্যবসায়ী হিসাবে নিজেদের সম্পদ বিক্রি করতে হয়। যৌবন, বুদ্ধি, প্রজ্ঞা, জ্ঞান, শক্তি, জীবন এবং আল্লাহর দেয়া সব যোগ্যতাকে সম্পদ হিসাবে বিক্রি করতে হয়। এ বাজারে একদল মুনাফা অর্জন করে,অন্যদল দেউলিয়া হয়ে পড়ে। যারা দেউলিয়া হয়ে পড়ে, তারা লাভ তো দূরের কথা মূলধন পর্যন্ত হারিয়ে ফেলে। এ যেন অনেকটা বরফ বিক্রেতার মত। বরফ বিক্রেতা যদি তার জিনিস বিক্রি না করে তা হলে মুনাফা তো হবেই না বরং তার মূলধন পানি হয়ে যাবে এবং সে তার সর্বস্ব হারাবে।

আরও পড়ুন


বার্সার ঘোষণা : আর বার্সায় থাকছে না মেসি

টিকা আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে : জয়

চার দিনের রিমান্ডে রাজ ও তার সহযোগী

রিমান্ডে নেওয়া হলো পরীমনিকে


আল্লাহপাক কোরআনের বিভিন্ন স্থানে মানুষের ভালো ও মন্দ কাজকে ব্যবসার সাথে তুলনা করেছেন। যেমন সূরা সাফের ১০ ও ১১ নম্বর আয়াতে ঈমান ও জেহাদকে লাভজনক ব্যবসা আখ্যায়িত করে বলা হয়েছে- ‘‘হে ঈমানদারগণ! আমি কি এমন এক ব্যবসার সন্ধান দেব যা তোমাদেরকে কঠিন শাস্তি থেকে রক্ষা করবে? আর তা হলো-তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর এবং তোমাদের ধন-সম্পদ ও জীবন দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রাম কর।’’

সূরা বাকারা’র ১৬তম আয়াতে মুনাফিকদেরকে এমন বিক্রেতা হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে যারা হেদায়েত বিক্রি করে ভ্রান্তি কিনে নিয়েছে। সম্ভবত: এ আয়াত থেকে বোঝানো হচ্ছে যে- মুনাফিকরা কপটতা বা নিফাকের কারণে প্রত্যেক মানুষের মধ্যে হেদায়েত পাওয়ার খোদা প্রদত্ত যে শক্তি রয়েছে তা হারিয়ে ফেলে।

এই আয়াতের মূল বক্তব্য হলো-কেবল বস্তুগত লাভ-লোকসানের কথা ভাবা ঠিক নয় বরং দেখতে হবে আমাদের মন-প্রাণ ও আত্মাকে কোথায় বিক্রি করছি এবং এর বিনিময়ে কী অর্জন করছি? এই বেচা-কেনা থেকে সৌভাগ্যবান হচ্ছি নাকি বিভ্রান্তির স্বীকার হচ্ছি?

মনে রাখতে হবে, হেদায়াত এবং বিভ্রান্তি আমাদের নিজেদেরই কর্মফল। আল্লাহর পক্ষ থেকে চাপিয়ে দেয়া কিছু নয় কিংবা তাঁর ইচ্ছা, মর্জি বা তকদির নয় বরং তাতে আমাদের কর্মের প্রভাব রয়েছে। এছাড়া নিফাক বা ভণ্ডামীর শেষ পরিণতি হলো বিভ্রান্তি ও ধ্বংস। অপরপক্ষে ঈমান বা বিশ্বাস মানুষকে কল্যাণ ও সৌভাগ্যের দিকে নিয়ে যায়।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ইসলামী সাইকোথেরাপির প্রবর্তক আল-বালখি

মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ

ইসলামী সাইকোথেরাপির প্রবর্তক আল-বালখি

বরাবরই জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলিম মনীষীদের অবদান আড়াল করা হয়। সে ধারাবাহিকতায় মনোবিজ্ঞানে মুসলিম অবদানের কথা প্রায় বিস্মৃত। অথচ নবম শতকে মনের রোগের বিশ্লেষণ করেছিলেন আল-বালখি। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা হলে সিগমুন্ড ফ্রয়েড, ইভান ও কার্ল রজার্সের নাম যেভাবে উচ্চারিত হয়; যেসব মুসলিম মনীষী এই শাস্ত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন তাঁদের নাম সেভাবে উচ্চারিত হয় না।

মুসলিম চিকিৎসক আবু জায়েদ আল-বালখি ছিলেন সাইকোথেরাপির প্রবর্তক। ভূগোল, চিকিৎসাশাস্ত্র, ফিলোজফি, থিওলজি, রাজনীতি, ব্যাকরণ, সাহিত্য ও জ্যোতির্বিদ্যায় তাঁর পাণ্ডিত্য ছিল। তাঁর জন্ম ৮৫০ খ্রিস্টাব্দে বর্তমান আফগানিস্তানে। তিনি ছিলেন আল-কিন্দির শিষ্য।

আল-বালখির জীবন আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন তাঁর জীবনীকার ইয়াকুত আল-হামাউই। যদিও তাঁর জীবনীর মধ্যে বালখির শৈশব নিয়ে বিশেষ কিছু পাওয়া যায় না। শুধু তাঁর জন্মস্থান ও পিতার কাছ থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা সম্পর্কে জানা যায়। তবে তাঁর কৈশোর ও তৎকালীন পড়াশোনা নিয়ে বিশদ জানা যায়। কিশোর বালখি বিজ্ঞান ও কলা বিভাগের নানা বিষয়ে পারদর্শী ছিলেন। 

আল-বালখির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের নাম ‘মন ও শরীরের উন্নতি সাধন’ (মাসালিহ আল-আবদান ওয়া আল আনফুস)। এই পাণ্ডুলিপিতে আল-বালখি প্রথমে শরীরের উন্নতির কথা বলেন, তারপর শরীরের উন্নতি ও অধ্যাত্মবাদের মাধ্যমে কিভাবে মানসিক উন্নতি করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। ইসলামের ইতিহাসে এই বই অমূল্য সম্পদ!

তাঁর লেখা বইয়ের মধ্যে গণিত বিষয়ে ‘আল-ফাইরিস্ট’। ভৌগোলিক মানচিত্র বিষয়ে ‘সুয়ার আল-আকালিম’।

ইসলামী মনস্তত্ত্ব ও মানসিক স্বাস্থ্যবিধির প্রবর্তন করেছিলেন আল-বালখি। ‘মাসালিহ আল-আবদান ওয়াল আনফুস’ (দেহ এবং আত্মার উন্নতি সাধন) গ্রন্থে তিনিই প্রথম শরীর এবং আত্মা সম্পর্কিত বিভিন্ন রোগের আলোচনা করেছিলেন। তিনি এর জন্য শব্দ ব্যবহার করেছিলেন ‘আল-তিব্ব আল-রুহানি’ বা আধ্যাত্মিক ও মানসিক স্বাস্থ্য। তিনি বহু মেডিক্যাল ডাক্তারকে মানসিক অসুস্থতা বিষয়ে অবহেলার কারণে সমালোচনা করেছিলেন। তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে যেহেতু মানুষের আত্মা ও দেহ উভয় থেকেই মানুষের নির্মাণ হয়, সুতরাং মানুষের অস্তিত্ব স্বাস্থ্যকর হতে পারে না দেহ ও আত্মার সমন্বয় ছাড়া।

আরও পড়ুন


হানি সিংকে নিয়ে গুরুতর সব অভিযোগ, আদালতের দ্বারস্থ স্ত্রী

ভারতের এলপিইউ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু কর্নার

বর্তমান সমাজে মানসিক সমস্যা একটি ট্যাবু। এখনো কারো মানসিক সমস্যা হলে তাকে মানুষ অন্য চোখে দেখে। তাই আধুনিককালে চিকিৎসাশাস্ত্র মানসিক সমস্যাকে স্বাভাবিক অসুখ বলতে বাধ্য হয়েছে। মানুষের মধ্যে চিন্তাভাবনার প্রসার ঘটানোর চেষ্টা চলছে। সামাজিকভাবে আমরা এখনো মানসিক সমস্যাকে মেনে নিতে পারি না। আল-বালখি বহু বছর আগে এ বিষয়ে লিখে গেছেন। আল-বালখির মতে, মানসিক সমস্যাকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারলেই অসুখের সঙ্গে সহজে লড়াই করা যায়। আক্রান্ত ব্যক্তি সেরে ওঠেন।

আল-বালখি মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে তাঁর ধারণাগুলো কোরআনের আয়াত ও হাদিস থেকে গ্রহণ করেছেন।

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

গুরুত্ব অসুস্থ হলে যে দোয়া পড়বেন

অনলাইন ডেস্ক

গুরুত্ব অসুস্থ হলে যে দোয়া পড়বেন

সুস্থতা আল্লাহর নেয়ামত। আবার অসুস্থতার মাধ্যমে মুমিনদের পাপ মোচন হয়। সুস্থতার জন্য আল্লাহর দরবারে যেমন দোয়া করা উচিৎ তেমনি অসুস্থ হলেও তা থেকে পানাহ পাওয়ার জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করা উচিৎ।

রোগ থেকে দ্রুত মুক্তি লাভের দোয়া:

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা রাব্বান-নাসি মুজহিবাল বা’সি, ইশফি আনতাশ-শাফি, লা শাফি ইল্লা আনতা শিফায়ান লা য়ুগাদিরু সুকমা।

অর্থ: হে আল্লাহ! মানুষের প্রতিপালক, কষ্ট দূরকারী। আমাকে আরোগ্য দিন, আপনি আরোগ্যকারী; আপনি ছাড়া কোনো আরোগ্যকারী নেই। এমন আরোগ্য দিন যেন কোনো রোগ অবশিষ্ট না থাকে।

হাদিসে এসেছে, আনাস বিন মালিক (রা.) বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়া পড়ে অসুস্থ ব্যক্তিদের ঝাড়-ফুঁক করতেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৭৪২)

------------------------------------------------------------

চাকরির জন্য আল্লাহর কাছে যে দোয়া পড়বেন

যে দোয়া পড়লে মনের আসা কবুল হয়

যারা বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে

যে দোয়া পড়লে কখনো বিফলে যায় না!

যে সময় দোয়া পড়লে দ্রুত কবুল হয়

কঠিন বিপদ থেকে রক্ষা পেতে যে দোয়া পড়বেন!

যাদের দোয়া দ্রুত কবুল হয়

-----------------------------------------------------------------

নিউজ টোয়েন্টিফোর / কামরুল

পরবর্তী খবর

মনের অস্থিরতা দূর করার আমল ও দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

হতাশ হওয়া কিংবা মানসিক চাপ অনুভব করা নতুন কিছু নয়। বিপদ-আপদ, চাপ কিংবা না পাওয়ার বেদনা যত বেশিই হোক না কেন কোনো অবস্থায়ই হতাশ হওয়া ঈমানদারের কাজ নয়। বরং সর্বাবস্থায় মহান আল্লাহর ওপর আস্থা রাখাই সুস্থ থাকার উপায় এবং বুদ্ধিমানের কাজ।

মনের অস্থিরতা দূর করতে মহান আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করতে হবে। এছাড়াও কিছু আমল রয়েছে।

আমলটি জানতে ভিডিওটি দেখুন

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

যে দুটি খারাপ অভ্যাস ত্যাগের বিনিময়ে জান্নাত

অনলাইন ডেস্ক

যে দুটি খারাপ অভ্যাস ত্যাগের বিনিময়ে জান্নাত

পবিত্র কোরআনে বহু আয়াতে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের তাকওয়া অর্জনের প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন। কারণ তাকওয়া মানুষকে সব ধরনের পাপ থেকে বিরত থাকতে সাহায্য করে। এর বিপরীতে দুটি অভ্যাস এমন আছে, যেগুলো মানুষ পাপ কাজের প্রতি উৎসাহিত করে, ফলে তারা অন্ধ হয়ে যায় এবং পাপের সাগরে ডুব দিতে দিতে জাহান্নামের অতল গহ্বরে হারিয়ে যায়।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘এটা আখিরাতের আবাস, যা আমি নির্ধারিত করি তাদের জন্য, যারা জমিনে উদ্ধত হতে ও বিপর্যয় সৃষ্টি করতে চায় না। আর শুভ পরিণাম মুত্তাকিদের জন্য।’ (সুরা : আল কাসাস, আয়াত : ৮৩)

এ আয়াতে আখিরাতের মুক্তি ও সাফল্য শুধু তাদের জন্য নির্ধারিত বলা হয়েছে, যারা জমিনে ঔদ্ধত্য ও অনার্থের ইচ্ছা করে না। পবিত্র কোরআনে এই দুটি অভ্যাসকে দুটি শব্দে ব্যক্ত করা হয়েছে। ১. ‘উলুয়্যুন’- ঔদ্ধত্য, ২. ‘ফ্যাসাদ’-অনার্থ/অশান্তি।

১। আরবি শব্দ ‘উলুয়্যুন’-এর অর্থ অহংকার তথা নিজেকে অন্যের চেয়ে বড় মনে করা এবং অন্যকে হেয় করা। যা মহান আল্লাহ মোটেই পছন্দ করেন না। মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের অনুগ্রহ করে নিয়ামত দেন; কিন্তু কেউ যখন সেই নিয়ামত পেয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং অহংকার করা শুরু করে, তখন মহান আল্লাহ তাকে কঠিন শাস্তি দেন। অতীতে বহু প্রভাবশালী জাতিকে এই অহংকারের কারণে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘অতঃপর আদ সম্প্রদায়, তারা জমিনে অযথা অহংকার করেছিল এবং বলেছিল, আমাদের চেয়ে বেশি শক্তিশালী কে আছে? তবে কি তারা লক্ষ করেনি যে নিশ্চয়ই আল্লাহ, যিনি তাদের সৃষ্টি করেছেন, তিনি তাদের চেয়ে বেশি শক্তিশালী? আর তারা আমার নিদর্শনাবলিকে অস্বীকার করত। তারপর আমি তাদের ওপর অশুভ দিনগুলোতে প্রেরণ করলাম ঝোড়ো হাওয়া, যাতে আমি তাদের আস্বাদন করাতে পারি দুনিয়ার জীবনের লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি। আর আখিরাতের শাস্তি তো তার চেয়ে বেশি লাঞ্ছনাদায়ক এবং তাদের সাহায্য করা হবে না।’ (সুরা : হা-মিম সাজদা, আয়াত : ১৫-১৬) 

২। ‘ফ্যাসাদ’ মানে অশান্তি সৃষ্টি করা। যেমন—পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেছেন, ‘আল্লাহ ফ্যাসাদকারীদের আমল পরিশুদ্ধ করেন না।’ (সুরা ইউনুস, আয়াত : ৮১)

এখানে ‘ফ্যাসাদ’-এর অর্থ বিশৃঙ্খলা বা অশান্তি সৃষ্টি। যারা জুলুম করে তারাই সাধারণত পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করে। জুলুমের ভয়াবহতা সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা জুলুম করা থেকে বিরত থেকো। কেননা কিয়ামতের দিন জুলুম অন্ধকারে পরিণত হবে। তোমরা কৃপণতা থেকে সাবধান হও। কেননা কৃপণতা তোমাদের আগের জাতিকে ধ্বংস করেছে। এ কৃপণতা তাঁদের খুন-খারাবি ও রক্তপাতে উৎসাহ জুগিয়েছে এবং হারাম বস্তু হালাল জ্ঞান করতে প্রলোভন দিয়েছে।’ (মুসলিম, হাদিস : ৬৪৭০)

আরও পড়ুন

গুনাহ হয়ে গেলে যে দোয়া পড়বেন

৭৩টি ভুঁইফোড় সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ

রামেকে করোনা ওয়ার্ডে ১৯ জনের মৃত্যু

হেলেনা জাহাঙ্গীরের দুই সহযোগী গ্রেফতার

কোনো কোনো তাফসিরকারক বলেন, গুনাহমাত্রই জমিনে ফ্যাসাদের শামিল। কারণ গুনাহের কুফলস্বরূপ বিশ্বময় বরকত হ্রাস পায়, বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘মানুষের কৃতকর্মের দরুন স্থলে ও সাগরে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে; ফলে তিনি তাদেরকে তাদের কোনো কোনো কাজের শাস্তির মজা দেখান, যাতে তারা ফিরে আসে।’ (সুরা রুম, আয়াত : ৪১)

প্রতিটি মুমিনের তাকওয়া অবলম্বন করা উচিত। তাকওয়া বান্দাকে মহান আল্লাহর অতি কাছে নিয়ে যায়। আর মহান আল্লাহ মুত্তাকিদের দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা দান করেন। আমিন। 

news24bd.tv রিমু

পরবর্তী খবর