কঠোর লকডাউনে খোলা থাকবে যেসব শিল্প কারখানা

অনলাইন ডেস্ক

কঠোর লকডাউনে খোলা থাকবে যেসব শিল্প কারখানা

আজ থেকে শুরু হচ্ছে কঠোর বিধিনিষেধ। যা চলবে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত। এই ইস্যুতে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন।

১৪ দিনের কঠোর এই বিধি-নিষেধ চলাকালে খাদ্য ও খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ মিল কারখানা খোলা থাকবে। এছাড়া কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপদনকারী শিল্পকারখানা খোলা থাকবে।

কঠোর বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে যেসব খাত:

১) খাদ্য ও খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকারখানা খোলা থাকবে।

২) কোরবানির পশুর চামড়া পরিবহন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প কারখানা খোলা থাকবে।

৩) ওষুধ, অক্সিজেন ও কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্প কারখানা খোলা থাকবে।

আরও পড়ুন:


হজে প্রথমবারের মতো নিরাপত্তার দায়িত্বে সৌদি নারী সেনা

ফরজ গোসল অবহেলার শাস্তি

আমেরিকাকে প্রতিহত করতেই রাশিয়া হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণ করছে: পেসকভ

৫০ হাজার টাকা বেতনে লোক নেবে আকিজ বিড়ি ফ্যাক্টরি


গত ১৩ জুলাই বিধিনিষেধে আরোপ করার পর গত ১৯ জুলাই এই আদেশ জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

উল্লেখ্য, সার্বিক চলাচলে জরুরি সেবা সার্ভিস আগের মতোই চালু থাকবে। এছাড়া কঠোর বিধিনিষেধ চলাকালে জরুরি প্রয়োজনে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দপ্তর সীমিত আকারে খোলা থাকবে। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

২৫ কোটি ডলার ঋণের অনুমোদন এডিবি'র

অনলাইন ডেস্ক

২৫ কোটি ডলার ঋণের অনুমোদন এডিবি'র

করোনা মহামারির পর বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ২৫ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ প্রায় দুই হাজার ১২৫ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)। 

অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কর্মসূচির প্রোগ্রাম্যাটিক ৫০ কোটি ডলারের প্রথম সাবপ্রোগ্রামে ২৫ কোটি ডলার অনুমোদন করল এডিবি। শনিবার এডিবির ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এডিবি জানায়, টেকসই অর্থনীতি পুনরুদ্ধার কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো কোভিড-১৯ মহামারি থেকে দ্রুত ও টেকসই পুনরুদ্ধারের সুবিধা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এজন্য ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্প্রসারিত করতে হবে। এডিবির এ অর্থ আর্থিক সংস্থানের পাশাপাশি কুটির, ক্ষুদ্র্র এবং মাঝারি আকারের উদ্যোক্তাদের পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে।
সংস্থাটি আরও জানায়, এই ঋণ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা এবং অবকাঠামোতে সরকারের পরিকল্পিত পাবলিক বিনিয়োগকে সমর্থন করবে এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম এবং অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে উদ্দীপিত করতে সহায়তা করবে। এটি দেশের অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্যগুলোর সাথেও সংযুক্ত এবং ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে সমর্থন করবে।
এডিবির প্রধান আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ শ্রীনিবাসন জনার্দনম বলেন, এ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের আর্থিক সংস্থানকে সরকারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোতে ব্যয় এবং অধিক বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেবে। প্রোগ্রামটি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্টে দক্ষতা বাড়াবে। বিশেষ করে দরিদ্র ও দুর্বলদের জন্য ক্রেডিট অ্যাক্সেসের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোভিড-১৯ মহামারি দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং ক্ষুদ্র ব্যবসাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বৃহত্তর কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের (সিএমএসএমই) মাত্র ২৮ শতাংশ আনুষ্ঠানিক ব্যাংক ক্রেডিটের অ্যাক্সেস পায়। সিএমএসএমই এর জন্য ঋণের অ্যাক্সেস বাড়ানো হলে অর্থনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ খাতকে রক্ষা করা সম্ভব হবে, যা অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করবে।

পরবর্তী খবর

ইভ্যালির বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা কমিশনের মামলা

অনলাইন ডেস্ক

ইভ্যালির বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা কমিশনের মামলা

প্রতারণার দায়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির বিরুদ্ধে মামলা করেছে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা কমিশনের পক্ষ থেকে আলাদা তদন্তও করা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদনটি হাতে পেলেই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

আজ শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কমিশনের চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম এসব কথা জানান।


আরও পড়ুন

অভিজাত এলাকায় প্রবেশ করতে গুনতে হবে ট্যাক্স: মেয়র আতিক

নতুন মন্ত্রিসভা ঘোষণা করেছে দুবাই শাসক


গ্রাহক প্রতারণা, অর্থ আত্মসাতের মামলায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী শামিমা নাসরীন।

এবার প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা করার কথা জানাল বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন। কমিশন বলছে, ২০২০ সালে ১২ আগস্টে প্রচারিত ঈদ ধামাকা অফার নিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার করে ইভ্যালি। যেখানে পণ্যক্রয়ে ৮০ শতাংশের বেশি মূল্যছাড় দেয়ার কথা জানায় প্রতিষ্ঠানটি। এই বিজ্ঞাপনের সূত্র ধরে তদন্তে নেমে গ্রাহক প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হয় বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন।

কমিশনের চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, ইভ্যালির ঈদ ধামাকা অফার দেখে সন্দেহ হলে ২৫ আগস্টে আমরা ব্যবসায়িক সব ধরনের তথ্য চেয়ে ইভ্যালি ও ই-ক্যাবকে চিঠি দেই। তারা কিছু তথ্য দিয়েছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে স্বপ্রণোদিত হয় ইভ্যালির বিরুদ্ধে মামলা করার কথা জানান মফিজুল ইসলাম।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর

নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ষষ্ঠ সদস্য বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ষষ্ঠ সদস্য বাংলাদেশ

দ্য নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এনডিবি) ষষ্ঠ সদস্য হয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৫ সালে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার নামের অদ্যাক্ষর নিয়ে গঠিত ব্রিকস জোট এই ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠা করে।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

সিন্ডিকেট দৌরত্বে আরেক দফা বাড়লো চালের দাম

নয়ন বড়ুয়া জয়, চট্টগ্রাম

চাল আমদানির পরও চট্টগ্রামে চাল সিন্ডিকেটের চালবাজিতে আরেক দফা বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম। সপ্তাহ ব্যবধানে চালের দাম বস্তাপ্রতি পাইকারিতে বেড়েছে দেড়শ টাকা পর্যন্ত। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। 

কিছুদিন আগেও চাল আমদানির খবরে চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় চালের মোকাম পাহাড়তলী এবং চাক্তাই খাতুনগঞ্জে কমেছে সর ধরনের চালের দাম। এখনও আমদানি চালের পাশাপাশি দেশীয় চালে ভরপুর চালের মোকাম। তবুও নানা অজুহাতে আবারো বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম। পাইকাররা বলছেন উত্তরবঙ্গের সিন্ডিকেটের কারণে প্রভাব পড়েছে বাজারে।

পাইকারি বাজারের চেয়ে খুচরা বাজারে বিশাল ফারাক থাকায় মহা বিপাকে ক্রেতারা। আর খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন পাইকারী বাজারের চালের দাম বেশি হওয়ায় বাড়তি দামে বিক্রি করছে তারা। তবে জেলা প্রশাসনের তদারকিতেও উঠে এসেছে চট্টগ্রামের চাল ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের নাম।

আরও পড়ুন:


ফুটবলে ক্যারিশমা দেখিয়ে অষ্টমবারের মতো গিনেস বুকে বাংলাদেশের ফয়সাল

ইসরায়েলের আয়রন ডোমের জন্য ১০০ কোটি ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীল খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাত ঘণ্টা বৈঠক শেষ যা বললেন মির্জা ফখরুল!


আমদানি করা পাইজাম চালের বস্তা বিক্রি হচ্ছে পাইকারিতে সাড়ে ২২শ থেকে ২৩ শ পর্যন্ত। আর দেশীয় পাইজাম বিক্রি হচ্ছে ২৪শ থেকে ২৫শ পর্যন্ত। যা এক সপ্তাহ আগে বস্তাপ্রতি ১শ থেকে দেড়শ টাকা পর্যন্ত কম ছিল। একই ভাবে বেড়েছে নাজিরশাইল সেদ্ধ এবং আতপ চালসহ সব ধরনের চালের দাম।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ইভ্যালী, ই-অরেঞ্জসহ নানা প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা উদ্ধারে মরিয়া গ্রাহকরা

সুলতান আহমেদ

দিশেহারা এখন ইভ্যালী, ই অরেঞ্জ সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগকারিরা। টাকা উদ্ধারে মরিয়া গ্রাহকরা আন্দোলন সংগ্রামও করছেন নিয়মিত। কিভাবে টাকা পাওয়া যাবে সেই প্রশ্নই আসছে ঘুরেফিরে। তবে ইতিহাস বলছে, এই ধরনের প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করে অর্থ ফিরে পাওয়ার নজির নেই। ইভালী, ই অরেঞ্জের গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও কি ঘটবে তারই পুনরাবৃত্তি? 

চলতি শতাব্দির শুরুর দিকের কথা, যুব কর্মসংস্থান সোসাইটি বা যুবক নামের প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহককে অতি মুনাফার লোভ দেখিয়ে হাতিয়ে নেয় কোটি কোটি টাকা। ২০০৫ সালের দিকে তাদের কার্যক্রম নিয়ে গণমাধ্যমে লিখা ‍শুরু হলে তদন্তে নামে কেন্দ্রিয় ব্যাংক। ২০০৭ সালে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে বিনিয়োগকারিদের টাকা ফেরত দিতে নির্দেশনাও আসে। তবে ১৪ বছরেও ৩ লাখ ৪ হাজার গ্রাহক তাদের পাওণা ২,৬০০ কোটি টাকা ফেরত পায়নি। যদিও যুবকের কেনা জমির মূল্য বেড়ে এখন দাড়িয়েছে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা। 

একসময় পল্টন, কাকরাইল এলাকায় সরব ছিল ডেসটিনির গ্রাহকদের উপস্থিতিতে। ২০১২ সালে সেই প্রতিষ্ঠানের মালিকসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ৪,১১৯ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া ও পাচারের অভিযোগে মামলা হয়। সেই মামলায় তারা রয়েছেন কারাগারে। তবে এখন পর্যন্ত কোন টাকা ফেরত পায়নি গ্রাহকরা। 

১০ মাসে স্বর্ণের ব্যবসা করে বিনিয়োগ দ্বিগুন করে দেয়ার প্রলোভন নিয়ে গ্রাহকের ৬ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় ইউনিপে টু ইউ। প্রতারণার অভিযোগে তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয় ৪২০ কোটি টাকা। উচ্চ আদালতের রায়ের পরও এক টাকাও ফেরত পায়নি গ্রাহকরা।


সিলেটে বাসার ছাদ থেকে আপন দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার

ক্ষমতায় থাকছেন ট্রুডো, তবে গঠন করতে হবে সংখ্যালঘু সরকার

মিডিয়া ভুয়া খবর ছড়িয়েছে: বাপ্পী লাহিড়ি


 

প্রতারণার আধুনিকতম ভার্সন এই ইভ্যালী, ই অরেঞ্জ। তাদের টাকা ফেরত পেতে আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে গ্রাহকরা। যদিও অ্যার্টনি জেনারেল বলছেন, প্রচলিত আইনে গ্রাহকের অর্থ ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

তবে সরকারের উচ্চ মহলের আন্তরিকতা থাকলে আংশিক হলেও গ্রাহকদের বিনিয়োগ ফিরেয়ে দেয়া সম্ভব বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর