আমরা হারালাম আরেক গুণীকে

রাশেদ রউফ

আমরা হারালাম আরেক গুণীকে

বাংলা ভাষার গুরুত্বপূর্ণ গবেষক, সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ভূঁইয়া ইকবাল ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে আজ ভোর ৬টায় মারা গেছেন (ইন্না...রাজেউন)। তাঁর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।

ভূঁইয়া ইকবালের প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘বাংলাদেশে রবীন্দ্র-সংবর্ধনা’, ‘রবীন্দ্রনাথ ও মুসলমান সমাজ’, ‘পূর্ববঙ্গে রবীন্দ্র-বক্তৃতা’, ‘মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়’, ‘শামসুর রাহমান: নির্জনতা থেকে জনারণ্যে’, ‘আনিসুজ্জামান: সমাজ ও সংস্কৃতি’। প্রবন্ধে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য ২০১৪ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

অধ্যাপক ভূঁইয়া ইকবাল ১৯৪৬ সালের ২২ নভেম্বর ভোলায় জন্মগ্রহণ করেন। বেড়ে ওঠেন ঢাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় পড়া শেষ করে ১৯৮৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করেন তিনি।

আরও পড়ুন:


পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে ঢাকায় আসছে অস্ট্রেলিয়া

আগের চেয়েও কঠোর হবে কাল থেকে শুরু হওয়া লকডাউন!

দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে কর্মমুখি-ঘরমুখি উভয় দিকে যাত্রীদের চাপ

কুষ্টিয়ায় করোনা ও উপসর্গে ১৬ জনের মৃত্য


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

প্রাণহীন যে জীবন, সে জীবনে গতি নেই

শওগাত আলী সাগর

প্রাণহীন যে জীবন, সে জীবনে গতি নেই

“Change is hard at first, messy in the middle and gorgeous at the end.”  কানাডীয়ান লেখক রবিন শর্মার উক্তি এটি। কোম্পানি প্রতিদিন নানা ধরনের উদ্দীপনামুলক উদ্ধৃতি, ভিডিও ক্লিপ, ছবি পাঠায়। আজ পাঠিয়েছে এটি।

পরিবর্তন প্রথমে খুবই কঠিন। মাঝপথে এটি হ-য-ব-র-ল। আর উপসংহারে ‘গর্জিয়াস’। কোম্পানি তার কর্মীদের পরিবর্তনের উৎসাহ দিচ্ছে। কোন পরিবর্তন সেটা!

প্রাণহীন যে জীবন, সে জীবনে গতি নেই, গতি নেই বলে সেই জীবন বদলাতে পারে না, না নিজেকে, না অন্য কাউকে। তার মধ্যে কোনো পরিবর্তন ঘটে না। পরিবর্তন কী তা হলে জীবণের গতি? প্রাণ?


আরও পড়ুন:

শিল্পকারখানা খুললে আইনানুগ ব্যবস্থা

কখন লকডাউন বাড়ানো লাগবে না জানালেন তথ্যমন্ত্রী

১০ আগস্ট থেকে বিদেশি মুসল্লিদের জন্য চালু হচ্ছে পবিত্র ওমরাহ

পরকীয়ায় ধরা মসজিদের ইমাম! রাতভর বেঁধে রাখল গ্রামবাসী


প্রথমে পরিবর্তনটা কঠিন, মাঝ পথে সেটি হ-য-ব-র-ল। তবু পরিবর্তনই জীবন, জীবনে পরিবর্তন আসুক। উপসংহারে পরিবর্তন হচ্ছে ‘গর্জিয়াস’।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

কারো মাথায় আসলো না এই ভয়ানক বার্তা দেবার আগে?

বন্যা মির্জা

কারো মাথায় আসলো না এই ভয়ানক বার্তা দেবার আগে?

মিডিয়া আমাদের অনেকেরই জীবনধারনের জায়গা ঠিকই, আর রুটিরুজির জায়গা নিয়ে আলাদা করে কঠোর কিছু বলতে বাধেও। কিন্তু মিডিয়া একই সঙ্গে নানাবিধ ধ্যানধারণা প্রকাশের একটা জায়গাও বটে। বিপজ্জনক, আক্রমণাত্মক, বিদ্বেষমূলক ধারণা সম্প্রচার করে তারপর ক্ষমা চাইলেই যথেষ্ট দায়মোচন ঘটে না। 

অটিজম বলুন আর প্রতিবন্ধিত্ব -- এসব নিয়ে এরকম ভয়ানক ধারণা সম্প্রচার করেছেন মানেই হলো আপনার/আপনাদের মাথায় এইসব উদ্ভট চিন্তা কাজ করে। একটা সিরিয়ালে কত্তগুলো লোক কাজ করেন - লেখক আছেন, পরিচালক আছেন, অভিনেতাবৃন্দ আছেন, প্রযোজক দল আছেন, সম্পাদকেরা আছেন, কৃৎ-কুশলী আছেন। কারো মাথায় আসলো না এই ভয়ানক বার্তা দেবার আগে?

আরও পড়ুন:

চীনে গুদামে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪

এনএসও'র দাবি পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহারে বিশ্বের লাখো মানুষ ঘুমাতে পারছে

পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ল পচেত্তিনোর


এই দুর্ঘটনা আমাদের আরেকটা বিষয়েও সতর্ক করল কিন্তু! এইসব এওয়ারনেস মার্কা এনজিও কার্যক্রম আসলে প্রগ্রাম এরিয়া বাড়ানো ছাড়া কোনোরকম কিছু অশ্বডিম্ব তৈরি করতে পারেনি সমাজে। চিন্তাভাবনার বদল কেবল ঢোলপিটানিতে হয় না। ওটা সমাজে দর্শনচর্চার প্রসঙ্গ।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

জয়ের কর্মে আজকের বাংলাদেশ সর্বত্র জয়ময়

আশরাফুল আলম খোকন

জয়ের কর্মে আজকের বাংলাদেশ সর্বত্র জয়ময়

সারা বিশ্বকে চমকে দিয়ে গত এক যুগে নীরব ডিজিটাল বিপ্লব ঘটে গেছে বাংলাদেশে। আজ তথ্য ও প্রযুক্তিগত সুবিধা মানুষের হাতের মুঠোয়। দ্রুত ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসারে এগিয়ে থাকা দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম।

এটা সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী রূপকল্প বাস্তবায়নে আইসিটি উপদেষ্টা জয়ের কারণেই।
জয়ের কর্মে আজকের বাংলাদেশ যেন সর্বত্র জয়ময়। মহাকাশে জয়, তথ্য ও প্রযুক্তিতে জয়।

শুভ জন্মদিন 
ডিজিটাল বাংলাদেশের নেপথ্য নায়ক, সমৃদ্ধ আগামীর প্রতিচ্ছবি, কোটি তরুণের স্বপ্নসারথি 
সজীব ওয়াজেদ জয়।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

এক টুকরো দেয়াল

মুম রহমান

এক টুকরো দেয়াল

দেয়াল সম্পর্কে তোমরা কি জানো? একটা দেয়াল কিংবা দেয়ালের একটা অংশ ঠাই দাঁড়িয়ে থাকে, কতোদিন, কতো বছর? ওর কি বেড়াতে যেতে ইচ্ছে করে? দেয়াল কি আদর চায়? চুমু চায়? দেয়াল কি সাজতে ভালোবাসে? 

একটা দেয়াল বুক পেতে রাখে ঘরের দিকে, আমাদের দিকে। একটা দেয়াল পিঠ দিয়ে রাখে বাইরের দিকে, পৃথিবীর দিকে। দেয়ালের পিঠে এসে রোদ লাগে, বৃষ্টি লাগে। 

আমাদের জন্য রোদ-বৃষ্টি ঠেকিয়ে রাখে দেয়াল। দেয়াল বুক পেতে পেরেক নেয়। আমরা সেখানে ছবি, মুখোশ, চাবির রিং আরো কতো কি ঝুলিয়ে দেই। দেয়াল ঘরের ভেতরের আমাদের দেখে। আমরা যখন চুলোচুলি করি তখন দেখে, যখন চুমোচুমি করি তখনও দেখে। 

ছবি : আজ সকালে আমাদের বেডরুমের দেয়াল

আদতে দেয়াল সম্পর্কে কতোটুকু জানো তুমি? ঘরের দেয়াল পরকীয়া প্রেমের মতো। সে পরের, তবু আমার, সে বাইরের,  তবু ভেতরে। ডাকলে সে আসে না। না ডাকলে দাঁড়িয়ে থাকে ডাকের অপেক্ষায়।

দেয়াল সম্পর্কে কতোটুকু জানো তুমি? আমি যতোটুকু জানি ততোটুকু তো প্রকাশ্যে বলাও নিষেধ।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আহা! হাঁজীর সাথে ঝুরি গোশত

নজরুল ইসলাম

আহা! হাঁজীর সাথে ঝুরি গোশত

তখন তো আর ফ্রিজ ছিল না যে গোশত তাতে সংরক্ষণ করে রাখবে। মাকে দেখতাম জ্বাল দিয়ে দিয়ে গোশত টিকিয়ে রাখতেন। কোরবানির দুই তিনের মধ্যেই ঝোল শুকিয়ে গোশত ঝুরঝুরে হয়ে যেত। এখন যা ঝুরি মাংস হিসেবে পরিচিত। 

এ গোশতের স্বাদ-গন্ধ যে কত অভাবনীয় তা বরফ যুগের মানুষকে বুঝানো গেলেও ফিজের যুগের মানুষদের বুঝানো যাবে না। নলার ঝোল (নেহারী/;পায়ার রেসিপি) এর সাথে এ গোশতের জুটি মিলিয়ে দিলে তো কথাই নাই। সমস্যা হয় নলার ঝোল শেষ হয়ে গেলে। 

তবে চট্টগ্রামের লোকদের এ নিয়ে তেমন চিন্তা করতে হয় না। প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে এক অদ্ভুত রেসিপিতে চাটগাঁর মাানুষ বাঁধা পড়ে আছে আর তা হলো "হাঁজী"।  

হলফ করে বলতে পারি শুধু  বাংলাদেশ নয় পৃথিবীর কোথাও কেউ এ রেসিপি সম্বন্ধে জানে না। বিভিন্নভাবে এ হাঁজী তৈরি করা যায়। বরইয়ের আচার বা অন্য কোন আচার দিয়ে সরিষার তেলযোগে সিম্পলি লবণ দিয়ে পরিমাণ মতো পানি মিশিয়ে দিন অথবা রসুন ও কাঁচামরিচ তাওয়ায় পুড়ে দুটোই একসাথে মেশ করে অল্প সরিষার তেল দিন  এরপর লবণ দিয়ে পানিতে গুলিয়ে ফেলুন দেখবেন কি সুন্দর হাঁজী হয়ে গিয়েছে। 

সরিষার তেল একটু হালকা ভাসতে থাকবে, দেখতেই ভাল লাগবে। হাতের কাছে কিছু না পেলে লেবুর রস চেপে তাতে লবণ ও সরিষার তেল দিয়ে পানিতে মিশিয়ে নিন তাতেও আপনার কাজ হয়ে যাবে। মনে রাখতে হবে সবাই যেমন তেল খায় হাঁজীও তেল ছাড়া আপনাকে ভাল ফ্লেভার দিবে না। 

আরও পড়ুন


বিভিন্ন জেলায় করোনা ও উপসর্গে মৃত্যুর তথ্য

গার্মেন্টস খোলার ব্যাপারে যা জানালেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

বাল্যবিয়ে মুক্ত উপজেলায় বাল্যবিয়ের চেষ্টা, জরিমানা-মুচলেকায় রক্ষা

ময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনায় ‍মৃত্যুর রেকর্ড


এরপর ঝুরি গোশতের বা ঝুরঝুরে গোশতের বাটিটা টেনে নিন। গরম ভাতের সাথে এ অপূর্ব রেসিপি আপনাকে স্বর্গীয় ফিলিংস না দিলেও বাংলাদেশের যে কোন জায়গার রেসিপির চেয়ে ব্যাতিক্রমধর্মী স্বাদে ডুবিয়ে দিবে।

"সো, এরর" বলছি! তবে ঝুরি মাংসটা আবার একটু হালকা তেলে ভেজে বেরেস্তা দিয়ে দিলে "সেরাম" হতে দেখেছি। আহা! আহারে কোথায় গেলো সে হাঁজী আর ঝুরি গোশতের অপূর্ব স্বাদের দিনগুলি!

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর