ঈদের পরে লকডাউন এই স্যাডিস্ট প্ল্যানটা আসলে কোন হতচ্ছাড়ার?

গুলজার হোসেন উজ্জল

ঈদের পরে লকডাউন এই স্যাডিস্ট প্ল্যানটা আসলে কোন হতচ্ছাড়ার?

ঈদের সাতদিন আগে লকডাউন শিথিল করে ঈদের একদিন পরই কঠোর লক ডাউন। 

এই স্যাডিস্ট প্ল্যানটা আসলে কোন হতচ্ছাড়ার?

রাস্তায়, ফেরিঘাটে এত মানুষ অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। 


নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

বউ যেন এদিক-ওদিক ভাইগা না যায় : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা (ভিডিও)


 

করোনা ঠেকানোর নাম করে এরা করছে করোনা ছড়ানোর ব্যবস্থা।

লেখাটি  গুলজার হোসেন উজ্জলের ফেসবুক থেকে নেয়া হয়েছে। (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মৃত মানুষের মন্দিরে পূজো দেওয়া এখন নতুন আভিজাত্য

মহিউদ্দিন মোহাম্মদ

মৃত মানুষের মন্দিরে পূজো দেওয়া এখন নতুন আভিজাত্য

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বিদ্যাসাগর ডাকা, আর আবুল চন্দ্র পিএইচডিকে পিএইচডি ডাকার মধ্যে পার্থক্য কী? কোনো পার্থক্য নেই। কিন্তু আমাদের অনেকেই ‌‘বিদ্যাসাগর’ শব্দটিকে বিরাট উপাধি মনে করে থাকেন। ভাবখানা এমন যে— পৃথিবীতে ‘বিদ্যাসাগর’ আছেন একজনই, এবং তিনি ‘বিদ্যার সাগর’।

মৃত মানুষকে নিয়ে বাঙালির অতিরঞ্জন নতুন নয়। ঈশ্বরচন্দ্র যেহেতু মৃত, এবং তাঁর নামের শেষে একটি বিভ্রান্তিকর ডিগ্রি যেহেতু যুক্ত হয়েছে, তাই দরিদ্র চিন্তার বাঙালি তাঁকে নিয়ে বানিয়েছে নানা কাল্পনিক গল্প। তিনি যা পড়তেন, তাই মুখস্ত হয়ে যেতো। 

এজন্য কোনো বই একবার পড়লে, তিনি তা ছিঁড়ে ফেলতেন। এরকম ফালতু গল্পে ছোট বেলায় আমিও বিশ্বাস স্থাপন করেছিলাম। কিন্তু বড় হয়ে দেখলাম যে— তিনি ছিলেন আপনার আমার মতোই মেধাবী। পার্থক্য শুধু পরিশ্রম, চিন্তার ধৈর্য্য, আর পড়াশোনায়।

আরও পড়ুন:


হংকংয়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মেয়েদের বড় জয়

তালেবান ক্ষমতায় আসায় বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত উৎফুল্ল: কৃষিমন্ত্রী

সৌদি আরবে বাংলাদেশির মৃত্যু

দুই ডোজ টিকা নিয়েও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার করোনা শনাক্ত


যারা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বিদ্যার সাগর ভেবে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, তারা কি কখনো নীলকমল বিদ্যাসাগর, জীবানন্দ বিদ্যাসাগর, রাজীবলোচন বিদ্যাসাগর, প্রাণকৃষ্ণ বিদ্যাসাগর, অথবা হরানন্দ বিদ্যাসাগরকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন?

আমাদের হুজুগ কি মূর্খতার সমানুপাতিক নয়?

আর ঈশ্বরচন্দ্রের জন্মদিনে তাঁর কাজ নিয়ে কোনো আলোচনা নেই কেন? নিউজফিডে যতোগুলো পোস্ট দেখলাম, সবই চটুল প্রশংসার পোস্ট। মৃত মানুষের মন্দিরে পূজো দেওয়া এখন নতুন আভিজাত্য। 

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

আমরা অনেক তবু বদলাতে পারিনা, এখানেও কারণ মানুষ!

জুলহাস নূর

আমরা অনেক তবু বদলাতে পারিনা, এখানেও কারণ মানুষ!

হতাশা দার্শনিক ভাবেও ধরা দেয়। যেমন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বেঁচে নেই, আমরা বেঁচে আছি! আমরা, যতোসব চলতি হাওয়ার পন্থী! বিদ্যাসাগরের হাতে নির্মিত হয় বঙ্গভাষা-গদ্যের আদল, জাগে নারী অধিকার আলাপ। 

তাঁর হাতেই জাগে প্রাণ শিক্ষায়, সমাজে। আর সেই সমাজ তাঁকেই করেছে একা!

রবীন্দ্রনাথ বলতেন, ‘বিদ্যাসাগর এই বঙ্গদেশে একক ছিলেন।’ তিনি আপনার প্রাণের জোরে, কেবল আপনার বেদনার উত্তাপে একাকী আপন কাজ করিয়া গিয়াছেন।

আরো বলতেন, ‘আমাদের এই অবমানিত দেশে ঈশ্বরচন্দ্রের মতো এমন অখণ্ড পৌরুষের আদর্শ কেমন করিয়া জন্মগ্রহণ করিল, আমরা বলিতে পারি না। কাকের বাসায় কোকিলে ডিম পাড়িয়া যায়, মানব ইতিহাসের বিধাতা সেইরূপ গোপনে কৌশলে বঙ্গভূমির প্রতি বিদ্যাসাগরকে মানুষ করিবার ভার দিয়াছিলেন।’

বিদ্যাসাগর একক, কিন্তু বদলে দিয়েছেন। কারণ ঐযে মানুষ! আমরা অনেক, তবু বদলাতে পারিনা। এখানেও কারণ মানুষ!

লেখাটি সাংবাদিক জুলহাস নূর-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

পার্কের জায়গায় মার্কেট হচ্ছে, ভবিষ্যত নিশ্চয়ই দারুন হবে আমাদের!

জুলহাস আলম

পার্কের জায়গায় মার্কেট হচ্ছে, ভবিষ্যত নিশ্চয়ই দারুন হবে আমাদের!

জুলহাস আলম

মাঝে মাঝে ভাবি। উত্তরা একটা বড় এলাকা। কিম্তু এখানে কোনও পাবলিক লাইব্রেরি নাই, শিশু একাডেমির কোনও শাখা নাই, শিল্পকলা একাডেমির কোনও কার্যক্রম নাই,  সেই রকম কোনও গ্যালারি নাই, একটা সিনেপ্লেক্স নাই, মুক্ত হাওয়া নেবার মতো, রমনা পার্কের মতো কোনও পার্ক নাই, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোনও আয়োজন নাই। 

আছে কেবল মার্কেট আর মার্কেট, নতুন নতুন শপিং মল হচ্ছে, লেক দখল করে বা তথাকথিত অনুমোদনের মাধ্যমে ক্ষমতাশীলীদের নতুন এপার্টমেন্টের প্রকল্প হচ্ছে, পার্কের জায়গায় মার্কেট হচ্ছে। 

ধানক্ষেত ধ্বংস করে, জলাশয়ের উপর বহুতল তৈরি করে, যা ইচ্ছা তেমন করে একটা উপশহর তৈরি হয়তো সময়ের দাবী ছিল, কিন্তু মননের চর্চা করার কোনও আয়োজন না থাকার দায় তবে কার? আমাদের লোভ আমাদের ধ্বংস করে চলেছে। 
 
কী দারুন আয়োজন করে আমরা একটা মু্ক্তমনা, উদারনৈতিক, সহনশীল প্রজন্ম তৈরি করছি! তাইনা? 

ভবিষ্যত নিশ্চয়ই দারুন হবে আমাদের!

জুলহাস আলম, ব্যুরো চিফ, এপি।

লেখাটি জুলহাস আলম-এর ফেসবুক থেকে সংগৃহীত ( লেখাটির আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

কার্বন ফুটপ্রিন্ট বা ব্যষ্টিক কার্বন দায়

হারুন আল নাসিফ

কার্বন ফুটপ্রিন্ট বা ব্যষ্টিক কার্বন দায়

কার্বন ফুটপ্রিন্ট বলতে কোন একক ব্যক্তি, কোনও ঘটনা, সংস্থা, সেবা, স্থান বা পণ্য উৎপাদনের কারণে সৃষ্ট মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকে বোঝায়। এটিকে সমতুল্য কার্বন-ডাই-অক্সাইড এককে প্রকাশ করা হয়।

কার্বন ফুটপ্রিন্টকে ইংরেজির অনুকরণে বাংলায় কার্বন পদছাপ, কার্বন পদচিহ্ন বা কার্বন পদাঙ্ক বলা যায়। এটিকে কার্বন অভিঘাত বা ব্যষ্টিক কার্বন দায় হিসেবেও বিবেচনা করা যেতে পারে।

গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে মানুষের কার্যক্রম। এগুলো পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার এবং উৎপাদনের অন্যান্য উপজাতগুলো থেকে নির্গত হয়। এর প্রভাবে জলবায়ু পরিবর্তন হয়।

জীবাশ্ম জ্বালানির দহন, বৃক্ষাবৃত ভূমি পরিষ্কাকরণ, এবং খাদ্য, শিল্পজাত পণ্য, উপাদান, কাঠ, সড়ক ও ভবন নির্মাণ, পরিবহন ও অন্যান্য সেবার সময়ে কার্বন-ডাই-অক্সাউড ও মিথেনের মতো কার্বনবাহী গ্যাসসহ অন্যান্য গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হয়।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মোট কার্বন সঠিকভাবে হিসেব  করা সম্ভব হয় না, কেননা এসব গ্যাস উৎপাদনকারী প্রক্রিয়াসমূহের মধ্যকার জটিল আন্তঃক্রিয়াগুলো সম্পর্কে জ্ঞান ও উপাত্ত অপর্যাপ্ত। 

যেসব প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াতে কার্বন ডাই-অক্সাইড মজুদ বা নিঃসরণ হয়, সেগুলোর প্রভাবও ঠিকমত হিসেব করা দুরূহ। এ কারণে রাইট, কেম্প ও উইলিয়ামস বলেন, কার্বন ফুটপ্রিন্ট  হলো কোন নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী, ব্যবস্থা বা কর্মকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) ও মিথেন (CH4) নিঃসরণের মোট পরিমাণ।

যেখানে যে জনসমষ্টি, ব্যবস্থা বা কর্মকাণ্ডটি আগ্রহের বিষয়বস্তু, সেটির স্থানকালিক সীমানার ভেতরে অবস্থিত সমস্ত প্রাসঙ্গিক উৎস, কুণ্ড (সিংক) ও মজুদ হিসেবে ধরা হয়। এটিকে প্রাসঙ্গিক ১০০-বছরের বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বিভব ব্যবহার করে সমতুল্য কার্বন ডাই-অক্সাইড হিসেবে গণনা করতে হবে।

আরও পড়ুন:


ডিসেম্বরেই চালু হবে ৫জি নেটওয়ার্ক: মোস্তাফা জব্বার

দেশে বিনিয়োগ করুন: প্রধানমন্ত্রী

যানজট নিরসনের উদ্যোগ আটকে থাকে মহাপরিকল্পনার নথিতেই

মক্কা-মদিনার মসজিদে কাজ করবেন নারীরা


২০১৪ সালে বৈশ্বিক পর্যায়ে জনপ্রতি বার্ষিক কার্বন অভিঘাত ছিল প্রায় ৫ টন সমতুল্য কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2eq)। নেচার কনজারবেটরির মতে প্রতিটি মার্কিন নাগরিকের গড় কার্বন দায় ১৬ টন।

খনিজ তেল ও গ্যাস কোম্পানি ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম প্রায় ২৫ কোটি মার্কিন ডলার অর্থব্যয়ে একটি বিপণন অভিযানের দ্বারা কার্বন ফুটপ্রিন্ট পরিভাষাটি জনপ্রিয় করে তোলে। 
মানুষের মনোযোগ জীবাশ্ম জ্বালানি কোম্পানির কর্মকাণ্ডের ওপর থেকে সরিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন সমস্যা সমাধানে ব্যক্তিগত দায়িত্বের ওপর নিবন্ধ করতে এটি কর হয়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কালো আপেল, লাল কলা এবার আসেন আমরা কালো মোরগ দেখি

শান্তা আনোয়ার

কালো আপেল, লাল কলা এবার আসেন আমরা কালো মোরগ দেখি

শান্তা আনোয়ার

এই কালো মোরগ পাওয়া যায় ইন্দোনেশিয়াতে। ইন্দোনেশিয়াতে এই মোরগকে ডাকা হয় Ayam Cemani বলে। এদের আদি নিবাস ছিলো জাভা দ্বীপপুঞ্জে। ইন্দোনেশিয়ার ভাষায় ayam মানে মুরগী আর জাভা ভাষায় cemani অর্থ সম্পূর্ন কালো। ইন্টারনেটে একে গথ মুরগীও বলা হয়। এই মুরগীর এমন একটা জিন আছে যার ফলে পুরো শরীরে হাইপারপিগমেন্টেশন হয়। শুধু পালক আর চামড়া না এই মুরগীর মাংসও কালো।

১৯৯৮ সালে প্রথম ইউরোপে এ জাতের মোরগ আনা হয়। সৌখিনদের কাছে এই জাতের মোরগ খুবই জনপ্রিয়। তবে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে অপ্রতুলতার কারণে এক একটি মোরগের দাম পড়ে প্রায় আড়াই হাজার ডলার বা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ২ লাখ টাকা।

দেখতে যাই হোক অথবা দাম যেমনই হোক খেতে কেমন লাগে জানার ইচ্ছা থাকলো। যে সমস্ত ভাই বোনেরা ইন্দোনেশিয়া থাকেন, তারা একটু আওয়াজ দিবেন এই কালা মুর্গির স্বাদ কেমন তা নিয়ে।
 
আর হ্যাঁ একটা তথ্য আমরা অনেকেই  হয়তো জানি না। মোরগের কেন ঝুঁটি হয়?  মোরগের ঝুঁটিতে তাকে খুব সুন্দর লাগে। অনেকেরই ধারণা  সৌন্দর্যের জন্যে ঝুঁটি আছে মোরগের কিন্তু এই ঝুঁটির কাজ কী?
 
মোরগের শরীরে কোন ঘামের গ্রন্থি নাই। তাই সে ঘাম ঝরিয়ে তার শরীরকে ঠাণ্ডা করতে পারেনা। যখন মোরগের শরীর গরম হয় তখন মোরগের শরীরের রক্ত এই ঝুটিতে আসে। এই ঝুটি রক্ত ঠাণ্ডা করতে পারে। রক্ত আসে জন্যই ঝুটির রঙ থাকে উজ্জ্বল লাল।

লেখাটি শান্তা আনোয়ার-এর ফেসবুক থেকে সংগৃহীত ( লেখাটির আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর