চাঁদে আজান শোনার বিরুদ্ধে বললে তারা ক্ষেপে উঠে

মহিউদ্দিন মোহাম্মদ

চাঁদে আজান শোনার বিরুদ্ধে বললে তারা ক্ষেপে উঠে

কথা বললাম আফগানিস্তানের একটি বাহিনীর বিরুদ্ধে, আর ক্ষেপে উঠলো বাংলাদেশের মানুষ। এ দুইটির যোগসূত্র মেলাতে গিয়ে দেখলাম, আফগানিস্তান হলো আফিম চাষের দেশ, আর বাংলাদেশ হলো পাট চাষের দেশ। 

পাট নিয়ে গবেষণা করেন, এমন একজন বিজ্ঞানীকে একটু আগে অনুরোধ জানালাম, পাট পাতার কোনো মাদকীয় গুণাবলী আছে কি না, তা একটু খতিয়ে দেখতে। 

আমি যখন আমেরিকার বিরুদ্ধে, স্তালিনের বিরুদ্ধে, ওবামার বিরুদ্ধে, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে, লেনিনের বিরুদ্ধে, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে, শিবসেনার বিরুদ্ধে কথা বলি, তখন কিন্তু তারা ক্ষেপে উঠে না। গ্রাম-গঞ্জে ইমাম সাহেবদের বেতন বাড়ানোর কথা বললেও তারা ক্ষেপে উঠে না। 

তারা ক্ষেপে উঠে শুধু, চাঁদে আজান শোনার বিরুদ্ধে কথা বললে, জাল হাদিসের বিরুদ্ধে কথা বললে, তরুণদের মগজ ধোলাইয়ের বিরুদ্ধে কথা বললে। এমন কি পৃথিবীর নানা অঞ্চলে, মুসলিমদের দুর্দশার কারণ নিয়ে কথা বললেও তারা ক্ষেপে ওঠে।
 
অনেকে আবার ক্ষেপে ওঠাকে দাবি করেন ‌‘সমালোচনা’। বিদ্বেষপ্রসূত অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য আর সমালোচনা যে এক জিনিস নয়, এ সাধারণ বোধটুকোও তাদের নেই। 

‘মানুষ এবং অন্ধকারের প্রশংসা’ রচনাটিতে আমি অনেক বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। বহু মানুষ ও জাতির সমালোচনা করেছি। কিন্তু বাঙালি ফেসবুক মুসলিমরা, শুধু বেছে বেছে ওই লাইনগুলো পড়ছেন, যেগুলোতে তাদের বিষয়ে সত্য উচ্চারিত হয়েছে। সত্য উচ্চারণ, এ অঞ্চলে সবসময়ই বিপজ্জনক ছিলো। 

‘ফেসবুক মুসলিম’ আর ‘প্রকৃত মুসলিম’ এক জিনিস নয়। প্রকৃত মুসলিমদের উচিত, ফেসবুক মুসলিমদের থেকে সাবধান থাকা। তারা নানাভাবে ভুলিয়েভালিয়ে, সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের ব্যবহার করতে চায়।
 
আর আমার লেখা কোনো ইসলামি সাহিত্য নয়। ধর্মসম্মত সাহিত্য বা দর্শন উৎপাদন, এটি আমার কাজ নয়। এ কাজের জন্য অন্যরা আছেন। পৃথিবীতে মানুষের লেখা, একটিও গুরুত্বপূর্ণ বই দেখাতে পারবেন না, যেটি ধর্মসম্মত। বইকে থাকতে হয় ধর্মীয় বৃত্তের বাইরে। বইয়ের কিছু কথা, কাকতালীয়ভাবে আপনার পক্ষে যেতে পারে, আবার বিপক্ষেও যেতে পারে। 

এজন্য আপনি সুস্থভাবে দ্বিমত প্রকাশ করতে পারেন। কিন্তু অনেকেই প্রলাপ বা অর্থহীন বাক্যকে দ্বিমত মনে করেন। গালাগালিকেও দ্বিমত দাবি করেন! খেয়াল করলে দেখা যাবে, যারা প্রলাপ বকেন, তাদের অভিজ্ঞতা ও পড়াশোনো অত্যন্ত সীমিত। এ সীমাবদ্ধতা থেকেই তারা ক্ষেপে ওঠেন। 

আরও পড়ুন:


স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাসব্যাপী আগস্টের কর্মসূচী ঘোষণা

জার্মানিতে বন্যায় প্রাণহানির ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক প্রকাশ

রেকর্ড গড়েই টোকিও অলিম্পিকের প্রথম সোনা জিতলেন চীনা তরুণী

বৃষ্টিপাতে ভারতের গোয়ায় ধস, ট্রেন লাইনচ্যুত (ভিডিও)


যার পড়াশোনো ও অভিজ্ঞতা যতো বেশি, তার দ্বিমত প্রকাশের ধরণও ততো উন্নত। অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষ আমাকে কমেন্ট এবং ইনবক্সে, সুস্থভাবে তাদের দ্বিমত জানান। এটি আমাকে আনন্দ দেয়। তখন তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো বিষয়কে দেখার সুযোগ তৈরি হয়। 

আর আমি ডগম্যাটিস্ট বা গোঁয়ার নই যে সারাক্ষণ নিজের মতামতে অটল থাকবো। একই বিষয়কে আমি, প্রায়ই নানা মত ও নানা চিন্তার আলোকে বিচার করে থাকি, এবং প্রয়োজন অনুযায়ী, আমি আমার মতামতে পরিবর্তন আনি। কারণ আমি জানি, মানুষের কোনো মতামতই ধ্রুব সত্য নয়। একমাত্র পাগলের মতামতই ধ্রুব সত্য।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আমার বয়স হয়ে গেছে, কিন্তু এখনও দুর্বল নই

কবীর সুমন

আমার বয়স হয়ে গেছে, কিন্তু এখনও দুর্বল নই

বিজেপি সাংসদ ও মন্ত্রী শ্রীযুক্ত বাবুল সুপ্রিয় কিছুকাল আগে আমায় নিয়ে ফেসবুকে ঠাট্টা করেছিলেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে স্থুল ইঙ্গিতপূর্ণ কথা লিখে। লিখেছিলেন "আপনার মমতাময়ী"। আমি তাঁকে কোনও কটুক্তি করিনি।

আজ তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সশব্দে। তৃণমূলের বড় বড় নেতা তাঁকে বরণ করে নিয়েছেন। আমি তৃণমূলের সমর্থক, সদস্য নই। তৃণমূল দল কাকে টেনে নেবেন সেটা একান্তই তাঁদের ব্যাপার।

শুধু, "আপনার মমতাময়ী" বলে বিদ্রুপ করা এই মুস্লিমবিদ্বেষী, এন আর সি পন্থী, বাংলা ও বাঙালি বিদ্বেষী বাবুল সুপ্রিয় মহোদয় এখন "তাঁর মমতাময়ী" সম্পর্কে কী ভাবছেন সেটাই কথা।

আমাকে যাঁরা স্রেফ গায়ে পড়ে অপমান করে গেছেন, যেমন শ্রী নচিকেতা চক্রবর্তী এবং শ্রী শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় - তাঁদের সঙ্গে আর-একটি নাম যুক্ত হলো।

আমার বয়স হয়ে গেছে, কিন্তু এখনও দুর্বল নই।

যা পেয়েছি তা ফেরত দিয়ে তবে মরব।

জয় বাংলা!

জয় বাংলা!

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

এই দুই পদের আওয়ামী লীগার এখনও অনেক আছে

মোহাম্মদ আলী আরাফাত

এই দুই পদের আওয়ামী লীগার এখনও অনেক আছে

মোহাম্মদ আলী আরাফাত

একদল আছে উপরে অতি চাটুকার কিন্তু ভেতরে মোস্তাক, আর আরেক দল আছে অতি বিপ্লবী-নিজেই শেখ হাসিনার চেয়েও বেশি বোঝে। এই দুই প্রকৃতির মানুষ গুলোই সমস্যা তৈরি করে। 

অতি বিপ্লবীগুলা তাদের স্বল্প দৃষ্টির মগজ দিয়ে কথায় কথায় বঙ্গবন্ধুর বিরোধিতা করে অস্থির পরিবেশ তৈরি করে রাস্তা প্রশস্ত করেছিল আর অতি চাটুকার কিন্তু ভেতরে মোস্তাক গংরা সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। 

আরও পড়ুন:


সাদা বাঘিনী ‘শুভ্রা’র ঘরে ডোরাকাটা নতুন অতিথি

তেল ও চিনির দাম বাড়ার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

এবারও গ্রহণযোগ্য পন্থায় নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে: ওবায়দুল কাদের

হতাশায় নিউজিল্যান্ডকে হুমকি দিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান রমিজ রাজা


এই দুই পদের আওয়ামী লীগার এখনও অনেক আছে।

লেখাটি সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী আরাফাত-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

'ই-কমার্স' ওয়ালারা কি বলেছিল বিনিয়োগ করেন?

দেব প্রসাদ দেবু:

'ই-কমার্স' ওয়ালারা কি বলেছিল বিনিয়োগ করেন?

ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা............কতো শত "ই-কমার্স" প্রতিষ্ঠান! অনেকেরই মাথায় হাত এসব থেকে পণ্য কিনতে গিয়ে। এখন মিডিয়ায় আসছে আমি অমুক "ই-কমার্সে" এতো টাকা বিনিয়োগ করেছি, আমার সমস্ত সঞ্চয় খুইয়েছি.........ব্লা, ব্লা, ব্লা।

আচ্ছা, এইসব "ই-কমার্স" ওয়ালারা কি বলেছিল আপনি আমার প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেন? বিজ্ঞাপন দিয়েছিল যে, "ইভ্যালি তে বিনিয়োগ করুন, ইভ্যালিতে বিনিয়োগে লাভজনক?" 

ওরা তো পণ্য কিনতে বলেছে। আপনি কিনেননি, ভেবেছেন বিনিয়োগ করছেন। প্রফিট করবেন। ইউ গো ফর আ বিজনেস ডিল ইনডিড।
 
ইভ্যালি বা এই প্রতিষ্ঠানগুলো এই অস্বাভাবিক ডিসকাউন্ট দিতে পারে কিনা, বা এভাবে একটা প্রতিষ্ঠান চলতে পারে কিনা সেটা ভিন্ন আলাপ। আপনার নিজের ভাবনায়ও গলদ আছে এটা বুঝুন আগে। আপনি যদি নিজে ব্যবহারের জন্য কিনতেন তাহলে যেটি দরকার সেটিই শুধু কিনতেন। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কিনতেন।

আর্টিফিশিয়াল চাহিদার জন্ম হতো না এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে। ফলে ওরাও সংযত হতো। কিন্তু আপনি গেছেন "বিনিয়োগ" করতে! ধার দেনা করে গিয়েছেন। এই টাইপ "বিনিয়োগ" এই গ্রহকরা যুবকে করেছিল, ডেস্টিনিতে করেছিল। শিক্ষা হয় নাই। 

আরও পড়ুন:


অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

ছাত্রকে যৌন হয়রানি ২৭ বছরের তরুণীর, ২০ বছরের কারাদণ্ড

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


ইভ্যালি বা এর সাথে গজিয়ে উঠা প্রতিষ্ঠানগুলো যেভাবে গ্রাহক আকৃষ্ট করেছে সেটি অস্বাভাবিক। আপনি ডিসকাউন্ট দিয়ে গ্রাহক আকৃষ্ট করতেই পারেন। সেই রাইট আপনার আছে। কিন্তু গ্রাহকের টাকা দিয়ে নয়। নিজের পেইড আপ ক্যাপিটাল দিয়ে, নিজের বিনিয়োগ দিয়ে। যেমনটা বাংলাদেশে শুরুর দিকে উবার করেছে। 

আমাদের দেশে একটা প্রতিষ্ঠান ব্যবসা করতে চাইলে ট্রেড লাইসেন্স লাগে, লিমিটেড কোম্পানি হলে আরজেএসসি রেজিস্ট্রেশন করা লাগে। এসব করেই এই প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসায় এসেছে। ওখানে নিশ্চয়ই ওরা নিজেদের ই-কমার্স হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাহলে আপনি গ্রাহক (খেয়াল করুন আপনি কিন্তু বিনিয়োগকারী না) কী বুঝে "বিনিয়োগ" করতে গিয়েছিলেন?

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

কথায় আছে না ইচ্ছের দাম লাখ টাকা

পলাশ আহসান

কথায় আছে না ইচ্ছের দাম লাখ টাকা

এবার দেখলাম বহু মানুষ হাওরে যাচ্ছে বেড়াতে। আগেও যেতো। কিন্তু এবার মনে হচ্ছে বেশি। কিন্ত গণমাধ্যমে দেখলাম পর্যটকরা নানা সুযোগ সুবিধা না থাকা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করছেন। তাঁদের উষ্মা নিয়ে আমার প্রশ্ন নেই। 

হাওর দেখতে গিয়ে হাওরের মধ্যে বসে মুরগির ঠ্যাং চিবানোর ইচ্ছে জাগতেই পারে। সঙ্গে গরম কফি কিম্বা বিয়ার? উম... জমে ক্ষীর...। চারদিকে অথৈ পানি, এর মধ্যে দু'রাত কাটানোর রোমান্টিক ইচ্ছে জাগার মধ্যেও দোষ দেখছি না। অবাক হচ্ছি না জাহাজের মত কিছু ভাসিয়ে ঘোরার জন্যে দু'দিনের প্যাকেজ বিক্রি হলেও। 

বাঙালির ইচ্ছে খুব শক্তিশালী। মন চাইলে এবং নূন্যতম সক্ষমতা থাকলে তা সে করেই ছাড়ে। এতে তার ভালো হোক আর খারাপ হোক, বিবেচনা পরে। আগে আমারা দেখি মনের ইচ্ছে পূরণ হচ্ছে কী না। কথায় আছে না ইচ্ছের দাম লাখ টাকা।

আরও পড়ুন:


সাদা বাঘিনী ‘শুভ্রা’র ঘরে ডোরাকাটা নতুন অতিথি

তেল ও চিনির দাম বাড়ার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

এবারও গ্রহণযোগ্য পন্থায় নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে: ওবায়দুল কাদের

হতাশায় নিউজিল্যান্ডকে হুমকি দিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান রমিজ রাজা


তাই সব বাঙালি বন্ধুর অন্যসব ইচ্ছের সঙ্গে কয়েকটা ইচ্ছে যোগ করার অনুরোধ করি। প্রথমত থাকা খাওয়ার যে ব্যবস্থা চান হাওরে থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে চান। প্লাস্টিক জাতীয় কিছু হাওরের মধ্যে ব্যবহার করবেন না। এমন কী পানির জন্যেও বিকল্প পাত্রের ব্যবহার করা উচিত। প্রকৃতির ওপর দু'দিন ভর করুন না। 

লেখাটি সাংবাদিক পলাশ আহসান-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ভালোবাসা হয়তো মাত্রাতিরিক্ত আবেগ কিংবা ছেলেমানুষি

মনির খান

ভালোবাসা হয়তো মাত্রাতিরিক্ত আবেগ কিংবা ছেলেমানুষি

পৃথিবীতে সবকটা মানুষের নিকট হতে আপনি কখনই ভালোবাসার বিনিময়ে ভালোবাসা পাবেন না। কিছু মানুষকে যত ভালোবাসবেন তার নিকট  হতে ততোটাই অবহেলা পাবেন। তাকে যত মূল্য আর গুরুত্ব দিবেন দিন শেষে তার কাছে আপনি মূল্যহীন। 

আপনার ভালোবাসা নিখুঁত, প্রচণ্ড পরিমাণ যত্নসহকারে তাকে ভালোবাসেন তবুও এই সবে তার কিছুই যায় আসে না। আপনি যত তার নৈকট্য অর্জন করতে চাইছেন সে ততোটা দূরত্ব সৃষ্টি করছে তবুও তার প্রতি আপনার দুর্বলতা আবেগ ভালোবাসা কাজ করে এতো অবহেলা অবজ্ঞার পরেও কেননা আপনি তাকে ভালোবাসেন।

আমরা যাকে ভালোবাসি সে মানুষটার কাছ থেকে অবহেলা ছাড়া কিছু না পেয়েও কেন জানি তাকে আরোও ভালোবেসে ফেলি। এটা হয়তো মাত্রাতিরিক্ত আবেগ কিংবা ছেলেমানুষি। তার ভালবাসাটাই আমার চাই তাকেই আমার চাই।

আঘাতে আঘাতে যে মানুষটা ক্ষতবিক্ষত করেছে পাঁজর, তাকে ছাড়া ভাবতে পারিনা। মূল্যহীনের মতো পিছু পিছু ঘুরেও মূল্য মিলেনি তবুও তাকে চাই যত অবহেলা কেন না পাই। 

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


যাকে যত আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি আপন করে পেতে চেয়েছি সে মানুষটা আমাদের ততোটা মূল্য দেয়নি কোনদিনও বরং বাড়িয়েছে দিনে দিনে দূরত্বের দেয়াল।

এক রকম ছ্যাঁচড়ার মতো পড়ে থাকি একটুখানি ভালোবাসা পাবার প্রত্যাশায়। ভালোবাসার পরিবর্তে এতোসব অবহেলা অবজ্ঞা রোজ তিনবেলা ভাতের মতো পেয়ে পেয়ে একটা সময় আমরা নিশ্চিত জেনে যাই যে, তাদের নিকট কখনও ভালোবাসা পাবো না তবুও আমরা কাঙালের মতো তাদের ভালোবাসি। 

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর