ভরা মৌসুমেও ইলিশ নেই বরিশালের পোর্টরোড মোকামে

রাহাত খান

ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বরিশালের পোর্ট রোড ইলিশ মোকামে। তবে কিছু ইলিশ মোকামে আসলেও দাম চড়া। মাছের সরবরাহ কম থাকায় আয় রোজগার হারিয়ে দুর্বিসহ জীবন-যাপন করছেন মৎস্য শ্রমিকরা।  দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে শূন্য হাতে সাগর থেকে ফিরেছে জেলেরা।

এ কারণে বাজারে ইলিশের ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে মনে করেন আড়তদাররা।

সাগরে সব ধরনের মাছ শিকারে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে গত ২৩ জুলাই। তবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে শূন্য হাতে সাগর থেকে ফিরেছে জেলেরা। অভ্যন্তরীন নদ-নদীতেও তেমন ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে দক্ষিণের সর্ববৃহত ইলিশ মোকাম পোর্ট রোড আড়ত অনেকটাই ইলিশ শূন্য।

আড়তদাররা জানান, বরিশাল মোকামে ১ কেজি ২শ’ গ্রাম সাইজের প্রতি মন ইলিশ পাইকারী ৪৬ হাজার,  রপ্তানী যোগ্য এলসি সাইজ (৬শ’ থেকে ৯শ’ গ্রাম) প্রতিমন ৩৮ হাজার, ৪শ’ থেকে সাড়ে ৫শ’ গ্রাম সাইজের প্রতিমন ২১ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। স্থানীয় নদ-নদীর কিছু ইলিশ মোকামে আসলেও চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম চড়া।

ইলিশের চড়া দাম হওয়ায় হতাশ ক্রেতারা।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া কেটে যাওয়ায় মাছ ধরা ট্রলারগুলো আবার গভীর সমূদ্রে যেতে শুরু করেছে। জেলেরা ফিরে আসলে ইলিশের সরবরাহ বাড়ার পাশাপাশি দামও কমবে বলে আশা করেন সংশ্লিস্টরা।

আষাঢ়-শ্রাবন-ভাদ্র এই ৩ মাস ইলিশের প্রধান মৌসুম হিসেবে বিবেচনা করে মৎস্য বিভাগ।

আরও পড়ুন:


ডিএমপির ৯ পুলিশ কর্মকর্তার পদায়ন 

ফুলবাড়িয়ায় হাতকড়াসহ পালানো আসামি সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর গ্রেপ্তার

পিরোজপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

 news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম, সাশ্রয়মূল্যে টিসিবি পণ্য বিতরণের আহ্বান

বাবু কামরুজ্জামান

বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম, সাশ্রয়মূল্যে টিসিবি পণ্য বিতরণের আহ্বান

করোনাকালে একদিকে যখন মানুষের আয় কমেছে তখন খরচ বেড়েছে জরুরী ভোগ্যপণ্যের কেনাকাটায়। সংসার চালাতে গিয়ে হিমসিম খাচ্ছে নিম্ন আয়ের ভোক্তারা। অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন; মহামারী পরবর্তী সময়ে গরিব মানুষের জীবন ধারণ সহজ করতে জোরালো করতে হবে সরকারের খোলা বাজারে বিক্রয় কার্যক্রম। পাশাপাশি, অতি দরিদ্রদের সুনির্দিষ্ট করে নগদ সহায়তার কথাও বলছেন বিশ্লেষকরা। 

মহামারীর সাথে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে গিয়ে যখন বেড়েছে হাত পাতা হত দরিদ্র মানুষের সংখ্যা; তখন উল্টো প্রতিনিয়ত খরচ বাড়ছে নিত্যপণ্যের কেনাকাটায়। নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যম আয়ের পরিবার, সবাই যেন আতঙ্কে আছেন ভোগ্য পণ্যের বাজার নিয়ে। চাল, তেল কিংবা ডাল ছাড়াও এ তালিকায় যুক্ত হয়েছে পেঁয়াজ, চিনি আটা, ময়দা, মুরগি, ডিমসহ আরও বেশকিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। এছাড়াও বেড়েছে সাবান ও টুথপেস্টের মতো নিত্যব্যবহার্য সামগ্রীর দামও। ফলে মানুষের আয় কমলেও খরচের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

সরকারি বিপণণ সংস্থা টিসিবির হিসাব বলছে; ২০২০ সালের মার্চ মাসে করোনা শুরুর আগে মোটা চালের যে দাম ছিল তা এই সময়ে এসে বেড়েছে অন্তত সাড়ে ৩১ শতাংশ। এছাড়া খোলা আটার দাম বেড়েছে ২০ শতাংশ, ময়দা ৩৩ শতাংশ। এক লিটারের সয়াবিন তেলের বোতল ৪৩ শতাংশ, চিনির দর বেড়েছে ১৯ শতাংশ, মোটা দানার মসুর ডাল ৩০ ও গুঁড়া দুধের দাম ১৩ শতাংশ বেড়েছে। বিপরীতে সরকারি হিসেবেই করোনাকালে মানুষের আয় কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ।

ক্রেতাদের অভিযোগ, করোনাকালীন সময়ে দ্রব্যমূল্যের দাম উঠা-নামা করায়  অনেকে অসুবিধেয় পড়েছেন। 

অন্যদিকে, আরেক ক্রেতা বলছেন, বাজারে যে হারে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ছে, সে হারে বেতন বাড়েনি যার ফলে অনেকেই  বিপাকে পড়েছেন। 

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ টিসিবির ট্রাকে প্রতিনিয়ত বাড়ছে অপেক্ষমান হতদরিদ্র মানুষের সংখ্যা। যেখানে অনেক মধ্যবিত্তও এখন নিরুপায় হয়ে প্রতীক্ষায় থাকেন টিসিবির ট্রাকের।

এদিকে, সাশ্রয়মূল্যে যে টিসিবি পণ্য বিতরণ করা হচ্ছে তার উপর সরকারের আরও গুরুত্বারোপ করার আহবান জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। 

আরও পড়ুন


প্রথম ম্যাচে বাজে খেলায় ২য় ম্যাচে দল থেকে বাদ পড়ছে যে ক্রিকেটাররা

ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচনে আরও খুনোখুনির আশঙ্কা

দলে পরিবর্তন, এক নজরে ওমানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ পররাষ্ট্রমন্ত্রী কলিন পাওয়েল মারা গেছেন


অর্থনীতি বিশ্লষকরা বলছেন; অতিমারি পরবর্তী সময়ে কেবল খোলাবাজারে বিক্রি বাড়ানো নয়; একই সাথে অতি দরিদ্রদের জন্য নিতে হবে নগদ সহায়তা কার্যক্রমও।

পেঁয়াজ আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ক তুলে নেয়া হলেও এখনো রাজধানীর খুচরা বাজারে ১ কেজি পেঁয়াজ কিনতে ভোক্তাকে গুনতে হচ্ছে ৬০ টাকা।

news24bd.tv রিমু  

 

পরবর্তী খবর

সম্রাটসহ ১৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের তথ্য পেয়েছে সিআইডি

হাবিবুল ইসলাম

যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা সম্রাট, খালেদ মাহমুদ ও বহিষ্কৃত কমিশনার মোমিনুল হকসহ ১৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, সিআইডি। 

রোববার হাইকোর্টের সংশ্লীষ্ট শাখায় সিআইডির জমা দেয়া প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। তারা সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে বিপুল পরিমান অর্থপাচার  করেছে প্রতিবেদনে বলা হয়। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এম আমিন উদ্দীন জানান, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে কাজ করছে বিএফ’আই’ইউ। হাইকোর্টের অবকাশ শেষ হলেই এ প্রতিবেদনের ওপর শুনানী অনুষ্ঠিত হবে। 

গত ফেব্রুয়ারিতে এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ থেকে সুইচ ব্যাংকসহ বিদেশে অর্থপাচারকারীদের তথ্য জানতে চান হাইকোর্ট। এর পর দুদক সম্রাটসহ অর্থ পাচারকারীদের একশ জনের নামের তালিকা প্রতিবেদন জমা দেয় হাইকোর্টে। তাতে ২৫ শো কোটি টাকা পাচারের প্রাথমিক তথ্য দেয় সংস্থাটি।  কিন্তু তাতে সন্তুষ্ঠি হতে না পেরে নতুন পাচারকারীদেন নাম ও অর্থের পরিমান জানতে চান আদালত।

সেই নির্দেশনার প্রায় ৮ মাস পর এবার সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচারকারী ১৬ ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামের তালিকা ও অর্থের পরিমান প্রতিবেদন আকারে দাখিল করেছে দুদক। এতে যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়া ও বহিষ্কৃত কমিশনার মোমিনুল হক সাঈদ, এনামুল হক আরমান, রাজীব হোসেন রানা, জামাল ভাটারা,  শাজাহান বাবলুর নাম রয়েছে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, ৮টি মামলায় এসব ব্যাক্তিদের অর্থপাচারের তথ্য উঠে এসেছে। এ টাকার অংক কয়েক হাজার কোটি টাকা। টাকাগুলো উদ্ধারের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। দেশে এই টাকা শিগগিরই উদ্ধার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন রিটকারী আইনজীবী।

এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে সুইস ব্যাংকসহ বিদেশে পাচারকরা অর্থ ফেরত আনার কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে  বিদেশে অর্থপাচারকারীদের নাম-ঠিকানা ও তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চান আদালত।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে দুষছেন বিশেষজ্ঞরা

দেশের ইমেজ নষ্ট করতেই সংখ্যালঘুর উপর হামলা

নাঈম আল জিকো

দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের জন্য সহজ লক্ষ্য হিসেবে সংখ্যালঘুদের বেছে নিয়েছে একটি চক্র। যার ফলে মন্দিরে মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেই চলছে বলে মনে করছেন, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশ গুপ্ত। 

এদিকে, আইন ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদাসীনতা এই হামলার জন্য দায়ি। রামুসহ আগে সংখ্যালঘুদের ওপর যেসব হামলা হয়েছে তার সঠিক বিচার না হওয়ায় এধরণের ঘটনা ঘটেই চলছে বলেও  মনে করেন তারা।

সনাতন ধর্মাবলম্বিদের মহউৎসব দূর্গাপুজার অস্টমীর দিন মন্ডপে কোরআন শরীফ রাখাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় সাম্প্রদায়িক হামলা। দাবানলের মত ছড়িয়ে পরা এই অপপ্রচারে দেশের ৭০টি পুজা মন্ডপে হামলা চালানো হয়। ভাঙ্গচুড়, লুট ও আগুন ধুরিয়ে দেয়া হয় পূজা মন্ডপ, সনাতন ধর্মাবলম্বিদের বাড়িঘর দোকানপাটে। 

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সধারণ সম্পাদক রানা দাশ গুপ্ত বলছেন, নির্বাচন পূর্ব ও পরবর্তি সুদুর প্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে একটি মহল প্রশাসন ও রাজনীতিবিদদের নাকের ডগা দিয়ে এ হামলা চালাচ্ছে।

পূর্বে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বিচার না হওয়ায় এধরণের ঘটনা ঘটেই চলছে বলে মনে করছেন, নিরাপত্তা ও আইন বিশেষজ্ঞরা।

১৯৬৪ সালে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বন্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশবাসী যেভাবে রাজপথে নেমেছিল তেমনি ভাবে, সরকার ও প্রশাসনের পাশে এহামলা প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে বলেও মনে করছেন তারা।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন আজ

শাহ্ আলী জয়

বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন আজ

বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন আজ। সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানের সন্তান হয়েও রাসেলের বেড়ে ওঠা ছিলো আর দশটা সাধারণ শিশুর মতই। শৈশবে তাকে কাছে থেকে দেখেছেন বঙ্গন্ধু পরিবারের ঘনিষ্ঠ, আলোক চিত্র শিল্পি পাভেল রহমান। শেখ রাসেলের জন্মদিনে তাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি।

বৃটিশ দার্শনিক বার্টান্ড রাসেলের নামের সঙ্গে মিলিয়ে বঙ্গবন্ধু তাঁর কনিষ্ঠ সন্তানের নাম রেখেছিলেন শেখ রাসেল। রাসেল চাইতো বড় হয়ে সে কাজ করবে সেনাবাহিনীতে। ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর সড়কের বাড়িতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এবং বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব দম্পতির কোল আলো করে জন্ম নেয় রাসেল। 

বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নেতা বঙ্গবন্ধুর জীবনের একটা বড় সময় কেটেছে কারাগারের অন্ধ প্রকষ্ঠে। তাই পিতার সান্নিধ্য, স্নেহ-মমতায় বড় হয়ে ওঠার সুযোগ হয়নি রাসেলের। মা ছিলেন তার সব আদর-আবদার, ভালোবাসা-মমতার আধার, আর ভাইবোনদের  চোখের মণি ছিল সে।

বিশিষ্ট আলোকচিত্র শিল্পী পাবেল রহমান শেখ রাসেলের স্মৃতিচারণ করে বলেন, 'বেশিরভাগ সময় রাসেল তার মা আর বোনদের সঙ্গেই সময় কাটাতেন। পছন্দ করতেন চাইকেল চালাতে।' 

মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু কারাবন্দি ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের জেলে। দুই ভাই শেখ কামাল ও শেখ জামাল যুদ্ধ করছে হানাদারদের বিরুদ্ধে। তাই যুদ্ধের পুরোটা সময় মা বোনদের সঙ্গে ধানমণ্ডির একটি বাড়িতে বন্দি ছিল রাসেল। বন্দি অবস্থা থেকে মুক্তি মেলে ১৯৭১ এর ১৭ ডিসেম্বর। জয় বাংলা শ্লোগানে সে বেরিয়ে আসে ঘর থেকে। বঙ্গবন্ধু ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে ফিরে এলে সেদিন রাসেল পিতাকে বিস্ময়ভরা দুচোখে দেখেছে, তাঁর স্নেহচুম্বনে সিক্ত হয়েছে। এরপর থেকে সে খুব একটা পিতার সান্নিধ্য ছাড়া থাকতে চাইত না।

আরও পড়ুন


মাগুরায় চার খুন, গ্রাম পুরুষশূন্য

নবীর ভবিষ্যদ্বাণী, বৃষ্টির মতো বিপদ নেমে আসবে

ক্ষমা ও রহমতের দোয়া

মানুষের সঙ্গে যেভাবে কথা বলতেন বিশ্বনবী

সূরা বাকারা: আয়াত ১২৮-১৩৩, আল্লাহর নির্দেশ ও হয়রত ইব্রাহিম (আ.)


১৫ আগষ্ট ১৯৭৫। চতুর্থ শ্রেনীতে পড়া ১০ বছর বয়সী রাসেলের জন্য সে রাতটি ছিল আতঙ্কের। পরিবারের সবাইকে হত্যার পর যখন ঘাতকরা অস্ত্র তাক করে তার দিকে, কান্না জড়িত কণ্ঠে রাসেল বলেছিল, আমি মায়ের কাছে যাবো। নরপিশাচ ঘাতকরা ছোট্ট রাসেলের সে কান্নাভেজা কথা শোনেনি। তারা নির্দয়ভাবে শিশু রাসেলকে হত্যা করেছে।

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

সাইবার আগ্রাসন থামছেই না

রিশাদ হাসান

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার অত:পর দাঙ্গা, যার বলি হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সম্প্রতি কুমিল্লার ঘটনা যার বাস্তব উদাহরণ। শুধু তাই নয় সামাজিক রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়াতে এই সব অপপ্রচার চলছে দেশের বাইরে থেকেও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কাছেই সবাই জিম্মি। 

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা রক্ষায় এই জিম্মি দশা থেকে দ্রুতই বেরিয়ে আসতে হবে। সাইবার অপরাধ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনতে না পারলে এমন অবস্থা চলতেই থাকবে।

সম্প্রতি কুমিল্লার ঘটনায় মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ঘটনা বাংলাদেশে এটাই প্রথম নয়। এর আগেও রামু বা নাসিরনগরের ঘটনাও কারো অজানা নয়। যার নেপথ্যে সবচেয়ে বড় দায় সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপপ্রচার।

দেশে বা দেশের বাইরে বসে এমন সাম্প্রদায়িক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে হচ্ছে অসংখ্য কন্টেন্ট। প্রচলিত আইনে বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা থেকে যাচ্ছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

অধিক মাত্রায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নির্ভরতা ও তথ্য যাচাই না করাকেই দুষছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। যার ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ছে পুরো রাষ্ট্র।

আরও পড়ুন:


গাজীপুরে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে পার্লার কর্মীকে গণধর্ষণ

পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি পূজায় সহিংসতা সৃষ্টি করেছে: কাদের

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ৩

ঘোড়ার খামারে বিয়ে করছেন বিল গেটসের মেয়ে


সাইবার অপরাধ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন দেশের প্রচলিত আইনে বিচার পেতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় গুলোতে সমন্বিতভাবেই কাজ করতে হবে।

ফেসবুক একটি দেশের গণতন্ত্রের জন্য হুমকি, সম্প্রতি এমন তথ্য দিয়ে পুরো বিশ্বকে চমকে দিয়েছেন খোদ ফেসবুকের সাবেক কর্মকর্তা ফ্রান্সেস হাউজেন। তাই যদি হয় তবে এই অপপ্রচার রোধে কি করণীয় হবে সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর