পদ্মায় জেলের জালে ধরা পড়ল ১৫ কেজির পাঙাশ

অনলাইন ডেস্ক

পদ্মায় জেলের জালে ধরা পড়ল ১৫ কেজির পাঙাশ

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জেলের ১৫ কেজি ওজনের একটি বড় পাঙাশ মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি সাভারের এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ১৯ হাজার ৫০০ টাকায় কিনে নিয়েছেন।

আজ ভোরে অন্তরমোড় এলাকার জেলে শাহিন শেখের জালে মাছটি ধরা প‌ড়ে।

স্থানীয় লোকজন জানান, মাছটি বিক্রির জন্য শাহিন দৌলতদিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে ১২০০ টাকা কেজি হিসাবে ১৮ হাজার টাকায় শাকিল সোহান মৎস্য আড়তের মালিক সম্রাট শাহজাহান শেখ মাছটি কেনেন। পরে আড়তদার সাভারের এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ীর কাছে ১৯ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেন।

আরও পড়ুন

বিভিন্ন জেলায় করোনা ও উপসর্গে মৃত্যুর তথ্য

গার্মেন্টস খোলার ব্যাপারে যা জানালেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

বাল্যবিয়ে মুক্ত উপজেলায় বাল্যবিয়ের চেষ্টা, জরিমানা-মুচলেকায় রক্ষা

ময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনায় ‍মৃত্যুর রেকর্ড


গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রেজাউল শরীফ বলেন, পদ্মা নদীর মাছ এমনিতেই সুস্বাদু। বড় কোনো মাছ হলে তো কথাই নেই। পদ্মার বড় মাছের চাহিদা সব সময়ই বেশি। সাধারণ মানুষ কিনতে না পারলেও ধনীরা খবর পেলেই কিনে নেন। আর বড় মাছে ভালো দাম পেয়ে জেলেরা খুবই খুশি হন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় খুতবার সময় সংঘর্ষ, নিহত ১

অনলাইন ডেস্ক

কুমিল্লায় খুতবার সময় সংঘর্ষ, নিহত ১

কুমিল্লার মুরাদনগরে মসজিদে জুমার খুতবার সময় মুসিল্লদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন সাতজন।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার কুড়াখাল গ্রামের বাইতুন নুর জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

নাটোরে অজ্ঞাত মহিলার লাশ উদ্ধার

নাটোর প্রতিনিধি:

নাটোরে অজ্ঞাত মহিলার লাশ উদ্ধার

নাটোর নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা সরকারি কলেজ মাঠের পাশ থেকে বৃহস্পতিবার রাতে এক অজ্ঞাত মহিলার (৬০) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাত সাড়ে ১১টার দিকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালানোর সময় সদরের গুনারীগ্রামের অটো চালক শান্ত আলী সরকারি কলেজ মাঠের সামনে রাস্তার পাশে কোন রক্তাক্ত মহিলাকে পড়ে থাকতে দেখে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক এ সময় মধ্য বয়সী অজ্ঞাত ঐ রক্তাক্ত মহিলাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:


কিশোরীকে আটকে রেখে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করায় নারী আটক

করোনায় স্কুল বন্ধ থাকায় শ্রেণিকক্ষে সপরিবারে বসবাস

বগুড়ায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার দুই নারী যাত্রী নিহত

যশোরের ১৮টি রুটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে


প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসকের ধারণা কোন যানবাহন এই মহিলাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে রেখে চলে গেছে। মাথায় আঘাত লাগার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। 

আজ শুক্রবার দুপুরে নাটোর থানার এস আই বেলাল হোসেন জানান, বিকেল তিনটা পর্যন্ত লাশের কোন পরিচয় পাওয়া যায়নি। 

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

সুদবিহীন লাভের তকমা দিতে প্রচারণা

১৬ হাজার গ্রাহকের ৩শ’কোটি টাকা এহসান গ্রুপের পকেটে

রিপন হোসেন

যশোরের ১৬ হাজার গ্রাহকের ৩শ’কোটি টাকা এহসান গ্রুপের প্রতারকদের পকেটে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মাসে এক লাখে ১৬শ’ টাকা মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা জমা নেয় প্রতিষ্টানটি। আর এ কাজে বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাধ্যমে প্রচারণা চালায়। 

সাধারণ মানুষ সরল বিশ্বাসে তাদের গচ্ছিত কাড়ি কাড়ি টাকা ব্যবসায় লগ্নি করে। আর লভ্যাংশ ও বিনিয়োগের টাকা ফেরত না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা।

যশোর শহরের মিশনপাড়ার আফসার। ছিলেন এয়ারফোর্সের ক্লার্ক। পেনশনের পাওয়া ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ২০১১ সালের শেষের দিকে লগ্নি করেছিলেন এহসান এসে। দুই বছর মুনাফা পেলেও তারপরই বন্ধ হয়ে যায়। এরপর অনেক ঘুরেও লভ্যাংশ ও বিনিয়োগের টাকা আর ফেরত পাননি। এখন যে চিকিৎসা করবে সেই টাকাও নেই।

শুধু আফসার উদ্দিনই নন, তার মত ১৬ হাজার গ্রাহক জমি বিক্রি, পেনশনের টাকা তুলে দিয়েছেন এহসান গ্রুপের হাতে। এখন লাভের টাকা তো দুরের কথা আসল টাকা না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা।

এহসান রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যানসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে ২টি মামলা দায়ের হয়েছে। গ্রাহকের টাকা প্রত্যারণার সত্যতাও পেয়েছে পিবিআই।

অবশ্য এহসান ইসলামি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি ভাইস চেয়ারম্যান বলেছেন, তাদের গ্রাহকের টাকা টাকা দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করে দিবেন।

এহসান গ্রুপের এহসান সোসাইটি, এহসান রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড, এহসান ইসলামি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, আল এহসান নামে চারটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। দ্রুত এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভুক্তভোগীদের।

আরও পড়ুন:


কিশোরীকে আটকে রেখে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করায় নারী আটক

করোনায় স্কুল বন্ধ থাকায় শ্রেণিকক্ষে সপরিবারে বসবাস

বগুড়ায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার দুই নারী যাত্রী নিহত

যশোরের ১৮টি রুটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে


NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

শেখ রুহুল আমিন, ঝিনাইদহ :

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঝিনাইদহের ভুটিয়ারগাতী গ্রামে বিবাদপূর্ণ সম্পত্তিতে জবরদখল করে ঘর নির্মানের অভিযোগ উঠেছে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

এদিকে বাদী শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আনছার উদ্দিনের ছেলে আব্দুল্লাহ পুলিশের দারস্থ হয়েও পাচ্ছেন না কোন প্রতিকার। পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষ ও আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অসহায় ভুক্তভোগী। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আদালতের ১৪৪ ধারা জারি ও পৌরসভার নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও সেটি আমলে না নিয়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে শহরের পূর্ব খাজুরা গ্রামের ইছাহাক আলীর ছেলে রাশেদুজ্জামান বৃহস্পতিবার ঘরের ছাদ ঢালাই কাজ সম্পন্ন করেছেন এবং শুক্রবারও শ্রমিক লাগিয়ে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা জানান, পুলিশের কাজ পুলিশ পালন করেছে। আদালতের আদেশক্রমে ওই জায়গায় গিয়ে ১৪৪ ধারা জারি করে আসা হয়েছে। যদি তারা কাজ করেই থাকে তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন:


কিশোরীকে আটকে রেখে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করায় নারী আটক

করোনায় স্কুল বন্ধ থাকায় শ্রেণিকক্ষে সপরিবারে বসবাস

বগুড়ায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার দুই নারী যাত্রী নিহত

যশোরের ১৮টি রুটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে


NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

বিলুপ্ত নীল গাইয়ের শাবক নিয়ে উচ্ছ্বসিত সাফারি কর্তৃপক্ষ

মোহাম্মদ আল-আমীন, গাজীপুর:

বিলুপ্ত নীল গাইয়ের শাবক নিয়ে উচ্ছ্বসিত সাফারি কর্তৃপক্ষ

শিকারীর লোভ আর বনাঞ্চল কমে যাওয়য় এক সময় দেশ থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায় নীলগাই। তবে নীল গাইয়ের বংশ বিস্তার নিয়ে আশাবাদী গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ। 

কারণ এরই মধ্যে পার্কে জন্ম নিয়েছে নীল গাইয়ের দুটি শাবক। পার্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন জন্ম নেয়া শাবক দুটি সুস্থ্য এবং সবল রয়েছে। নীল গাই ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় আকৃতির এন্টিলোপ। ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও যুক্তরাষ্ট্রে নীল গাই বেশি দেখা যায়। তবে এটি দেশের বিলুপ্ত প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম একটি প্রাণী।

বনবিভাগ ও পার্ক কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৫০ সালের আগে দেশে নীল গাইয়ের বিচরণ ছিল। তৃণভোজী এ প্রাণীটি শিকারীদের লোভী মানসিকতা, জবাই করে মেরে ফেলা এবং বনাঞ্চল কমে যাওয়ায় বিলুপ্ত হয়ে যায়। 

এ অবস্থায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলায় শিকারীদের হাত থেকে বেঁচে যাওয়া দুটি পুরুষ ও মাদি নীল গাই সংগ্রহ করে সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ। এ দুটি নীল গাই থেকে গত ১ আগষ্ট জন্ম নেয় দুটি শাবক।

পার্কের লোকজন এবং কর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় কোর সাফারিতে মা বাবার সাথে অবাধ বিচরণ করছে শাবক দুটি। পার্ক কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও যত্নের ফলে শাবক দুটি সুস্থ্য ও সবল রয়েছে। বিলুপ্ত এ প্রাণীটির বংশ বিস্তারে আশার আলো দেখছেন পার্ক কর্তৃপক্ষ। 

পুরুষ নীল গাই দেখতে গাঢ ধূসর, অনেক সময় নীলচে আভা দেখা যায় বলে এদের নীলগাই নামকরণ করা হয়েছে। পুরুষ নীল গাই ৫২-৫৮ ইঞ্চি এবং মাদি নীল গাই বাদামী রঙের হয়ে থাকে। এদের গর্ভধারণ কাল ২৪৩ দিন এবং একসাথে ১-৩টি বাচ্চা হয়।

আরও পড়ুন:


করোনায় স্কুল বন্ধ থাকায় শ্রেণিকক্ষে সপরিবারে বসবাস

বগুড়ায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার দুই নারী যাত্রী নিহত

জামালপুর থেকে নিখোঁজ ৩ মাদ্রাসাছাত্রীকে ঢাকা থেকে উদ্ধার

যশোরের ১৮টি রুটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে


NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর