ভিকারুননিসা স্কুলের অধ্যক্ষের ফোনালাপ ফাঁস: তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

অনলাইন ডেস্ক

ভিকারুননিসা স্কুলের অধ্যক্ষের ফোনালাপ ফাঁস: তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার ও অভিভাবক ফোরামের নেতা মীর সাহাবুদ্দিন টিপুর ফাঁস হওয়া ফোনালাপ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় উঠেছে।

ফোনালাপের এক পর্যায়ে অধ্যক্ষ বলেন, ‘আমি বালিশের নিচে পিস্তল রাখি। কোনো ... বাচ্চা যদি আমার পেছনে লাগে আমি কিন্তু ওর পেছনে লাগব। শুধু ভিকারুননিসা না, আমি তাকে দেশ ছাড়া করব।’

এদিকে ফাঁস হওয়া ওই ফোনালাপের অডিওকে ভিত্তিহীন ও সুপার এডিটেড বলে মন্তব্য করেন অধ্যক্ষ কামরুন নাহার মুকুল।

অধ্যক্ষ ও ভিএনএসসির অভিভাবক ফোরামের নেতা মীর সাহাবুদ্দিন টিপুর মধ্যকার চার মিনিট ৩৯ সেকেন্ড ধরে চলা ওই কথোপকথন এখন আলোচনার শীর্ষে। সেই ফোনালাপে এমন কিছু অকথ্য ভাষা রয়েছে যা প্রকাশের অযোগ্য।


আরও পড়ুন

শিল্পকারখানা খুললে আইনানুগ ব্যবস্থা

পরিবারে যদি কোনো ড্রাইভার থাকে তাকেও টিকা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে

বিভিন্ন জেলায় করোনা ও উপসর্গে মৃত্যুর তথ্য

গার্মেন্টস খোলার ব্যাপারে যা জানালেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী


ফাঁস হওয়া ওই অডিও ভিএনএসসির দীর্ঘদিনের সুনাম ও ঐতিহ্যের ওপর আঘাত হেনেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বোর্ডের সদস্যরা। তারা বলেন, অধ্যক্ষ কামরুন নাহার এ বছরের প্রথম দিন এই প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন। এরপর থেকে তিনি প্রতিষ্ঠানে আসেননি বললেই চলে। কেউতাকে প্রতিষ্ঠানে আসার বিষয়ে অনুরোধ করলে কামরুন নাহার সবাইকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।

news24bd.tv/এমিজান্নাত 

পরবর্তী খবর

সশরীরে আজ থেকে জাহাঙ্গীরনগরে ক্লাস-পরীক্ষা শুরু

অনলাইন ডেস্ক

সশরীরে আজ থেকে জাহাঙ্গীরনগরে ক্লাস-পরীক্ষা শুরু

স্বাস্থবিধি মেনে দেড় বছরেরও বেশি সময় পর আজ বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদ ও বিভাগে সশরীরে ক্লাস ও পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

এছাড়াও আজ থেকে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সপ্তাহে পাঁচ দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম চলবে। শিক্ষার্থীরা এক ডোজ টিকা নেওয়ার শর্তে ও ভ্যাকসিন সনদ প্রদান সাপেক্ষে ক্লাস করার সুযোগ পাচ্ছেন। দীর্ঘদিন পর সশরীরে ক্লাস শুরু হওয়ায় উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরাও। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিকে এরইমধ্যে অনলাইনে যেসব বিভাগের পরীক্ষা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে, সে সব পরীক্ষা সশরীর উপস্থিতির মাধ্যমে সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ২১ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় খুলে যাওয়ার পর ইতিমধ্যে শুরু হওয়া পরীক্ষাগুলো দুর্যোগকালীন পরীক্ষা অধ্যাদেশ ২০২১ (এক্সামিনেশন অর্ডিন্যান্স ডিউরিং ডিজাস্টার-২০২১) এর কাঠামোতেই অনলাইন মাধ্যমের পরিবর্তে সশরীর উপস্থিতির মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। তবে ১০ নম্বরের অ্যাসাইনমেন্ট অনলাইনে সফট কপি বা অফলাইনে হার্ড কপিতে জমা দেওয়া যাবে। এছাড়া ১০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় কোনো শ্রেণিকক্ষ বা গ্যালারি বা একাধিক শ্রেণিকক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আয়োজন করার কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন


যশোরের দুঃখ ভবদহে আবার জলাবদ্ধতা, তলিয়ে গেছে অনেক গ্রাম

কানাডায় কনসাল জেনারেল নাইম উদ্দিনকে বিদায় সংবর্ধনা

বাংলাদেশ টিমের সংবাদ সম্মেলন বয়কটের কারণ জানাল সাংবাদিকরা

শীর্ষে উঠার লড়াই, পিএনজির বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে যেসব বিভাগ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে প্রশ্নপত্র প্রণয়নের জন্য পরীক্ষকদের অনুরোধ করার কথা জানাবে, সেসব পরীক্ষা দুর্যোগকালীন পরীক্ষা অধ্যাদেশ অনুযায়ী সম্পন্ন করতে হবে। সে ক্ষেত্রে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে প্রশ্নকর্তাদের প্রশ্ন পাঠানোর অনুরোধ করার দিন থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা শুরু করতে হবে। এছাড়া ৩০ নভেম্বরের পর যেসব পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হবে, সেসব পরীক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আগের নিয়মেই অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে অন্য সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জাবি একাডেমিক কার্যক্রম ও আবাসিক হল বন্ধ করে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

নাটোরে কলেজ এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষক এখন দোকান কর্মচারী

নাসিম উদ্দীন নাসিম, নাটোর

নাটোরে কলেজ এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষক এখন দোকান কর্মচারী

নাটোরের ১৫টি কলেজ প্রতিষ্ঠার ২০বছরেও এমপিওভুক্ত হয়নি। পেটের দায়ে এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকেই শিক্ষকতা ছেড়ে অন্য পেশা গ্রহণ করেছেন। কেউ দিয়েছেন মুদি দোকান। কেউ করছেন দোকানে মালামাল সরবরাহ, আর কেউ করছেন অন্যের জমিতে কৃষি কাজ। নতুন নীতিমালার বেড়াজালে আটকে তাদের জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে।

কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। শুধুমাত্র এমপিও ভুক্তির আশায় নাটোরের বাগাতিপাড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ নাম পরিবর্তন করে হয়েছে দয়ারামপুর কলেজ। এমন পরিবর্তন আনা হলেও গত ২০ বছরে মিলেনি এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার/ মাসিক বেতন)।

শিক্ষার্থী শিক্ষক অবকাঠামো সব আছে, নেই শুধু শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা। বিনা বেতনে চাকরি করে ইতোমধ্যে এই কলেজ ছেড়ে গেছেন আটজন শিক্ষক। একই অবস্থা বড়াইগ্রাম উপজেলার বড়াইগ্রাম মহিলা কলেজ ও জোনাইল মহিলা কলেজ, নলডাঙ্গা উপজেলার মোমিনপুর মহাবিদ্যালয় ও মির্জাপুরদিঘা আইডিয়াল মহাবিদ্যালয়, সদরের এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু মহাবিদ্যালয়, পীরগঞ্জ আদর্শ মহাবিদ্যালয়, ইয়াছিনপুর মহাবিদ্যালয়, বাগাতিপাড়া উপজেলার চাঁদপুর টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের সাধারণ শাখা, তমালতলা মহিলা কলেজ,  তমালতলা টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউট, তমালতলা পৌর টেকনিক্যাল মহিলা কলেজ, চিথলিয়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ ও লালপুর উপজেলার কলসনগর কলেজের।

১৯৯৮ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত বেশ আড়ম্বরপূর্ণ ভাবেই এসব কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। গড়ে তোলা হয় অবকাঠামো। শুরু থেকেই প্রয়োজনের চাইতে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। সকল বিষয়ে দেয়া হয় শিক্ষক নিয়োগ। এমপিও হবে, বেতন ভাতা পাওয়া যাবে, আশায় দিন গুনতে থাকে কর্মরতরা। কিন্তু কিছুই হয়নি। দিনে দিনে কমে যাচ্ছে শিক্ষার্থীও। আগে রাজনীতির মারপ্যাচে এমপিও না হলেও এখন কলেজগুলো নিয়মের ফাঁদে আটকে গেছে।

সরেজমিন অনুসন্ধানে গেলে বড়াইগ্রাম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুব-উল-হক বাচ্চু বলেন, ১৯৯৮ সালে চারটি বিভাগ ও ২০টি বিষয় নিয়ে সুবিশাল সেমি পাকা ভবনে প্রতিষ্ঠিত হয় তার কলেজ। শুরু থেকে পর্যাপ্ত ছাত্রী ভর্তি হয়। ৮৯ শতাংশ পর্যন্ত ছাত্রী পাসও করেছে। ২০০৫ থেকে ২০১৫সাল পর্যন্ত ছিল উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার কেন্দ্র। ২৩ বছরেও এমপিও না হওয়ায় পেটের দায়ে এখন কলেজের ইসলাম শিক্ষার প্রভাষক শফিকুল ইসলাম হয়েছেন মুদি দোকানী আর ইসলামের ইতিহাসের প্রভাষক অসীম কুমার দেব দিয়েছেন ভূষি মালের দোকান। এনজিওসহ নানা প্রতিষ্ঠানে কাজ করে শিক্ষকরা জীবনধারণের চেষ্টা করছেন। একজন কর্মচারী ইতোমধ্যে মারা গেছে। জীবিত ২৮ জনের প্রত্যেকের ৫ থেকে ৯ বছরের মধ্যে অবসরে যাওয়ার বয়স হবে, অথচ এখনো বেতনই হয়নি।

সদরের এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ কাজী রিয়াজুল হক মোমিন জানান, কলেজের হিসাববিজ্ঞানের প্রভাষক বেলাল হোসেন গত ১৯ বছর টিউশনি করে তিন ছেলে মেয়ে আর স্ত্রীকে নিয়ে কোন রকমে সংসার চালাচ্ছিলেন। করোনায় বন্ধ হয়ে যায় টিউশনি। থেমে যায় সংসারের চাকা। অনেক চেষ্টা করেও করোনাকালে কোন চাকুরী জুটেনি। বাধ্য হয়ে একটি কোম্পানীর সেলসম্যান হিসেবে দোকানে দোকানে মালামাল সরবরাহের কাজ নিয়েছেন।

বেলাল হোসেন বলেন, স্ত্রী সন্তানের মুখে দুবেলা এক মুঠো ভাত তুলে দিতে এছাড়া আমার আর কোন উপায় ছিল না। সদরের খালেদা জিয়া মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ইব্রাহিম হোসেন বলেন, দ্বিতল ভবন, ছাত্র শিক্ষক-কর্মচারী আমাদের সবই ছিল। র্দীঘদিন এমপিও না হওয়ায় প্রথমে বিজ্ঞানের শিক্ষকেরা চলে যায়। অনেকে পেশা না ছাড়লেও বিকল্প আয়ের পথ খুজতে গিয়ে শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়ে। কমতে থাকে শিক্ষার্থী। এখন কাম্য শিক্ষার্থী আর পাশের হার পূরণ করতে না পারায় হচ্ছে না এমপিও ভুক্তি।

আরও পড়ুন


সামাজিক দ্বন্দ্বে শৈলকুপায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর ভেঙ্গে দিল প্রতিপক্ষরা

ভারতের ঢলে বন্যার কবলে তিস্তাপাড়ের মানুষ, আতঙ্কে ঘর ছাড়ছে সবাই

উঠতি নায়িকার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যে আলাপ হতো আরিয়ানের

বিএনপি নিজেরাই রাজনৈতিকভাবে সাম্প্রদায়িক: ওবায়দুল কাদের


বাগাতিপাড়ার দয়ারামপুর কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মুর্শেদ মিন্টু বলেন, তার কলেজে শিক্ষার্থী সংকট নেই। সকল বছরই গড়ে ৯০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। সর্বশেষ এমপিও ভুক্তির সময় পাসের হার এক শতাংশ কম থাকায় তার কলেজ বাদ পড়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষরা এই প্রতিবেদককে বলেছেন, তাদের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অবকাঠামো সব থাকলেও তারা নিয়মের বেড়াজালে পড়ে গেছেন। অনলাইনের যুগে কোন ভাল শিক্ষার্থী ইচ্ছে করে তাদের ননএমপিও প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয় না। বাড়ি বাড়ি গিয়ে নানান সুবিধা দিয়ে শিক্ষার্থী এনে ভর্তি করানো হয়। সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে ভাল ফলাফলও করান তারা। তারপরও ২/১ভাগ পাশের হার কম হলে এমপিও অযোগ্য বিবেচিত হন।

বাংলাদেশ নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন নবী বলেছেন, সরকারের নীতিমালা মেনেই এসব প্রতিষ্ঠান তৈরী ও শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যেকোন নীতিমালা হয় ভবিষ্যতের জন্য কিন্তুু দুঃখজনক ভাবে শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন নীতিমালার দোহাই দিয়ে ২৩ বছর আগের প্রতিষ্ঠানকেও এমপিও ভুক্ত করা হচ্ছে না। আমরা সমাজে আর মুখ দেখাতে পারছি না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কলেজ) মুঃ ফজলুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেছেন, সরকারের নীতিমালার বাহিরে কারো কোন কিছু করার সুযোগ নেই। নতুন নীতিমালা প্রনয়নের দিন থেকে আর আগের নিয়ম কার্যকর নয়। ঘোষিত সর্বশেষ নীতিমালা অনুসারেই সরকার ঘোষিত গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত করা হবে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খুললো

শেখ জায়েদ ও শামসুজ্জামান শাহীন

চট্টগ্রাম ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খুললো

প্রায় ১৯ মাস পর খুললো চট্টগ্রাম ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো। শিক্ষার্থীদের পদচারনায় মুখর হয়ে উঠলো ক্যাম্পাস। আপাতত নূন্যতম এক ডোজ টিকা নেওয়া সাপেক্ষে শিক্ষার্থীরা হলে উঠতে পারছে।

দীর্ঘ দিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় সেশনজট নিয়ে চিন্তিত শিক্ষার্থীরা। তবে ছুটি বাতিল ও সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে দ্রুত ক্লাস পরীক্ষা নেয়া হলে সেশনজট কমে আসবে বলে মনে করেন চবি উপাচার্য।

করোনা সংক্রমণ রোধে গেল বছরের ১৭ মার্চ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার ।বর্তমানে করোনা সংক্রমণ কমে যাওযায় গেল ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়  স্কুল- কলেজ। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার খুললো চট্টগ্রাম ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো।

সোমবার সকাল ১০টা থেকে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখিয়ে হলে ওঠেন। শিক্ষার্থীদের ফুল, চকলেট, কলম, মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে বরণ করে নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। 

দীঘ ১৯ মাস পর প্রিয় শিক্ষাঙ্গনে ফেরায় খুশী শিক্ষার্থীরা। তবে সেশনজট নিয়ে দুশ্চিন্তার কথাও জানান কেউ কেউ । 

 তবে ছুটি বাতিল ও সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে দ্রুত ক্লাস পরীক্ষার মাধ্যমে সেশনজট কমিয়ে আনা হবে এমন আশার কথা  জানান উপাচার্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শতভাগ টিকাদান নিশ্চিতে নেয়া হয়েছে নানা  উদ্যোগও । 

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


খুলনা: একই চিত্র খুলনা  বিশ্ববিদ্যালয়ে। সকাল ৯টা থেকে হলে প্রবেশ করে  মাস্টার্স ও স্নাতক ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের পদচারনায়  খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। তবে ২৬ অক্টোবর থেকে অন্যান্য বর্ষের আবাসিক শিক্ষার্থীরা পর্যায়ক্রমে হলে প্রবেশ করতে পারবে। আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বর্ষের শিক্ষার্থীদের সশরীরে  ক্লাস শুরু  হবে। 

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

সশরীরে ক্লাস শুরুর তারিখ জানালো ইবি

অনলাইন ডেস্ক


সশরীরে ক্লাস শুরুর তারিখ জানালো ইবি

চলতি মাসের ২৫ তারিখ থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শুরু হচ্ছে সশরীরে ক্লাস।

আজ বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের উপ-রেজিস্ট্রার সাহেদ হাসান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০ অক্টোবরে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ছুটি ঘোষণায় ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। এ কারণে ২০ অক্টোবর ক্লাস শুরুর পরিবর্তে ২৫ অক্টোবর থেকে সশরীরে ক্লাস শুরু করা হবে। 

এর আগে করোনায় দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর শিক্ষার্থীদের এক ডোজ টিকা নেওয়ার শর্তে ৯ অক্টোবর আবাসিক হল খুলে দেওয়া হয়। এছাড়া ২০ থেকে সশরীরে ক্লাস শুরুর ঘোষণা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


কিন্তু ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ওইদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করায় পুনরায় ২৫ অক্টোবর থেকে সশরীরে ক্লাস শুরুর তারিখ ঘোষণা করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

অবশেষে পুরোদমে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

মাহমুদুল হাসান

অবশেষে পুরোদমে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। করোনার কারণে দীর্ঘ ১৭ মাস বন্ধ থাকা ক্লাসরুমগুলোতে ফিরেছেন শিক্ষার্থীরা। বাড়তি উচ্ছাস ছিল শিক্ষক -শিক্ষার্থী সবার মাঝেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলছেন, যে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে তা বাস্তবায়িত করা হলে আগামি এক বছরে দূর হবে সেশনজট। খুলেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোও, একইভাবে দেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও দ্রুতই খুলে যাবে এমন প্রত্যাশা শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের।

বহুদিন পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দেখা মিলল শিক্ষার্থীদের এমন সরব উপস্থিতির। এমন মুখরিত ক্যাম্পাস গত ১৭ মাস ছিল একেবারে নিষ্প্রাণ-পুরোই অচেনা। করোনার বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে চলে গেছে দেড় বছরেরও বেশি সময়।

সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ৫ ই অক্টোবর স্নাতক বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা প্রথম হলে ওঠার অনুমতি পায়। পরে হলে ওঠে অন্য বর্ষের শিক্ষার্থীরাও। অনাবাসিক শিক্ষার্থীরাও অপেক্ষায় ছিলেন কবে খুলবে ক্যাম্পাস। 

এই দীর্ঘ সময়ে অনলাইনে কিছু ক্লাস পরীক্ষা হলেও বন্ধ ছিল অনেক বিভাগের প্রাকটিক্যাল ক্লাস। কতৃপক্ষ যে লস রিকোভারি প্ল্যান করেছে তার বাস্তবায়ন হলে শিক্ষার্থীদের হতাশা অনেকটাই কেটে যাবে বলছেন শিক্ষকরা।

আরও পড়ুন


বঙ্গবন্ধু যেতেই গুলি বন্ধ করল বিডিআর

মানুষের সঙ্গে যেভাবে কথা বলতেন বিশ্বনবী

সূরা বাকারা: আয়াত ১২৮-১৩৩, আল্লাহর নির্দেশ ও হয়রত ইব্রাহিম (আ.)

কলকাতা প্রেস ক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার


 

ক্লাস-পরীক্ষা কেমন চলছে দেখতে সকালে বিভিন্ন শ্রেণীকক্ষে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। সবকিছু ঠিকমতো চললে আগামি এক বছরে ক্ষতি পুষিয়ে আনা যাবে এমন আশা তার।

একইভাবে একে একে খুলে যাবে বাকি ক্যাম্পাস এমন আশা শিক্ষার্থীদের। এরই মধ্যে খুলে দেয়া হয়েছে  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল আর ক্লাস শুরু হবে ২০ অক্টোবর। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর