ছেলে জয়ের জন্মদিনে মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মৃতিচারণ (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক

ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে তার জন্মদিনে স্মৃতিচারণ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তার জন্ম, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া নামে নামকরণ, প্রতিকূল পরিবেশে তার শিক্ষা, জয়ের পরামর্শ ও অনুপ্রেরণায় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা- সার্বিক বিষয় উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিচারণে। মহামারির করোনাভাইরাসের কারণে জন্মদিনে মা-সন্তান একত্রিত হতে না পারার কষ্টের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস উদযাপন এবং জনপ্রশাসন পদক ২০২০ ও ২০২১ প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় সন্তান জয়কে নিয়ে তিনি স্মৃতিচারণ করেন প্রধানমন্ত্রী। আজ ২৭ জুলাই সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন। ১৯৭১ সালের এদিন তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক পদকপ্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেন। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এসময় সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিবগণ  উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী ২৭ জুলাই তার জন্য একটি বিশেষ দিন উল্লেখ করে তার মাতৃত্বের শুরুর দিনগুলোর ঘটনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, একাত্তরের সেই দিনগুলোর ঘটনায় মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গও মিলেমিশে একাকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ দেশের কোথাও কেউ পাকিস্তানের পতাকা ওড়ায় নি। দেশের সব জায়গায় বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো হয়। ওই সময় ইয়াহিয়া খান ঢাকায় এবং সেদিন তাকে সবাই অস্বীকার করেছিল। ৩২ নম্বরের বাড়িতেও আমার বাবা সেদিন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করলেন।

ওই সময় সন্তানসম্ভবা ছিলেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমি সব সময় আমার বাবার হাত পায়ের নখ কেটে দিতাম। এটা আমার একটি নিয়মিত কাজ ছিল। সেদিনও পতাকা ওড়ানোর পর দুপুরে বাবা বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। আমি একটা মগে পানি নিয়ে যখন তার হাতে নক কেটে দিচ্ছি, তখন তিনি আমাকে বলছিলেন- হ্যাঁ, ভালোভাবে কেটে দে, জানি না এই সুযোগ আর পাবি কিনা। তবে তোর ছেলে হবে। আর সেই ছেলে স্বাধীন বাংলাদেশে জন্ম নেবে। তার নাম রাখবি জয়।

এ ঘটনার ঠিক দুদিন পরে পঁচিশে মার্চ গণহত্যার কালরাত্রির কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২৫ মার্চ হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করে। ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তারপর আমাদের বাসায় আক্রমণ করা হয়। তাকে (বঙ্গবন্ধু) গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। আক্রমণের কিছু মুহূর্ত আগে আমি, আমার বোন রেহানা ও আমার এক খালাতো বোনকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আব্বা একরকম জোর করেই আমাদের পাঠিয়ে দেন। আমার ভাই কামাল আগেই চলে গিয়েছিল বেরিকেট দিতে। জামাল আর রাসেল মাকে ছেড়ে যাবে না বলে থেকে যায়। পরে আমাদের বাসায় আক্রমণ করে বাবাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের কয়েকদিন পরেই বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছাসহ তার পরিবারের সবাইকে গ্রেফতার করা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। 
তিনি বলেন, আমাদের ১৮ নম্বর রোডের একটি অনেকটা পরিত্যক্ত একতলা বাসায় রাখা হয়। যখন আমার সন্তান প্রসবের সময় হয়েছিল, পাকিস্তানি মিলিটারিরা আমাকে হাসপাতালে যেতে দিয়েছিল। কিন্তু আমার মাকে যেতে দেয়নি। জয়ের জন্মটা মেডিক্যাল কলেজেই হয়।

তিনি বলেন, আমি যখন বন্দি, সেই বন্দি অবস্থায় জয়ের জন্ম। তার নাম জয়ই রেখেছিলাম। জন্মের পর যখন জয়কে নিয়ে আমি ফিরে আসি বাংলোতে, সেই কারাগারেই। আমি জয়কে নিয়ে বারান্দায় দাঁড়ানো। পাকিস্তানি একজন কর্নেল ওর নাম  জিজ্ঞেস করলে আমি বলি 'জয়'। তিনি বলেন, জয় মানে? তো আমি বলি- জয় মানে জয়, জয় মানে ভিক্টরি। তখন পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তা খুব ক্ষেপে যায়। শিশু (জয়)- তাকেও তারা গালি দেয়। এরকম একটি পরিবেশে জয়ের জন্ম। আমরা সেখানে হলেই থাকতাম, কোনও প্রাইভেসি ছিল না।

ওই সময় খাওয়া-দাওয়ার কোন ঠিক ছিল না’ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, জয়কে নিয়ে যখন এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে শেল্টার নেই, জানি না কীভাবে বেঁচেছিলাম, খাওয়া-দাওয়ার কোনও ঠিক ছিল না। শুধু আল্লাহর কাছে আমার মা আর আমি এই দোয়া করতাম- আমার বাচ্চাটা যেন একটি সুস্থ বাচ্চা হয়।

তিনি বলেন, আজ সেই জয়ের জন্মদিন। আজ তার ৫০ বছর বয়স হলো। এই করোনার কারণে আমরা সবাই এক হতে পারলাম না- এটা আরেকটা দুঃখ। তবে আপনারা দিনটিকে স্মরণ করছেন এজন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পেছনে জয়ের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যে ডিজিটাল বাংলাদেশ, আমি আপনাদের সঙ্গে কথা বলছি- এটা কিন্তু জয়েরই ধারণা, জয়েরই চিন্তা। 

১৯৮১ সালে দেশে আসার পর বারবার গৃহবন্দী থাকতে হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ওই গৃহবন্দি অবস্থায় আমার আব্বার বন্ধু আজিজ সাত্তার চাচা জয় আর পুতুলকে স্কুলে ভর্তি করে দেন। সেখানে স্কুল থেকেই কম্পিউটার শিক্ষা নেয়। জয় যখন ছুটিতে আসতো কম্পিউটার নিয়ে আসতো। জয়ের কাছ থেকেই আমি কম্পিউটার শিখেছি। আমাদের মধ্যে আলোচনা হতো, আমাদের দেশে কীভাবে কম্পিউটারের শিক্ষা প্রবর্তন করবো। ১৯৯৬ সালে যখন সরকার গঠন জয় প্রতি মুহূর্তেই আমাকে পরামর্শ দিতো। তখন বলতো কম্পিউটারের উপর থেকে ট্যাক্স প্রত্যাহার করতে হবে। কম্পিউটারকে মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে হবে, তাহলেই মানুষ এটা শিখবে। সেইসাথে মানুষকে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। আর সেভাবেই আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশের যাত্রা শুরু। 

তার সরকার গঠনের সময়কালের ঘটনা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমি যখন সরকার গঠন করি তখন কেউই কম্পিউটার ব্যবহার করতো না। টেবিলে একটি ডেস্কটপ রাখা থাকতো মাত্র। অনেকে হাত দিতে সাহস পেতো না। সরকার গঠনের পর আমি নির্দেশ দিলাম আর প্রত্যেকটা ফাইল কম্পিউটার টাইপ করে আসতে হবে। সেভাবেই দেখতে চাই। এরপর আমি একটি জাতীয় কমিটিও করে দিয়েছিলাম নতুন প্রযুক্তির প্রচার ও প্রসারের জন্য। ওই সময় পাঁচ বছরে মানুষ আস্তে আস্তে কিছু ব্যবহার করা শুরু করে। তখন ল্যাপটপ ও কম্পিউটার প্রতিটি অফিসে ব্যবহার করা শুরু হয়ে যায়। 

তিনি বলেন, আজকে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করতে পেরেছি। ধাপে ধাপে এ পর্যন্ত যতগুলো কাজ আমরা করেছি। সবগুলোই কিন্তু জয়ের পরামর্শ মতো। কারণ সে ব্যাঙ্গালোর ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি নেয়। এরপর ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি নেয়। এরপর ২০০৭ সালে হার্ভার্ড থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি করে। আমি তাকে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে জোর করে ভর্তি করাই। কিন্তু ওই সময়ে বন্দি হয়ে যাওয়ার কারণে তাকে কোনও সাহায্য করতে পারিনি। তবে সে নিজেই তার পড়াশোনা কন্টিনিউ করে এবং পাবলিক সার্ভিসের উপর মাস্টার্স ডিগ্রি করে।

তিনি বলেন, আজকে আমরা বাংলাদেশটাকে ডিজিটাল করে প্রযুক্তি শিক্ষাটাকে পপুলার করতে পেরেছি। তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে জয়, আমার বোনের ছেলে রাদওয়ান- তারা সবাই কিন্তু উদ্যোগ নিয়ে কাজ করেছে। তারই শুভ ফলটা আজ বাংলাদেশ পাচ্ছে। 

সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, চিন্তা করি এই করোনাকালে আমাদের যদি এই সুযোগটা না থাকতো! ডিজিটাল ডাটা যদি ওপেন না থাকতো। আমরা কি অবস্থায় যেতাম? সরকার চালানো মুশকিল হয়ে যেত। মানুষের জীবনযাত্রায় বিরাট একটি প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হতো। আধুনিক প্রযুক্তির শিক্ষা নিয়েছি বলেই কিন্তু এতটা অগ্রগতি সম্ভব হচ্ছে।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

৮ অতিরিক্ত পুলিশ সুপাকে বদলি

অনলাইন ডেস্ক

৮ অতিরিক্ত পুলিশ সুপাকে বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার আটজন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। শুক্রবার পুলিশ সদর দফতর এ তথ্য জানায়। 

বৃহস্পতিবার পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলি করা হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ সাহেদ মিয়া, মো. মনিরুজ্জামান, মো. নাজমুল ইসলাম, মো. শরিফুল আলম, আতিকুর রহমান চৌধুরী এবং টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিনহাজুল ইসলাম চৌধুরী ও সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলামকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (টিআর) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:


স্ত্রীকে পরকীয়া থেকে ফেরাতে না পেরে স্ট্যাটাস দিয়ে যুবলীগ নেতার আত্মহত্যা

সংস্কারের অভাবে বেহাল রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট

গাজীপুরে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ভেসে আসা তিমির ওজন ৩০ হাজার কেজি, দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট


 

এ ছাড়া, একই দিন পৃথক এক প্রজ্ঞাপনে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেনকে শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দিলেন শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দিলেন শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৬তম অধিবেশনের উচ্চ পর্যায়ের সাধারণ আলোচনায় বাংলায় ভাষণ দিয়েছেন। শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে বারোটায় এ ভাষণ শুরু হয়। 

ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জরুরি ভিত্তিতে ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে করোনা ভাইরাসের টিকা বৈষম্য দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশসহ উৎপাদন সক্ষমতা আছে এমন দেশগুলোর কাছে করোনা ভাইরাসের টিকা উৎপাদনের প্রযুক্তি হস্তান্তর করারও অনুরোধ জানিয়েছেন।

ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে টিকা বৈষম্য বাড়ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে টিকা বৈষম্য বাড়তে দেখেছি। বিশ্বব্যাংকের তথ্য মতে, এ পর্যন্ত উৎপাদিত টিকার ৮৪ শতাংশ উচ্চ ও উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মানুষের কাছে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, নিম্ন আয়ের দেশগুলো ১ শতাশেরও কম টিকা পেয়েছে।

তিনি বলেন, জরুরি ভিত্তিতে এ টিকা বৈষম্য দূর করতে হবে। লাখ লাখ মানুষকে টিকা থেকে দূরে রেখে কখনই টেকসই পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়। আমরা পুরোপুরি নিরাপদও থাকতে পারব না।  

প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে রোহিঙ্গা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং কোভিড-১৯ পরবর্তী অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে বক্তব্য রাখেন। ভাষণে তিনি টেকসই উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা ও অসমতা দূরীকরণের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরছেন।

আরও পড়ুন:


স্ত্রীকে পরকীয়া থেকে ফেরাতে না পেরে স্ট্যাটাস দিয়ে যুবলীগ নেতার আত্মহত্যা

সংস্কারের অভাবে বেহাল রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট

গাজীপুরে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ভেসে আসা তিমির ওজন ৩০ হাজার কেজি, দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট


 

উল্লেখ্য, এবার নিয়ে এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৮তম ভাষণ। নির্বাচিত রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক জাতিসংঘ অধিবেশনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে শেখ হাসিনা অন্যতম।

গত ২১ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের নিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের (ইউইনজিএ) উদ্বোধনী সেশনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর এবারের ইউএনজিএ সমাপ্ত হবে।

শতাধিক রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান জাতিসংঘের নীতি নির্ধারণী উচ্চ পর্যায়ের এ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে সশরীরে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

২১ তারিখ উচ্চ পর্যায়ের সাধারণ আলোচনা শুরুর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ইউএনজিএ’র ৭৬তম অধিবেশন শুরু হয়। ওই দিন সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে মালদ্বীপের আব্দুল্লাহ শহিদ শপথ গ্রহণ করেন এবং তিনি বর্তমান অধিবেশন উদ্বোধন করেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশে প্রথম মোবাইল ও ইন্টারনেট এনেছেন: দীপু মনি

অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশে প্রথম মোবাইল ও ইন্টারনেট এনেছেন: দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের এ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দিপু মনি এমপি বলেছেন, ‘মিডিয়ার ওপর ভর করে মিথ্যাচারের মাধ্যমে বিএনপি নেতাকর্মীরা অপরাজনীতি করছে। বিএনপির কিছু লোককে সারাদিন কয়েকটি মিডিয়াতে দেখা যায়। মানুষের সঙ্গে তারা নেই। অথচ আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতাকর্মী মানুষের জন্য কাজ করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।’

শুক্রবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অপরদিকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের হাতে গড়া আওয়ামী লীগ সরকার আজ দেশকে দুর্বার গতিতে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:


স্ত্রীকে পরকীয়া থেকে ফেরাতে না পেরে স্ট্যাটাস দিয়ে যুবলীগ নেতার আত্মহত্যা

সংস্কারের অভাবে বেহাল রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট

গাজীপুরে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ভেসে আসা তিমির ওজন ৩০ হাজার কেজি, দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট


এ বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশে প্রথম মোবাইল আনলেন ও ইন্টারনেট এনেছিলেন। করোনাকালীন শিক্ষাক্ষেত্রে ঘাটতি পূরণে এই ইন্টারনেট সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছেন। ফলে সারা পৃথিবীর সাথে তাল মিলিয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে আজ বাংলাদেশ।’

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সংস্কৃতিক সম্পাদক বাবু অসীম কুমার উকিল এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মারুফা আক্তার পপি ও রেমন্ড আরেং।

এছাড়াও আরও বক্তব্য দেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকা, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এহতেশামুল আলম ও সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘে কর্মব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের প্রশংসা গুতেরেসের

প্লাবন রহমান

নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারন অধিবেশনের সাইডলাইনে বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাস, সবার জন্য খাদ্য ও টিকা নিশ্চিতসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সোচ্চার ভূমিকা রাখছেন। ঐক্যবদ্ধভাবে মহামারির মোকাবিলা করে এগিয়ের যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন বিশ্ব নেতাদের। আজ শুক্রবার জাতিসংঘের বাংলায় বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশের সরকার প্রধান। 

জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদরদপ্তরে অধিবেশন আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর, জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের সরকার প্রধান।

এরইমধ্যে করোনা টিকা সার্বজনীন করতে বিশ্বনেতাদের পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের বড় সমস্যা রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনেরও অনুরোধ করেছেন তিনি।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ‘জাতিসংঘ ফুড সিস্টেমস সামিট ২০২১’ শীর্ষক  বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেন, পর্যাপ্ত খাবার পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার। বিশেষ গুরুত্ব দেন উৎপাদন বৃদ্ধি ও সবার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের উপর।


সিলেটে বাসার ছাদ থেকে আপন দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার

ক্ষমতায় থাকছেন ট্রুডো, তবে গঠন করতে হবে সংখ্যালঘু সরকার

মিডিয়া ভুয়া খবর ছড়িয়েছে: বাপ্পী লাহিড়ি


এসময় পাঁচ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। একটি বৈশ্বিক জোট ও অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশগুলোর মধ্যে সহযোগীতার মাধ্যমে খাদ্য হ্রাসের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন বাংলাদেশের সরকার প্রধান।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তেনিও গুতেরেসের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে অংশ নেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানরা। সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সাথেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

৫ দেশ ভ্রমণে আর থাকছে না বিধিনিষেধ

অনলাইন ডেস্ক

৫ দেশ ভ্রমণে আর থাকছে না বিধিনিষেধ

বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর। বাংলাদেশে সহ পাঁচ দেশ ভ্রমণে বিধি-নিষেধ শিথিল করা হয়েছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়া, জাপান, থাইল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য বাংলাদেশিদের ওপর ভ্রমণে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে।

তবে করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়ায় এসব দেশ ভ্রমণ বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

তবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভ্রমণ বিধিনিষেধ শিথিল হলেও এখনই সব দেশের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হচ্ছে না।

জাপানের: গত জুন মাস থেকে বাংলাদেশসহ আরও ৬ টি দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে জাপান। তবে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয় দেশটি। ফলে দেশটিতে ভ্রমণে আর কোনো বিধি নিষেধ থাকল না।

থাইল্যান্ড: গত ১০ মে থেকে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও নেপালের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ ভিসা বন্ধ করে দেয় থাইল্যান্ড। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত ২০ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আবারও ভিসা চালু করেছে থাইল্যান্ড। তবে জুড়ে দেওয়া হয়েছে দুটি শর্ত। এর মধ্যে থাইল্যান্ডে গিয়ে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। এছাড়া থাইল্যান্ড যেতে সার্টিফিকেট অব অ্যান্ট্রি- সিওই নিতে হবে।

মালয়েশিয়া: গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে বাংলাদেশিরা মালয়েশিয়ায় যেতে পারছেন। মালয়েশিয়ায় পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট, লং টার্ম পাস হোল্ডার, ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারীরা দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের গত ৮ মে থেকে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় মালয়েশিয়া সরকার। তবে মালয়েশিয়া প্রবেশে কেস বাই কেস বেসিসে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ভ্যালিড ভিসা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত টিকা ডোজ, কোভিড নেগেটিভ সনদ নিতে হবে। একইসঙ্গে সেখানে গিয়ে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

আরও পড়ুন:


স্ত্রীকে পরকীয়া থেকে ফেরাতে না পেরে স্ট্যাটাস দিয়ে যুবলীগ নেতার আত্মহত্যা

সংস্কারের অভাবে বেহাল রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট

গাজীপুরে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ভেসে আসা তিমির ওজন ৩০ হাজার কেজি, দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট


 

যুক্তরাজ্য: গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশের রেড অ্যালার্ট জারি করে যুক্তরাজ্য। রেড অ্যালার্ট প্রত্যাহারে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দীর্ঘ দিন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখে বাংলাদেশ। শেষপর্যন্ত গত ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্য সরকার রেড অ্যালার্ট প্রত্যাহার করে নেয়।

নেদারল্যান্ডস: বাংলাদেশি নাগরিকদের পুরো ডোজ টিকা নেওয়া থাকলে গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে নেদারল্যান্ডসে যাওয়ার পর তাদের আর হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার প্রয়োজন নেই। তবে ভ্রমণকারীদের বাংলাদেশ থেকে যাত্রা শুরুর আগে অবশ্যই করোনা পরীক্ষা করাতে হবে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর