ডিএনসিসি এলাকায় মশার বিস্তার রোধে মোবাইল কোর্ট

১৫ মামলায় ৪ লাখ ৪১ হাজার টাকা জরিমানা

অনলাইন ডেস্ক

ডিএনসিসি এলাকায় মশার বিস্তার রোধে মোবাইল কোর্ট

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় এডিস মশা, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া বিস্তার রোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালানা করা হয়েছে। এতে ১৫টি মামলায় সর্বমোট ৪ লাখ ৪১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ মঙ্গলবার (২৭শে জুলাই) ডিএনসিসির ১ নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুলকার নায়ন পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ৪টি মামলায় ৬৭ হাজার টাকা, ২ নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ, এস, এম সফিউল আজম পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ৪টি মামলায় ৩ লাখ টাকা, ৩ নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল বাকী পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ৫টি মামলায় ১৪ হাজার টাকা, ৫ নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ হোসেন পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ১টি মামলায় ৫০ হাজার টাকা, ৯ নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পারসিয়া সুলতানা প্রিয়াংকা পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ১টি মামলায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এভাবে মোট ১৫টি মামলায় আদায় করা জরিমানার সর্বমোট পরিমাণ ৪ লাখ ৪১ হাজার টাকা।

এসময় মাইকিং করে জনসচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হয় এবং সকলকে এডিস মশা এবং ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে ডিএনসিসি মেয়রের আহবান “তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন” মানার পাশাপাশি ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনাসহ স্বাস্থ্যবিধিসমূহ যথাযথভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন:


জাতীয় পরিচয়পত্র দেখালেই টিকা দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শিল্প কারখানা কবে খুলবে জানা গেল


 news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

সিভিল সোসাইটি বলতে এখন আর কিছুই নেই : সুলতানা কামাল

অনলাইন ডেস্ক

সিভিল সোসাইটি বলতে এখন আর কিছুই নেই : সুলতানা কামাল

সিভিল সোসাইটি বলতে এখন আর কিছুই নেই; কারণ কথা বলতে গেলেই বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র সুলতানা কামাল।

আজ বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র উদ্যেগে আয়োজিত “পরিবেশ ও ডেঙ্গু: স্বাস্থ্যগত দৃষ্টিকোণ”শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে  তিনি একথ বলেন।

সুলতানা কামাল বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং জনসচেতনতার মধ্যে সমম্বয় না থাকলে ডেঙ্গু থেকে বাঁচা দুঃসাধ্য। দেশের পরিবেশ ঠিক না থাকার কারণে আজ বিভিন্ন রোগ-বালাই বেড়েই চলেছে। গর্ভনেন্স না থাকলে কোনো আলোচনা ফলপ্রসূ হয় না। দায়িত্ব ও অধিকারবোধের মধ্যে সমন্বয় আজ জরুরি। এটির অভাব দেখা দিলে সমাজে এ ধরনের রোগ বালাই থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে না। 

তিনি অভিযোগ করে বলেন, পরিবেশবাদীদের কথা সরকারের নিকট নিস্ফল লম্ফজম্ফ মনে হয়; যা অত্যন্ত দূঃখজনক। 

তিনি বলেন, যারা এই ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্ম প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত তাদেরকে নিয়ে আমাদেরকে কাজ করতে হবে। ওয়ার্ড কমিশনারদের নিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা করা জরুরি। একইসাথে মেয়রদের সাথে আলোচনা করতে হবে; কারণ মূল দায়িত্ব নীতি-নির্ধারকদের, সে দায়িত্ব তারা কখনও এড়িয়ে যেতে পারেন না। সামগ্রিক আঙ্গিকে কাজ না করলে এর সুফল পাওয়া দূষ্কর বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

আলোচনা সভায় বাপা পরিবেশ ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কমিটির সদস্য সচিব, বিধান চন্দ্র পালের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও রোগ নিয়ন্ত্রণের সাবেক পরিচালক এবং বাপার পরিবেশ ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কমিটির আহ্বায়ক আবু মোহাম্মাদ জাকির হোসেন।

ড. এ. এম. জাকির হোসেন তার মূল বক্তব্যে বলেন, ১০০ জনের মধ্যে ভাইরাস গেলে তাদের ৫৪ জনের মধ্যে ডেঙ্গুর উপসর্গ প্রকাশ পাবে না। ডেঙ্গু হলে উচ্চমাত্রায় জ্বর হবে, চোখের পিছনে, মাথায় ও হাড়ের সন্ধিগুলোতে প্রচণ্ড ব্যাথার সৃষ্টি হবে। গ্লান্ডগুলো ফুলে যেতে পারে। 

দ্বিতীয়বার অন্য একটি সিরোটাইপ দিয়ে ডেঙ্গু হলে তার ফলে হেমোরেজিক জ্বর বা শক সিন্ড্রোম হতে পারে এবং এর ফলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অর্গানগুলো থেকে প্লাজমা বের হয়ে যায় (অনূর্ধ্ব এক বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে তা প্রথম বারেই হতে পারে)। 

দ্বিতীয়বার অন্য টাইপ দিয়ে ডেঙ্গু হলেই এরকম ভয়ানক অবস্থার সৃষ্টি হয়। মানুষের শরীরের স্বাভাবিক রোগ-প্রতিরোধ শক্তি, যেমন, এন্টিবডি সংক্রমণকারী ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে না। এন্টিবডি যেখানে শরীরের উপকার করে এক্ষেত্রে বরং বিরূপ প্রভাব ফেলে। 

ড. এ. এম. জাকির বলেন,  গর্ভবতী মহিলার ডেঙ্গু হলে এন্টিবডি তৈরি হয় যা শিশুদের বিরূপ উপর প্রভাব ফেলে। ডেঙ্গুতে রক্তের প্লেটিলেট কণিকা অনেক কমে যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডেঙ্গুকে দুইভাগে ভাগ করেছে। একটি সাধারণ এবং অন্যটি মারাত্নক ডেঙ্গু। মারাত্নক ডেঙ্গু হলে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে যাওয়াসহ আরো অনেক জটিল উপসর্গ দেখা দেয়। সাধারণত ডেঙ্গু হলে প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধ দেওয়া হয়; অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ দেওয়া যাবে না; এর ফলে রক্তনালী থেকে আরো বেশি তরল বের হয়ে যাবে।  

তিনি বলেন, যে পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে সেখানে লার্ভা পাওয়া যায়। লার্ভাগুলো ফড়িং ও ট্রাইটিনোরিংকাস মশার লার্ভা ও কিছু কিছু মাছ খেয়ে ফেলে। পানিতে ডিম পাড়ার পরে যদি পানি শুকিয়ে যায় তার পরেও এই ডিমগুলো মাসের পর মাস বেঁচে থাকতে সক্ষম। তাপামাত্রা ও বাতাসে আর্দ্রতার কারণে ডেঙ্গু বৃদ্ধি পায় বলেও তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন। 

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- বাপার কোষাধ্যক্ষ মহিদুল হক খান, বিআইপি’র সাবেক সভাপতি, অধ্যাপক গোলাম রহমান, পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. আফতাব উদ্দিন, বাপা নির্বাহী সদস্য এম এস সিদ্দিকী, ফরিদ হাসান আহমেদ প্রমুখ।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিন নীতিমালা করছে সরকার

অনলাইন ডেস্ক

ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিন নীতিমালা করছে সরকার

এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ন্ত্রণে দেশে শীঘ্রই ভ্যাকসিন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ও ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি জোরদারকরণ বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান মন্ত্রী।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) যৌথভাবে এ সেমিনার আয়োজন করে।

সেমিনারে মন্ত্রী বলেন, খুব শীঘ্রই কারিগরী কমিটি গঠন করে ভ্যাকসিন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ হাতে নেওয়া হবে। যে ভ্যাকসিন আমাদের দেশে উৎপাদন হচ্ছে সে ভ্যাকসিনের মান আরো উন্নত করে এর পরিসর বাড়ানো হবে। যে সব রোগের ক্ষেত্রে আরো ভ্যাকসিনেশন দরকার সে সব রোগের ভ্যাকসিন উৎপাদন বাড়ানো হবে। আমাদের সক্ষমতা রয়েছে। প্রয়োজনে আরো বৈজ্ঞানিক গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, মেধাবী জাতি তৈরিতে পুষ্টিমানসমৃদ্ধ খাবার দরকার। সেক্ষেত্রে মাংস, মাছ, দুধ, ডিম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ পণ্যগুলো যদি গুণগত মানসম্পন্ন না হয়, শুধু উৎপাদন বাড়িয়ে মেধাবী জাতি সৃষ্টি করা যাবে না। সে জন্য মানসম্পন্ন পণ্য তৈরিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা কাজ করছি। আমাদের আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাগার রয়েছে, এর পরিসর আরো বাড়ানো হবে। কী কী প্রক্রিয়ায় গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধি করা যায়, সে বিষয়গুলোও গভীরভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন,প্রাণিসম্পদ খাতকে আমরা উন্নত-সমৃদ্ধ করতে চাই। এ খাত বেকারত্ব দূর করায় বড় ধরনের ভূমিকা রাখছে, মানুষের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটাতে ভূমিকা রাখছে, খাবারের একটি বড় যোগান দিচ্ছে, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখতে ভূমিকা রাখছে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রেও এ খাত একটি বড় ধরনের সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করবে। এ খাতকে আমরা যত সমৃদ্ধ এবং গুণগত মানে উন্নত করতে পারবো, এ খাত ততই আমাদের কল্যাণ বয়ে আনবে।

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


 

এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ কঠোর অবস্থানে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো যোগ করেন, একসময় দেশে বার্ড ফ্লু নিয়ে শঙ্কিত অবস্থা ছিল। সেখান থেকে আমাদের উত্তরণ হয়েছে। প্রতিবেশি দেশ থেকে কোনভাবে যেন বার্ড ফ্লু সংক্রমণ ঘটতে না পারে সে জন্য সীমান্তে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে। জুনোটিক রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি জায়গায় প্রতিটি স্তরে সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. শেখ আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল জলিল ও এফএও’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি সিম্পসন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

২০ দিনের মধ্যে শিশুশিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম শুরু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

২০ দিনের মধ্যে শিশুশিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম শুরু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০ দিনের মধ্যে শিশু শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, ১২ থেকে ১৭ বছরের যারা স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, তাদেরকে খুব দ্রুত টিকার আওতায় আনার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। এই বয়সী শিশুদের যুক্তরাষ্ট্রের ফাইজারের টিকা দেওয়া সম্ভব। তাই তাদেরকে ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ২০ দিনের মধ্যেই এই কার্যক্রম শুরু করা হবে। পর্যায়ক্রমে অন্য শিশুদের টিকার আওতায় আনা হবে।

আজ দুপুরে মানিকগঞ্জ পৌর ভবনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন  স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পৌরসভার উন্নয়নকল্পে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাবিষয়ক এই সভার আয়োজন করে মানিকগঞ্জ পৌরসভা।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় আড়াই কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দেড় কোটি মানুষ দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন। পৃথিবীর অনেক দেশ আছে, যারা সেভাবে টিকা দিতে পারেনি। টিকা দিতে না পারায় কোনো কোনো দেশের সরকারের পতন হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে আছে বলে মৃত্যু ও সংক্রমণের হার কমেছে। করোনা নিয়ন্ত্রণে আছে বলেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলেছে। করোনা নিয়ন্ত্রণ আছে বলেই বাস, ট্রেন, শিল্পকারখানা খুলেছে। অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে। করোনা নিয়ন্ত্রণ এমনি এমনি হয়নি, এর জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমাদের কাজ করতে হয়েছে।

আরও পড়ুন:


সাদা বাঘিনী ‘শুভ্রা’র ঘরে ডোরাকাটা নতুন অতিথি

তেল ও চিনির দাম বাড়ার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

এবারও গ্রহণযোগ্য পন্থায় নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে: ওবায়দুল কাদের

হতাশায় নিউজিল্যান্ডকে হুমকি দিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান রমিজ রাজা


স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশসহ পৃথিবীর ৮টি দেশকে লাল তালিকাভুক্ত করেছিলো। তবে সেখান থেকে আমাদের দেশের নাম এখন বাদ দিয়েছে যুক্তরাজ্য। এটা আমাদের দেশের জন্য সুখবর। 

পৌরসভার মেয়র মো. রমজান আলীর সভাপতিত্বে সভায় জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মহীউদ্দীন, জেলা ডায়াবেটিক হাসপাতালের সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান, পৌরসভার প্যানেল মেয়র আবদুর রাজ্জাক, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি খবিরুল আলম চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

দেশে একদিনে ১ হাজার ১৯০ জন শনাক্ত

অনলাইন ডেস্ক

দেশে একদিনে ১ হাজার ১৯০ জন শনাক্ত

মহামারী করোনা ভাইরাসে দেশে গেলো ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ১৯০ জন শনাক্ত হয়েছেন।  এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৪১ হাজার ৩০০ জনে।

একই সময়ে মারা গেছেন আরও ৩৫ জন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ১৮২ জনে।

আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

করোনায় দেশে আরও ৩৫ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় দেশে আরও ৩৫ জনের মৃত্যু

মহামারী করোনা ভাইরাসে দেশে গেলো  ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ১৮২ জনে।

এসময়ে নতুন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ১৯০ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৪১ হাজার ৩০০ জনে।

আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পরবর্তী খবর