ভাসানচরে সাগরের কুলে যুবকের মরদেহ, শ্রীঘরে ৪ রোহিঙ্গা যুবক

আকবর হোসেন সোহাগ, নোয়াখালী

ভাসানচরে সাগরের কুলে যুবকের মরদেহ, শ্রীঘরে ৪ রোহিঙ্গা যুবক

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত মোহাম্মদ আবদুস শুক্কুর (২১) ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আলী মিয়ার ছেলে।

আটকরা হলো- ভাসানচরের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সফি উল্যাহর ছেলে ওমর হাকিম ফারুক (১৯), হাফেজ আহম্মদের ছেলে মো. সেলিম (২০) মৃত আবু তালেবের ছেলে মো. রফিক ওরফে আইয়ুব (২২) ও জামাল হোসেনের ছেলে মো. কামাল (২৫)। আটকরা সবাই ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাস্পের বাসিন্দা।

বুধবার (২৮ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনায় চার রোহিঙ্গা যুবককে আটক করে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে ভাসানচর থানা-পুলিশ।
 
ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি আরও জানান, মামলার বাদী নিহতের বাবা আলী মিয়া বাদী হয়ে  ১০জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তবে বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো যাবে।  মামলার চার আসামিকে আটক করে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিচারিক আদালতে মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নিহতের বাবা আলী মিয়া অভিযোগ করেন, গত ২৬ জুলাই সকাল বেলা ৬জন ফারুক,সেলিম, আইযুবসহ ৮-১০ জন যুবক গাছ কাটতে নিয়ে যায়।

পরে গত মঙ্গলবার  (২৭ জুলাই) দুপুরে ভাসানচরের উত্তর-পূর্ব এলাকার সাগরের কুলে রোহিঙ্গা দিল মোহাম্মদ শুক্কুরের মরদেহ দেখতে পায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন:


করোনায় ঝালকাঠির আদালতের বিচারকের মৃত্যু!

মমেক হাসপাতালে ৫০ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন সিটি মেয়র ও চেম্বার সভাপতি


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

পুলিশ সদস্যের যমজ শিশু সন্তানকে এসপি অফিসের সামনে ফেলে মায়ের প্রতিবাদ

এস এম রেজাউল করিম, ঝালকাঠি

পুলিশ সদস্যের যমজ শিশু সন্তানকে এসপি অফিসের সামনে ফেলে মায়ের প্রতিবাদ

ঝালকাঠিতে আরাফ ও আয়ান নামের ১৬ মাসের জমজ দুই ছেলে সন্তানকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ফেলে রেখে গেলেন এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রী। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে। খবর পেয়ে শিশু দুটিকে ঝালকাঠি থানার নারী ও শিশু ডেস্কে এনে রাখা হয়।  দুই শিশুকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে থানা পুলিশ। স্বামী ভরণপোষণ ও চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন না করায় রোববার বিকেলে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে রেখে চলে যান শিশু দুটির মা সুমাইয়া আক্তার।   

থানা পুলিশ ও  শিশুদের মা সূত্রে জানা যায়, শিশু দুটির বাবা ইমরান হোসেন কাঁঠালিয়া থানায় পুলিশ কনস্টেবল পদে কর্মরত আছেন। সে বর্তমানে এক মাসের প্রশিক্ষণের জন্য জামালপুরে অবস্থান করছেন। তাঁর বাড়ি বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার মালুহার গ্রামে। ২০১৯ সালের মে মাসে শিশু দুটির মা ঝালকাঠি সদরের খাওক্ষির গ্রামের সুমাইয়া আক্তারের সাথে বিয়ে হয় কনস্টেবল ইমরানের। দাম্পত্য কলহের জেরে এ বছরের মার্চ মাসে স্ত্রীকে তালাক নোটিশ পাঠান ইমরান। তালাক নোটিশ পেয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক মামলা করে সুমাইয়া । শিশু দুটির মা সুমাইয়ার দাবি তালাক নোটিশ পাঠানোর আরও আগ  থেকে তাঁর এবং সন্তানদের কোন ভরণপোষণ দিচ্ছেনা ইমরান।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে চায়ের দোকানী মাহফূজ মিয়া বলেন,  বিকালে একজন নারী তাঁর দুই শিশু সন্তানকে এসপি অফিসের চেক পোস্টের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের সামনে রেখে যান। যাবার সময় সে বলে যায়,  তোমাদের সন্তান তোমাদের কাছেই থাক।

সন্ধ্যায় ঝালকাঠি সদর থানায় গিয়ে দেখা যায়, শিশু দুটির কান্নায় থানার পারিবেশ ভারি হয়ে উঠেছে। নারী ও শিশু হেল্প ডেস্কের এক নারী কনস্টেবল শিশু দুটিকে সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। এ সময় শিশু দুটির শরীরের তাপমাত্রা ছিল অনেক বেশি।

সুমাইয়া আক্তার মুঠোফোনে জানায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শিশু আরাফ ও আয়ান ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে। রোববার সকালে চিকিৎসকরা শিশু দুটির বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে বলেন। এতে প্রায় প্রায় ৬ হাজার টাকার প্রয়োজন ছিল। বিষয়টি কনস্টেবল ইমরানকে জানানো হলেও তিনি টাকা দিতে অপরগতা প্রকাশ করেন। তাই বাধ্য হয়ে শিশু দুটিকে নিয়ে পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিনের সাক্ষাতে জন্য যাই। কিন্তু প্রধান ফটকের সামনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ইমরান মিয়া ও  মো. সুমন নামে দুই পুলিশ সদস্য ভিতরে প্রবেশ করতে দেয়নি। তাই বাধ্য হয়ে শিশু সন্তানদের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে রেখে চলে এসেছি। ওদের লালন পালন করতে আমার কোন আপত্তি নেই, কিন্তু খরচ চালানোর মত সংগতি আমার নেই । বাচ্চা রেখে আসার পরে সদর থানার ওসি খলিলুর রহমান আমাকে ফোন দিয়ে উল্টোপাল্টা কথা বলে, আমি থানায় না যাওয়ায় বাচ্চার বাবার ফুফাত ভাই কামরুল পুলিশের জিম্মা দিয়ে দেয়।

কনস্টেবল ইমরান মোবাইলে জানান, প্রতি মাসে শিশু দুটির ভরণপোষণের জন্য তিন হাজার টাকা সুমাইয়ার ব্যাংক হিসেবে পাঠিয়ে দিচ্ছি। আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী তাঁদের খোঁজ খবর  নেই। কিন্তু মা হয়ে সে কিভাবে সন্তানদের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ফেলে গেল ?।

ঝালকাঠি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. খলিলুর রহমান বলেন, আমরা বিষয়টি দুই পরিবারের সাথে কথা বলে মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করছি। শিশুদের মা না আসায় তাদের দাদীকে খবর দিয়ে রাতেই শিশু দুটিকে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:


পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

‌‘কস্ট সহ্য করতে’ না পেরে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ ও গলাকেটে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক

‌‘কস্ট সহ্য করতে’ না পেরে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ ও গলাকেটে হত্যা

কষ্ট সহ্য করতে না পেরে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ ও গলাকেটে হত্যা করেছে স্ত্রী। এমন স্বীকারোক্তি দিয়েছেন তিনি। ভোলার লালমোহনের ঘটনা এটি।

পুলিশের কাছেও এমন ওই স্ত্রী জানিয়েছেন, স্বামী তাকে কষ্ট দিতো এই ক্ষোভ থেকে তিনি হত্যা করেছেন।

এর আাগে রোববার দুপুরে ভোলার লালমোহনে নিজ বসতঘর থেকে আব্দুল মান্নান বেপারী (৪০) নামের এক কাঠ ব্যবসায়ীর বিশেষ অঙ্গ ও গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

উপজেলার ধলিগৌরনগর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের দরবেশ বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর দুই সন্তান নিয়ে পালিয়ে যান ওই ব্যবসায়ীর স্ত্রী নূরুন্নাহার। সন্ধ্যার দিকে ওই ইউনিয়নের নতুন মসজিদ এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।
 
ঘটনা নিয়ে রাতে লালমোহন থানায় প্রেস ব্রিফিং করেন ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবুল কালাম আজাদ। 

এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, কাঠ ব্যবসায়ী আ. মান্নান বেপারীকে রোববার সকাল ৬টার দিকে নিজ ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন স্ত্রী নূরুন্নাহার। পরে নিজের ৫ ও ৭ বছরের দুই সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যান তিনি। 

হত্যার ঘটনা স্বীকার করে স্ত্রী নূরুন্নাহার পুলিশকে বলেছেন, স্বামী তাকে কষ্ট দিতো, এ কারণে তিনি স্বামীকে হত্যা করেছেন। 

এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদি হয়ে লালমোহন থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

আরও পড়ুন:


প্রেমিকের গোপনাঙ্গ কর্তন প্রেমিকার

পরকীয়ার জেরে জবাইয়ের পর কেটে ফেলা হলো গোপনাঙ্গ!

ঘুমন্ত ‘প্রেমিকের’ গোপনাঙ্গ কাটলেন নারী, পরে গ্রেপ্তার

নিজের গোপনাঙ্গ ও গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম

পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

এমএলএম ই-কমার্সের নামে গ্রাহকের পকেট থেকে গেছে ১৭ হাজার কোটি টাকা

রিশাদ হাসান

দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন সময় এমএলএম ও ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো হাতিয়ে নিয়েছে গ্রাহকের ১৭ হাজার কোটি টাকা। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও গ্রাহকের পকেট এখনও শূণ্য।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ই-কমার্স ব্যবসার নামে এ পর্যন্ত দেশে যা হয়ে আসছে তার সিংহ ভাগই প্রতারণা। শুধু গ্রেপ্তার নয় গ্রাহকের অর্থ ফেরত সহ প্রয়োজন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি বলছে টিআইবি।

২০০৬ সালে এমএলএম কোম্পানী যুবক হাতিয়ে নিয়েছে গ্রাহকের ২৬শ কোটি টাকা। একইভাবে ডেসটিনি ও ইউনিপেটুইউ নিয়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা। ২০২১ সালে ১১টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের কাছে গ্রাহকের পাওয়া ৩৩শ কোটি টাকার বেশি।

এই চিত্রই বলে দিচ্ছে বিভিন্ন লোভ লালসার ফাঁদে ফেলে গ্রাহকের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে বিপুল অংকের টাকা। যার কোনটা এমএলএম কোম্পানী আধুনিক কালে বলা হচ্ছে ই-কামর্স মূল কাজটাই যেন অর্থ লোপাট।

২০২১ সালের বার্তাটা আরও ভয়াবহ। ইভ্যালি, ধামাকা, ই-অরেঞ্জসহ দেশের ১১টি প্রতিষ্ঠানের নামে অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের। মাত্র ১১টি কোম্পানীর কাছে গ্রাহকের ৩৩১৭ কোটি টাকা। পুরো ব্যবসাই হয়েছে ই-কমার্স ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের নামে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে ই-কমার্সের নামে যা হয়েছে তার পুরোটাই প্রতারণা।

বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান গুলোর মালিক গ্রেপ্তার, তদন্ত চলমান ও গ্রাহকের পকেটে ফেরেন বিনোয়োগের অর্থ।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ বলছে, শুধু গ্রেপ্তার নয় প্রয়োজন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাথে ফেরাতে হবে গ্রাহকের অর্থও।

বিপুল পরিমাণে অর্থপাচার বন্ধে স্বচ্ছ জবাবদিহিতাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন:


পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

জমি দখল নিয়ে সংঘর্ষ: নিহত ১

অনলাইন ডেস্ক

জমি দখল নিয়ে সংঘর্ষ: নিহত ১

জমি দখল নিয়ে রংপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষে রমেশ চন্দ্র (৫৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১২ জন। 

রোববার বিকেলে রংপুর সদর উপজেলার মমিনপুর ইউনিয়নের যোগীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেন কোতোয়ালি থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান।

তিনি জানান, ওই গ্রামের রমেশ চন্দ্রের সঙ্গে প্রতিবেশী শ্যামল চন্দ্র ও সুধীর চন্দ্রের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর মধ্যে রবিবার বিকেলে জমি দখল নিয়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে রমেশ চন্দ্র(৫৫) ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ ঘটনায় ১২ জন আহত হন।

আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে।

আরও পড়ুন:


পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

গ্রাহকের এক হাজার কো‌টি টাকা নিয়ে উধাও!

অনলাইন ডেস্ক

গ্রাহকের এক হাজার কো‌টি টাকা নিয়ে উধাও!

ইউনাইটেড মাল্টিপারপারস কো-অপা‌রেটিভ সোসাইটি লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান কয়েক হাজার গ্রাহ‌কের প্রায় এক হাজার কো‌টি টাকা আত্মসাৎ করে চলে গেছে অভিযোগ উঠেছে। ভোলায় এই ঘটনা ঘটেছে। এদিকে পাওনা টাকা আদায়ের দাবিতে মানববন্ধন ক‌রে‌ন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। আজ রোববার আনুমানিক বেলা ১১টার দিকে ভোলা প্রেসক্লাব ও সামসুদ্দিন মা‌র্কেটের সাম‌নে ভুক্তভোগী শতাধিক নারী-পুরুষ মানববন্ধন করেন।

মানববন্ধনে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করায় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম‌্যান মঞ্জুর আলম, তাঁর শ্বশুর আবদুল খালেক, স্ত্রী, শ্যালক ও ভাইসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী হেলাল উদ্দিন ব‌লেন, ইউনাইটেড মাল্টিপারপারস কো-অপা‌রেটিভ সোসাইটি লিমিটেড গ্রাহকদের বেশি লাভ দেওয়ার কথা বলে প্রায় এক হাজার কো‌টি টাকা আত্মসাৎ ক‌রে আত্মগোপন করেছে। নিজেরা বিভিন্ন জায়গায়  সম্প‌দের পাহাড় গড়লেও গ্রাহকদের টাকা নিয়ে টালবাহানা করছে।

ভুক্তভোগী জানিয়েছে, ইউনাইটেড মাল্টিপারপারস কো-অপা‌রেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের চেয়ারম্যান, তাঁর শ্বশুর, স্ত্রী, শ্যালক, ভাই ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাতটি প্রতারণা মামলা করা হয়েছে। মামলাগুলোতে বেশির ভাগ আসামিকে আটক করার নির্দেশ আছে আদালতের।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর