রাঙামাটিতে খেয়ে, না খেয়ে দিন কাটছে অর্ধলাখ মৎস্যজীবীর

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি:

রাঙামাটিতে খেয়ে, না খেয়ে দিন কাটছে অর্ধলাখ মৎস্যজীবীর

রাঙামাটি শহরের পাশে কাপ্তাই হ্রদের একটি দ্বীপের নাম জালিয়া পাড়া। এ দ্বীপে বসবাস করে প্রায় ২৮০ জেলে পরিবার। একটা সময় হ্রদে জাল ফেলে নৌকা ভাসিয়ে শুরু হতো তাদের দিন। আর সন্ধ্যা বেলা নৌকা ভরে মাছ নিয়ে ঘাটে ফিরতো তারা। সে মাছ বাজারাজাত করে আনন্দ কেটে যেত তাদের সংসার। কিন্তু এখন পুরাই ভিন্ন চিত্র। অভাব যেন তাদের পিছু ছাড়ে না। ছেলে-মেয়েদের মলিন মুখের দিকে তাকিয়ে হ্রদ পাড়ে বসে কাটে দিন।

মৎস্যজীবি জগদীস দাস দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার করে চালাচ্ছেন জীবন ও জীবিকা। মাছ বিক্রি করে চলে তার সংসার। তবে বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকার কারণে বেকার সময় কাটছে দিন। একই অভিযোগ কমলা দাস ও বিফলা দাসের। তারাও জানান, কর্ম নেই। তাই টাকাও নেই। নুন আনতে পান্তা ফুরাচ্ছে। কখনো খেয়ে, আবার কখনো না খেয়ে কাটছে দিন। খেতে না পেয়ে মানুষের বাসা বাড়িতে যে ঝিয়ের কাজ করবো সে সুযোগও নেই। করোনার কারণে মানুষ এখন আগের মতো বাসা-বাড়িতে কাজের লোক রাখে না। শুধু রাঙামাটির জালিয়া পাড়া নয়, এমন দুর্দশার চিত্র এখন রাঙামাটি জেলার প্রায় ৮টি উপজেলায়।

জানা গেছে, বর্তমানে রাঙামাটিতে কর্মহীন রয়েছে অর্ধ লাখ মৎস্যজীবী পরিবার। গত ১ মে কাপ্তাই হ্রদে মাছের সুষ্ঠু প্রজনন ও বংশ বিস্তারে লক্ষ্যে সব ধরনের মাছ শিকার ও আহরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির পর বেকার হয়ে পড়ে তারা। বিকল্প কোনো পেশা বা কর্মসংস্থান না থাকায় জেলে ও শ্রমিকসহ মাছের ওপর নির্ভরশীল মানুষগুলো মধ্যে চরম আর্থিক সংকট দেখা দিয়েছে। 

সরকারি হিসেবে রাঙামাটিতে ২৫ হাজার ২৯টি মৎস্যজীবী পরিবারের কথা উল্লেখ থাকলেও অনিবন্ধিত রয়েছে প্রায় অর্ধ লাখ জেলে পরিবার। এমনটা দাবি সংশ্লিষ্টদের। নিবন্ধিত মৎস্যজীবী পরিবারগুলোকে সরকারিভাবে ভিজিএফ কার্ডে মাধ্যমে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হলেও, সুবিধাবঞ্চিত রয়েছে অনিবন্ধিত জেলে পরিবারগুলো।  ফলে অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে তারা। অনিশ্চত হয়ে পড়েছে ছেলে-মেয়েদের ভবিষৎ। টানাপড়েনের মধ্যে কাটছে তাদের জীবন।

অন্যদিকে রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদে ১ আগস্ট থেকে মাছ শিকার শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তার আর হচ্ছে না। হ্রদে পানি কম থাকায় মাছ শিকার বন্ধ থাকবে আগামি ১০ আগস্ট পর্যন্ত। বুধবার রাঙামাটি জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে বিএফডিসির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেন জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান ।

তবে বিএফডিসি সূত্রে জানা গেছে, তিন মাস বন্ধকালীন রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণের সাথে জড়িত দরিদ্র জেলে পরিবাগুলোকে খাদ্যশস্য বরাদ্ধ দিয়েছে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের রাঙামাটি জেলা ব্যবস্থাপক লে. কমান্ডার এম. তৌহিদুল ইসলাম (ট্যাজ) জানান, সাধারণত  তিন মাসের  মাথায় খুলে দেওয়া হয় কাপ্তাই হ্রদ। কিন্তু এবার কাপ্তাই হ্রদে পানি কম থাকায় মাছ শিকার করা সম্ভব না। কারণ কম পানিতে মাছ শিকার করলে প্রজনন নষ্ট হয়ে যাবে। তাই বন্ধকালীন সময়টা বাড়িয়ে আগামি ১০ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে এর মধ্যে পানি না বাড়লে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বন্ধকালীন সময় আরও দীর্ঘ করা হবে। 

আরও পড়ুন:


বিভিন্ন জেলায় করোনায় প্রায় দেড় শতাধিক মৃত্যুর

সিলেট বিভাগে করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু নতুন রেকর্ড

বগুড়ায় ৭০০ পরিবারের মাঝে বসুন্ধরা গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

মাহফুজ আনামের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সম্পাদক পরিষদ থেকে নঈম নিজামের পদত্যাগ


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

পাঁচ বছরের শিশুকে গণধর্ষণের পর হত্যা, ৩ মাদকসেবী আটক

অনলাইন ডেস্ক

পাঁচ বছরের শিশুকে গণধর্ষণের পর হত্যা, ৩ মাদকসেবী আটক

নারায়ণগঞ্জে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে গণধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়নের পুরিন্দা বড়বাড়ি এলাকায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ স্থানীয় তিন মাদকসেবীকে আটক করেছে পুলিশ।

এলাকাবাসী জানান, ফল বিক্রেতা রমজান আলী ও গার্মেন্টস কর্মী সাবিনা বেগমের একমাত্র কন্যা লিজা আক্তার বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বাড়ির সামনে খেলা করছিল। এ সময় এলাকার কয়েকজন চিহ্নিত মাদকসেবী শিশুটিকে আইসক্রিম খাওয়ানোর কথা বলে সেখান থেকে ডেকে নিয়ে নান্নু মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। পরে শিশুটিকে না পেয়ে স্বজনরাসহ এলাকাবাসী বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন।

দুপুর ২টার সময় নান্নু মিয়ার বাড়ির ভাড়াটেদের ঘরের জানালা দিয়ে খাটের নিচে কাঁথা মোড়ানো অবস্থায় একটি শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী থানা পুলিশকে জানায়। তবে ঘরের দরজার বাইরে তালা লাগানো ছিল।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে শিশু লিজার লাশ উদ্ধার করে। এ সময় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ওই ঘরের বাসিন্দা সামাদ, শিমুল ও সোহেল নামের তিন মাদকসেবীকে ধরে গণপিটুনি দিলে পুলিশ তাদের আটক করে।

আড়াইহাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জোবায়ের হোসেন জানান, এ ঘটনায় পুলিশের একাধিক টিম তদন্ত করছে। সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ছাড়া নিহত শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদরের জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রও পড়ুন:

প্রেমের স্বীকৃতি না পেয়ে প্রেট্রোল ঢেলে আগুন দিলেন নারী!

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে

মাদাগাস্কারে গরু চুরি নিয়ে সংঘর্ষে ৪৬ জন নিহত


জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন বলেন, আটককৃতরা মাদকসেবী বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডে এরা জড়িত থাকতে পারে। এ ঘটনায় আটককৃতদের আসামি করে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানা পুলিশের পাশাপাশি আলাদাভাবে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআইএর জেলা শাখার একটি বিশেষ দল। ইতোমধ্যে তারা ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু আলামতও জব্দ করেছে।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

ফুটবলে ক্যারিশমা দেখিয়ে অষ্টমবারের মতো গিনেস বুকে বাংলাদেশের ফয়সাল

অনলাইন ডেস্ক


ফুটবলে ক্যারিশমা দেখিয়ে অষ্টমবারের মতো গিনেস বুকে বাংলাদেশের ফয়সাল

বল হাতে ক্যারিশমা দেখিয়ে সপ্তম ও অষ্টমবারে মতো ওয়ার্ল্ড গিনেস বুকে নাম লেখালেন মাগুরার ছেলে মাহমুদুল হাসান ফয়সাল।৩০ সেকেন্ডে ৬৬ বার ও ৩০ সেকেন্ডে ৬৮ বার হাতে ফুটবল ঘুরিয়ে দুইটি রেকর্ড গড়েন ১৯ বছর বয়সী এই তরুণ। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ওয়ার্ল্ড গিনেজ বুক কর্তৃপক্ষের দেওয়া সনদটি হাতে পেয়েছেন তিনি।

ফয়সান মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে লেখাপড়া করছেন। তার বাড়ি সদর উপজেলার হাজিপুর গ্রামে। 

ফয়সাল জানান, ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলা তার প্রিয়। ইচ্ছে ছিল ক্রিকেটার হওয়ার। কিন্তু নানা প্রতিবন্ধকতায় তা আর হয়ে ওঠেনি। এরপর শুরু করেন ফুটবল খেলা। খেলতে খেলতেই তিনি ফুটবল নিয়ে নানা এক্সপেরিমেন্ট শুরু করেন। তখনই মাথায় আসে বিভিন্ন কৌশল রপ্ত করে রেকর্ড গড়ার।

তিনি বলেন, আমার নানা-নানিসহ পরিবারের সবাই আমাকে সহযোগিতা করেছেন। আমার স্বপ্ন, এ রকম ২৫টি সার্টিফিকেট নিয়ে সবার সামনে হাজির হওয়ার। পুরো বিশ্বের কাছে নিজের গ্রাম, জেলা সর্বোপরি বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকাকে তুলে ধরা। আমার এখন একটি মাত্র ইচ্ছা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করা।

মাগুরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন বলেন, ফয়সালের সপ্তম ও অষ্টম রেকর্ড আমাদের গর্বিত করেছে। ভবিষ্যতে ওকে যেকোনো ধরনের সহযোগিতা দিতে আমরা প্রস্তুত।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক

ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

নিজ বাড়িতে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা করেছেন। নিহত শিক্ষার্থী ইমরুল কায়েসের বাড়ি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গঙ্গানন্দপুর গ্রামে। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টার দিকে আত্মহত্যা করেন।

কায়েস রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। বাবা শহীদুল্লাহ ও মা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তিন ভাই-বোনের মধ্যে দ্বিতীয় কায়েস। 

আরিয়ান নামে কায়েসের এক সহপাঠী জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে রুমের দরজা বন্ধ করে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে কায়েস। ঘটনার কিছু দিন আগে মায়ের কাছে মোটরসাইকেল কিনতে চেয়েছিল। মোটরসাইকেলও কিনে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ঘটনার আগে একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনতে চায়। কিন্তু মধ্যরাতে ক্যামেরা কিনতে যাওয়া যাবে না বলে মা তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে। এরপর সে রুমের দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেয়। পরে রুমের দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তার সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কায়েস মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল। পুনর্বাসন কেন্দ্রেও ছিল কিছু দিন। এর মধ্যে বিভাগের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হলে সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে ভর্তিও হয়েছে।

রও পড়ুন:

প্রেমের স্বীকৃতি না পেয়ে প্রেট্রোল ঢেলে আগুন দিলেন নারী!

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে

মাদাগাস্কারে গরু চুরি নিয়ে সংঘর্ষে ৪৬ জন নিহত


এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইমরুলের টাইমলাইনে কয়েক দিন ধরে হতাশা আর আত্মহত্যা নিয়ে পোস্ট করতে দেখা যাচ্ছিল। ব্যর্থতা আত্মহত্যার মূল এবং পরিচিত কয়েকজনের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি পোস্ট করছিলেন। সেই ছবিতেও হতাশামূলক ক্যাপশন দিতে দেখা গেছে। 

এ বিষয়ে জানতে যশোরের ঝিকরগাছা থানায় একাধিকবার ফোন করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

গুলশান লেকে ভেসে উঠলো নিখোঁজ তরুণীর মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক

গুলশান লেকে ভেসে উঠলো নিখোঁজ তরুণীর মরদেহ

রাজধানীর গুলশান লেকে নৌকাডুবির ঘটনায় সেলিনা আক্তার নামে এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজের প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর লেকের পানিতে ভেসে উঠলে সেলিনা আক্তারের লাশ উদ্ধার করা হয়। 

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে যাত্রীবাহী নৌকাটি গুলশান লেকে ডুবে যায়। এই ঘটনার পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল সেলিনাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায় ফায়ার সার্ভিস। এরপর সন্ধান না পেয়ে উদ্ধার কাজ স্থগিত রাখে ফায়ার সার্ভিস। পরে রাত ১০টার দিকে লেকের পানিতে ওই তরুণীর লাশ ভেসে ওঠে। 

সেলানা বনানীর একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মী ছিলেন। সকালে তিনি কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। 

স্থানীয় এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কড়াইল বস্তির পূর্ব পাশের ঘাট থেকে বৃহস্পতিবার সকালে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাটি গুলশান-১ ও ২–এর মাঝামাঝি ৩৩ নম্বর রোডের ঘাটে যাচ্ছিল। লেকের মাঝামাঝি নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার সময় মাঝিসহ বাকিরা সাঁতরে পাড়ে উঠলেও সেলিনা উঠতে পারেননি।

রও পড়ুন:

প্রেমের স্বীকৃতি না পেয়ে প্রেট্রোল ঢেলে আগুন দিলেন নারী!

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে

মাদাগাস্কারে গরু চুরি নিয়ে সংঘর্ষে ৪৬ জন নিহত


ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্তব্যরত কর্মকর্তা দেওয়ান আজাদ গণমাধ্যমকে জানান, নৌকাডুবির খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিখোঁজ তরুণীকে উদ্ধারের চেষ্টায় তল্লাশি চালায়। কিন্তু ওই তরুণীর সন্ধান পায়নি তারা। শুক্রবার সকাল থেকে আবার তল্লাশি শুরু হওয়ার কথা ছিল বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, নিখোঁজ সেলিনা কড়াইল বস্তিতে থাকতেন। পুলিশের পক্ষ থেকে ওই ঘাটে ছোট নৌকায় ঝুঁকি নিয়ে লেক পারাপারে বাধা দেওয়া হতো। কিন্তু আজ (বৃহস্পতিবার) পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে নৌকাটি যাত্রী নিয়ে ছেড়ে আসে। 

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

ডাকাতের হামলা, ট্রেনের ছাদ থেকে দুই লাশ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক

ডাকাতের হামলা, ট্রেনের ছাদ থেকে দুই লাশ উদ্ধার

ঢাকা-জামালপুর কমিউটার ট্রেনে ডাকাতের হামলায় দুজন নিহত ও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার পর দেওয়ানগঞ্জগামী ট্রেনটি জামালপুর পৌঁছালে ছাদে রক্তাক্ত অবস্থায় তিন জনকে উদ্ধার করে জামালপুর জিআরপি থানা পুলিশ।

নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় জানা গেছে। তিনি হলেন জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মিতালী এলাকার মো. ওয়াহিদের ছেলে মো. নাহিদ (৪০)। নিহত অন্য পুরুষ ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। লাশ দুটি জামালপুর সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আহত রুবেল (২২) ইসলামপুর উপজেলার মাঝপাড়া গ্রামের হীরু মিয়ার ছেলে।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে রুবেল সাংবাদিকদের বলেন, গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশন থেকে পাঁচজনের একটি যুবক দল ট্রেনের ছাদে ওঠে। এক পর্যায়ে তারা দুই ব্যক্তির মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। বাধা দিলে দুর্বৃত্তরা ওই দুজনকে ছুরিকাঘাত করে। পরে ওই পাঁচ দুর্বৃত্ত ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনে নেমে যায়।

রেলওয়ে পুলিশের সার্কেল ইন্সপেক্টর (ময়মনসিংহ) গুলজার হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ট্রেনটি জামালপুরে এলে ছাদ থেকে রক্ত পড়তে দেখে ভেতরে থাকা কয়েকজন যাত্রী পুলিশ এবং গার্ডকে জানায়। এরপর ছাদে উঠে তিনজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পেয়ে জামালপুর সদর হাসপাতালে নিলে দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

রও পড়ুন:

প্রেমের স্বীকৃতি না পেয়ে প্রেট্রোল ঢেলে আগুন দিলেন নারী!

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

সংসার ভাঙার খুশিতে ডিভোর্স পার্টি!


কমলাপুর থেকে ট্রেনের ছাদে ওঠা ফারুক নামের এক যাত্রী জামালপুরে সাংবাদিকদের বলেন, গফরগাঁও রেলস্টেশন ছাড়ার পর ট্রেনের ছাদের যাত্রীরা ডাকাত দলের কবলে পড়েন। চার-পাঁচ জনের ডাকাত দলটি নাহিদসহ (পরে নিহত) অনেক যাত্রীর কাছ থেকে মানিব্যাগ ও মোবাইল ফোন নিয়ে ট্রেনের ইঞ্জিনের দিকে চলে যায়।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর