ম্যাজিস্ট্রট সানিয়ার অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মৃত্যু, সবই আল্লাহর ইচ্ছা

নজরুল ইসলাম

ম্যাজিস্ট্রট সানিয়ার অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মৃত্যু, সবই আল্লাহর ইচ্ছা

কিছু বলার নাই, সবই আল্লাহর ইচ্ছা।

সহকর্মী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রট সানিয়া আক্তার সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় কোভিড আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন।

তার পূণ্য স্মৃতির উদ্দেশ্যে------------

মা, আমি তো এখন তোমার পেটের ভিতরে অনেক বড় হয়ে উঠেছি। তুমি আর বাবা যে আমার "আসা" নিয়ে বলতে থাক তা আমি তোমার পেটে কান লাগিয়ে শুনে থাকি। এত আনন্দ নিয়ে কথাগুলো বলো যে আমি এখনই চলে আসতে চাই। কিন্তু তোমরা বলো যে আরো একটু  সময় নাকি লাগবে। কিন্তু এই দেখ, আমার হাত- পা চোখ- মুখ সব কেমন বড় আর শক্ত হয়ে উঠেছে। আমি তাড়াতাড়ি আসতে চাই মা! তোমাকে আর বাবাকে দেখার আর ত্বর সইছে না। 

সেদিন তো বাবা বাজার দেখে পিংক কালারের ছোট বালিশ, ন্যাপকিন এগুলো নিয়ে তোমার হাতে দিয়েছে। তুমি কি সুন্দর হেসে বললে এত তাড়াতাড়ি কেন? মা, তুমি না! বাবা ঠিকই করেছে। আমি তোমাদের মাঝে তাড়াতাড়িই আসব। নান কে দেখ আমার জন্য কি সুন্দর কাঁথা বানিয়ে রেখেছে। ওখানে যে  রঙিন ফুল আর প্রজাপতি আছে সেগুলো  নিয়ে খেলব । তখন তোমরা আমাকে আচ্ছামত দেখে নিও।  লাল ফড়িং এর লেজ ধরে তোমার হাতে দিব মা। তুমি শুধু হাসতেই থাকবে....

মা, আজ আমি তোমার  কথা তেমন শুনতে পাচ্ছি  না। তোমার কি মন খারাপ? তোমার কি কষ্ট হচ্ছে?   তুমি আর বাবা কি করছ তাও বুঝতে পারছি না! এতদিন কত কি বলতে! আজ চুপ হয়ে আছ কেন?

কি হয়েছে তোমার? আমারও বা এমন লাগছে কেন মা? আমি কোন সাড়াশব্দও পাচ্ছি না। মা তুমি কি আমার সাথে মিথ্যা বলেছিলে। তুমি দেখি আমাকে না নিয়ে কোথায় জানি চলে যাচ্ছ! 

মা! মা! আমাকে ফেলে যেওনা তুমি। আমার এত কষ্ট লাগছে কেন?  বাবা কোথায়? 

ও! বুঝেছি মা!  তুমি আমাকে ফেলে চলে যাচ্ছ। তুমি তো জান আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো না তাই একটু দাঁড়াও ; আমিও আসছি তোমার সাথে।

বাবা তুমি ভাল থাকিও। আমরা এখন আর আসব না। আমাদের জন্য দোয়া করিও। তুমি আসলে তখন তোমার সাথে আমাদের দেখা হবে একটা অনিন্দ্য সুন্দর জায়গায় যেখানে ফুল আছে, প্রজাপতি আছে আরও আছ টকটকে লাল ফড়িং। 

লেখাটি লেখকের ফেসবুক থেকে নেওয়া হয়েছে। (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

আরও পড়ুন:


করোনায় ঝালকাঠির আদালতের বিচারকের মৃত্যু!

আগস্ট মাসের দুই দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক

বিভিন্ন জেলায় করোনায় প্রায় দেড় শতাধিক মৃত্যুর

সিলেট বিভাগে করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু নতুন রেকর্ড


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ভোটে নয় আসন যাদের বেশি থাকে, তারাই সরকার গঠন করেন

শওগাত আলী সাগর

ভোটে নয় আসন যাদের বেশি থাকে, তারাই সরকার গঠন করেন

হাড্ডা হাড্ডি লড়াই’- এমন একটা চিত্র সামনে নিয়ে কানাডীয়ানরা আজ ভোট দিতে  শুরু করেছেন। সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে শুরু হওয়া ভোট  চলবে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের আগে জাস্টিন ট্রুডোর হুট করে ঘোষনা দেয়া এই নির্বাচনে জনমত জরীপ বলছে  লিবারেল আর কনজারভেটিভের সমর্থন ৩১.৭ বনাম ৩২ শতাংশ । কিন্তু  আসন ভিত্তিক পর্যালোচনায় পরিস্থিতিটা ভিন্ন। 

কানাডায় ভোট নয়, আসন যাদের বেশি থাকে, তারাই সরকার গঠন করেন।সেই বিবেচনায় লিবারেলের ফিরে আসার পূর্বাভাস দিচ্ছে জনমত জরীপ। 

Vox Pop Lab এর সর্বশেষ জনমত জরীপে দেখা যাচ্ছে জাস্টিন ট্রুডোর লিবারেল পার্টি  আজকের নির্বাচনে ১৩৫ থেকে ১৬২ টি আসন পাবে। কনজারভেটিভের ১১৫ থেকে ১৩৪ টি আসন পা্ওয়ার সম্ভাবনা আছে। বাকি আসনগুলো এনডিপি এবং ব্লক কুইবেকোর মধ্যে ভাগাভাগি হবে। সে ক্ষেত্রে  এনডিপি ৩১ থেকে ৪৬টি এবং ব্লক কুইবেকো ২০ থেকে ৩১টি এবং গ্রীণ পার্টি ২টি আসন পেতে পারে। 
আসনভিত্তিক এই পূর্বাভাসে  লিবারেল পার্টির  ‘ওয়ার্কিং মেজরিটি’ থেকে   ৮টি আসন কম থাকে।

কিন্তু জনমত জরীপ পরিচালনা কারী সংস্থা Vox Pop Lab জরীপের তথ্যউপাত্ত পর্যালোচনা করে নিজেদের উপসংহার টানছে এইভাবে- আজকের নির্বাচনে লিবারেল পার্টি ১৫০, কনজারভেটিভ ১২৪, এনডিপি ৩৬, ব্লক কেইবেকো  ২৫ এবং গ্রীণ পার্টি ২টি আাসন পাবে। 
জনমত জরীপের এই পূর্বাভাস আসলে  ঠিক হয় কী না সেটি জানার জন্য আমাদের সারাটা দিন অপেক্ষা করতে হবে।

লেখক- শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

আশি শতাংশ মানুষ সুযোগ পেলে দেশ ছাড়তে চাইবে

রউফুল আলম

আশি শতাংশ মানুষ সুযোগ পেলে দেশ ছাড়তে চাইবে

দেশের জনপ্রিয় শিল্পীরা দেশে থাকতে চায় না। দীর্ঘদিন কাজ করে অর্থ-কড়ি হলে বিদেশে পাড়ি জমায়।

সরকারী কর্মকর্তারা সুযোগ পেলে দেশ ছেড়ে চলে যায়। বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শিক্ষকরা সুযোগ পেলে দেশ ছেড়ে চলে যায়। অনেক শিক্ষক বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন‍্য গিয়ে ফিরে না। ফিরতে চায় না। ডাক্তাররা দেশ ছেড়ে চলে যায়। বুয়েটের প্রায় ষাটভাগ ইঞ্জিনিয়ার দেশে থাকে না। 

আমার জানামতে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, সরকারি আমলা—প্রতিটা পেশাজীবীর মানুষ দেশ ছাড়তে চায়। আমার পরিচিত বহু পেশাজীবী মানুষদের একটাই কথা—সুযোগ পেলেই দেশ ছাড়বে। সময় হলে দেশ ছাড়বে। 

কেউ বলে সন্তানের ভবিষ‍্যতের জন‍্য। কেউ বলে শেষ বয়সে একটু শান্তির জন‍্য। কেউ বলে পরিবার-পরিজনের জন‍্য। কেউ বলে সততার সাথে বাঁচার জন‍্য। কেউ বলে আত্মসম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার জন‍্য। কেউ বলে যোগ‍্যতার সুবিচার পাওয়ার জন‍্য। কেউ বলে উচ্চশিক্ষার জন‍্য। কেউ বলে সৎভাবে উপার্জন করে বাঁচার জন‍্য। কেউ বলে ধর্মীয় রোষানল থেকে মুক্তির জন্য। 

আপনি যদি আপনার চারপাশের মানুষদের নিয়েই একটা জরিপ করেন, দেখবেন আশি শতাংশ মানুষ সুযোগ পেলে দেশ ছাড়তে চাইবে। 
তাহলে পঞ্চাশ বছরে আমরা কেমন সমাজ তৈরি করলাম—যেখান থেকে সবাই পালাতে চায়! মানুষের ভিতর একটা উর্ধ্বশ্বাস! একটা দীর্ঘশ্বাস। পালিয়ে বেড়ানোর এক নিরন্তর চেষ্টা —কেন? 

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

রউফুল আলম, নিউজার্সি, যুক্তরাষ্ট্র।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ইভ্যালির নিউজ বন্ধের জন্য অন্তত ২০টা ফোন এসেছে

রিশাদ হাসান

ইভ্যালির নিউজ বন্ধের জন্য অন্তত ২০টা ফোন এসেছে

আজ থেকে প্রায় ১০ মাস আগে ইভ্যালি নিয়ে একটা নেগেটিভ নিউজ করেছিলাম। যেই গ্রাহকের ইন্টারভিউ নিয়েছিলাম উনি সেচ্ছায় আমাকে ইন্টারভিউ দিলেও পরে তার হাসবেন্ড এবং তিনি মিলে আমাকে যাচ্ছেতাই বলেছিলেন। 

সম্ভবত লাস্ট টেক্সট ছিলো, "আপনাকে ভালো সাংবাদিক মনে করতাম, কিন্তু দেখি আপনি আসলে একটা হলুদ সাংবাদিক।" সেদিন তাকে কিছু বলিনি চুপ করেছিলাম। ঐ নিউজ বন্ধের জন্য অন্তত ২০টা ফোন আমার কাছে এসেছে। অতঃপর নিউজ অন এয়ারও হয়েছে।

আমার মনে হয়না ঐ মহিলা বা তার হাসবেন্ডকে আমার আর কোন উত্তর দেয়ার প্রয়োজন আছে। এতদিনে নিশ্চই তিনি তার উত্তর পেয়ে গেছেন।

এখন আসেন একটা তথ্য দেই, ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ সহ মোট ১৯টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের নামে এ পর্যন্ত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে ১৯৩০৪টি। দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিক আইনের আওতায় থাকায় নিষ্পত্তি করা যাচ্ছে না ইভ্যালি-ই অরেঞ্জের অভিযোগ গুলোও।

রও পড়ুন:

ধীর জীবন মানেই অলস জীবন নয়

একটি হটডগ আয়ু কমাতে পারে ৩৬ মিনিট পর্যন্ত!

ইভ্যালি ধরলেও সমস্যা, ছাড়লেও সমস্যা! কোথায় যাবেন ফারিয়া?

তৃতীয় স্বামীর কাছে শুধু বিচ্ছেদই নয়, খরচও চাইলেন শ্রাবন্তী


এই পুরো ঘটনা থেকে আমি শিখলাম হাতের সামনে মুঠো ধরে কেউ যদি বলে আমি হিমালয়কে বিশ্বাস করিনা, তাতে হিমালয়ের কিছু যায় আসে না...।

রিশাদ হাসান, লেখক, সাংবাদিক

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

ইভ্যালির রাসেল যে ক্ষতিটা করে গেল তা অপূরণীয়

গুলজার হোসেন উজ্জল

ইভ্যালির রাসেল যে ক্ষতিটা করে গেল তা অপূরণীয়

বাংলাদেশে এখন কোন স্বপ্নবান তরুণ উদ্যোক্তা দেখলেই ভয় লাগে। ইভ্যালির রাসেল যে ক্ষতিটা করে গেল তা অপূরণীয়।

তাহসান-মিথিলা ব্যক্তিগত জীবনের স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে লাইভে এসেছিলেন অকপট আলাপে। আপাত দৃষ্টিতে এটি শুনতে ভাল মনে হলেও এটি ছিল স্পন্সর্ড। ইভ্যালির পেছনে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা স্পনসর করেছিল। এই টাকা সাধারণ গ্রাহকের। ইভ্যালি একটা সুতাও উৎপাদন করে না। শুধু অবিশ্বাস্য কম পয়সায় পণ্য দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্যবসা করতে এসেছিলো। 

আরও পড়ুন:


ঘরের মাঠে ২-১ গোলে পিএসজি'র জয়

পাকিস্তানের কাছ থেকে ১২টি জঙ্গিবিমান কিনবে আর্জেন্টিনা

রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে আজ


বাংলাদেশের তারকারা আধুনিক হয়েছেন। বিবাহ বিচ্ছেদকে সামাজিক ট্যাবুর বাইরে নিয়ে আসতে চেষ্টা করছেন। কিন্তু অতি ব্যক্তিগত সাংসারিক প্যাঁচালিকে যখন প্রকাশ্যে নির্লজ্জের মত পণ্য করে তোলে তখন সবটাই কেমন মেকি লাগে। এই দেশের তারকাদের দেখলেই এখন ছোটলোক ছোটলোক লাগছে। কি সাংঘাতিক!

পুরো ঘটনাগুলো চিন্তা করে সাংঘাতিক বমির উদ্রেক হচ্ছে।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv রিমু 

 

 

পরবর্তী খবর

ধীর জীবন মানেই অলস জীবন নয়

অনলাইন ডেস্ক

ধীর জীবন মানেই অলস জীবন নয়

ইংরেজিতে Slow life বলে একটা শব্দযুগল আছে। বাংলায় কি বলবো? ধীর জীবন? ধীর জীবন আদতে কি? আদতে এটা কথিত আধুনিক গতিশীল জীবনকে প্রত্যাখান করে। আমাদের এই প্রযুক্তি আর পূজিবাদের যুগে সবাই একটা প্রতিযোগিতার মধ্যে থাকে।

বেশি কাজ, দ্রুত কাজ, একসাথে অনেক কিছু করতে পারাটাই আধুনিক৷ জীবনযাত্রার লক্ষ্য। ধীর জীবন এইসব কিছুকে গণ্য করে না। ধীর জীবন আদতে একটা মগ্নতার কথা বলে। মগ্ন হয়ে একাত্ম হয়ে একটি কাজ ঠিকঠাক করতে পারা এবং একটি কাজই করতে পারাই ধীর জীবন দর্শনের মোদ্দা কথা। 

আমরা এখন টিভি ছেড়ে রাখি, মোবাইলে ফেসবুকিং করতে থাকি আবার রান্নাও করতে থাকি। এই রকম বহুমূখী কাজে আমাদের মন আর মস্তিষ্ক কোনটাতেই পুরোটা একাত্ম হতে পারে না। সামগ্রিকভাবে একটা অস্থিরতা তৈরি হয়। কখনো কখনো দোঁড়ানো ভালো, কখনো কখনো দ্রুত এবং অনেক কিছু করে ফেলা ভালো। কিন্তু সেটা কখনো কখনোই। সার্বক্ষণিক তীব্র গতিময়তা বিপদ আনতে পারে। 

তবে ধীর জীবন মানে অলস জীবন নয়। ইচ্ছাকৃতভাবে কোন কাজকে ফেলে রাখা, সচেতনভাবে পিছিয়ে থাকাও ধীর জীবন দর্শন নয়। আমার বিবেচনায়, ধীর জীবন দর্শনের গভীর সত্যটি হলো, অলওয়েজ দৌঁড়ের উপর থাকা ভালো নয় মামমা। 

ফরেস্ট গাস্প জীবনের প্রয়োজনে দুবার দৌঁড়েছিলেন। কিন্তু পুরোটা জীবন দৌঁড়ে কাটাননি। তাই তার জীবন এসোর্টেড চকলেট বক্সের মতো মধুর, উপভোগ্য, বিস্ময়কর। 

তাড়াতাড়ি এক কাফ কপি আর একটু রুটি ভাজি খেয়ে দৌঁড় দিলে অফিসে আগে পৌঁছানো যায়। কিন্তু প্রতিদিনের নাস্তায় কফির সুবাস, রুটি-ভাজির স্বাদটা উপভোগ করার সময় না-থাকলে জীবন কি পানসে হয়ে যায় না? 

কাজকে যেমন গুরুত্ব দিতে হবে তেমনি প্রতিটি সকাল, সন্ধ্যা, দিবস, রাত্রিকে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রতি বছর শরৎকালে কাশফুলের সাথে সেলফি দেয়া একটা রুটিন হয়ে যায়। কোথায় কাশফুল আছে, কতো আগে যাবো, কতো ভালো সেলফি তুলবো, কতো লাইক কমেন্ট হবে, অধুনা জীবনের সাথে তা মানানসই বটে। 

তবে মানানসই হওয়ার চেয়ে সত্যিকার উপভোগ্য করাটাই জরুরি। পুরোটা শরৎকাল মাথার উপরে মেঘের যে কারুকাজ থাকে তাকে উপভোগ করাও তো ভালো।  সব কাজ, আয়োজন রেখে দশ মিনিট বৃষ্টির ছন্দ-তান শুনতে পয়সা লাগে না, পরিশ্রমও হয় না। শুধু মনটাকে, শরীরটাকে একটু স্থির করলেই হয়।

এই স্থিরতা কিন্তু স্থবিরতা নয়, এ বরং ধ্যানের মতো, মেডিটেশনের মতো, প্রার্থনার মতো শক্তি বর্ধক। শরীর, মনকে চাঙ্গা রাখলে,  ফুরফুরে রাখলে যে কাজ অন্য কেউ ঘণ্টায় করে সে কাজ আপনি হয়তো কয়েক মিনিটে করতে পারবেন। 

রও পড়ুন:

একটি হটডগ আয়ু কমাতে পারে ৩৬ মিনিট পর্যন্ত!

অবশেষে ফুঁ দিয়ে আগুন ধরানো সেই সাধুবাবা গ্রেপ্তার

ইভ্যালি ধরলেও সমস্যা, ছাড়লেও সমস্যা! কোথায় যাবেন ফারিয়া?

তৃতীয় স্বামীর কাছে শুধু বিচ্ছেদই নয়, খরচও চাইলেন শ্রাবন্তী


তাই আখেরে ধীরে চলো জীবন দর্শনে ফায়দা বেশিই। গাড়িতে বসে একফাঁকে একটা স্যান্ডউইচ, বার্গার খেয়ে কাজের সময় বাঁচানো যায়।  কিন্তু বিশ মিনিট সময় ব্যয় করে একটু ধীরে সুস্থে খাওয়াটা খেলে পেটটায় শান্তি থাকে, তাতে ইনপুট, আউটপুট আরামসে হয়। আর বিশ্বাস করুন, তাতে সময় বাঁচবে। 

কারণ ঠিকঠাক খেলে শরীর মন ঠিকঠাক, ডাক্তারের কাছে যাওয়ার ঝামেলা নেই, খরচও নেই। 'সময় কোথা সময় নষ্ট করবার', এ ভেবে কি কাজ? আপনাকে পরের স্টেশনে নামতেই হবে এমন দিব্যি কে দিলো! একটু জিরিয়ে নিন ভাই। 

— ওস্তাদ বামে পেলাসটিক, পর্ব ৩,  মুম রহমান

লেখাটি মুম রহমান-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া। 

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর