প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস রোগী শনাক্ত

অনলাইন ডেস্ক

প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস রোগী শনাক্ত

বন্দর নগরী চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ বা মিউকরমাইকোসিস (কালো ছত্রাক) আক্রান্ত এক নারী শনাক্ত হয়েছেন।

বুধবার (২৮ জুলাই) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এস এম হুমায়ুন কবির বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। 

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

তিনি বলেন, ৫০ বছর বেশি বয়সের এ রোগী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পরে  আজকেই আমরা নিশ্চিত হই তিনি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

প্রতি মাসে ২ কোটি ডোজ টিকা

অনলাইন ডেস্ক

প্রতি মাসে ২ কোটি ডোজ টিকা

মহামারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সারাদেশে প্রতি মাসে দুই কোটি ডোজ টিকা দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ফেসবুক পেজে লাইভে এসে টিকাদানের এ পরিকল্পনার কথা জানান মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশীদ আলম।

খুরশীদ আলম জানান, আমাদের হাতে পর্যান্ত পরিমাণ টিকা রয়েছে। তাই সামনের দিনগুলোতে টিকা পাওয়ার উৎস নিশ্চিত করেছি।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশে প্রতি মাসে ১ কোটি থেকে ২ কোটি ডোজ টিকা দেয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। তার প্রেক্ষিতেই মাঠপর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি চলছে। আগামী দিনগুলোতে করোনা প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচিতে আরও গতি বাড়াতে হবে।


আরও পডুন

ভরা মৌসুমেও দেখা মিলছে না ইলিশের

যে দেশে সর্বনিম্ন বেকারত্বের রেকর্ড

ইভ্যালির লাখো গ্রাহকের মাথায় হাত!

সালমানকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিলেন শাবনূর!


news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব স্থাপনে জটিলতা, খোলা ছাদে সম্ভব নয়

আরেফিন শাকিল

বিমানবন্দরের পার্কিংয়ের ছাদের ওপরে পিসিআর ল্যাব বসানো নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, বায়ো সেফটি নিশ্চিত করে ল্যাব স্থাপনের জন্য খোলা ছাদ উপযুক্ত নয় বরং দরকার রুম তৈরি করা। 

আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছাদে সর্বোচ্চ ভ্রাম্যমান ল্যাব স্থাপন করা যাবে তবুও দরকার শীতাতপ সুবিধাসহ আরো কিছু অনুষঙ্গ। ল্যাব  স্থাপনের আরো দুইদিন সময় থাকায় এখনই এবিষয়ে কথা বলতে রাজি নন স্বাস্থ্য ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। 

যাত্রীদের দ্রুত সময়ে করোনা পরীক্ষা ও ফলাফল নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গেলো ১৫ সেপ্টেম্বর সাতটি মেডিকেল সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানকে বিমানবন্দরে ল্যাব স্হাপনের অনুমতি দেয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদশিক কর্মসংস্হান মন্ত্রণালয়। কিন্তু বিমানবন্দরের পাকিং ভবনের ছাদে ল্যাব স্হাপনের কোন সরঞ্জামের দেখা নেই। আগের মতো রাখা আছে সাড়ি সাড়ি গাড়ী।অথচ আর একদিন সময়ে আছে ল্যাব স্থাপনের।  

একটি ল্যাব স্হাপনের জন্য দরকার এসি, কুল বক্স বুথ,পিসিআর কেবিনেট, চেঞ্জিং রুম সুবিধা। যা প্রস্তুত করতে দরকার অনেক সময়। এসব বাস্তবতাকে আমলে না নিয়ে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, স্টেমজ হেলথ কেয়ার (বিডি) লিমিটেড, সিএসবিএফ হেলথ সেন্টার, এএমজেড হাসপাতাল, জয়নুল হক সিকদার ওমেন্স মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল, গুলশান ক্লিনিক ও ডিএমএফআর মলিকুলার ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক'কে অনুমতি দেয় সরকার।

এভাবে খোলা আকাশের নিচে ল্যাব স্থাপন সম্ভব নয় বলে জানান কাজ পাওয়া দুই হাসপাতালের কর্মকর্তারা।

বিএসএমএমইউ’র  মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু সালেহ বলছেন, ভ্রামম্যান আরটি-পিসিআর ল্যাব ছাড়া খোলা আকাশের নিচে করোনা পরীক্ষা, গবেষণা কিংবা ফলাফল শনাক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


 

এছাড়া সরকারের এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ লেলিন চৌধুরী।

কাজ পা্ওয়া সাতটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র দুটির একাজে সক্ষমতা আছে বলে জানা গেছে। এছাড়া করোনা পরীক্ষা নিয়ে এরইমধ্যে বির্তকিত গুলশান ক্লিনিক ও  সিএসবিএফ হেলথ সেন্টার।এনিয়ে অবশ্য কথা বলতে রাজি হননি স্বাস্থ্য কিংবা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কোন কর্মকর্তা ।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

যেসব কারণে প্রাণঘাতী হতে পারে ডেঙ্গু

অনলাইন ডেস্ক

যেসব কারণে প্রাণঘাতী হতে পারে ডেঙ্গু

করোনা মহামারির মধ্যে হানা দিয়েছে ডেঙ্গুও। ঢাকা শহরে এর প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। ডেঙ্গুকে অবহেলা করা যাবে না। বরং এ বিষয়ে কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। লিখেছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. খান আবুল কালাম আজাদ

বুঝবেন কিভাবে?
জ্বর মানেই ডেঙ্গু নয়। কিন্তু কারো ডেঙ্গু হয়েছে কি না, এটা শনাক্ত হয় কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে। যেমন—

এনএস১ অ্যান্টিজেন : কারো ডেঙ্গু হলে সাধারণত জ্বর শুরু হওয়ার তিন দিন পর্যন্ত ডেঙ্গু ভাইরাস রক্তে পজিটিভ থাকে। এ জন্য জ্বর হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই পরীক্ষা করালে ভালো। তবে সংক্রমণের পর সাধারণত এক থেকে তিন দিনের মধ্যেও এর ফলাফল পাওয়া যায়। এরপর স্বাভাবিকভাবেই সেটা নেগেটিভ হয়ে যায়। তখন ওই ভাইরাসের উপস্থিতি রক্তে থাকে না। এ জন্য চতুর্থ দিন বা পঞ্চম দিন এনএস১ পরীক্ষা করালে কোনো লাভ হয় না।

আইজিএম : জ্বর হওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে পরীক্ষাটি করাতে হয়। আইজিএম পজিটিভ থাকা মানে বোঝায়, একুইট ইনফেকশন হয়েছে বা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত।

পিসিআর : জ্বর হওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় এই পরীক্ষা করাতে হয়।

আইজিজি : যেকোনো সময় করা যায়। আইজিজি হলো আগে রোগীর কখনো ডেঙ্গু হয়েছিল কি না তার পরীক্ষা।

সিবিসি : এই পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তের হিমোগ্লোবিন, প্লাটিলেট, হেমাটোক্রিট (রক্তের ঘনত্ব বোঝার জন্য) ইত্যাদি জানা যায়।

উপরোক্ত পরীক্ষাগুলোতে পজিটিভ পাওয়া ব্যক্তির ডেঙ্গু হয়েছে বলে ধরা হয়। ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা চলাকালীন সিবিসিসহ আরো নানা পরীক্ষা করা হয়।

ডেঙ্গু হলে যা করবেন
♦ ডেঙ্গু ভাইরাস কারো দেহে ঢোকার পর দেহের প্রায় সব সিস্টেমকে আক্রমণ করে। তাই কারো ডেঙ্গু শনাক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এর নির্ধারিত কোনো চিকিৎসা নেই। কিন্তু সাপোর্টিভ চিকিৎসা ও সঠিক পরিচর্যা করলে জ্বর ভালো হয়ে যায় এবং ঝুঁকিমুক্ত থাকা যায়।

♦ ডেঙ্গু ধরা পড়লে ভয় বা টেনশনের কিছু নেই। তবে কোনো ধরনের চিকিৎসা না করালে অনেক সময় ডেঙ্গু প্রাণঘাতী হতে পারে। এর চিকিৎসার ক্ষেত্রে ন্যাশনাল প্রটোকল বা গাইডলাইন রয়েছে।

♦ যাঁদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা ভালো, যাঁদের অন্য কোনো জটিল রোগ নেই—তাঁরা সাধারণত বিশ্রাম নিলে, ঠিকমতো পানি পান করলে, প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ ছাড়া আর কোনো ওষুধ সেবন না করলে তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যেই ভালো হয়ে যান। 

♦ এই সময় কোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড বা ব্যথানাশক ওষুধও ব্যবহার করা যাবে না। বমি করলে আইভি ফ্লুইড দিতে হবে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে।

♦ ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিকে জীবাণুবাহী এডিস মশা কামড় দিয়ে অন্য একজন সুস্থ মানুষকে কামড়ালে তাঁরও ডেঙ্গু হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ জন্য ডেঙ্গুতে কেউ আক্রান্ত হলে ৯-১০ দিন পর্যন্ত মশারি টানিয়ে তাঁকে আলাদা করে রাখুন।

♦ ডেঙ্গুর সময় তরল, নরম ও সহজপাচ্য খাবার খান।

কখন হাসপাতালে?
♦ কারো শুধু জ্বর আছে, পাতলা পায়খানা নেই, বমি নেই, মুখে খেতে পারছে—এ রকম হলে হাসপাতালে ভর্তি না হলেও চলবে। বাসায় রেখেই তখন তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব।

♦ জ্বরের সঙ্গে পাতলা পায়খানা, পেট ব্যথা, বমি হলে, অর্থাৎ বিভিন্ন ওয়ার্নিং সাইন দেখা দিলে হাসপাতালে ভর্তি করাই শ্রেয়।

♦ শিশু, গর্ভবতী, বয়স্ক ব্যক্তি, কিডনি, হৃদরোগীদের ডেঙ্গু শনাক্ত হলে তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া উচিত।

♦ কারো কো-ইনফেকশন অর্থাৎ ডেঙ্গু ও টাইফয়েড একই সঙ্গে হয়েছে এমনটি হলে টাইফয়েডের চিকিৎসা করা যাবে। গুরুত্ব দিতে হবে প্রচুর তরল যেন দেহে ঢোকে সে বিষয়টির দিকে। এ জন্য বেশি করে পানি, ডাবের পানি, শরবত, গ্লুকোজ, স্যালাইন, স্যুপজাতীয় তরল ইত্যাদি খাওয়াতে হবে। রোগীকে পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে।

♦ গর্ভবতী নারী, হার্টের রোগী, এনকেফালাইটিস ইত্যাদি রোগীর ক্ষেত্রে সমন্বিত চিকিৎসার দরকার হয়।

প্লাটিলেট সংক্রান্ত তথ্য
♦ মানুষের দেহে প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকার স্বাভাবিক মাত্রা হলো দেড় লাখ থেকে চার লাখ। রক্তক্ষরণ বন্ধে এর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। ডেঙ্গুতে বেশির ভাগ রোগীর প্লাটিলেট কমে যায়, তবে সবার নয়। আবার প্লাটিলেট কমে গেলেই প্লাটিলেট দিতে হবে—এমন ধারণাও সঠিক নয়।

♦ ডেঙ্গু বা অন্য কোনো ভাইরাস ইনফেকশনে প্লাটিলেটের সংখ্যা কমে গেলেও শরীর থেকে আপনা-আপনি প্লাটিলেট তৈরি হয়। প্রথম কয়েক দিন কম প্লাটিলেট নিয়েও রোগী যদি টিকে থাকেন, পরবর্তী সময়ে দেহ থেকেই আপনা-আপনি প্লাটিলেট তৈরি হয় এবং ঘাটতি পূরণ হয়ে রোগী সুস্থ হয়ে যান।

♦ যদি কারো প্লাটিলেট ৫০ হাজারের মধ্যে থাকে, তাহলে টেনশনের কোনো কারণ নেই। তবে ৫০ হাজারের নিচে প্লাটিলেট নেমে গেলে তখন হাসপাতালে ভর্তি করা যেতে পারে। প্লাটিলেট ২০ হাজারে নেমে এলেও কিন্তু রক্তক্ষরণ হয় না। ১০ হাজারের নিচে নেমে গেলে প্রয়োজনে প্লাটিলেট দেওয়া যায়।

♦ যদি দেখা যায়, কেউ রক্তশূন্যতায় আক্রান্ত হয়েছেন, দ্রুত প্লাটিলেটের মাত্রা কমে যাচ্ছে, চামড়ায় রক্তবিন্দুর পরিমাণ বেশি দেখা যাচ্ছে, মাসিকের সময় বেশি রক্ত যাচ্ছে, দাঁতের গোড়া বা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ছে, খাদ্যনালি থেকে রক্ত পড়ছে, তখন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ব্লাড ট্রান্সফিউশন বা রক্তদানের সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

যখন জটিলতা বাড়ে
♦ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংজ্ঞা অনুযায়ী, জ্বরের সঙ্গে প্লাটিলেট কাউন্ট এক লাখের কম এবং রক্তে হেমাটোক্রিট (রক্তের পরিমাণের সঙ্গে লোহিত কণিকার পরিমাণের অনুপাত) ২০ শতাংশ কমবেশি হলে সেটা ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার। এর সঙ্গে রক্তবমি, রক্তনালি লিকের (প্লাজমা লিকেজ) উপসর্গ যেমন প্রোটিন কমা, পেটে বা ফুসফুসে পানি জমার মতো উপসর্গ থাকতে পারে।

♦ ডেঙ্গু থেকে মারাত্মক সমস্যা হলো প্লাজমা লিকেজ, ডিআইসি, মায়োকার্ডিটিস, রক্তপাত, তরল জমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, কোনো অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট হওয়া ইত্যাদি।

♦ ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি আলাদা সেরোটাইপ রয়েছে। কেউ একবার একটি সেরোটাইপে আক্রান্ত হলে তার আরো তিনবার ডেঙ্গু হতে পারে এবং পরবর্তী পর্যায়ে তীব্র ডেঙ্গু বা ডেঙ্গু শক সিনড্রোম হতে পারে। তাই বলা হয়, দ্বিতীয়বার ডেঙ্গু হওয়া বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।

কিছু সাধারণ তথ্য
♦ শুধু এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু হয়। সাধারণ অ্যানোফিলিস ও কিউলেক্স মশার কামড়ে ডেঙ্গু হয় না।

♦ মানুষ থেকে মানুষে বা এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ডেঙ্গু ছড়ায় না। তবে ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিদের মশা এড়িয়ে চলা উচিত।

♦ ডেঙ্গু ভাইরাস মানবদেহে স্থায়ীভাবে থাকে না। শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মাধ্যমে একসময় ওই ভাইরাস শরীর থেকে পুরোপুরি বের হয়ে যায়। কিন্তু ভাইরাসের জন্য যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় সেটা চিরকাল সুপ্ত অবস্থায় থেকে যায়।

♦ অন্যান্য ভাইরাস জ্বরের মতোই এই জ্বরের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। এই জ্বরের কোনো ভ্যাকসিন বা টিকাও নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটা এমনিতেই সেরে যায়।

সেরে ওঠার পর করণীয়
ডেঙ্গুর পর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা ফিরে পেতে একটু (মাসখানেক) সময় লাগে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই সময়কে Convalescent period বলে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, শ্বাসরোগ বা অন্য কোনো রোগীর স্বাভাবিক হতে আরো বেশি সময় লাগতে পারে। এই সময় কিছু করণীয় হলো—

♦ হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় রোগীর যদি কমপক্ষে ৪৮ ঘণ্টা জ্বর না থাকে, কিছু ভাইটাল সাইন—বিশেষ করে তাঁর যদি রক্তচাপ ঠিক থাকে, ইউরিন আউটপুট ঠিক থাকে, রোগী যদি মুখে খেতে পারেন তখন হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিতে পারেন।

♦ ডেঙ্গু হলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কিছুটা হ্রাস পায়। এ জন্য ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠার পরও দুর্বল, অবসাদগ্রস্ততা, মাথা ঘোরা, চলাফেরায় কিছু ভারসাম্যহীনতা থাকে; গভীর ও নিবিড়ভাবে কাজে মনোনিবেশ করতে পারেন না। এ জন্য কমপক্ষে কয়েক সপ্তাহ বিশ্রামে থেকে এরপর আস্তে আস্তে নিয়মিত কাজে যোগ দিন।

♦ এই সময় কোনো ধরনের ব্যায়াম করবেন না। যাঁদের জিমে যাওয়ার অভ্যাস আছে, তাঁরা ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠার পর কিছুদিন জিম থেকে দূরে থাকুন। প্রয়োজনে এক বা দুই মাস অপেক্ষা করুন।

♦ রাতে নিবিড় নিদ্রার ব্যাঘাত ঘটতে পারে। এই সময় পারতপক্ষে রাত ১০টার পর জেগে থাকবেন না। রাতের বেলায় ক্ষতিপূরণকারী কিছু হরমোন যেমন : ACTH, steroid, growth hormone ইত্যাদি শরীরের বিভিন্ন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। ভালো ঘুমানোয় ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে যায়।  

আরও পড়ুন:


পুলিশের নামে ভুয়া ফেসবুক একাউন্ট খোলায় গ্রেফতার ২

আবারও সিঁদুর মাথায় নুসরাত, সঙ্গে ছিলেন যশ

ঢাকার যেসব এলাকায় মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ থাকবে আজ

বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী করোনায় কমেছে সংক্রমণ ও মৃত্যু


♦ দিনের বেলায়, বিশেষ করে দুপুরে খাওয়ার পর ঘণ্টাখানেক ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

♦ এই সময়ে কোনো মানসিক চাপ নেবেন না। মেজাজ পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। মন সতেজ ও ফুরফুরে রাখুন।

♦ জ্বর চলে যাওয়ার পরের সময়টাকে ‘ক্রিটিক্যাল ফেইস’ বা ঝুঁকিপূর্ণ সময় ধরা হয়। ডেঙ্গুতে মারাত্মক সমস্যা হওয়ার সময় আসলে এটাই। এ সময় প্লাটিলেট কাউন্ট কমে যেতে পারে, রক্তচাপ কমে যেতে পারে, রক্তক্ষরণসহ আরো নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই এ সময়টাতেও সচেতন থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

♦ কিছুদিন পর রক্তের সিবিসি করে হিমোগ্লোবিন, প্লাটিলেট দেখান চিকিৎসককে। এ ছাড়া ব্লাড সুগার, ব্লাড প্রেসার ঠিক আছে কি না, রোগী পানিশূন্যতায় ভুগছে কি না, রক্তের হেমাটোক্রিট কেমন ইত্যাদিও দেখা উচিত। অন্যান্য রোগ থাকলে সেগুলোরও যথাযথ চিকিৎসা নিন।

 

 

পরবর্তী খবর

অ্যালার্জি'তে ভুগছেন, তাহলে সমাধান জানুন

অনলাইন ডেস্ক

অ্যালার্জি'তে ভুগছেন, তাহলে সমাধান জানুন

যাদের অ্যালার্জি আছে, তাদের খুব সাবধানে থাকতে হয়। সামান্য এদিক–সেদিক হলেই শুরু হয়ে যায় চুলকানি, চোখ লাল, ত্বকে লালচে দানা ওঠা ইত্যাদি। অ্যালার্জি আছে এমন অনেকেরই ঘর ঝাড়ামোছা করলেই ত্বকে চুলকানি শুরু হয়ে যায়। আবার কারও কারও ধুলাবালির সংস্পর্শে এলেই ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়। কোনো কোনো ওষুধের অ্যালার্জিতে তো জীবন সংশয়ও দেখা দিতে পারে। অ্যালার্জি বাংলাদেশের লাখো মানুষের কাছে এক অসহনীয় ব্যাধি।

অ্যালার্জি
আমাদের শরীর সবসময়ই ক্ষতিকর বস্তুকে (পরজীবী, ছত্রাক, ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া) প্রতিরোধের মাধ্যমে রোগ-প্রতিরোধের চেষ্টা করে। এ প্রচেষ্টাকে রোগ-প্রতিরোধ প্রক্রিয়া বা ইমিউন বলে। কখনও কখনও আমাদের শরীর সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন অনেক ধরনের বস্তুকেও ক্ষতিকর ভেবে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। সাধারণত ক্ষতিকর নয়, এমন সব বস্তুর প্রতি শরীরের এ অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে অ্যালার্জি বলা হয়। অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী বহিরাগত বস্তুগুলোকে অ্যালার্জি উৎপাদক বা অ্যালার্জেন বলা হয়। অ্যালার্জিজনিত সর্দি বা অ্যালার্জিক রাইনাইটিস। এর উপসর্গ হচ্ছে অনবরত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া। কারও কারও চোখ দিয়েও পানি পড়ে এবং চোখ লাল হয়ে যায়।

অ্যালার্জিক রাইনাইটিস দুই ধরনের
সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস : বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে একে সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।

পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস : সারা বছর ধরে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে একে পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।

লক্ষণ ও উপসর্গ
সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস
ঘন ঘন হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া
নাসারন্ধ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া
চোখ দিয়ে পানি পড়া

পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস
পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গগুলো সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গগুলোর চেয়ে তীব্রতা কম হয় এবং স্থায়িত্বকাল বেশি হয়।

সংস্পর্শজনিত অ্যালার্জিক ত্বক প্রদাহ
চামড়ার কোথাও কোথাও শুকনো, খসখসে, ছোট ছোট দানার মতো উঠা। বহিস্থ উপাদান বা অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে ত্বকে প্রদাহ বলে তাকে অ্যালার্জিক কনট্রাক্ট ডারমাইটিস বলা হয়।

লক্ষণ ও উপসর্গ
ত্বকে ছোট ছোট ফোসকা পড়ে ফোসকাগুলো ভেঙে যায়।
চুয়ে চুয়ে পানি পড়ে ত্বকের বহিরাবরণ উঠে যায়।
ত্বক লালচে হয় এবং চুলকায়; চামড়া ফেটে আঁশটে হয়

অ্যালার্জিক কনজাংটাইভাইটিস
চোখ চুলকানো ও চোখ লাল হয়ে যায়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াজনিত অ্যালার্জি

এটি খুবই মারাত্মক। অ্যালার্জেন শরীরের সংস্পর্শে আসার সঙ্গে সঙ্গে এটি শুরু হয়ে যেতে পারে। নিচে উল্লিখিত উপসর্গগুলো হতে পারে।

চামড়া লাল হয়ে ফুলে উঠে ও চুলকায়।
শ্বাসকষ্ট, নিঃশ্বাসের সঙ্গে বাঁশির মতো আওয়াজ হয়।
মূর্ছা যেতে পারে।
রক্তচাপ কমে গিয়ে রোগী শকে চলে যেতে পারে।

প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা
রক্ত পরীক্ষা : বিশেষত রক্তে ইয়োসিনোফিলের মাত্রা বেশি আছে কি না তা দেখা।
সিরাম আইজিইর মাত্রা : সাধারণ অ্যালার্জি রোগীদের ক্ষেত্রে আইজিইর মাত্রা বেশি থাকে।
স্কিন প্রিক টেস্ট : এ পরীক্ষায় রোগীর চামড়ার ওপর বিভিন্ন অ্যালার্জেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং এ পরীক্ষাতে কোন কোন জিনিসে রোগীর অ্যালার্জি আছে তা ধরা পড়ে।
প্যাঁচ টেস্ট : এ পরীক্ষা রোগীর ত্বকের ওপর করা হয়।

বুকের এক্স-রে : হাঁপানি রোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসা শুরু করার আগে অবশ্যই বুকের এক্স-রে করে নেওয়া দরকার; যে অন্য কোনো কারণে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে কি না।

স্পাইরোমেট্রি বা ফুসফুসের ক্ষমতা দেখা : এ পরীক্ষা করে রোগীর ফুসফুসের অবস্থা সম্পর্কে সঠিক ধারণা করা যায়।


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


 

সমন্বিতভাবে অ্যালার্জির চিকিৎসা হলো
অ্যালার্জেন পরিহার : যখন অ্যালার্জির সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়, তখন তা পরিহার করে চললেই সহজ উপায় অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

ওষুধ প্রয়োগ : অ্যালার্জিভেদে ওষুধ প্রয়োগ করে অ্যালার্জির উপশম অনেকটাই পাওয়া যায়।

অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি : অ্যালার্জি দ্রব্যাদি এড়িয়ে চলা ও ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিনও অ্যালার্জিজনিত রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি। এ পদ্ধতি ব্যবহারে কর্টিকোস্টেরয়েডের বহুল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে রেহাই পাওয়া যায়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোয় এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ ভ্যাকসিন পদ্ধতির চিকিৎসাকে অ্যালার্জিজনিত রোগের অন্যতম চিকিৎসা বলে অবহিত করেন। এটাই অ্যালার্জিক রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ থাকার একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মাড়ি থেকে রক্তপাত হলে কি করবেন

অনলাইন ডেস্ক

মাড়ি থেকে রক্তপাত হলে কি করবেন

প্রায়শই আমরা একটা কথা শুনে থাকি “দাঁত ব্রাশ করতে গেলে মাড়ি থেকে রক্ত আসে”, “সকালে ঘুম থেকে উঠে থুথু ফেললে তাতে রক্ত দেখা যায়”, কিন্তু কেন এই রক্ত আসে দাতে? আজ জানবেন মাড়ি থেকে রক্তপাতের আদ্যেপান্ত।

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে মাড়ি থেকে রক্তপাত রোগে ভোগেন। মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে বুঝতে হবে, আপনার মাড়িতে জিনজিভাইটিস বা মাড়ির প্রদাহ হয়েছে। আসুন জেনে নিই এমন সমস্যার সম্ভাব্য কিছু কারণ ও প্রতিরোধ।

রক্ত পড়ার কারণ
* মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার প্রধান ও অন্যতম কারণই হচ্ছে নিয়মিত দাঁত ব্রাশ না করা। দাঁতের ওপর লেগে থাকা খাদ্যকণাগুলোর সাদা প্রলেপ পড়ে, যাকে আমরা ডেন্টাল প্লাগ বলি। ২৪ ঘণ্টা পর এ ডেন্টাল প্লাগ শক্ত হয়ে ক্যালকুলাস হয়। এ ক্যালকুলাসই মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার অন্যতম কারণ।

* ক্যালকুলাস দাঁত ও মাড়ির মাঝখানে অবস্থান করে এবং প্রতিনিয়ত নরম মাড়ির সঙ্গে ক্যালকুলাসের ঘর্ষণের কারণে খুব সহজেই মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে। মাড়ির ফোলা এবং প্রদাহের কারণও এ ক্যালকুলাস। এটাকে বলা হয় জিনজিভাইটিস।

ক্রমশই জিনজিভাইটিস বেড়ে গিয়ে যখন প্রকট আকার ধারণ করে, তখন একে বলা হয় পেরিওডন্টাইটিস। এ অবস্থায় দাঁতটা ধীরে ধীরে মাড়ি থেকে সরে যায় এবং নড়তে থাকে।

তা ছাড়া আরও কিছু কারণ রক্ত পড়ার জন্য দায়ী হতে পারে। যেমন-

ঠিকমতো ফ্লসিং না করা

লিউকোমিয়া(এক ধরনের রক্তের ক্যানসার)

রক্ত পাতলাকারী ওষুধ

স্কার্ভি, ভিটামিন সি’র ঘাটতি

ভিটামিন কে’র ঘাটতি


প্রতিকার
এ সমস্যা প্রাথমিক যত্নের মাধ্যমে সারিয়ে তোলা সম্ভব। তবে অনেক সময় যদি ভালো না হয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

প্রতিদিন সঠিক নিয়মে সকালে ঘুম থেকে জেগে ও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দু’বার দাঁত ব্রাশ করতে হবে।

ভালোমানের পেস্ট ও ব্রাশ ব্যবহার করতে হবে। দীর্ঘদিন এক টুথপেস্ট ব্যবহার করবেন না।

ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহারের মাধ্যমে দুই দাঁতের মাঝখানে লেগে থাকা খাদ্যকণা দূর করতে হবে।

নিয়মিত ভিটামিন সি’সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। যেমন- আমলকী, কমলালেবু, বাতাবিলেবু, আমড়া ইত্যাদি।


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


সুতরাং আপনার যদি মাড়ি থেকে রক্ত আসার সমস্যা থাকে, তাহলে দেরি না করে নিকটস্থ রেজিস্টার্ড ডেন্টাল সার্জনকে দেখান, পরামর্শ ও চিকিৎসা নিন, সুস্থ থাকুন। মনে রাখবেন, রোগ যত দ্রুত ধরা পড়ে, তা সেরে যাবার সম্ভাবনা তত বেশি থাকে। ক্ষয়ক্ষতি কম হয়, চিকিৎসার সময় ও খরচ- দুইয়েরই সাশ্রয় হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর