প্রিন্সিপাল আর অভিভাবক ফোরামের জন্য ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হতে পারেনা

পীর হাবিবুর রহমান

প্রিন্সিপাল আর অভিভাবক ফোরামের জন্য ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হতে পারেনা

ব্যক্তিগত স্বার্থে যারা অন্যের করুনালাভে বিলম্ব করেনা,যারা নোংরা অশালীন ভাষায় একান্ত জীবনে অভ্যস্ত, তারাই প্রিন্সিপালের এমন কদর্য ভাষার পক্ষে সাফাই গায়।এমন নির্লজ্জ বেহায়ারা এই নষ্ট সমাজে পোষাকে মেকাপে মুখোশের আড়ালে হাঁটে।

একবারও বলেনা প্রিন্সিপালের সাথে কেউ বেয়াদবি,বেআইনি কাজ করলে তিনি আইনের আশ্রয় নিতে পারতেন।উর্ধ্বতনরা তার পক্ষেই ছিলেন।অভিভাবক ফোরাম অনৈতিক ভর্তি বানিজ্যের চাপ দিলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্হা গ্রহনের পথ আছে।মন্ত্রনালয়ের কাছে অভিভাবক ফোরাম ঠিকতেই পারেনা।প্রয়োজনে অভিভাবক ফোরামের নিবন্ধন বাতিল হোক।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

ভর্তি বানিজ্যের অভিশাপ মুক্ত হোক দেশ সেরা মেধাবি ছাত্রীদের ভিকারুননিসা স্কুল এন্ড কলেজ।আর যে প্রিন্সিপালের মুখের ভাষা এতো কান গরম করা অরুচিকর তাকে এমন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে রাখা যায়না।শিক্ষামন্ত্রীকেই দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।প্রিন্সিপাল আর অভিভাবক ফোরামের জন্য ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হতে পারেনা।এটা দেশের সম্পদ।

লেখাটি পীর হাবিবুর রহমান-এর ফেসবুক থেকে সংগৃহীত (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

পীর হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

এখন বুঝি কেন নালাপাড়া রাখা হয়েছিল পাড়াটির নাম

জয়দীপ দে শাপলু


এখন বুঝি কেন নালাপাড়া রাখা হয়েছিল পাড়াটির নাম

চট্টগ্রামে 'নালাপাড়া' নামে একটা পাড়া আছে। শহরের একেবারে প্রাণকেন্দ্রে। রেলস্টেশনের পেছনে। নামটি শুনলে আমরা গা ঘিনঘিন করে উঠত। 

ভাবতাম এ কেমনতর নাম। সেখানে অনেক অভিজাত ও শিক্ষিত লোকজন থাকেন ও থাকতেন। অনুপম সেন স্যারের পুরনো বাড়িটা এখানে ছিল। আমি একবার গিয়েছিলাম।

আরও পড়ুন:


মুফতি কাজী ইব্রাহীমকে আটক করেছে ডিবি

ইতিহাসের প্রয়োজনেই বঙ্গবন্ধু কন্যার জন্ম: ওবায়দুল কাদের

৫ ঘণ্টা পর মিলল ড্রেনে পড়ে নিখোঁজ সেই তরুণীর মরদেহ

ইউটিউবারদের আয়ের উপর কর, মিশরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া


এখন বুঝি কেন নালাপাড়া রাখা হয়েছিল পাড়াটির নাম। চট্টগ্রাম ধীরে ধীরে এক বৃহৎ নালাপাড়া হয়ে উঠছে। অথবা নালাশহর। অপমৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া শহরটার জন্য অনেক কষ্ট হয়।

লেখাটি জয়দীপ দে শাপলু-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া।  (লেখাটির আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কাল কি ছিলাম আজ নিয়তির পরিণতিতে কোথায়?

পীর হাবিবুর রহমান

কাল কি ছিলাম আজ নিয়তির পরিণতিতে কোথায়?

গতকাল দীর্ঘ ২৮ দিন জাসলুক হাসপাতালে কাটিয়ে রিলিজ নিয়ে রেডিসন ব্লুতে এসে উঠি। সেখানে আমার বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

কুড়িদিনের বেশী আইসোলেশনে ছিলাম। রিলিজ যেনো বুক ভরে শ্বাস নিতে দিলো। আমাকে দু'সপ্তাহ সতর্ক থাকতে বলেছেন চিকিৎসকরা। কাজ করলে চারমাস কোন জনবহুল এলাকায় যেতে মানা।

নতুন বোনম্যারো চমৎকার কাজ করছে। আল্লাহর কাছে শোকরিয়া। হাসপাতালের বাথরুমের গ্লাসে নিজেকে তেমন দেখিনি। ছবি তুলে শেয়ার করেছি তাও তেমন খেয়ালে নেই।

কাল হোটেল রুমে এসেই যখন বাথারুমের আয়নায় তাকালাম চমকে ওঠি! নিজেকে নিজে চিন্তে পারছিনা। আসলে ছোট্ট জীবন কত তার বাঁক, কত তা হোঁচট খাওয়া। কাল কি ছিলাম আজ নিয়তির পরিণতিতে কোথায়? এসব আমরা হিসেব করি না।

একমাত্র সর্বশক্তিমান আল্লাহ জানেন কখন কার কি পরিণতি, কখন কার অহংকার নাম যশ খ্যতির পরিণতি। আমি পুনর্জন্মের জন্য আল্লাহর কাছে শোকরিয়া, অজস্র স্বজন যারা দোয়া করেছেন কৃতজ্ঞতা। আমার মনোজগতে জীবনের এ প্রলয় কতটা প্রভাব ফেলেছে সে আমার অন্তরাত্না জানে।

news24bd.tv এসএম

আরও পড়ুন


বিএফইউজের নির্বাচন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট

গোপনে যুবকের ৬ বিয়ে, শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পথে জামাই নিয়ে টানাটানি

কানাডায় বাংলা চলচ্চিত্র নিয়ে আগ্রহ আছে, প্রয়োজন মানসম্মত ছবি

সংশপ্তকের জন্য জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি


 

পরবর্তী খবর

জার্মানীতে এ্যাঙ্গেলা মার্কেল যুগের অবসান ও কিছু কথা

আলী রিয়াজ

জার্মানীতে এ্যাঙ্গেলা মার্কেল যুগের অবসান ও কিছু কথা

জার্মানীতে এ্যাঙ্গেলা মার্কেল যুগের অবসান ঘটছে। রোববার সংসদের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জার্মানরা তাঁর উত্তরসূরি নির্বাচন করছেন। ষোল বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার পরে মার্কেল ক্ষমতা থেকে সরে দাড়ালেও জার্মান রাজনীতিতে তাঁর লিগ্যাসি দীর্ঘদিন ধরেই থাকবে। 

এই ষোল বছরে জার্মানী বহু ধরণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলা করেছে; এর মধ্যে ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক সংকট, ২০১৫ সালে ইউরো জোন সংকট, একই বছরে সিরিয়া এবং ইরাক থেকে আসা শরনার্থীদের গ্রহণ করা এবং ২০২০ সালে কোভিড-১৯ অতিমারী। এই সময়ে জার্মান রাজনীতিতে যে বড় ধরণের পরিবর্তন ঘটেছে তাঁর অন্যতম দিক হচ্ছে, মার্কেল রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রে কূটচাল নয় পলিসিকে রাখতে পেরেছেন। 

২০১৫ সালে শরনার্থী বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত খুব জনপ্রিয় ছিলো তা বলা যাবেনা। এই প্রশ্নে তাঁর কোয়ালিশনের অন্য দল লিবারেলরা ভিন্নমত পোষন করেছিলো। কিন্ত তাঁর অবস্থান ছিলো নৈতিক ও নীতিকেন্দ্রিক। এর জন্যে তাঁকে মাশুলও গুনতে হয়েছে ২০১৭ সালের নির্বাচনে, খানিকটা পশ্চাদপসারণও; কিন্ত তাঁর সিদ্ধান্ত ইউরোপের কেন্দ্রে যে কোনও ধরণের বিশৃঙ্খলা না ঘটার ব্যবস্থা করেছে। রক্ষনশীল দলের প্রতিনিধিত্ব করেও তিনি যে পরিবর্তনগুলো করেছেন সেটি একার্থে তাঁর নেতৃত্বের গুণকেই প্রকাশ করে, এমনকি তাঁর সঙ্গে একমত না হয়েও তা বলা যায়। 

কিন্ত সবচেয়ে বড় বিষয় যেটি সেটি হচ্ছে ইউরোপ এবং বিশ্ব রাজনীতিতে যখন অস্থিতিশীলতা চলেছে মার্কেল সেখানে স্থিতিশীলতার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন – এই কারণে নয় যে তিনি বারবার বিজয়ী হয়েছেন, এই কারণে যে তাঁর অনুসৃত পররাষ্ট্র নীতি আস্থার জায়গা তৈরি করেছে। 

২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত পশ্চিমা বিশ্বের নেতৃত্ব তিনিই দিয়েছেন, ‘লিডার অব দ্য ফ্রি ওয়ার্ল্ড’ বলে যে কথাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্যে ব্যবহৃত হয় সেটি অন্তত এই সময়ে জার্মানীর প্রাপ্র্য। 

কিন্ত রাজনীতির দৃশ্যপট থেকে মার্কেলের অনুপস্থিতির এই সূচনায় মার্কেলের নেতৃত্বের সাফল্য গাঁথা বর্ণনা আমার লক্ষ্য নয়, আমি বরঞ্চ সামনের দিকে তাকাবার তাগিদেই এই প্রসঙ্গের অবতারনা করেছি। সামনের দিনগুলোতে ইউরোপ বিশ্ব রাজনীতিতে কী ভূমিকা নেবে, মার্কেলের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষাপটে সেটাই ভাবা দরকার। 

এর কারণ তিনটি; প্রথমত বিশ্ব রাজনীতি এবং অর্থনীতির ভরকেন্দ্র এশিয়ায় সরে গেছে অনেক আগেই, কিন্ত এখন চীন সেই ভরকেন্দ্রের নেতৃত্ব দিতে উদ্যোগী; সেইখানে ইউরোপের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে জার্মানীর ভূমিকা কী হবে? যুক্তরাষ্ট্র চীনকে সামরিক এবং অর্থনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে চায়। সেটা করতে হলে তাঁর দরকার ইউরোপের সমর্থন ও সহযোগিতা। 

দ্বিতীয়ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউরোপের যে মতপার্থক্যের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে সেখানে জার্মানী সেতুবন্ধন হতে পারবে কিনা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে দুই দেশের সম্পর্কের টানাপড়েনের মূখে ন্যাটো এবং অন্যত্র জার্মানী ইউরোপকে একত্রে রেখেছে এবং নেতৃত্বে দিয়েছে। আগামীতে কী হবে? আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটোর পরাজয় এই বিষয়কে আরও জটিল করে তুলেছে।
  
তৃতীয়ত রাশিয়া এবং জার্মানীর সম্পর্ক। ইউক্রেনের যুদ্ধে রাশিয়ার সম্পৃক্ততা, দেশের ভেতরে রাজনৈতিক ভিন্ন মতাবলম্বীদের ওপর দমন-পীড়ন এবং জার্মানিতে গণতন্ত্রকে ক্ষুণ্ণ করার প্রচেষ্টা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবণতি ঘটিয়েছে। কিন্ত দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক অটুট আছে। নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইন তাঁর একটি অন্যতম উদাহরণ। 

রও পড়ুন:

একাধিক পদে নিয়োগ দেবে বেক্সিমকো

বিয়ের আগেই পাত্রের মাকে নিয়ে পালিয়ে গেল পাত্রীর বাবা!

বিশ্বকাপের আগে কোহলিকে স্বস্তি দিলেন অশ্বিন

ইংরেজি শেখার জন্য বিয়ে করেছিলেন শেবাগ-যুবরাজ-হরভজন!!


জার্মানীর নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলের যে ইঙ্গিত এক্সিট পোলগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে, যা জার্মান সময় মধ্যরাত পর্যন্ত জানা গেছে তাতে সোশ্যাল ডেমোক্রেট – এসপিডি -এগিয়ে আছে, মার্কেলের দল রক্ষনশীল সিডিইউ/সিএসিউ পিছিয়ে পড়েছে। এটা মোটেই অপ্রত্যাশিত ফল নয়। কিন্ত শেষ পর্যন্ত সরকার গঠনে গ্রীন পার্টির সমর্থন লাগবে বলেই বোঝা যাচ্ছে। রক্ষনশীলরা এখনও আশা করছেন যে, তাঁরা একটি কোয়ালিশন সরকার করতে পারবে। সেই সম্ভাবনা কম। 

ক্ষমতায় সেই দলই যাক না কেন তাঁদের বিশ্ব রাজনীতিতে জার্মানীর ভূমিকার বিষয়গুলোকে খুব শিগগিরই মোকাবেলা করতে হবে। এ্যাঙ্গেলা মার্কেলের উত্তরসূরি কতটা তাঁর উত্তরসূরি হবেন আর কতটা নিজস্ব চিহ্ন রাখতে চাইবেন/পারবেন সেটা দেখার বিষয়। কেননা এর সঙ্গে বিশ্বের সকলের স্বার্থ এবং বৈশ্বিক রাজনীতির অনেক কিছুই নির্ভর করছে।           

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

ফোনের লেন্সে ধরা দিল শরতের সাদা মেঘের ভেলা!

মোমিনুল আজম

ফোনের লেন্সে ধরা দিল শরতের সাদা মেঘের ভেলা!

দেশে এখন শরৎকাল। শরৎকালের প্রধান অনুষঙ্গ সাদা মেঘের ভেলা আর কাশফুল। কাশফুলের সাথে অজস্র ছবি তুলে পোস্ট করা হচ্ছে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে। তবে দেশে যাদের শখের বাগান তাদের কেউ বাগানে কাশফুলের গাছ রোপন করে বলে দেখিনি। অনাদর অবহেলায় বেড়ে ওঠা সৌন্দর্যের সুধা নিলেও তার কোন কদর করি না।

আমাদের এখানে কাশফুলের মতো শুভ্র সৌন্দর্যের কোন ঘাস নেই। তবুও প্রায় সব বাগানেই একগোছা ঘাসফুল লাগিয়ে থাকে বুনো সৌন্দর্যের আশায়। একটি গোলাপ গাছের প্রায় সমান দামে একগোছা ঘাসফুল কিনতে হয়।

আমাদের বাগানেও আছে কিছু ঘাসফুল। ‘জেবরা গ্রাস’ নামের এ ঘাসফুলের আদি নিবাস জাপানে। এতে সাদা ফুল ফোঁটে না, ফোঁটে সোনালি ফুল। এই শরতেও ফুঁটেছে সে ফুল। ছবি তুলতে গিয়ে ফোনের লেন্সে ধরা দিল শরতের সাদা মেঘের ভেলা।

আরও পড়ুন


সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’, দেশে ভারী বৃষ্টির আভাস

অবসান ঘটতে যাচ্ছে আঙ্গেলা ম্যার্কেলের

শিশু সন্তানকে জবাই করে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, আটক মা


প্রকৃতি বিশ্বের সব প্রান্তে একই সৌন্দর্য বিলিয়ে যায় নি:স্বার্থভাবে।

(লেখাটির আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv রিমু

পরবর্তী খবর

মৃত মানুষের মন্দিরে পূজো দেওয়া এখন নতুন আভিজাত্য

মহিউদ্দিন মোহাম্মদ

মৃত মানুষের মন্দিরে পূজো দেওয়া এখন নতুন আভিজাত্য

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বিদ্যাসাগর ডাকা, আর আবুল চন্দ্র পিএইচডিকে পিএইচডি ডাকার মধ্যে পার্থক্য কী? কোনো পার্থক্য নেই। কিন্তু আমাদের অনেকেই ‌‘বিদ্যাসাগর’ শব্দটিকে বিরাট উপাধি মনে করে থাকেন। ভাবখানা এমন যে— পৃথিবীতে ‘বিদ্যাসাগর’ আছেন একজনই, এবং তিনি ‘বিদ্যার সাগর’।

মৃত মানুষকে নিয়ে বাঙালির অতিরঞ্জন নতুন নয়। ঈশ্বরচন্দ্র যেহেতু মৃত, এবং তাঁর নামের শেষে একটি বিভ্রান্তিকর ডিগ্রি যেহেতু যুক্ত হয়েছে, তাই দরিদ্র চিন্তার বাঙালি তাঁকে নিয়ে বানিয়েছে নানা কাল্পনিক গল্প। তিনি যা পড়তেন, তাই মুখস্ত হয়ে যেতো। 

এজন্য কোনো বই একবার পড়লে, তিনি তা ছিঁড়ে ফেলতেন। এরকম ফালতু গল্পে ছোট বেলায় আমিও বিশ্বাস স্থাপন করেছিলাম। কিন্তু বড় হয়ে দেখলাম যে— তিনি ছিলেন আপনার আমার মতোই মেধাবী। পার্থক্য শুধু পরিশ্রম, চিন্তার ধৈর্য্য, আর পড়াশোনায়।

আরও পড়ুন:


হংকংয়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মেয়েদের বড় জয়

তালেবান ক্ষমতায় আসায় বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত উৎফুল্ল: কৃষিমন্ত্রী

সৌদি আরবে বাংলাদেশির মৃত্যু

দুই ডোজ টিকা নিয়েও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার করোনা শনাক্ত


যারা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বিদ্যার সাগর ভেবে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, তারা কি কখনো নীলকমল বিদ্যাসাগর, জীবানন্দ বিদ্যাসাগর, রাজীবলোচন বিদ্যাসাগর, প্রাণকৃষ্ণ বিদ্যাসাগর, অথবা হরানন্দ বিদ্যাসাগরকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন?

আমাদের হুজুগ কি মূর্খতার সমানুপাতিক নয়?

আর ঈশ্বরচন্দ্রের জন্মদিনে তাঁর কাজ নিয়ে কোনো আলোচনা নেই কেন? নিউজফিডে যতোগুলো পোস্ট দেখলাম, সবই চটুল প্রশংসার পোস্ট। মৃত মানুষের মন্দিরে পূজো দেওয়া এখন নতুন আভিজাত্য। 

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর