কঠোর লকডাউনে একেবারেই ভিন্ন রাতের ঢাকা

নাঈম আল জিকো

চলমান কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে দিনব্যাপী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারি থাকলে রাতে যেন তা উপেক্ষিত। রাজধানীর প্রবেশ পথগুলো দিয়ে রাতের আঁধারে অবাধেইই চলছে সিএসজি অটোরিকশা, কার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেলসহ প্রায় সব ধরনের পরিবহন। 

ফলে রাতে রাজধানীতে কোনো প্রকার ভোগান্তি ছাড়াই প্রবেশ করছেন মানুষ। তবে পুলিশের দাবি, দিনের মত রাতেও তারা শক্ত অবস্থানে আছেন। রাত ৪ টা। রাজধানীর মিরপুর সড়কের দৃশ্য এটি। অন্যান্য সাভাবিক রাতের মতোই রাজধানীর এই সড়কে যাত্রী নিয়ে চলছে সিএনজি, প্রাইভেট কারসহ বেশ কিছু গণপরিবহন। 

রাজধানীর প্রবেশমুখ গাবতলীতে চেকপোস্ট থাকলেও সেখানে ছিলনা আইন প্রয়োগকরী সংস্থার কোনো সদস্য। চেকপোস্টের পাশেই দেখা মেলে বেশ কিছু সিএনজি, মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের। যাদের অনেকে এসেছেন দুর দুরন্ত থেকে যাত্রী নিয়ে আবার অনেকে করছেন যাত্রীর অপেক্ষা। বলেন, দিনে পুলিশি তৎপরতার কারণে রাতকেই জীবিকার উৎস হিসেবে বেছে নিয়েছেন তারা।

নিউজ টোয়েন্টিফোর উপস্থিতি টের পেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই সে সব চেকপোস্ট হাজির হন দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা। সরিয়ে দেন চেকপোস্টের পশে থাকা সিএনজি, মোটরসাইকেল গুলোকে। এতক্ষণ কোথায় ছিলেন জানতে চাইলে তার কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তারা। তবে দাবি করেন, দিনের মত রাতেও তাদের অবস্থান কঠোর।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন শত শত মানুষ। তাই মানুষের অবাধ চলাচল এখুনি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে মৃত্যুর এই মিছিলে আরও যুক্ত হবে আরো অনেক নাম বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

আরও পড়ুন:


একসঙ্গে তিন ডোজ টিকা নেয়া সেই ব্যাক্তির পরিচয় মিলল

সম্পাদক পরিষদ থেকে পদত্যাগের কারণ জানালেন নঈম নিজাম

কভিড-১৯ টিকা উৎপাদনে বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার দেবে যুক্তরাষ্ট্র

করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পথে পাঁচজনের মৃত্যু


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

পাঁচ দশকেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি পর্যটন খাত

আরেফিন শাকিল

নানা সংকটে পাঁচ দশকেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দেশের পর্যটন খাত। বেহাল যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তাহীনতা, আধুনিক সুযোগ-সুবিধার দুষ্প্রাপ্যতা ও ব্যয়বহুল যাত্রায় মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা। অথচ করোনার প্রাদুর্ভাবের পরও বিভিন্ন দেশের আয়ের বড় খাত এখনো পর্যটন শিল্প।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সান্ধ্যকালীন বিনোদন আর অবকাঠোমোগত সংকটে পিছিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এখাত এগিয়ে নিতে মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানালেন বেসরকারি বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী।

সাগর-পাহাড় আর সবুজের মিতালীর নৈস্বগের বাংলাদেশ। কিন্তু অপার সম্ভবনার এমন পর্যটন খাত বাস্তবতায় হাটছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।

চায়ের শহর মৌলভীবাজারের কথা ধরা যাক। বিস্তৃন চা বাগান, লাউয়াছড়া পার্ক, মাধবপুর লেক এযেন এক বিস্ময়। অথচ অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় বাড়ছে না সেখানে পর্যটকের সংখ্যা।

পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, পাবত্য অঞ্চল, সিলেট, সুন্দরবনের মতো নৈসর্গিক স্থান। কিন্তু সেখানেও নানা সীমাবদ্ধতায় খুব বেশি দেখা নেই বিদেশি পর্যটকের বরং দিন দিন কমছে।

আরও পড়ুন: 


বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণে সময় বাঁচবে ৩ ঘণ্টা

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দুঃসময় যাচ্ছে: ফখরুল

প্রকাশ হলো এসএসসি ও এইচএসসির পরীক্ষার রুটিন

নিজের মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দিলেন বাইকার


অথচ মহামারি করোনার মতো প্রতিকূলতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারত-নেপাল-ভুটানের পর্যটন।

এমন বাস্তবতায় আবারো এলো বিশ্ব পর্যটন দিবস।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ খাতকে আকর্ষণীয় করতে নিতে হবে দ্রুত সময়ে বাস্তবায়ন যোগ্য পদক্ষেপ।

বিদেশি পর্যটকদের টানতে কক্সবাজারে ফরেন জোনের কাজ চলছে জানিয়ে বেসরকারী বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বলছেন, দ্রুতই সংকট কেটে যাবে এখাতের।

দ্য ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল বলেছে, বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে গেলো দুই বছরে পর্যটন খাতের অন্তত পাঁচ কোটি কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। বাংলাদেশেও সে সংখ্যা কয়েক হাজার।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

পাঁচ দশকেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দেশের পর্যটন খাত

আরেফিন শাকিল

পাঁচ দশকেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দেশের পর্যটন খাত

নানা সংকটে পাঁচ দশকেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দেশের পর্যটন খাত। বেহাল যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তাহীনতা, আধুনিক সুযোগ-সুবিধার দুষ্প্রাপ্যতা ও ব্যয়বহুল যাত্রায় মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা। অথচ করোনার প্রাদুর্ভাবের পরও বিভিন্ন দেশের আয়ের বড় খাত এখন পর্যটন শিল্প। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সান্ধ্যকালীন বিনোদন আর অবকাঠোমোগত সংকটে পিছিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ খাত এগিয়ে নিতে মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে জানালেন বেসরকারি বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী। 

সাগর-পাহাড় আর সবুজের মিতালীর নৈস্বগের বাংলাদেশ। কিন্তু অপার সম্ভবনার এমন পর্যটন খাত বাস্তবতায় হাঁটছে খুড়িয়ে খুড়িয়ে। 

চায়ের শহর মৌলভীবাজারের কথা ধরা যাক। বিস্তীৰ্ণ চা বাগান, লাউয়াছড়া পার্ক, মাধবপুর লেক এ যেন এক বিস্ময়। অথচ অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় বাড়ছে না সেখানে পর্যটকের সংখ্যা।

পর্যটকদের কাছে আকর্ষনীয় কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, পাবত্য অঞ্চল, সিলেট, সুন্দরবনের মতো নৈসর্গিক স্থান। কিন্তু সেখানেও নানা সীমাবদ্ধতায় খুব বেশি দেখা নেই বিদেশি পর্যটকের বরং দিন দিন কমছে। অথচ মহামারি করোনার মতো প্রতিকূলতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারত-নেপাল-ভুটানের পর্যটন।

এমন বাস্তবতায় আবারো এলো বিশ্ব পর্যটন দিবস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ খাতকে আকর্ষণীয় করতে নিতে হবে দ্রুত সময়ে বাস্তবায়ন যোগ্য পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন


বাবা হারালেন শ্রীলেখা

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নগরে এসছে শরৎকাল

অবসান ঘটতে যাচ্ছে আঙ্গেলা ম্যার্কেলের


বিদেশি পর্যটকদের টানতে কক্সবাজারে ফরেন জোনের কাজ চলছে জানিয়ে বেসরকারী বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বলছেন, দ্রুতই সংকট কেটে যাবে এ খাতের।

দ্য ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল বলেছে, বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে গেলো দুই বছরে পর্যটন খাতের অন্তত পাঁচ কোটি কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। বাংলাদেশেও সে সংখ্যা কয়েক হাজার। 

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

নগরে এসছে শরৎকাল

রিশাদ হাসান

নগরে এসছে শরৎকাল

নগরে এসছে শরৎকাল। সাদা মেঘের ভেলা আর শুভ্র কাশফুলের অনিন্দ্য সৌন্দর্যের কাব্যে-গানে, নগরবাসী খুঁজে নেয়; এক চিলতে সুখ। প্রকৃতির পালাবদলের মাঝে ঋতুরানী শরৎকালকে যেন আলাদা করেই দেখেন সবাই। লিলুয়া বাতাস বা উষ্ণতা, তার মাঝেও যেন এক উৎসব মুখর আনন্দ।

শরতের শারদ সম্ভার সূর্য অরূণ আলোয় জানান দিচ্ছে, প্রকৃতিতে এই সময়টা শুধুই ঋতুরানীর। তাইতো নাগরিক মন চঞ্চল হয়ে উঠতে চায় প্রভাত বেলায়।

শুভ্র কাশফুলে অনেক স্বপ্ন প্রবণ হয়ে উঠতে ইচ্ছে করা সময়টায় কিছুটা সুখ বার্তা নিয়ে আসে নীল আকাশের কার্নিশে ভেসে বেড়ানো পেঁজা মেঘ। জানান দেয় এই শরৎ কবি ও কবিতার।

কালিদাসের মেঘদূতের মত নারীর কাছে মোহনীয় হয়ে ওঠে শরৎ। কখনও কাঁশফুল ছুঁয়ে বা তার উপর শাড়ির ঢেউ তুলে রাবীন্দ্রিক ভঙ্গিমায় হেটে চলা, অথবা জয়নুলের ক্যানভাসে কল্পনার বেসাতী ছুঁয়ে যাওয়ায় চেষ্টা চলে দিনভর।

চর্যাপদ থেকে আধুনিক সমাজ সবখানেই শরৎ ছিলো কবির কবিতায়। নাগরিক জীবনেও তার ব্যাতিক্রম নয়। তরুণ কবিরাও লেখেন শরৎ বন্দনা।

আরও পড়ুন


সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’, দেশে ভারী বৃষ্টির আভাস

অবসান ঘটতে যাচ্ছে আঙ্গেলা ম্যার্কেলের

শিশু সন্তানকে জবাই করে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, আটক মা


ভুলে যাওয়া গানের কলির মত অনেকের সময়টা কাটে নদীর পাশে। গিটারের টিউন পাল্টে যায় যেন অনায়েসে। গায়ক আওড়াতে থাকেন চিরচেনা সেই সুর।

প্রকৃতির এত উপকরণের মাঝে অনেকে খুঁজে নেন এক চিলতে সুখ, যা কখনও ফ্রেমবন্দী হয়, আবার কখনও ভাগাভাগি হয় প্রিয়জন বা পরিবারের সঙ্গে। 

news24bd.tv রিমু

পরবর্তী খবর

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

সুকন্যা আমীর

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

পৃথিবীর পাঠশালার অন্যতম এক ছাত্র ছিলেন সৈয়দ শামসুল হক। তাঁর লেখনীর অন্যতম বিষয়বস্তুই ছিলো মানুষ। দীর্ঘ সাহিত্য জীবনে তিনি তাঁর সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রেখে গেছেন কবিতা, গল্প, উপন্যাস নাটকে। তাঁর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকীতে নিউজ টোয়েন্টিফোরের শ্রদ্ধা।

ভবিষ্যতের লক্ষ্য তিনি ঠিক করেছিলেন কৈশোরেই। অকপটে বাবাকেও জানিয়েছিলেন সে কথা। সেই জেদের প্রমাণ মেলে তাঁর লেখনীতে। তিনি সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, কিংবা অনুবাদে তিনি বাংলা সাহিত্যকে করেছেন সমৃদ্ধ। সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে স্বৈরতন্ত্র জায়েজ কথাটি, তাঁরই মুখে মানায়।

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান বলেন, 'শামসুল হক কবিতাকে অবলম্বন করে কাব্যভাষায় নাটক লিখেছিলেন। এর আগে অন্য কেউ তা করে নি।'

তিনি আরও বলেন, সৈয়দ শামসুল হকের তুলনা কেবল তিনিই। বিশ্ব সাহিত্যের সাথে তার একটা ভালো যোগাযোগ ছিলো বলেও জানান আতাউর রহমান। 

আরও পড়ুন


বজ্রপাত থেকে বাঁচতে ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প, ২৩ জেলায় এক হাজার ছাউনি

আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’, দেশে ভারী বৃষ্টির আভাস

অবসান ঘটতে যাচ্ছে আঙ্গেলা ম্যার্কেলের

শিশু সন্তানকে জবাই করে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, আটক মা


সব্যসাচীর লেখনীর মূল উপজীব্যই ছিলো মানুষ। আর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিতে চেয়েছিলেন শিল্পের স্বাদ। 

সৈয়দ হকের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস দেয়ালের দেশ। গণনায়ক, ঈর্ষা, নীল দংশন কিংবা হ্যামলেটের অনুবাদ এই বইগুলো আজও পাঠকের হাতে।  

সাহিত্যের এই বাজিকরের জন্ম ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জীবনের পাঠ চুকিয়ে আলিঙ্গন করেন মৃত্যুকে। তবুও পরাণের গহীন ভিতর বাস করবেন তিনি।

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

দখল দূষণে মৃত দেশের অর্ধেক নদী, বিপন্ন হচ্ছে পরিবেশ

অনলাইন ডেস্ক

নদীমাতৃক বাংলাদেশে ভালো নেই নদ-নদী। মানুষের দখল আর আবর্জনার দূষণে বেশিরভাগ নদীর বেহাল অবস্থা। দক্ষিণের জেলাগুলোর অর্থনৈতিক শক্তির প্রধান অনুষঙ্গ নদী হলেও, সেখানে নানাভাবে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। উত্তরের নদীগুলোর ব্যাপ্তিও ধীরে ধীরে কমছে। দূষণে খারাপ অবস্থা রাজধানীর আশপাশে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসেবে বরিশাল বিভাগে নদীর সংখ্যা অর্ধশতাধিক। তবে এই সংখ্যা কমে গেছে গেল দুই থেকে তিন দশকে। সন্ধ্যা, সুগন্ধা, আড়িয়াল খাঁ, ধানসিড়িসহ বেশ কয়েকটি নদীর বিভিন্ন শাখা নদী প্রায় মরে গেছে। বড় নদীগুলোয় চর জেগে সংকুচিত হচ্ছে। এতে এই অঞ্চলের পরিবেশের ওপর প্রভাব পড়ছে বলে জানান পরিবেশবাদীরা।

রাজশাহীর পদ্মা একসময় পরিচিত ছিলো তার ভয়াল রূপের জন্য। এখন পদ্মার বুকে জেগে থাকা চর দেখলে নদীর করুণ দশার কথাই মনে আসে আগে। এছাড়া মানুষ সৃষ্ট আবর্জনার জন্য দূষিত হচ্ছে পানি। মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণির জন্য যা ক্ষতিকর।

দূষণ রোধের জন্য ট্যানারি শিল্প রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে সরিয়ে সাভারের তেতুলঝোড়ায় নেয়া হয়। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ট্যানারির বর্জ্যে ধলেশ্বরী মারাত্মক দূষণের শিকার।

আরও পড়ুন:


বিমানবন্দরে শুরু আরটি-পিসিআর ল্যাবের কার্যক্রম

নির্মাণশৈলী ও রাতে নৈসর্গিক দৃশ্য দেখতে পায়রা সেতুতে পর্যটকদের ভিড়

কাল লাখ লাখ অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বন্ধ হয়ে যাবে!

জাপার ফিরোজ রশীদের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলের অভিযোগ, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত


নদী ও এর আশপাশে সম্পত্তি সরকারের। এগুলোর দখল হয় প্রকাশ্যে। নদী দখল নিয়ে নানা মহলে সচেতনতার কথা বলা হলেও, এটি কমছে না। সংশ্লিষ্ট সচেতন মহল এজন্য দখলকারীদের সঙ্গে সরকারী কর্মকর্তাদেরও দায়ী করেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর