টাকা চাওয়ায় ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে পেটালো ঢাবি ছাত্রলীগ নেতা

অনলাইন ডেস্ক

টাকা চাওয়ায় ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে পেটালো ঢাবি ছাত্রলীগ নেতা

ছাত্রলীগ নেতা রবিউল ইসলাম রবি। ছবি: ফেসবুক

ছাত্রলীগ নেতা রবিউল ইসলাম রবি পূর্বে বিভিন্ন সময় ঝালমুড়ি খেয়ে টাকা দেননি। সেই বকেয়া টাকা চাওয়ায় ছাত্রলীগ নেতা ঝালমুড়ি   বিক্রেতাকে মারধর করে। বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা রবিউল ইসলাম রবি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মীর আরশাদুল হক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লেখেন, রবিউল ইসলাম রবি নামের ওই ছাত্রলীগ নেতা জনতা ব্যাংক টিএসসি শাখার সামনে একজন ঝালমুড়ি বিক্রেতার জামার কলার ধরে মারতে উদ্যত হন। তিনিসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত আশপাশের বেশ কয়েকজন ওই ছাত্রলীগ নেতাকে থামাতে যান। কিন্তু অভিযুক্ত নিজেকে ছাত্রলীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট পরিচয় দিয়ে বলেন, এটা অন্যদের দেখার বিষয় না।

ওই ঝালমুড়ি বিক্রেতা জানান, ছাত্রলীগ নেতা রবিউল ইসলাম রবি পূর্বে বিভিন্ন সময় তার কাছ থেকে ঝালমুড়ি খেয়ে টাকা দেননি। বকেয়া টাকা চাওয়ায় ছাত্রলীগ নেতা তাকে মারধর করেছে।

ঝালমুড়ি বিক্রেতা বলেন, আমার কোনো অপরাধ নেই।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ঝালমুড়ি বিক্রেতার সঙ্গে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে ছাত্রলীগ নেতা রবিউল ইসলাম উত্তেজিত হয়ে যান। পূর্বের পাওনা টাকার প্রসঙ্গ কেন তোলা হচ্ছে এই কথা বলে তিনি ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে সাজোরে থাপ্পড় ও ঘুষি মারেন।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন বলেন, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে যেভাবে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করব। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ডেমরায় হাত-পা বাঁধা ও গলায় রশি পেঁচানো যুবকের মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ডেমরায় হাত-পা বাঁধা ও গলায় রশি পেঁচানো যুবকের মরদেহ

রাজধানীর ডেমরার আমুলিয়ায় হাত-পা বাঁধা ও গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন:


টাকার অভাবে বাঁচানো গেল না শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্মানো শিশুটিকে

কিশোরীকে স্বামীর ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে বাইরে পাহারা দেয় স্ত্রী

গাড়িচাপা দেওয়া ইসরাইলি ২ পুলিশের অবস্থা আশঙ্কাজনক

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির বর্ণনা দিল ২ ছাত্রী

শেখ রুহুল আমিন, ঝিনাইদহ

শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির বর্ণনা দিল ২ ছাত্রী

ঝিনাইদহের মহেশপুরে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় শ্রেণির দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার নেপা ইউপির ছলেমানপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি একই উপজেলার ছলেমানপুর উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত আনসার আলী বিশ্বাসের ছেলে ও ছলেমানপুর কওমি দারুল উলম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক।

স্থানীয়রা জানান, ওই শিক্ষক বিবাহিত, তার একটি ছেলে সন্তান ও রয়েছে। ঘটনা জানাজানির পর থেকে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা হাসানুজ্জামান পলাতক।

ভুক্তভোগী দুই ছাত্রীরই বয়স ১০ বছর।

এই বিষয়ে ভুক্তভোগী বলেন, ১৫ দিন আগে হাসান স্যার আমাকে স্যারের বাড়ি থেকে ভাত নিয়ে আসাতে বলে। স্যারের বাসা মাদ্রাসার সাথেই। স্যারের বাসা থেকে ভাত আনতে গেলে স্যারও আমার পেছন পেছন বাড়ি যায়। আমি দেখি স্যারের বাসায় কেউ নেই। তখন চলে আসতে চাইলে স্যার আমাকে হাত ধরে কাছে টেনে নেয়। এরপর আমাকে জড়িয়ে ধরে খাটে নিয়ে শরীরের উপরে ওঠে। পরে আমি কান্না করলে আমাকে ছেড়ে দেয় ও বলে এই কথা কাউকে বললে প্রাণে মেরে ফেলব। আমি ভয়ে কাউকে বলিনি। একইভাবে এমন ঘটনার বর্ণনা দেয় আরেক ছাত্রী। মরিয়ম ঘটনাটি তার পরিবারকে জানায়।

আরও পড়ুন:


টাকার অভাবে বাঁচানো গেল না শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্মানো শিশুটিকে

কিশোরীকে স্বামীর ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে বাইরে পাহারা দেয় স্ত্রী

গাড়িচাপা দেওয়া ইসরাইলি ২ পুলিশের অবস্থা আশঙ্কাজনক

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?


এই ব্যাপারে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক হাসানুজ্জামানের বাড়িতে যোগাযোগ তাকে পাওয়া যায়নি এবং তার ফোন নাম্বারটিও পরিবারের কেউ দেয়নি।

ঘটনাটি সম্পর্কে ভুক্তভোগী দুই ছাত্রীর অবিভাবক জানান, আমরা এর বিচার এবং লম্পট শিক্ষক হাসানুজ্জামানের শাস্তি চাই।

মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম জানান, এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

অ্যাম্বুলেন্সে ৩১ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ২

মাসুদা লাবনী

অ্যাম্বুলেন্সে ৩১ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ২

রোগী পরিবহনের নামে অ্যাম্বুলেন্সে গাঁজা পাচারকালে দুই কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

আজ রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় অ্যাম্বুলেন্স থেকে ৩১ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়। অ্যাম্বুলেন্সটি আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মায়ের কাছে না নিয়ে তরুণীকে নেওয়া হয় রাবারবাগানে!

অনলাইন ডেস্ক

মায়ের কাছে না নিয়ে তরুণীকে নেওয়া হয় রাবারবাগানে!

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় চারজনকে আসামি করে মামলা করেছেন সেই পোশাককর্মী। অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজন ধর্ষণে জড়িত ও একজন সহযোগিতাকারী।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে ভূজপুর থানার দাঁতমারা ইউনিয়নে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে সূত্রের বরাত দিয়ে জানান ফটিকছড়ি থানার দাঁতমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ গোলাম আফছার।

তিনি বলেন, ভিকটিম চারজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। এরমধ্যে তিনজন ধর্ষণে জড়িত ও একজন ধর্ষণে সহযোগিতা করেছেন। এ ঘটনায় জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ওই তরুণীকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ওই পোশাককর্মীর বাড়ি খাগড়াছড়িতে। তিনি ফটিকছড়িতে বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে স্থানীয় মো. আরিফ হোসেনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।

আরও পড়ুন:


টাকার অভাবে বাঁচানো গেল না শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্মানো শিশুটিকে

কিশোরীকে স্বামীর ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে বাইরে পাহারা দেয় স্ত্রী

গাড়িচাপা দেওয়া ইসরাইলি ২ পুলিশের অবস্থা আশঙ্কাজনক

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?


পরে আরিফ হোসেন তরুণীকে তার মায়ের কাছে নিয়ে যাবে বলে সোমবার পূর্ব সোনাই ভাওন্তির পাশে রাবারবাগানের ভেতরে নিয়ে যায়। পরে আরিফ হোসেনসহ তার তিন বন্ধু মিলে ওই তরুণীকে দলবেধে ধর্ষণ করে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

শিশুকন্যাকে সূচ ফুটিয়ে হত্যা! মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক

শিশুকন্যাকে সূচ ফুটিয়ে হত্যা! মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ

ভারতের পুরুলিয়ায় সাড়ে ৩ বছরের শিশুর শরীরে সূচ ঢুকিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেছিল মা এবং তাঁর প্রেমিক। সেই ঘটনার ৪ বছর পর ফাঁসি হল দুই অভিযুক্ত মঙ্গলা গোস্বামী এবং তাঁর প্রেমিক সনাতন ঠাকুরের। পুরুলিয়া জেলা আদালত আজ মঙ্গলবার দুই অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। প্রায় সাড়ে ৪ বছর ধরে চলেছে এই মামলার বিচারকার্য।

সোমবার এই মামলায় মঙ্গলা গোস্বামী এবং সনাতন ঠাকুরকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। কিন্তু সেই দিন রায় স্থগিত রাখা হয়। এই নৃশংস এবং বিরল অপরাধের জন্য ফাঁসির দাবি করে সরকারি আইনজীবী। সেই দাবিই কার্যকর করেআদালত।

২০১৭ সালে ওই শিশুর মৃত্যু হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। চিকিত্‍সা চলাকালীন সেই শিশুর এক্সরে রিপোর্ট দেখে হতবাক হয়ে যায় পুলিশ-সহ চিকিত্‍সকদের। দেখা যায় খুদের নিম্নাঙ্গ-সহ শরীরের একাধিক জায়গায় সূচ ফুটে রয়েছে । কীভাবে সেই সূচ শিশুকন্যার শরীরে ঢুকল তার সদুত্তর দিতে পারেনি মা। এতেই সন্দেহ হয় পুলিশের। জেরায় মঙ্গলা জানায়, তিনি সনাতনের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করতেন। সেই সনাতন তাঁর সন্তানের উপর অত্যাচার করেছে। এরপর সনাতনকে গ্রেফতার করে জেরা করতেই রহস্য ফাঁস হয়।


আরও পড়ুন

পুলিশের পোশাকে টিকটক ভিডিও শেয়ারে নিষেধাজ্ঞা

সুদানে ষড়যন্ত্রকারীদের শনাক্ত করা হয়নি

বঙ্গবন্ধুর নামে জাতিসংঘের বাগানে বেঞ্চ উৎসর্গ


জানা যায়, ওই শিশুর মা-ই এই নৃশংসতার নেপথ্যে। নিজের প্রেমিকের সঙ্গে একযোগে পথের কাঁটা দূর করেছেন মঙ্গলা গোস্বামী। যাকে যুক্ত ছিল সনাতন ঠাকুরও। যদিও ফাঁসির সাজা শুনেও নিজেকে নিরপরাধ দাবি করে মঙ্গলা। তবে নীরব ছিল সনাতন।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর