দুর্ভোগের সমাধানে চলছে প্রতিশ্রুতি

জলাবদ্ধতার সাথে মশা, ব্যাঙ বিষাক্ত প্রাণীর সাথে বসবাস

তালুকাদার বিপ্লব:

চারদিকে জলাবদ্ধতায় বেহাল দশা তার সাথে প্রতিনিয়ত মশা, ব্যাঙ বিষাক্ত প্রানীর সাথে বসবাস। বছরের পর বছর ধরে এমন দুর্ভোগের সমাধানে চলছে প্রতিশ্রুতি। তবু জলমগ্ন রাস্তার বেহাল দশা কাটছেনা, হচ্ছে না কোন সমাধান। 

ফলে এক দশকের দুর্ভোগের চিত্রও হয়নি বদল। এমন অভিযোগ ঢাকা উত্তর সিটি কপোরেশনের ৪৯ নাম্বার ওয়াড দক্ষিনখান গাওয়াইন স্কুল রোড বাসিন্দাদের। তবে অঙ্গীকার রক্ষা করে এই বছরই সমস্যার সমাধান হবে বলে জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। 

চারদিকে নর্দমার পানি আর খানাখন্দ দেখে বুঝার উপায় নেই এটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কোন রাস্তা। এই চিত্র ঢাকা উত্তর সিটি কপোরেশনের ৪৯ নাম্বার ওয়াড এর দক্ষিন খান গাওয়াইন স্কুল রোড এলাকার।

প্রায় অধ লক্ষাধিক পরিবারের ব্যবহারের এই রাস্তাটির আশে পাশে নেই কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা। ফলে একটু বৃষ্টি হলে দূরগন্ধযুক্ত কোমড় পানিতেই বসবাসের এই নিয়তি। 

শুধু কি তাই নয়  জলাবদ্ধতার কবল থেকে মুক্তি পেতে বাসাবাড়ি ছেড়ে দিয়ে অন্যত্র ভাড়া থাকছেন অনেকে। বৃস্টির পানিতে বাসা-বাড়ি দখল নিয়েছে মশা,ব্যাঙ এবং বিষাক্ত সাপ এর মতো প্রানীরা। 

পরিস্থিতি জানেন এবং নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন স্থানীয় ওয়াড কাউন্সিলর। একই সাথে এই বছরই সমস্যা সমাধানের আশ্বাসও দেন তিনি।

তবে ভুক্তভোগিদের অভিযোগ জন-প্রতিনিধিদের দেয়া এমন প্রতিশ্রুতি এবারই প্রথম নয়। তবুও প্রত্যাশায় থাকেন, স্বয়ং রাজধানীতেও পোকামাকড়ের সাথে এই দীর্ঘ বসতির, অবসানের। 

আরও পড়ুন:


পর্যটকদের জন্য খুলছে সৌদির দরজা

বাংলাদেশসহ চার দেশে দুবাইগামী ফ্লাইট বন্ধ ৭ আগস্ট পর্যন্ত

স্বামীর পর্নকাণ্ড: মানহানির মামলা নিয়ে শিল্পাকে আদালতের ভর্ৎসনা

হেলেনাকে সম্মানের সঙ্গে ছাড়তে বললেন সেফুদা


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

রাজধানীর পল্লবীতে অটোরিকশা চাঁদা আদায়ের রমরমা বাণিজ্য

আরেফিন শাকিল

রাজধানীর পল্লবীতে অটোরিকশা চাঁদা আদায়ের রমরমা বাণিজ্য

অটোরিকশা চাঁদা আদায়ের রমরমা বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্র এখন রাজধানীর পল্লবী। অটোরিকশার চালকদের কাছে কার্ড বিক্রির নামে মাসে দুই কোটি টাকা চাঁদা আদায় করা হয় পল্লবীর মাত্র দুইটি ওয়ার্ডে। চাঁদাবাজির বিশাল এই বাজার নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রায় সংঘর্ষে জড়ান রাজনৈতিক পরিচয়ের চাঁদাবাজ চক্র। অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

সামাজিক মাধ্যমে ভেসে বেড়ানো এই ছবির ব্যক্তির নাম জনি। যিনি সপ্তাহ দুইয়েক আগে বাউনিয়া বাধ এলাকা থেকে এক রিকশা গ্যারেজ মালিকের কাছ থেকে টাকা বুঝে নিচ্ছেন। সেই টাকা মুলত অটোরিকশা চালানোর অনুমতি দেয়ার বিনিময়ে দিতে হয় গ্যারেজের মালিককে।

পল্লবী-মিরপুর এলাকার অটোরিকশার চালকরা জানান, স্থানীয় ক্ষমতাবানদের কাছ থেকে নেয়া মাসিক ভিত্তিক কার্ড সাথে রেখেই সড়কে নামেন তারা। না থাকলে গাড়ীর তার কেটে দেয় পুলিশ ও স্থানীয় কিছু কিশোর।

পল্লবীতে আনুমানিক ১০ হাজার অটোরিকশা চলে প্রতিদিন। মাসে ১৫০০ টাকার হিসাবে এখান থেকে চাঁদাবাজ চক্র হাতিয়ে নেয় প্রায় দেড় কোটি টাকা।এলাকা নিয়ন্ত্রণের পালাবদলে যার নিয়ন্ত্রক এখন পল্লবীর ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরীর বাপ্পীর অনুসারী মোহাম্মদ আলী আড্ডু।

আরও পড়ুন


সুনামগঞ্জে চলছে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট

টেকনাফে অস্ত্রসহ মাদক কারবারি আটক

চীনকে ঠেকাতে অকাস চুক্তি তীব্র সমালোচনার মুখে

দেশের যেসব এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে


স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশার চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ নেয়াকে কেন্দ্র করে প্রায় অন্তকোন্দলের জড়ান ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা। চলতি মাসের ৪ তারিখ ৩নং ওয়াল্ড কাউন্সিলর জহিরুল ইসলাম মানিকের কার্যালয় ভাংচুর করা হয়। মানিকের দাবি, আদালতের নির্দেশে অটোরিকশার বন্ধ করার উদ্যোগ নেয়ায় আড্ডুর সমর্থকরা হামলা করে।  

চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করে আড্ডু জানান, অটোরিকশা থেকে চাঁদা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে কাউন্সিলর মানিক অটোরিকশা বন্ধ করতে চাইলে ক্ষিপ্ত চালকরা প্রতিবাদ করে।

আগে অটোরিকশা থেকে চাঁদা আদায় হলেও এখন তা বন্ধ রয়েছে দাবি পুলিশের। 

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

মাসে দুই হাজার টাকায় মেলে অবৈধ অটোরিকশা চালানোর লাইসেন্স

আরেফিন শাকিল

অঞ্চল ভেদে মাসে ১২০০ থেকে দুই হাজার টাকায় কেনা কার্ডে মিলে রাজধানীতে অবৈধ অটোরিকশার সড়কে চলার কথিত লাইসেন্স। আর সেই কার্ড মিলে সরকারি কোন দপ্তর নয় বরং ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতার বিশেষ কার্যালয়ে। 

রাস্তায় পুলিশ আর লাইনম্যানদের কার্ড দেখালে অবৈধ অটোরিকশার বৈধতা মিলে। কার্ড আর টোকেন বিক্রি করে দিনে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রবদ্ধ চক্র আর কতিপয় পুলিশ সদস্য। আরেফিন শাকিলের বিশেষ প্রতিবেদনের আজ প্রথম পর্ব।

দেশের স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার পর কোথাও অটোরিকশার এমন দাপট কমার খবর মেলেনি। বরং রাজধানীর অলি-গলি, সড়ক কিংবা মাঝেমধ্যে ভিআইপি সড়কেও নিয়মনীতিহীন এই বিপদজনক যানের দেখা মিলছে। 

অপরিপক্ক চালকের হাতে প্রতিনিয়ত ঘটে দুঘটনা। অথচ বাহনটি চালানোর কথা শুধু বিশেষ চাহিদা সম্পূর্ণ মানুষের। রাজধানীর খিলগাঁওর ত্রিমোহনীতে এনিয়ে কথা হয় অটোরিকশা চালক কবির হোসেনের সাথে। 

শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলেও কম পরিশ্রম ও সময়ে বেশি আয়ে ভরসা অটোরিকশা। তাতে অবশ্য বেশি ভাড়া আদায় হলেও মাস শেষে ঘরে নিয়ে যেতে পারে না সব। কারণটা অবশ্য পরিষ্কার করলেন, রিকাশার গায়ে লাগানো বিশেষ লাইসেন্স কেনার খরচ দেখিয়ে। বিশেষ এই লাইসেন্স ছাড়া বন্ধ থাকে চলাচল।

আরও পড়ুন:


সাদা বাঘিনী ‘শুভ্রা’র ঘরে ডোরাকাটা নতুন অতিথি

তেল ও চিনির দাম বাড়ার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

এবারও গ্রহণযোগ্য পন্থায় নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে: ওবায়দুল কাদের

হতাশায় নিউজিল্যান্ডকে হুমকি দিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান রমিজ রাজা


চাঁদাবাজির টাকা সংগ্রহের বাহক হিসাবে মূলত কাজ করেন অটোরিকশার মালিকরা। গোড়ানের শের আলী তার ২০টি অটোরিকশার জন্য মাসে ১২০০ টাকা হারে ২৪ হাজার টাকার রিসিট কাটেন। তবে কারা সেই টাকা নেন তা বলতে রাজি হননি তিনি। 

প্রকাশ্য না হলেও গোপন প্রক্রিয়ার চাঁদাবাজির চক্রে পুলিশ ছাড়াও ক্ষমতাসীনদলের প্রান্তিক কর্মীর হাত ধরে টাকা পৌঁছে যায় স্থানীয় শীর্ষ জনপ্রতিনিধিদের ঘরেও।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বছর ব্যবধানে দ্বিগুণ পুঁজিবাজারের লেনদেন

সুলতান আহমেদ

বছর ব্যবধানে দ্বিগুণ হয়েছে পুঁজিবাজারের লেনদেন। বাজার মূলধনও প্রায় দেড়গুণ বেড়ে দাড়িয়েছে পৌনে ছয়লাখ কোটিতে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির চেয়ারম্যার অবশ্য বলছেন, দেশের অর্থনীতির হিসেবে এখনো অনেক ছোট পুঁজিবাজারের আকার। 

বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাজারের সম্ভাবনা ছড়িয়ে দিতে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।  তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উর্দ্ধমুখী বাজারের বড় চ্যালেঞ্জ কারসাজি নিয়ন্ত্রণ।
 
বিনিয়োগকারীদের এমন অংশগ্রহণ মনে করিয়ে দেয় ২০০৯ সালকে। এরপর ২০১০ সালের ধস, পুঁজিবাজার থেকে ছিটকে ফেলে দেয় বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীদের। এক যুগ পর আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজার।  

বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাড়িয়েছে ৫ লাখ ৭৪ কোটি টাকা, যা এক বছর আগেও ছিলো ৩ লাখ ৮৬ হাজার কোটি। বছরের ব্যবধানে বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ১৭১ কোটি টাকা, এক বছর আগে যা ছিলো ১১৪৭ কোটি। ডিএসইর প্রধান সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২২৮ পয়েন্টে, এক বছর আগে যা ছিলো ৫১১৬ পয়েন্ট।

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের সম্ভাবনা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে রোড শো করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। কমিশন চেয়ারম্যানের প্রত্যাশা এর ফলে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে।
তবে দুশ্চিন্তার নাম দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানি নিয়ে কারসাজি। উৎপাদন বন্ধ থাকার পরও কোন কোন কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে কয়েকগুণ। বিনিয়োগকারীদের এজন্য সাবধানী হওয়ার পরামর্শ এই বিশেষজ্ঞের। বাজার ভালো রাখতে কেন্দ্রিয় ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্টদের ইতিবাচক মনোভাব চান বিনিয়োগকারীরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

এক যুগ পর আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজার

সুলতান আহমেদ

এক যুগ পর আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজার

বছর ব্যবধানে দিগুণ হয়েছে পুঁজিবাজারের লেনদেন। বাজার মূলধনও প্রায় দেড়গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে পৌনে ছয়লাখ কোটিতে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির চেয়ারম্যার অবশ্য বলছেন, দেশের অর্থনীতির হিসেবে এখনো অনেক ছোট পুঁজিবাজারের আকার। বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাজারের সম্ভাবনা ছড়িয়ে দিতে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উর্দ্ধমুখী বাজারের বড় চ্যালেঞ্জ কারসাজি নিয়ন্ত্রণ।

বিনিয়োগকারিদের এমন অংশগ্রহণ মনে করিয়ে দেয় ২০০৯ সালকে। এরপর ২০১০ সালের ধস, পুঁজিবাজার থেকে ছিটকে ফেলে দেয় বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীদের। এক যুগ পর আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজার।

বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৭৪ কোটি টাকা, যা এক বছর আগেও ছিলো ৩ লাখ ৮৬ হাজার কোটি। বছরের ব্যবধানে বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ১৭১ কোটি টাকা, এক বছর আগে যা ছিলো ১১৪৭ কোটি। ডিএসইর প্রধান সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২২৮ পয়েন্টে, এক বছর আগে যা ছিলো ৫১১৬ পয়েন্ট।

আরও পড়ুন


এখন পর্যন্ত টিকার আওতায় দেশের সাড়ে তিন কোটি মানুষ

নিজেকে কানাডার সরকারের ‘প্রথম বাংলাদেশি মন্ত্রী’ বললেন বিল ব্লেয়ার

জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী

একবার বিদ্রোহী হলে আজীবন নৌকা থেকে বঞ্চিত


বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের সম্ভাবনা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে রোড শো করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। কমিশন চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলামের প্রত্যাশা। এর ফলে বিদেশী বিনিয়োগ বাড়বে।

তবে দুশ্চিন্তার নাম দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানি নিয়ে কারসাজি। উৎপাদন বন্ধ থাকার পরও কোন কোন কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে কয়েকগুন। বিনিয়োগকারীদের এজন্য সাবধানি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ আবু আহমেদ।

বাজার ভালো রাখতে কেন্দ্রিয় ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্টদের ইতিবাচক মনোভাব চান বিনিয়োগকারীরা।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

এখন পর্যন্ত টিকার আওতায় দেশের সাড়ে তিন কোটি মানুষ

রিশাদ হাসান

এখন পর্যন্ত টিকার আওতায় দেশের সাড়ে তিন কোটি মানুষ

দেশে এ পর্যন্ত প্রয়োগ করা হয়েছে করোনার সাড়ে তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন। করোনা সংক্রমণ ৫ শতাংশের নিচে আনতে বিপুল সংখ্যক মানুষকে অল্প সময়ের মধ্যে ভ্যাক্সিনেশনের আওতায় আনতে চায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভ্যাকসিন কার্যক্রমকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নিয়ে দেশব্যাপি ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় নিলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে ভ্যাক্সিনেট করা সহজ হবে।

করোনা সংক্রমণের হার যখন কমতির দিকে তখনই দ্রুততার সাথে স্বল্প সময়ে বেশী সংখ্যক মানুষকে ভ্যাক্সিনেট করতে মরিয়া স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে সিংহ ভাগ মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে হাতে।

তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস শাখার তথ্য বলছে ভিন্ন কথা। চার কোটির কিছু বেশি নিবন্ধনের বিপরীতে এ পর্যন্ত টিকা প্রয়োগ হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন কোটি ডোজ। ৮০ শতাংশ মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন কার্যক্রমের বিকল্প কি হবে তা ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগকে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশব্যাপি টিকা প্রয়োগের ব্যাপক ক্যম্পেইন পরিচালনার পাশাপাশি পুনরায় শুরু করতে হবে গণটিকা কার্যক্রম।

আরও পড়ুন


নিজেকে কানাডার সরকারের ‘প্রথম বাংলাদেশি মন্ত্রী’ বললেন বিল ব্লেয়ার

জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী

একবার বিদ্রোহী হলে আজীবন নৌকা থেকে বঞ্চিত

নীলফামারীতে নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩


২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা. আয়শা আক্তার বলছেন, একদম যারা বয়স্ক গ্রামে থাকেন জানতে পারছেন না তাদের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করাতে পারেন।

অন্যদিকে কোভিড-১৯ জাতীয় কমিটির সদস্য ডা. এম এ আজিজ বলছেন, গণটিকা কার্যক্রম চালু না করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ইপিআই সেবা কার্যক্রম চালু করলে বেশী মানুষকে আনা যাবে টিকাও আওতায়।

যদিও বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকা দিতে আগামী সপ্তাহ থেকে ক্যাম্পেইন শুরু করতে চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে। তবে তা আটকে আছে কেন্দ্র নির্বাচন ও বিকল্প উপায় নির্ধারণে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর