দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে জনস্রোত

শফিকুল ইসলাম শামীম, রাজবাড়ী প্রতিনিধি:

দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে জনস্রোত

গণপরিবহন বন্ধ। রোববার থেকে খোলা থাকবে রপ্তানিমুখি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠান মালিকদের কঠোর নির্দেশ। রোববার কাজে যোগ দিতে হবে। সুতরাং কাজ রক্ষাতে, কাজে যোগ দেওয়ার জন্য ছুঁটছে কর্মমুখি মানুষ। 

মহাসড়কে গণপরিবহন না থাকায় পায়ে হেঁটে, ট্রাক, অটোটেম্পু সহ ইঞ্জিন চালিত যানবাহনে ওপর নির্ভর করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মমুখি হচ্ছে দক্ষিণ পশ্চিঞ্চলের ২১ জেলার সাধারণ মানুষ। গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

আজ শনিবার সকালে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট এলাকায় গিয়ে ঘাট সংশ্লিষ্ট এবং এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া হয়।  

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট অফিস সূত্রে জানা যায়, লকডাউন চলমান সময় পণ্যবাহী ট্রাক ও জরুরি যানবাহন নদী পারাপার করার জন্য ৩টি ছোট ও ৩টি বড় ফেরি পালাক্রমে চলাচল করছে। কিন্ত ঢাকামুখি যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ থাকার কারণে শনিবার সকাল থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৪টি ছোট বড় ফেরি চলাচল করছে। তবে এই নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে।
  
এ সময় পাংশা থেকে ঢাকাগামী এক নারী বলেন, হঠাৎ অফিসের ফোন। মোবাইল ধরতে উপর পাশ থেকে বলা হলো রোববার অফিস। যেভাবে পারো ঢাকা চলে আসো। কিন্ত রাস্তায় তো গাড়ি নেই। তাহলে আমরা কিভাবে ঢাকায় যাব। বাধ্য হয়ে ভ্যানে পাংশা থেকে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের উদ্দ্যোশে এসেছি। ভ্যান চালক পুলিশের ভয়ে ফেরি ঘাটের ৩কিলোমিটার দূরে নামিয়ে দেওয়ার কারণে পায়ে হেঁটে আসতো হলো। 

তিনি আরও বলেন, দুর্ভোগের কথা কিভাবে বুঝাব। কোলের শিশু বাচ্চা নিয়ে অনিশ্চয়তার পথে। কখন, কিভাবে যাব এর নিশ্চয়তা নেই। এর চেয়ে দুর্ভোগ আর কি?

কামারখালী থেকে ঢাকাগামী এক পোশাক শ্রমিক বলেন, কর্ম বাঁচাতে ঢাকামুখি। ঘরে বসে থাকলে কি আর কর্ম থাকবে। সুতরাং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকার পথে। সকাল ৭টার সময় বাড়ি থেকে বের হয়েছি। এখন ১২টা, তবুও ফেরি পার হতে পারি নাই। 

তিনি আরও বলেন, সহজে ফেরি পার হতে পারলেও পাটুরিয়া ঘাট থেকে কিভাবে যাব এই চিন্তা করছি।  

কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী এক নারী বলেন, সরকারের এমন সিদ্ধান্ত সাধারণ ঢাকামুখি মনুষের দুর্ভোগ ছাড়া কিছু নয়। তিনি বলেন, ইচ্ছা করলে তো ঢাকায় চলে যাওয়া যায় না। রপ্তানীমুখি প্রতিষ্ঠান গুলো খুলে দেওয়া হলো এর সাথে গণপরিবহন খুলে দিলে ঢাকা মুখি মানুষের কষ্ট কিছুটা কমে আসতো। 

নাসিফ নামের এক যাত্রী বলেন, সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে। শুধু গণপরিবহন ছাড়া। সব কিছু যেহেতু খুলে দিলেন সেই সাথে গণপরিবহন খুলে দেওয়া প্রয়োজন ছিল। গণপরিবহন খুলে না দেওয়া ঢাকামুখি যাত্রীদের দুর্ভোগ ২/৩ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। সাথে অতিরিক্ত টাকাও ব্যয় হচ্ছে। 

বাংলাদেশ অভ্যান্তরীন নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. শিহাব উদ্দিন জানান, রপ্তানিমুখি প্রতিষ্ঠান গুলো খুলে দেওয়ার কারণে দৌলতদিয়া ঘাটে ঢাকা মুখি যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ রয়েছে। তবে ফেরি পারের অপেক্ষায় কোন প্রকার যানবাহন নেই। 

আরও পড়ুন:


জলাবদ্ধতার সাথে মশা, ব্যাঙ বিষাক্ত প্রাণীর সাথে বসবাস

দক্ষিণের পথে পথে ঢাকামুখি মানুষের স্রোত

বগুড়ায় করোনা ও উপসর্গে ৯ জনের মৃত্যু

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ১২ দিন পর চালু


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

দুর্ভোগে পড়েছে পথচারীরা

জামালপুরে যত্রতত্র অবৈধ সিএনজি স্ট্যান্ড

তানভীর আজাদ মামুন , জামালপুর

জামালপুরে যত্রতত্র অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে সিএনজি স্ট্যান্ড। শহরের ব্যস্ততম সড়কগুলোর পাশে সিএনজি দাড় করিয়ে যাত্রী উঠানামা করায় দুর্ভোগে পড়েছে পথচারীরা। পৌর মেয়র বলছে, সিএনজি স্ট্যান্ড অন্যত্র স্থানান্তরের জন্য এরই মধ্যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

জামালপুর শহরের  সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকা গেইটপাড়, পাঁচ রাস্তার মোড়, ফৌজদারি মোড়, বসাকপাড়া ও ভোকেশনাল মোড়ে গড়ে উঠেছে পাঁচটি অবৈধ সিএনজি স্ট্যান্ড। এতে সড়ক সংকীর্ণ হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবে অন্যান্য যানবাহন চলাচল করতে পারে না। আবারও যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠা-নামা করায় যানজটেরও সৃষ্টি হয়। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ পথচারীরা।

আরও পড়ুন


ওবায়দুল কাদের কোন নেতা নয়, সে তার স্ত্রীর কথায় চলে: কাদের মির্জা

লক্ষ্মীপুরে খোঁজ মিলছে না দুই কিশোরীর

আশুগঞ্জে অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় দুই চালকল শ্রমিক নিহত

তিস্তার সব গেট খুলে দেওয়ায় বড় বন্যার আশঙ্কা


পৌর মেয়র জানান, সিএনজি স্ট্যান্ডগুলো শহর থেকে সরিয়ে নিতে সিএনজি মালিক, চালক ও শ্রমিকদের সাথে কথা হয়েছে, তারা কিছুদিন সময় চেয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরিয়ে না নিলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

 জনদুর্ভোগ কমাতে সিএনজি স্ট্যান্ড অন্যত্র সরিয়ে নিতে সব ধরণের পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন এমন দাবি এলাকাবাসীর।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

ঢাকা-উত্তরবঙ্গ সড়কে এমন যানজট দেখেনি কেউ

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা-উত্তরবঙ্গ সড়কে এমন যানজট দেখেনি কেউ

সিরাজগঞ্জের নলকা সেতুর কিছু অংশ ভেঙে যাওয়া ও সেখানে মাত্র একপাশ দিয়ে যান চলাচল করায় ঢাকা-উত্তরবঙ্গ মহাসড়কের ৫০ কিলোমিটারও বেশি যানজট দেখা দিয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন লাখ লাখ যাত্রী। আটকা পরেছে অন্তত ২০ হাজারের বেশি যানবাহন।

হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যানজট একদিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থেকে নলকা সেতু হয়ে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের চান্দাইকোনা পেড়িয়ে বগুড়ার দিকে, ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের কাছিকাটা ১০ নম্বর সেতু পার হয়ে নাটোরের দিকে ও ঢাকা-পাবনা মহাসড়কেও এই যানজট ছড়িয়ে গেছে। এতে কম করে ৫০ কিলোমিটার মহাসড়কে যানজট রয়েছে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে গোলচত্বর এলাকার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) রফিকুল ইসলাম বলেন, যানজট একদিকে টাঙ্গাইল ও অন্যদিকে নাটোর-বগুড়া জেলার মধ্যে পৌঁছে গেছে। তবে আমরা যানজট নিরসনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।

এদিকে গতকাল রাত ২টা থেকে এখনো একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে হাজার হাজার যানবাহন। যার ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন লাখো যাত্রী। ভোগান্তি পৌঁছে গেছে চরমে।

পেশাগত কাজে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া যাওয়ার পথে গতকাল রাত ২টায় বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কের মুলিবাড়ি এলাকায় আটকে পড়েছেন প্রকৌশলী মোস্তাকিম।

আরও পড়ুন:


আওয়ামী লীগ বলেছে, তারা সেদিকে যাবে না: ফখরুল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইপিএল নিয়ে জুয়া, ৩ জনের সাজা

কুমিল্লার ঘটনায় যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিনি জানান, ‘রাত ২টার দিকে এখানে বাস দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত একটুও আগাতে পারেনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের মহাসড়কেও এমন যানজট ও দুর্ভোগ কখনো দেখিনি। যাত্রীরা সবাই ভোগান্তিতে আছেন।’ এছাড়াও দীর্ঘ সময় মহাসড়কে আটকা পড়ে যাত্রীদের খুদা নিবারণে একমাত্র ভরসা এখন মহাসড়কের অস্থায়ী ফেরিওয়ালারা। কিন্তু এই যানজটের ভোগান্তি থেকে আপাতত রক্ষা পাওয়ারও কোনও আশা দেখছেন না তারা।

ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) রফিকুল ইসলাম বলেন, নলকা সেতু ভেঙে যাওয়ায় সেতুর একপাশ দিয়ে যান চলাচল করাতে হচ্ছে। এতে একদিকের গাড়ি বন্ধ রেখে আরেক দিকের গাড়ি চালাতে হচ্ছে। এছাড়াও সেতুর আশেপাশের মহাসড়ক ভেঙে ভেঙে ছোট-বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। ফলে গাড়ি চাইলেও জোরে চলতে পারে না। মূলত এই কারণেই যানজট।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে দীর্ঘ যানজট

অনলাইন ডেস্ক

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে দীর্ঘ যানজট

ঘাটের ড্রেজিং কাজ চালু থাকায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফোরিঘাটের দৌলতদিয়া প্রান্তে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।

এর ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে দক্ষীণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীরা। দৌলতদিয়া প্রান্তে ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া ঘাট এলাকার প্রায় ৭ কিলোমিটার অংশ জুড়ে যাত্রীবাহী বাস, কাচা পণবাহী ট্রাক এবং কাভার্ডভ্যানসহ ব্যক্তিগত গাড়ির জট রয়েছে।

আরও পড়ুন:


১ লাখ ২৫ হাজার অবৈধ মোবাইল ফোন বন্ধ করল বিটিআরসি

প্রধান শিক্ষককের বিরুদ্ধে শিক্ষিকা ধর্ষণের অভিযোগ !

শত বছর চেষ্টার পর ম্যালেরিয়ার ভ্যাকসিন অনুমোদন

ভাঙা মোবাইল নিয়ে গেল খুনির কাছে


যশোর থেকে কাচা পণ্য নিয়ে আসা ট্রাকচালক বলেন, ‘গত রাত ১টার সময় ফেরীঘাটে আসলেও এখনো ফেরিতে উঠতে পারি নাই। ঘাটের ড্রেজিং কাজ চলায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘাটে কিছু হলেই আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এই নৌপথে আরও ফেরি ও ঘাটের সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন।’

ফরিদপুর থেকে আগত আরেক ট্রাকচালক বলেন, ‘এই দীর্ঘ জটে  আমাদের ভোগান্তির শেষ নাই। এই নৌপথে এমন জট মাঝে মাঝেই দেখা যায়। এখানে ফেরি ও ঘাটের সংখ্যা বাড়াতে হবে।’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডাব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. শিহাব উদ্দিন (বাণিজ্য) জানান, ঘাটের ড্রেজিং কাজ চলার কারণে যানবাহন পারাপারে একটু সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তবে সেটি নিরসনের জন্য কাজ করা হচ্ছে।

এখন ২০টি ফেরির চলাচল করছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস ও কাঁচাপণ্যবাহী ট্রাক পারাপার করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে দ্রুত সময়ে এই যানজট কেটে যাবে।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ

অনলাইন ডেস্ক

পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ

অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ রয়েছে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায়। ঘাট পয়েন্টে ছোট বড় পরিবহন ও পণ্যবোঝাই ট্রাকসহ পারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় আট শতাধিক যানবাহন। এ অবস্থায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী পরিবহন পার করা হলেও আটকে আছে সাধারণ পণ্য বোঝাই ট্রাক।  

আজ শুক্রবার (১ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১১টার দিকে পাটুরিয়া ঘাট পয়েন্টে যানবাহনের চাপের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিআইডব্লিউটিসি ও পুলিশ প্রশাসন।  

পাটুরিয়া দুটি ট্রাক ট্রার্মিনালে ৫ শতাধিক, ওজন স্কেলের সামনে আরো দেড় শতাধিক এবং উথুলী সংযোগ মোড়ে আটকে আছে শতাধিক পণ্য বোঝাই ট্রাক এছাড়া যাত্রীবাহী পরিবহন আছে শতাধিক।  

শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ কবির বলেন, পাটুরিয়া ঘাট পয়েন্টে যানবাহনের বাড়তি চাপের কারণে উথুলী সংযোগ মোড়ে বেশ কিছু সাধারণ পণ্য বোঝাই ট্রাক আটকে রাখা হয়েছে। তবে ঘাট এলাকায় যানবাহনের চাপ কমে এলে পুনরায় ঘাট অভিমুখে ওই ট্রাকগুলো পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন


দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের পর হত্যা, দুই আসামির ফাঁসি সোমবার

প্রবাসীর সঙ্গে ইমোতে প্রেমের সম্পর্ক, দেশে ফিরেই ধর্ষণ!

নিজের শারীরিক জটিলতা নিয়ে মুখ খুললেন তামান্না

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় ঘটকালি, পেশা হিসেবে নিচ্ছেন অনেকেই


পাটুরিয়া ঘাট পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের দ্বায়িত্বরত কর্মকর্তা (টিআই) রফিকুল ইসলাম জানান, সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়াতে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ পড়েছে তবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী পরিবহনগুলোকে পার করা হচ্ছে। যাত্রীবাহী পরিবহনের চাপ কমে আসলে পণ্যবাহী ট্রাক পার করা হবে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) পাটুরিয়া ঘাট পয়েন্টের বাণিজ্য বিভাগের ব্যবস্থাপক আব্দুল সালাম বলেন, শুক্রবার হওয়ায় যানবাহনের কিছুটা বাড়তি চাপ রয়েছে। 

দুটি ট্রাক ট্রার্মিনাল ও ওজন স্কেলের সামনে কয়েক শতাধিক ট্রাক ও শতাধিক যাত্রীবাহী পরিবহন পারের অপেক্ষায় আছে। মানুষ ও যানবাহন পারাপারের কাজে বর্তমানে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ১৮টি ফেরি নিয়োজিত আছে বলে জানান তিনি।  

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

আজ যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না

অনলাইন ডেস্ক

আজ যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না

গ্যাস পাইপ লাইনের জরুরি মেরামত কাজের জন্য আজ বৃহস্পতিবার বিভিন্ন এলাকায় দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মোট ৯ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সিদ্ধিরগঞ্জ সিজিএস গ্যাস পাইপ লাইনের জরুরি মেরামত কাজের জন্য আজ ৩০শে সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শ্যামপুর, কদমতলী, কেরানীগঞ্জ, পাগল, ফতুল্লা, দেলপাড়া, ভুইগর, জালকুড়ি, কুতুবপুর, আদমজী ইপিজেড, সিদ্ধিরগঞ্জ, মিজমিজি, সাহেবপাড়া এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। সেই সঙ্গে আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করতে পারে।

আরও পড়ুন:


ধামাকার অ্যাকাউন্টে ৭৫০ কোটি টাকার লেনদেন

‘হাত-পা বেঁধে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে’ হত্যা করে ভবন মালিককে

লাশের পকেটে পাওয়া গেল ৩৮ লাখ টাকার লটারির টিকেট


গ্রাহকদের এমন সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষ থেকে।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর